চাইনিজ ম্যাসাজ সেন্টার
তথাকথিত ম্যাসাজ সেন্টার মূলত ছিল পতিতালয়। হিমেল রহমান লেখেন:
অভিযান চালিয়ে সেখানকার পতিতালয়ের লোকদের কেন ধরে আনা হয়েছিল।
হামিদ মীর,রক্ত বর্ষণ নামের একটি নিবন্ধে লিখেছেন—
এরপর হিমেল রহমান মনগড়া এক অসত্য প্রতিষ্ঠিত করার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে লেখেন:
হিমেল রহমানের মারধর সংক্রান্ত এদাবি সত্য নয়। কারণ পাকিস্তানের সাংবাদিক লিখেছেন:
ড. শাহেদ মাসউদ
কারা ছিলেন? কোথায় চলে গেছেন? শিরোনামের নিবন্ধে লিখেছেন—
শুধু তাই নয় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল শুধুমাত্র দাওয়াতি পদ্ধতিতে যা মুজাহিদ এক ভাই উস্তাদ আহমদ ফারুক রহঃ এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে,
কি ছিল ম্যাসাজ সেন্টারের ইতিবৃত্ত
এব্যাপারে হযরত মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেবের অর্ধাঙ্গিনী উম্মুশ শুহাদা উম্মে হাসসান আসমা বেগম যিনি জামিয়া হাফসার ইততেমামের দায়িত্ব পালন করেছেন তেনার আলোচনা জেনে নিয়ে তারপর বিস্তারিত ঘটনায় যাব ইনশাআল্লাহ
পূর্বের ইতিহাস মাথায় রেখে সামনের লেখাটি পড়বেন। তাহলে আপনার সামনে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ হয়ে যাবে হিমেল রহমানদের মত ব্যক্তিরা কীভাবে হলুদ সাংবাদিকতা ঘটায়।
বিষয়টি সালিম শেহজাদ এভাবে বলেছেন যে:
সালিম শেহজাদ সাহেবের কথা একটু বিশ্লেষণ করে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।
এরপর সালিম শেহজাদ সাহেবের বক্তব্য:
চলবে ইনশাআল্লাহ........
তথাকথিত ম্যাসাজ সেন্টার মূলত ছিল পতিতালয়। হিমেল রহমান লেখেন:
- "২৪ জুন, ২০০৭। সেদিন সকালে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত লাল মসজিদ থেকে সেখানকার ‘নৈতিক পুলিশে’র একটি দল ইসলামাবাদের সমৃদ্ধ ‘এফ–৮’ সেক্টরে অবস্থিত একটি চীনা ম্যাসাজ পার্লার ও আকুপাঙ্কচার ক্লিনিকে হানা দেয়। এই দলটিতে ১০ জন নারীও ছিল, যারা লাঠি বহন করছিল। তারা পার্লারের তিনজন পাকিস্তানি রক্ষীকে ঘায়েল করে এবং পার্লারের ভেতরে প্রবেশ করে সেখানকার কর্মীদেরকে তাদের সঙ্গে যাওয়ার জন্য আদেশ করে। সেসময় পার্লারটিতে সাতজন চীনা নারী কর্মী ও দুইজন পাকিস্তানি গ্রাহক ছিল। তারা মসজিদ থেকে আগত ব্যক্তিদের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানায়।"
অভিযান চালিয়ে সেখানকার পতিতালয়ের লোকদের কেন ধরে আনা হয়েছিল।
হামিদ মীর,রক্ত বর্ষণ নামের একটি নিবন্ধে লিখেছেন—
- ... সেই মেয়েটি ইসলামাবাদের এক ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। ইমেল করে সে আমাকে বলেছে, ইসলামাবাদে এক চীনা ম্যাসাজ সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে সে-ই মাওলানা আব্দুল আজীজের কাছে লাল মসজিদে গিয়েছিল। আইমান (সেই মেয়েটি) লিখেছে, তার সহপাঠী কিছু বান্ধবীরও মনোভাব ছিল এ রকমই যে, চীনা ম্যাসাজ সেন্টারে ভুল কাজ হচ্ছে। তাই তারা সবাই মিলে মাওলানা আব্দুল আজীজের কাছে নিবেদন করেছিল, পুলিশ তো এসব ভুল কাজ বন্ধ করবে না, আপনিই কিছু একটা করুন। আইমান ও তার বান্ধবীদের অভিযোগের কারণেই লাল মসজিদ ওয়ালারা ম্যাসাজ সেন্টারে অভিযান চালায়, চীনা মেয়েদের ধরে আনে, ধৃত চীনা মেয়েদের জামিয়া হাফসায় আবদ্ধ রেখে পরদিন সতর্কবার্তা শুনিয়ে ছেড়ে দিয়েছিল।
- আইমান লিখেছে, এই ঘটনার কদিন পর লাল মসজিদে যা কিছু ঘটেছে সে সব ছিল তার কাছে অবিশ্বাস্য। হয়তো এসব কিছুই তার কারণেই ঘটেছে। যদি মাওলানা আব্দুল হাজীজের কাছে অভিযোগ না নিয়ে যেত, চীনা তরুণীরাও অপহৃত হতো না, লাল মসজিদের বিরুদ্ধে অপারেশনের পরিস্থিতিও হতো না। শেষে সে লিখেছে, হায় যদি অপারেশনের শেষ দিন সে-ও লাল মসজিদে থাকতে পারতো এবং সে-ও অন্য অনেকের সঙ্গে এই জালিম দুনিয়াকে ছেড়ে চলে যেতে পারতো! আইমান ইউসুফের অভিব্যক্তি আমাকে কাঁপিয়ে দিল। একটি ইংরেজী মিডিয়াম স্কুলের নিষ্পাপ ছাত্রী কোন্ প্রেরণায় মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করছে?
এরপর হিমেল রহমান মনগড়া এক অসত্য প্রতিষ্ঠিত করার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে লেখেন:
- "এরপর তাদেরকে মারধোর করা হয় এবং অপহরণ করে ক্লিনিক থেকে অদূরে অবস্থিত জামিয়া হাফসা মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। সেখানে অপহরণকারীদের একজন মুখপাত্র স্থানীয় প্রচারমাধ্যমকে জানায়, পার্লারটি ছিল কার্যত একটি পতিতালয়, এবং তাদের সতর্কবাণী সত্ত্বেও প্রশাসন এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। এজন্য তারা নিজেরাই এসব বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে।"
হিমেল রহমানের মারধর সংক্রান্ত এদাবি সত্য নয়। কারণ পাকিস্তানের সাংবাদিক লিখেছেন:
ড. শাহেদ মাসউদ
কারা ছিলেন? কোথায় চলে গেছেন? শিরোনামের নিবন্ধে লিখেছেন—
- অন্যায় তো শুধু এটুকুই ছিল যে, তারা সমাজ থেকে অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে ছিল। এ লক্ষ্যে বাইরে বের হয়ে অশ্লীল কর্মকাণ্ড চালানোর একটি কেন্দ্র থেকে পরিচালিকাকে সবক শেখাতে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিল, দু তিন দিন পর বোরকা পরিয়ে, তওবা করিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল। এরপর একটি ম্যাসাজ সেন্টারে গিয়ে সেখানকার দেহব্যবসায়ী কয়েকটি মেয়েকে নিজেদের সঙ্গে এনে কিছু শাস্তি দিয়ে-নসীহত করে ছেড়ে দিয়েছিল। লাঠি নিয়ে ঘুরছিল কিন্তু কারো মাথায় আঘাত করেনি। এই প্রিয় মাতৃভূমিতে যেখানে শাসক ও শক্তিমানদের প্রতি দুজনের একজন ভূমি মাফিয়া সেজে বসে আছে, লাল মসজিদ শহীদ হওয়ার পর পাশের একটি লাইব্রেরীতে গিয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে এসেছে। এরা হচ্ছে প্রগতিশীল, স্বচ্ছল, সুশোভিত পোশাকে আচ্ছাদিত, শাসনকেন্দ্রের জাঁকজমকপূর্ণ রুমের বাসিন্দা। এদের অধিকাংশই রাতের বেলায় শরাব ও যৌবনের আসরে নিজেদের উন্নতি দেখেন। অপরদিকে এই নিষ্পাপ, শুভ্র হৃদয়, হিজাবে আবৃত, পবিত্র আত্মাগণ..কুরআন তেলাওয়াতে মগ্ন-বিভোর। তারা কারা ছিলেন? কোথায় চলে গেলেন? ...
শুধু তাই নয় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল শুধুমাত্র দাওয়াতি পদ্ধতিতে যা মুজাহিদ এক ভাই উস্তাদ আহমদ ফারুক রহঃ এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে,
- "একইভাবে ইসলামাবাদের কিছু এলাকায় চায়না মেসেজ সেন্টার নামে অশ্লীলতা ও নির্লজ্জতা চলতো। সেগুলো বন্ধ করার জন্য লাল মসজিদের ছাত্ররা পদক্ষেপ নেয়।নিরস্ত্রভাবে শুধু নসীহতের উপর জোর দিয়ে এসমস্ত পদক্ষেপ নেয়া হয়। অতঃপর পাকিস্তানি তাগুতি শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ বিশেষ নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় রাওয়ালপিন্ডি ইসলামাবাদের শতাধিক মসজিদকে স্বস্থান থেকে সরিয়ে ফেলতে চায়,তখন লাল মসজিদের ছাত্র ছাত্রীরা বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করে। যখন তারা মসজিদ অপসারণের সিদ্ধান্ত বাতিল পাশাপাশি শরীয়ত প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানায়। কিন্তু এই সব কিছু নিরস্ত্রভাবে শুধু তাবলীগি পন্থা হিসেবে করা হয়।"
কি ছিল ম্যাসাজ সেন্টারের ইতিবৃত্ত
এব্যাপারে হযরত মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেবের অর্ধাঙ্গিনী উম্মুশ শুহাদা উম্মে হাসসান আসমা বেগম যিনি জামিয়া হাফসার ইততেমামের দায়িত্ব পালন করেছেন তেনার আলোচনা জেনে নিয়ে তারপর বিস্তারিত ঘটনায় যাব ইনশাআল্লাহ
- "........বিশেষ করে বিদেশিদের ব্যাপারে তো সম্পূর্ণই আমাদের প্রশাসনের সন্ত্রস্ত হওয়া মনে হইতেছিল। আমাদের এই বিষয়ের উপর অনেক দুঃখ হতো যে, দ্বীনি ইলেম শিক্ষা করতে আসা বিদেশি মেহমানে রাসুলের জন্য তো আমাদের সমস্ত দরজা বন্ধ। এখন ঐ বেচারাদের ধাক্কা ধাক্কা দিয়ে দিয়ে বের করে দেই। যখন দুর্গন্ধ ও পথভ্রষ্টতা ছড়ানো বিদেশীর উপর আমরা হাত উঠাতে ভয় করি।
- আমরা এলিট শ্রেণীর সাথে সম্পর্ক রাখা বাচ্চাদের থেকে সংবাদ পাওয়া শুরু করি এবং নওজোয়ান প্রজন্মের ধ্বংসের ব্যাপারে চিন্তাশীল ব্যাথাতুর হৃদয়বানেরা জানানো শুরু করেন যে, কীভাবে ইসলামাবাদের হোটেল মোটেল এবং ফার্ম হাউসে আয়েশের বস্তু দেওয়া হয় এবং রেস্ট ও গেস্ট হাউসে কি কি তামাশা চলে। সবচেয়ে কঠিন অবস্থা ম্যাসাজ সেন্টারের ছিল।
- যদি ঐ ম্যাসাজ সেন্টারগুলোতে (শুধু) বিদেশীদের আসা যাওয়া থাকতো তাহলেও উহা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ফেলা হতো। কিন্তু ওখানে তো পরিস্থিতিই ভিন্ন ছিল। আমাদের মন্ত্রীরা, এসেম্বলি সদস্যগণ,সরকারি কর্মকর্তা তাদের স্বতন্ত্র গ্রাহক ছিল। যখন আমাদের কর্মকান্ডের কারণে তাদের স্বার্থের উপর আঘাত আসলো তখন তারা লাল মসজিদের বিরুদ্ধে ভূমি সমতল করা শুরু করলো (অর্থাৎ লোকদেরকে তাদের মতো করে বুঝিয়ে লাল মসজিদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করে-আবু বাসির)। পরিশেষে আমাদের লাল মসজিদ, আমাদের বাচ্চাগুলো আমার বাচ্চাকে ঐ লোকেরা সর্বনিকৃষ্ট প্রতিশোধ, জুলুম এবং বর্বরতার নিশানা বানায়। আমরা চাইনিজদের কোনভাবেই আমাদের মাদ্রাসায় আনার ইচ্ছা রাখতাম না। বরং আমাদের চেষ্টা তো ছিল যে, প্রশাসন যেভাবে নিত্যদিন মসজিদ এবং মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে ক্র্যাকডাউন চালাচ্ছে।ইহার (চাইনিজদের মাদ্রাসায় আনার) চেয়ে বরং বেশি জরুরি হল যে, অশ্লীলতার আড্ডাখানার বিরুদ্ধে কার্যক্রম হোক। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সীমা পর্যন্ত চেষ্টা করে দেখেছি, কিন্তু প্রশাসন বিদেশীদের নাম শুনেই শরীরে কম্পন শুরু হয়ে যায়। এজন্য পরিশেষে অপারগ হয়ে এদিকে অগ্রসর হতে হয়েছে। আমরা ঐ চাইনিজদের কোন ক্ষতি করিনি। বরং পাক-চায়না বন্ধুত্ব ও সকলের কল্যান বিবেচনায় তাদের চাইনিজ রাষ্ট্রদূতের কাছে সোপর্দ করা হয়।সে আমাদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এবং লাল মসজিদের বন্ধুত্বপূর্ণ কাজের হৃদয় নিংড়ানো প্রশংসা করে। কিন্তু ঐ শ্রেণী যারা পূর্ব থেকেই আমাদের পিছনে লেগে ছিল।তারা দেশের মধ্যে নিরাপদ পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করা এবং গৃহযুদ্ধের জন্য অপারেশনের...."
পূর্বের ইতিহাস মাথায় রেখে সামনের লেখাটি পড়বেন। তাহলে আপনার সামনে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ হয়ে যাবে হিমেল রহমানদের মত ব্যক্তিরা কীভাবে হলুদ সাংবাদিকতা ঘটায়।
- এই হিমেল রহমান (জানিনা সে আসলে কে?) উনার ব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত মতামত: সে একজন দালাল হলুদ সাংবাদিক মিথ্যাচার করতে করতে হয়তো কিছু সত্য বের হয়ে এসেছে। সত্যকে সত্য বলার জন্য মূলত সেই সত্য সে প্রকাশ করেনি। বরং সত্যকে অতিরঞ্জিত ও মিথ্যা মিশ্রিত করার মানসে কিছু কিছু সত্য তাকে বলতে হয়েছে বিকৃতভাবে।টর ব্রাউজারে গিয়ে তার আর্টিকেলের নাম লিখে সার্চ দিলে উনার পূর্ণ লেখা চলে আসবে।পড়লেই সুস্পষ্টভাবে বিষয়টি বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
হাদীস শরীফে এসেছে দুই লোভী কখনো পরিতৃপ্ত হয়না ইলমের লোভী আর দুনিয়ার লোভী।যারা দুনিয়া লোভী হয় তাদের লোভ শেষ হয়ে থাকে একমাত্র যখন কবরের মাটি তাদের মুখে ঢুকে।তারা সবকিছু বিচার বিবেচনা ও বিশ্লেষণ করে দুনিয়া দিয়ে। যেখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো বিশ্বাসঘাতক, গাদ্দার, আমেরিকার পদলেহি, ইসলামী বিশ্বের চূড়ান্ত দুশমন,ইমারতে ইসলামী আফগানিস্তানের ধ্বংস কারি, উম্মাহর বোন ডাঃ আফিয়া সিদ্দিকী,লাল মসজিদ আক্রমনের সময় হারিয়ে যাওয়া শত শত বোনদের সহ অসংখ্য বোনদের ডলারের বিনিময়ে বিক্রি কারি, অসংখ্য নারী পুরুষ বোন ও মুজাহিদের কাফেরদের হাতে সোপর্দ করে ডলার আয় করা জানোয়ার বাহিনী।আর এই আমেরিকার আজ্ঞাবহ পাকি নাপাক বাহীনির অনুগত সরকার কে দুনিয়ার লোভী এই হিমেল রহমানেরা দুনিয়ার বিবেচনায় লাল মসজিদ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এই আন্দোলনের পাকিস্তানের নাপাক বাহীনি ও তার অনুগত সরকারের লাভ ক্ষতির একটা হিসাব কষে দেখিয়েছে।যে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিহতকারি এই তাগুত সরকারের কি কি ক্ষতি হলো এই ইসলাম বাস্তবায়নের মেহনতের কারণে।
- (বিঃদ্রঃ: এই লেখাটি যেহেতু ইতিহাস হিসেবে লেখা হচ্ছে তাই ইতিহাসের ভান্ডারে এই সব হলুদ সাংবাদিকতার কথাও উল্লেখ থাকা উচিত বলে মনে হয়েছে।তাই এই নিচের লেখাটি উল্লেখ করেছি। অন্যথায় পূর্বের উল্লেখিত সত্য জানার পর এই মিথ্যা বানোয়াট কথাগুলো উল্লেখ করার কোন ইচ্ছাই ছিল না বরং আরেকটু বাড়িয়ে বলা দরকার যে, উল্লেখ করার যোগ্যতাই রাখেনা)
- "লাল মসজিদের দলটি এর আগেও এ ধরনের ‘অভিযান’ চালিয়েছিল। কয়েক মাস আগের একটি ঘটনাতেই তারা আরেকটি পতিতালয়ে হানা দিয়ে চারজন পুলিশকে অপহরণ করেছিল। কিন্তু এবারের ঘটনা তাদের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, কারণ এই ঘটনায় চীনা নাগরিকরা জড়িত ছিল। শুধু লাল মসজিদের দলটির জন্যই নয়, সমগ্র পাকিস্তানের জন্য এই ঘটনাটির ফলাফল ছিল অত্যন্ত নেতিবাচক।
- ২০০৭ সালের প্রথম দিকে পাকিস্তানের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক পরিস্থিতি ছিল আশাব্যঞ্জক। দেশটি বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি ছিল, কিন্তু সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছিল বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছিলেন। সেসময় পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৭%। বিগত তিন বছরে দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল, এবং করাচি স্টক এক্সচেঞ্জ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের শীর্ষ স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর একটিতে।
- প্রায় তিন বছর ধরে ভারতের সঙ্গে গোপন আলোচনার পর কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্র দুইটির মধ্যে একটি সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছিল। তদুপরি, ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আফগানিস্তান আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে (যেটিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছিল) পাকিস্তানি ‘প্রক্সি’ তালিবানের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ফলে পাকিস্তানিরা যে কৌশলগত ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছিল, সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন ঘটছিল, কারণ তালিবান দক্ষিণ ও পূর্ব আফগানিস্তানের বিরাট এক অংশ দখল করে নিয়েছিল।
- লাল মসজিদের ঘটনার কিছুদিন আগেই পাকিস্তানি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান পারভেজ মুশাররফ যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন এবং সেখানে তাকে রীতিমতো ঈর্ষনীয় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। মুশাররফ পাকিস্তানকে মার্কিন–নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক সন্ত্রাদবাদবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘নির্ভরযোগ্য মিত্র’ হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন, এবং তার এই নীতির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে শত শত কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা প্রদান ও পাকিস্তানের কাছে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম হস্তান্তর করছিল।
- অন্যদিকে, পাকিস্তানের জন্য এই ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরিতে চীনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। প্রধানত চীনা অর্থায়নে চীনা কোম্পানিগুলো কর্তৃক নির্মিত গোয়াদর বন্দর কিছুদিন আগেই উদ্বোধন করা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, এটি মাকরান উপকূলে ‘পরবর্তী দুবাই’য়ে পরিণত হবে এবং আরব সাগর থেকে চীনের সমৃদ্ধ শহরগুলো পর্যন্ত একটি জ্বালানি সরবরাহ করিডোর হিসেবে কাজ করবে।
- তদুপরি, সেসময় উত্তর–পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তর–পশ্চিম চীনের সংযোগ স্থাপনকারী কারাকোরাম মহাসড়ক বর্ধিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল এবং পাকিস্তানের টেলিযোগাযোগ ও খনিজ সম্পদ খাতে চীন প্রচুর বিনিয়োগ করছিল। এজন্য পাকিস্তানিরা আশা করছিল, পাকিস্তানের ভাগ্য চীনের অনন্যসাধারণ অর্থনৈতিক বিস্তৃতির সঙ্গেই সংযুক্ত থাকবে।
- তাছাড়া, ২০০৫ সালে ঘোষিত মার্কিন–ভারতীয় বেসামরিক পরমাণু চুক্তির ফলে পাকিস্তান যে কৌশলগত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল, সেটির দূরীকরণেও চীনের ভূমিকা ছিল। মার্কিন–ভারতীয় চুক্তির বিপরীতে চীন পাকিস্তানের চাশমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্ধিত করার প্রস্তাব দিচ্ছিল, এবং দক্ষিণ এশীয় দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার যতটুকু আগ্রহ চীনের ছিল, মার্কিন–ভারতীয় চুক্তির ফলে সেই আগ্রহ বিলীন হয়ে গিয়েছিল বললেই চলে। এর ফলে ভারতের ব্যাপক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে চীন পাকিস্তানের পরিবর্তে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, পাকিস্তানের এই আশঙ্কা তো দূরীভূত হয়েছিলই, তার ওপর চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি নতুন অক্ষ গড়ে উঠছিল।
- .............২০০৭ সালের মধ্যে লাল মসজিদ কার্যত একটি তালিবানপন্থী ও প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত প্রায় বিদ্রোহী ঘাঁটিতে পরিণত হয়। মসজিদটির নিজস্ব শরিয়া আদালত এবং ‘নৈতিক পুলিশ’ দল ছিল। তারা ইসলামাবাদের বিভিন্ন গান ও ডিভিডির দোকানগুলোতে আক্রমণ চালায়। এই ‘নৈতিক পুলিশে’র ঘোষিত লক্ষ্য ছিল শহরে বিদ্যমান ‘অনৈতিক’ কার্যকলাপের অবসান ঘটানো। এই উদ্দেশ্যেই তারা উক্ত ম্যাসাজ পার্লার থেকে চীনা নারীদের অপহরণ করেছিল।
- কিন্তু পাকিস্তান ও চীন উভয়ের জন্যই এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে পরিণত হয়। এ সময় বিদেশে অবস্থানরত চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা চীনা সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক মর্যাদার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছিল। পাকিস্তানে চীনা নাগরিকদের অপহরণের ঘটনাটিকে চীনা জনসাধারণের সরব অংশ চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ‘মেরুদণ্ড’ কতটুকু শক্ত সেটার পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করে, এবং চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ব্যঙ্গ করে তাদের কাছে ‘ক্যালসিয়ামের বড়ি’র প্যাকেজ পাঠায়।
- পাকিস্তান চীনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র, এবং সেই মিত্ররাষ্ট্রের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অতি নিকটে সাতজন চীনা নাগরিকের অপহরণ ছিল চীন ও পাকিস্তান উভয়ের জন্যই অত্যন্ত লজ্জাজনক। অপহরণের পরবর্তী ১৭ ঘণ্টায় চীনা রাষ্ট্রপতি হু জিনতাও পাকিস্তানে অবস্থানরত চীনা কূটনীতিবিদদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতে থাকেন।
- পাকিস্তানে নবনিযুক্ত তরুণ ও আত্মবিশ্বাসী চীনা রাষ্ট্রদূত লুও ঝাওহুই পরবর্তী ঘটনাগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপহৃত চীনা নাগরিকদের মুক্ত করার দায়িত্ব পুরোপুরি পাকিস্তানি সরকারের হাতে ছেড়ে না দিয়ে তিনি পাকিস্তানের যেসব শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার আব্দুল রাশিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল, তাদের প্রভাব ব্যবহার করে জিম্মিদের মুক্ত করার চেষ্টা চালান। তিনি পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজের সঙ্গে কথা বলেন, এবং বিরোধী দলীয় নেতা মাওলানা ফজলুর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও পারভেজ মুশাররফের দল ‘পিএমএল–কিউ’ প্রধান শুজাত হুসেইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জিম্মিদের মুক্ত করার জন্য তাদের সহায়তা চান।
- রহমান এ ধরনের আলোচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন, কিন্তু হুসেইন ছিলেন এই ঘটনায় লাল মসজিদের নেতাদের সঙ্গে প্রধান আলোচনাকারী। বলা হয়ে থাকে, হুসেইন নিজেই ঐ চীনা পার্লারের একজন গ্রাহক ছিলেন। তিনিই আব্দুল রাশিদের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের ফোনালাপের ব্যবস্থা করে দেন।
- চতুর আব্দুল রাশিদ দক্ষতার সঙ্গে প্রচারমাধ্যমের সঙ্গে সংযোগ রাখেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষকে সেটিই বলেন যেটি তারা শুনতে চাচ্ছিল। তিনি চীনা রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন যে, শীঘ্রই চীনা জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হবে, এবং তিনি জিম্মিদেরকে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলারও সুযোগ করে দেন। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতির পরও পাঁচ ঘণ্টা যাবৎ শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে লাল মসজিদের নেতাদের আলোচনা চলে। পাকিস্তানি রাষ্ট্রপতি মুশাররফ লাহোর থেকে এবং প্রধানমন্ত্রী আজিজ ইসলামাবাদ থেকে আলোচনার প্রতিটি মুহূর্ত পর্যবেক্ষণ করেন।
- কার্যত ইসলামাবাদের ডেপুটি কমিশনার চৌধুরী মুহাম্মাদ আলী এবং পুলিশের সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্ট জাফর ইকবাল জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার জন্য লাল মসজিদের নেতাদের কাছে অনুনয়-বিনয় করেন এবং ভবিষ্যতে নারী–পুরুষ মিশ্র পার্লারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। অবশেষে আব্দুল রাশিদ জিম্মিদের মুক্তি দিতে রাজি হন, এবং জিম্মি চীনা নারীদেরকে বোরকা পরিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিষয়টি সালিম শেহজাদ এভাবে বলেছেন যে:
- "২০০৪-২০০৭ সাল।এ সময়ই পাকিস্তানি সামরিক শক্তি অবশেষে তাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লাল মসজিদ অভিমুখে ক্রাকডাউন শুরু করে। আজিজ পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবমাননাকর ধর্মীয় আদেশ জারি করে অব্যাহতভাবে এমন ক্রীয়াকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।যা এর আগে কোন ইসলামী ব্যক্তিত্বের পক্ষে সম্ভব হয়নি। উদাহরণ স্বরূপ:
- "এক সময় লাল মসজিদ কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদ গেস্ট হাউস স্থিত পতিতালয় গুলো ঘেরাও করা শুরু করলেন। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী লাল মসজিদ সংশ্লিষ্ট আলেমদের আইন হাতে তুলে না নেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ পরামর্শ দিয়েছিল, তাদের অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল; এবং একই সাথে পাক প্রসাশন যে ইসলামের বিরোধী শক্তি না এটা প্রমাণ করার জন্য পাকিস্তানি পুলিশ ইসলামবাদ গেস্ট হাউসে পতিতা সরবরাহকারী লোকদের উপর ব্যাপক অভিযান চালায়; কিন্তু তারপরও লাল মসজিদ সংশ্লিষ্টরা তাদের আত্মসমর্পণ প্রস্তাব নাকচ করেন।আর এরই ফলশ্রুতিতে পাকিস্তানের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ক্র্যাক ডাউন পর্যন্ত করতে বাধ্য হয়।
- (সালিম শেহজাদ মনে করেন) পাকিস্তান পুলিশের এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করা উচিত ছিল লাল মসজিদ কর্তৃপক্ষের; তবে তারা এতে ভ্রূক্ষেপও করেন নি। তাদের চাওয়া ছিল পরিস্থিতি বিরূপ করার জন্য আরো কী করা যায় সেদিকে। এরপরে লাল মসজিদ ইসলামাবাদের সুপার মার্কেটের দোকানগুলোতে অভিযান চালায়, ভিডিও, ডিভিডির দোকানগুলো থেকে অশ্লীল সিনেমা বাজেয়াপ্ত করে এবং সেসব পুড়িয়ে দেয়।
- এরই মধ্যে আজিজ প্রতিদিন দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত ইসলামী সেমিনার গুলোতে বক্তব্য রেখে চলেছেন। তিনি কথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে গনতন্ত্র ও পাক সমর্থনের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখে চলছিলেন। একজন নির্ভিক বক্তার মতো পাক সরকারকে কুফরের প্রতি (ধর্মবিরোধী) সমর্থনের জোরালো সমালোচনা করেছিলেন। উপজাতি পাকিস্তানি,আল কায়েদা এবং তালিবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাকে পাকিস্তানের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য কুফর শক্তিকে সমর্থন করা বলে বিবৃতি দিচ্ছিলেন।......
সালিম শেহজাদ সাহেবের কথা একটু বিশ্লেষণ করে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।
- উনি মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেবের প্রতি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে কার্যক্রমের কথা বলতেছেন সেটা কেমন ছিল ইতিপূর্বে সেটা মোটামুটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে চেষ্টা করা হয়েছে। আসলে পাকিস্তানের আলেমগনের মধ্যে ইসলাম বাস্তবায়নের এমন বীরত্বপূর্ণ অবদান খুব কম লোকেরই আছে।
- লাল মসজিদ কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদ গেস্ট হাউস স্থিত পতিতালয় গুলো ঘেরাও শুরু করে। পাকিস্তানি নাপাক বাহিনী তাদেরদের আইন হাতে তুলে না নেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ পরামর্শ দিয়েছিল, তাদের অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল
এরপর সালিম শেহজাদ সাহেবের বক্তব্য:
- এবং একই সাথে পাক প্রসাশন যে ইসলামের বিরোধী শক্তি না এটা প্রমাণ করার জন্য পাকিস্তানি পুলিশ ইসলামবাদ গেস্ট হাউসে পতিতা সরবরাহকারী লোকদের উপর ব্যাপক অভিযান চালায়; কিন্তু তারপরও লাল মসজিদ সংশ্লিষ্টরা তাদের আত্মসমর্পণ প্রস্তাব নাকচ করেন।আর এরই ফলশ্রুতিতে পাকিস্তানের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ক্র্যাক ডাউন পর্যন্ত করতে বাধ্য হয়।
- আসলে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জন্য কখনো দাবি করে কিন্তু বলতে হয়নি যে আমরা ইসলামী বাহিনী। তাহলে পাকিস্তানের নাপাক বাহিনী যদি বাস্তবিক অর্থে ইসলামী বাহিনী হয়ে থাকে তাহলে সেটা তো ইমারতে ইসলামিয়ার মতো এমনিতেই বোঝা যাওয়ার কথা। তাদের আবার বারবার দাবি কেন করতে হলো?
চলবে ইনশাআল্লাহ........