দৃঢ়তা ও ধৈর্য
জিহাদে কামিয়াবীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক শর্ত হল জিহাদের ময়দানে দৃঢ়তা ও ধৈর্য্য প্রদর্শন করা। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন;
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা কোন দলের মুখোমুখি হও, তখন অবিচল থাক, আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হও।” সূরা আল-আনফাল, আয়াতঃ ৪৫
হক-বাতিলের প্রত্যক্ষ যুদ্ধের মুহূর্তেও আল্লাহকে পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসাসহ স্মরণ করতে হবে। কারণ অন্তর ও মুখে আল্লাহর নামোচ্চারিত হলে নিজেকে অসহায় মনে হবে না, এর ফলে নিজের মাঝে অভাবনীয় বীরত্ব ভর করবে।
তজ্জন্যই আল্লাহ তায়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাহাবায়ে কেরামের সাথে পরামর্শের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনিও আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছেন। মহান রাব্বুল আলামীন নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন এই বলে;
“হে মুমিনগণ, তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর ও আনুগত্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বের অধিকারীদের।” সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৯
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে তো আল্লাহর আনুগত্য করল এবং যে আমার অবাধ্যতা করল, সে তো আল্লাহর অবাধ্যতা করল। আর যে ব্যক্তি নেতার আনুগত্য করবে, সে তো আমার আনুগত্য করল এবং যে নেতার অবাধ্যতা করবে, সে তো আমার অবাধ্যতা করল।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।]”
বাস্তবতা হল,
আল্লাহ তায়ালা বলেন;
“আল্লাহ এমন লোকদের ভালোবাসেন যারা তাঁর রাস্তায় শীশা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে।” সূরা আস- সফ, আয়াত ৪
জিহাদে কামিয়াবীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক শর্ত হল জিহাদের ময়দানে দৃঢ়তা ও ধৈর্য্য প্রদর্শন করা। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন;
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا لَقِيتُمْ فِئَةً فَٱثْبُتُواْ وَٱذْكُرُواْ ٱللَّهَ كَثِيرًا لَّعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা কোন দলের মুখোমুখি হও, তখন অবিচল থাক, আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হও।” সূরা আল-আনফাল, আয়াতঃ ৪৫
হক-বাতিলের প্রত্যক্ষ যুদ্ধের মুহূর্তেও আল্লাহকে পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসাসহ স্মরণ করতে হবে। কারণ অন্তর ও মুখে আল্লাহর নামোচ্চারিত হলে নিজেকে অসহায় মনে হবে না, এর ফলে নিজের মাঝে অভাবনীয় বীরত্ব ভর করবে।
নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিবর্গের মাঝে পরামর্শ এবং সাধারণ মুজাহিদগণ কর্তৃক সেগুলো শ্রবণ ও অনুসরণ করা যুদ্ধে সফলতার অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তজ্জন্যই আল্লাহ তায়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাহাবায়ে কেরামের সাথে পরামর্শের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনিও আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছেন। মহান রাব্বুল আলামীন নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন এই বলে;
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُواْ ٱلرَّسُولَ وَأُوْلِى ٱلْأَمْرِ مِنكُمْۖ
“হে মুমিনগণ, তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর ও আনুগত্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বের অধিকারীদের।” সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৯
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
من أطاعني فقد أطاع الله، ومن عصاني فقد عصى الله، ومن يطع الأمير فقد أطاعني، ومن يعص الأمير فقد عصاني. أخرجه البخاري (7137)، ومسلم (1835) باختلاف يسير
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে তো আল্লাহর আনুগত্য করল এবং যে আমার অবাধ্যতা করল, সে তো আল্লাহর অবাধ্যতা করল। আর যে ব্যক্তি নেতার আনুগত্য করবে, সে তো আমার আনুগত্য করল এবং যে নেতার অবাধ্যতা করবে, সে তো আমার অবাধ্যতা করল।” [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।]”
বাস্তবতা হল,
নেতৃবৃন্দের পারস্পরিক আলোচনা এবং সাধারণ মুজাহিদ কর্তৃক সেগুলো অনুসরণের ফলে পুরো মুজাহিদ বাহিনীর মাঝে অকল্পনীয় শক্তি ভর করে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন;
اِنَّ اللّٰهَ يُحِبُّ الَّذِيۡنَ يُقَاتِلُوۡنَ فِىۡ سَبِيۡلِهٖ صَفًّا كَاَنَّهُمۡ بُنۡيَانٌ مَّرۡصُوۡصٌ
“আল্লাহ এমন লোকদের ভালোবাসেন যারা তাঁর রাস্তায় শীশা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে।” সূরা আস- সফ, আয়াত ৪
Comment