চক্রান্ত আজও চলমান
এতদিন চলে গেছে। দেখতে দেখতে কেটে গেছে লাল মসজিদ ট্রাজেডির ১৯ টি বছর কিন্তু আজও পাকিস্তানের সরকার পন্থীদের চোখের কাটা এই লাল মসজিদ। পারভেজ মোশাররফ থেকে নিয়ে আসিম মুনির ও শেহবাজ শরীফদের যামানা পর্যন্ত শুধুমাত্র চেহারারই পরিবর্তন হয়েছে পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয়নি। সেসময়ে যারা ছিল তাদের উদ্দেশ্য ছিল শরীয়াহ বাস্তবায়ন প্রতিরোধ করণ।এখন যারা রয়েছে তাদের উদ্দেশ্যেও হুবহু একই।তাই সময়ের ব্যবধানে চেহারার পরিবর্তন হলেও চরিত্রের কোন পরিবর্তন যেহেতু হয়নি বিধায় সময়ে সময়ে একের পর এক লাল মসজিদের উপর এসেছে নানা বিপদ, মুসিবত, শকুনের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ও নখর থাবা।সেই চক্রান্ত আজও তাই চলমান। সেই চক্রান্তের ধারাবাহিকতার কিছু অংশ বিভিন্ন নিউজ থেকে উল্লেখ করছি
ফাতেহ ২৪.com পাকিস্তানের বিখ্যাত মহিলা মাদরাসা জামিয়া হাফসা অবরুদ্ধ, ছাত্রীরা পাচ্ছে না প্রয়োজনীয় খাবার ও চিকিৎসা
জুন ২৩, ২০১৯,আবু জর
- পাকিস্তানের ঐতিহাসিক লাল মসজিদ সংলগ্ন মাদরাসা হাফসার ছাত্রী এবং সংশ্লিষ্টদের গত তিনমাস যাবত নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছে প্রশাসন। এমনকি গতকাল ২২ জুন নজরদারি এতটাই চরম আকার ধারণ করে যে, মাদরাসার অভ্যন্তরে খাবার পৌঁছানোও বন্ধ হয়ে যায়। এবং সরকার কর্তৃক বিনা কারণে মাদরাসার চারপাশে একটি যুদ্ধংদেহী পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখা হয়।
মূল সমস্যা সৃষ্টি হয় ২০১৪ সালে। আলোচিত লাল মসজিদের জায়গায় গভর্নমেন্ট জামিয়া হাফসাকে একটি জমি প্রদান করে। এবং জোরপূর্বক শর্ত দেয়া হয়, এখানে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জনসাধারণের আন্তরিকতায় প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে গত চার বছরে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করলে প্রশাসন নামাজ আদায় করতে বাধা দেয়। এবং পুলিশ এসে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে যায়। পুলিশ এর কোনো সঙ্গত কারণ দেখাতে পারে না।
- অতঃপর মাদরাসা কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের উপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে মাদরাসা হাফসার কয়েকটি ক্লাস নব নির্মিত মসজিদের বিল্ডিংয়ে নিয়ে আসেন। এবং সেখানে যথারীতি ক্লাস করতে থাকেন। সেখান থেকেই পুনরায় বিরোধের শুরু। পুলিশ বার বার মাদরাসায় হস্তক্ষেপ করতে থাকে। এরকম বিবাদ-বিসংবাদের মধ্য দিয়েই রমজান এবং ঈদের ছুটি হয়ে যায়।
মাওলানা গাজির এই দাবির পক্ষে মেয়েরাও শীলিত পর্দার ভেতর রাস্তায় এসে প্রতিবাদ জানায়।
মাদরাসাটির উপর দিয়ে বহু ঝড় বয়ে গেছে। আলোচিত লাল মসজিদ ঘটনায় মাদরাসাটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। সরকার নতুন প্লট দেয়ার আশ্বাস দিয়েও সেটা নিয়ে এসব চক্রান্ত মাদরাসার প্রতি সরকারের নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রকাশ ঘটায়।
শুধু তাই নয়, প্রশাসন মাদরাসার আভ্যন্তরীণ গ্যাসের লাইনও বন্ধ করে দেয়। যাতে করে মাদরাসার ভেতরে কোনোরকম খাবার প্রস্তুত হতে না পারে। এবং তাদেরকে বাইরে থেকে খাবার নিয়ে যেতেও বাধা দেয়া হয়।
এই ঘটনার পরদিন সকালে স্থানীয় লোকেরা মাদরাসায় খাবার নিয়ে যেতে চাইলে প্রশাসন তাদেরকেও প্রবেশ করতে দেয় না।
- এরপর জামিয়া হাফসার (মহিলা মাদরাসা) প্রিন্সিপাল উম্মে হাসান আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে মাদরাসা হাফসার অফিসিয়াল প্যাডে একটি সাহায্যনামা লিখে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। সেখানে তাদের অবস্থার কথা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
পাকিস্তানের জামিয়া হাফসা আবারও মুরতাদ বাহিনী কর্তৃক অবরুদ্ধ,খাবার ও গ্যাস লাইন বন্ধ!
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২০ (alfirdaws.org)
- পাকিস্তানের ঐতিহাসিক লাল মসজিদ সংলগ্ন মাদরাসা হাফসার ছাত্রী এবং সংশ্লিষ্টদের এ যাবত নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছে প্রশাসন। এখন অবস্থা এতটাই চরম আকার ধারণ করে যে, মাদরাসার অভ্যন্তরে খাবার পৌঁছানোও বন্ধ হয়ে যায়। এবং অযথাই মাদরাসার চারপাশে একটি যুদ্ধংদেহী পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে।
- ইসলামাবাদের লাল মসজিদ প্রাক্তন ইমাম মাওলানা আবদুল আজিজের স্ত্রী বলেছেন, রাজধানীর প্রশাসন গত চার দিন ধরে লাল মসজিদকে ঘিরে রেখেছে এবং পুলিশকে কাউকে মসজিদে বা বাইরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
রাজধানী ইসলামাবাদের মুরতাদ প্রশাসন মসজিদটির চারপাশ ঘিরে রাখায় মাওলানা আবদুল আজিজ তার ছাত্রীদের নিয়ে মসজিদের ভিতরে অবস্থান নিয়েছেন। এ নিয়ে অন্যরকম এক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ডন।
- ডন লিখেছে, গত শুক্রবার সরকারের বিভিন্ন ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ড নিয়ে বয়ান দিয়েছেন মাওলানা আজিজ। কিন্তু বিষয়টি আরো গুরুত্বর হয়ে ওঠে যখন জামিয়া হাফসা, জি-৭ এর প্রায় ১০০ ছাত্রী বৃহস্পতিবার রাতে এইচ-১১ এর সেমিনার হলের সিল করা ভবনে প্রবেশ করেন।
- এ বিষয়ে মসজিদের ভিতর থেকে মোবাইল ফোনে ডন’কে মাওলানা আজিজ বলেছেন, তারা সবাই আবারও একই ভুল করছেন। তারা সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সম্মান দেখাচ্ছেন না এবং দেশে শরিয়া আইন জারির বিষয়ে অনীহা দেখাচ্ছেন।
- তিনি আরো বলেন, তারা এইচ-১১ এর জামিয়া হাফসা খালি করে দেয়ার জন্য ডেডলাইন দিয়েছেন আমাদেরকে। না হলে আবারও অপারেশন চালানোর হুমকি দিয়েছে। এমনকি খাবার সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা ইসলামের স্বার্থে এর ভিতরেই অবস্থান নেবো।
এ অবস্থায় প্রশাসন লাল মসজিদের চারপাশে কাঁটাতারের বেঁধে দিয়ে তা অবরোধ করে রেখেছে। মসজিদের মূল ফটকের সামনে করিডোরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
- প্রশাসন মাদরাসার আভ্যন্তরীণ গ্যাসের লাইনও বন্ধ করে দেয়। যাতে করে মাদরাসার ভেতরে কোনোরকম খাবার প্রস্তুত হতে না পারে। এবং তাদেরকে বাইরে থেকে খাবার নিয়ে যেতেও বাধা দেয়া হয়।
কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে মুসল্লিদেরকে শুধু শুক্রবার মসজিদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়েছে নামাজ আদায় করতে।এছাড়া অন্যান্য ওয়াক্তে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
মসজিদটি বাইরের সবার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে মাগরিব ও অন্যান্য নামাজের জন্য। ফলে মুসল্লিরা মসজিদের বাহিরেই নামাজ আদায় করছেন।
আর গত শুক্রবার বয়ানে মাওলানা আজিজ সাহেব রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের অপকর্ম তুলে ধরে তারা ইসলামের সত্যিকার অনুসারী নন বলে ঘোষণা করেছেন।
পাকিস্তান | মুরতাদ সরকারি বাহিনী পূণরায় অবরুদ্ধ করল লাল মসজিদ ও জামিয়া হাফসা!
এপ্রিল ১৪, ২০২০ (alfirdaws.org)
গতকাল (১৩ এপ্রিল) রাতে ইশার নামাযের সময় পাকিস্তানের ইসলামাবাদ শহরের প্রসিদ্ধ “লাল মসজিদ” ও মসজিদ সংলগ্ন “জামিয়া হাফসা” মহিলা মাদ্রাসা পূণরায় অবরুদ্ধ করেছে ক্রুসেডার আমেরিকার গোলাম পাকিস্তানি মুরতাদ সরকারের ডলারখোর বাহিনী।
- স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, ডলারখোর পাকিস্তানি মুরতাদ বাহিনী লাল মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে সেখানকার পরিবহণের পথ এবং মাদ্রাসার ভিতরে কোন ধরণের সাহায্য পৌঁছার সকল মাধ্যম অবরুদ্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে গতাকাল থেকে জামিয়ার সকল ধরণের অনলাইন ভিত্তিক একাউন্ট গুলো অফলাইনে দেখাচ্ছে। প্রতিবারই যখন পাকিস্তানী মুরতাদ বাহিনী মাদ্রাসা, মসজিদের উপর অবরুদ্ধ ও হামলা চালাতে এসেছিল , তখন এসকল একাউন্টগুলো হতে ভিতরের পরিস্থিতি জনসাধারণের সামনে প্রকাশ করা হতে, ফলে সাধারণ মানুষ রাজপথে এসে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাতেন। ধারণা করা হচ্ছে এসকল কারণে এবার জামিয়ার বিদ্যুৎ গ্যাস ও নেট কানেক্ট বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির ত্বাগুত সরকার।
অবরোধের কোন কারণ এখনও অবধি প্রকাশ করেনি পাকিস্তানি মুরতাদ বাহিনী, যার ধরুন জামিয়া (বিশ্ববিদ্যালয়া) এর শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
- এটি লক্ষণীয় যে, মাত্র গত এক মাস আগেও দেশটির মুরতাদ সরকারি বাহিনী লাল মসজিদ ও তা সংলগ্ন জামিয়া হাফসার মত একটি দ্বীনী প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘ কয়েকদিন যাবত অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। অতঃপর দেশটির সাধারণ মুসলিমদের আন্দোলন ও অর্ধ-আলোচনার পরে ত্বাগত সরকার উক্ত অবরোধ বিলুপ্ত করে।
প্রসিদ্ধ জামিয়া হাফসা মহিলা মাদরাসার অবকাঠামো গুড়িয়ে দিল পাক প্রশাসন
মার্চ ৬, ২০২৫ (alfirdaws.org)
পাকিস্তানের ইসলামাবাদ শহরের প্রসিদ্ধ লাল মসজিদ সংলগ্ন মহিলা মাদরাসা ‘জামিয়া হাফসা’-এর কিছু অবকাঠামো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে পাক প্রশাসন। পাশাপাশি, সরকার জামিয়া হাফসার ফেসবুক অ্যাকাউন্টও সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
- ৫ মার্চ স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই পাক প্রশাসন লাল মসজিদের আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং সেখানে দেড় শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করে মসজিদে প্রবেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এরপর গত ৪ মার্চ প্রশাসন জামিয়া হাফসার নবনির্মিত কিছু অংশ গুঁড়িয়ে দেয়।
পাক প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, অবৈধভাবে নির্মিত মাদরাসার কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য একটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, লাল মসজিদের ইমাম মাওলানা আবদুল আজিজ হাফিযাহুল্লাহকে আলোচনার টেবিলে আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযানের নির্দেশ দিয়েছে।
- প্রসঙ্গত, ১৯ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের মারগালা টাউন থেকে মাওলানা আজিজ হাফিযাহুল্লাহর স্ত্রী উম্মে হাসানসহ আটজন শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রশাসন। এরপর থেকেই তিনি সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন এবং লাল মসজিদের জুমার খুতবায় পাক প্রশাসনের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দেন।
1. Capital administration razes parts of Lal Masjid seminary
– https://tinyurl.com/3n4nrzcm
শেষকথা
সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজের নিষেধ সামাজিক অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, অশ্লীল সেন্টার বন্ধে কার্যক্রম, জিহাদ ও শাহাদাতের ধ্বনি, পৃথিবীব্যাপী জিহাদি আন্দোলনের সাহায্য সহযোগিতা, নারী অধিকার বিলের বিশেষ শরয়ী ধারা উপধারার বিরুদ্ধে সরব প্রতিবাদ, পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দূর করার জন্য চেষ্টা-প্রচেষ্টা, কুফরী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সুশৃংখল সাংগঠনিক পদক্ষেপ, ইসলামি আদালত প্রতিষ্ঠা ও শরয়ী দন্ডবিধি প্রয়োগের সচেষ্ট উদ্দ্যোগ, এসবগুলো বিষয়ই ছিল এমন, যা কুফরী আকিদাধারী তাগুতি শাসকদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট চ্যালেঞ্জ। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের কুফরী পরাশক্তির এজেন্ট সরকার গোষ্ঠী হক্ব ও হক্কানিয়্যাতের আওয়াজ চিরতরে দমিয়ে ফেলার জন্য লাল মসজিদের উপর খুনি অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
অবশেষে লাল মসজিদ ও জামিয়া হাফসার উপর কারবালা ট্রাজেডির পুনরাবৃত্তি ঘটানো হয় এবং সেখানকার তাওহীদবাদি বিল্পবীরা শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা, তাগুত বাহীনির সাথে আপোষ না করা, ইসলাম শ্বাশ্বত মূলনীতির উপর অটল থাকতে শাহাদাতের এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত পেশ করা, দ্বীনের আদর্শের তরে নিজের সব কিছু বিলিয়ে দেওয়ার এক মহান উপমা ও শিক্ষা লাল মসজিদের সূর্য সন্তানেরা আমাদের জন্য রেখে গেছেন।
লাল মসজিদ এক রক্তাক্ত ইতিহাস।যেই রক্তের নজরানায় নব শক্তিতে জেগে উঠেছে পুরো পাকিস্তান। আল্লাহ তাআলা তাদের মত আমাদের শাপলা ট্রাজেডি ও মোদি বিরোধী ২১ এর আন্দোলনের তওহীদি জনতার নজরানা কবুল করে আমাদেরকেও জেগে উঠার তাওফীক দান করুন আমীন।
- প্রকৃতপক্ষে এটা আমার কোন লেখা নয়। বরং বিভিন্ন লেখায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্যগুলোর একত্রিত করণের প্রচেষ্টা মাত্র।এই লেখাটি আল্লাহ তায়ালা শুধুমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য সকলের তরে ইলমে না'ফে তথা উপকারী ইলেম বানিয়ে দিন এবং আমার নাজাতের উসিলা বানান। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
((সমাপ্ত))
Comment