ভয়ানক ও আশ্চর্যজনক ঘটনা
মুজাহিদ আহমাদ উল্লাহ বলেন, দুশমনের সাথে মুখোমুখি যুদ্ধে আমাদের এক সাথী তোপ থেকে ৬০/৭০টি গুলী নিক্ষেপ করে, কিন্তু সেগুলো ঝামাখোলা পোস্টে আমাদের অগ্রবর্তী বাহিনীর সামনে গিয়ে পড়ে। আমি দূরবীন দিয়ে সেদিকে তাকাই, নিজের অলক্ষ্যে আমার মুখ দিয়ে “আলহামদুলিল্লাহ” উচ্চারিত হয়, কারণ সবগুলো গুলীই নিষ্ক্রিয় হয়ে সেখানে পড়ে ছিলো। যদি সেগুলো বিস্ফারিত হতো তাহলে কতোজন শহীদ হতো আর কতোজন যখমী হতো তা একমাত্র আল্লাহই ভাল জানেন।
এভাবে আমি, ক্বারী আবিদ হোসাইন, আবু বকর ও সেই সাথী যতোক্ষণ দূরবীনে মুজাহিদদের উভয় গ্রুপকে দেখেছি তাদের নিরাপত্তার জন্য দুশমনের উপর অনবরত গুলী বর্ষণ করেছি, সন্ধ্যার আঁধার ছেয়ে গেলে বাধ্য হয়ে আমাদেরকে গুলী বন্ধ করতে হয়। ওদিকে দুশমনের গুলীর তীব্রতা ক্রমে বাড়তে থাকে, তারা অন্ধকারে এলো পাথারি গুলী চালাতে থাকে। প্রচণ্ড গুলীর মুখে সবার সামনে কমাণ্ডার যুবায়ের তার পেছনে নায়েবে কমাণ্ডার মাওলানা আব্দুর রহমান ফারুকী (বাংলাদেশী) এভাবে অন্যান্যরা সামনে চলতে থাকেন।
আচানক দুশমনের কামানের একটি গোলা আমাদের খুব নিকটে এসে বিস্ফোরিত হয়, বিস্ফোরণের ফলে ছোট্ট একটুকরো পাথর মাওলানা আব্দুর রহমানের পায়ের নীচের অংশ কেটে বেরিয়ে যায়। যখম গুরুতর হলেও মাওলানা ফারুকীর হাড় অক্ষত থাকে। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে কমাণ্ডার যুবায়ের নিজের রুমাল শক্ত করে ক্ষতস্থানে বেঁধে দেন এবং উভয়ে দ্রুত সামনে অগ্রসর হতে থাকেন। কমাণ্ডার যুবায়ের ভাবছিলেন, বিপরীত দিক থেকে গ্রুপ কমাণ্ডার নাসরুল্লাহ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজের ব্রিগেড জামায়াত সহযোগী নিয়ে হয়তো ইতোমধ্যে হামলা করে ফেলেছেন। সেজন্য তিনি অনতিবিলম্বে সেখানে পৌঁছতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু ওয়ারলেস না থাকার কারণে তারা খবরের বিন্দু বিসর্গও জানতে পারলেন না যে, কমাণ্ডার নাসরুল্লাহর গ্রুপও এক কঠিন বিপদের সম্মুখীন হয়েছে।
মুজাহিদ আহমাদ উল্লাহ বলেন, দুশমনের সাথে মুখোমুখি যুদ্ধে আমাদের এক সাথী তোপ থেকে ৬০/৭০টি গুলী নিক্ষেপ করে, কিন্তু সেগুলো ঝামাখোলা পোস্টে আমাদের অগ্রবর্তী বাহিনীর সামনে গিয়ে পড়ে। আমি দূরবীন দিয়ে সেদিকে তাকাই, নিজের অলক্ষ্যে আমার মুখ দিয়ে “আলহামদুলিল্লাহ” উচ্চারিত হয়, কারণ সবগুলো গুলীই নিষ্ক্রিয় হয়ে সেখানে পড়ে ছিলো। যদি সেগুলো বিস্ফারিত হতো তাহলে কতোজন শহীদ হতো আর কতোজন যখমী হতো তা একমাত্র আল্লাহই ভাল জানেন।
এভাবে আমি, ক্বারী আবিদ হোসাইন, আবু বকর ও সেই সাথী যতোক্ষণ দূরবীনে মুজাহিদদের উভয় গ্রুপকে দেখেছি তাদের নিরাপত্তার জন্য দুশমনের উপর অনবরত গুলী বর্ষণ করেছি, সন্ধ্যার আঁধার ছেয়ে গেলে বাধ্য হয়ে আমাদেরকে গুলী বন্ধ করতে হয়। ওদিকে দুশমনের গুলীর তীব্রতা ক্রমে বাড়তে থাকে, তারা অন্ধকারে এলো পাথারি গুলী চালাতে থাকে। প্রচণ্ড গুলীর মুখে সবার সামনে কমাণ্ডার যুবায়ের তার পেছনে নায়েবে কমাণ্ডার মাওলানা আব্দুর রহমান ফারুকী (বাংলাদেশী) এভাবে অন্যান্যরা সামনে চলতে থাকেন।
আচানক দুশমনের কামানের একটি গোলা আমাদের খুব নিকটে এসে বিস্ফোরিত হয়, বিস্ফোরণের ফলে ছোট্ট একটুকরো পাথর মাওলানা আব্দুর রহমানের পায়ের নীচের অংশ কেটে বেরিয়ে যায়। যখম গুরুতর হলেও মাওলানা ফারুকীর হাড় অক্ষত থাকে। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে কমাণ্ডার যুবায়ের নিজের রুমাল শক্ত করে ক্ষতস্থানে বেঁধে দেন এবং উভয়ে দ্রুত সামনে অগ্রসর হতে থাকেন। কমাণ্ডার যুবায়ের ভাবছিলেন, বিপরীত দিক থেকে গ্রুপ কমাণ্ডার নাসরুল্লাহ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজের ব্রিগেড জামায়াত সহযোগী নিয়ে হয়তো ইতোমধ্যে হামলা করে ফেলেছেন। সেজন্য তিনি অনতিবিলম্বে সেখানে পৌঁছতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু ওয়ারলেস না থাকার কারণে তারা খবরের বিন্দু বিসর্গও জানতে পারলেন না যে, কমাণ্ডার নাসরুল্লাহর গ্রুপও এক কঠিন বিপদের সম্মুখীন হয়েছে।
মুজাহিদদের উচিত দীর্ঘ মেয়াদি কর্মের জন্য প্রস্তুত থাকা এবং তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত ধৈর্য্য।
Comment