Announcement

Collapse
No announcement yet.

আফগান : পাক লহুতে সিঞ্চিত যে জমিন || শায়খ আইমান আয-যাওয়াহিরী হাফি.-এর মুহতারামা স্ত্রীর লেখা স্মৃতিকথা || শেষ পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • আফগান : পাক লহুতে সিঞ্চিত যে জমিন || শায়খ আইমান আয-যাওয়াহিরী হাফি.-এর মুহতারামা স্ত্রীর লেখা স্মৃতিকথা || শেষ পর্ব

    আফগান : পাক লহুতে সিঞ্চিত যে জমিন

    [উম্মাতুন ওয়াহিদা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত শায়খ আইমান আয-যাওয়াহিরী হাফি.-এর মুহতারামা স্ত্রী উমাইমা হাসান আহমাদের লেখা স্মৃতিকথা]

    শেষ পর্ব

    পূর্ব প্রকাশের পর...

    মেয়েদের খোঁজে
    তালেবান সদস্যরা দ্রুত আমাদের একটি বড়ো বাসে উঠিয়ে নেন৷ আমরা তখন হন্যে হয়ে মেয়েদের তালাশ করছিলাম৷ ঘরে ঘরে গিয়ে জিজ্ঞাসা করছিলাম, আমাদের মেয়েরা আছে কি না? সবাই উত্তর দিচ্ছিল, ‘এখানে নেই, সামনের বাড়িতে দেখুন।তাদের উত্তর শুনে বুক ফেটে কান্না আসছিল, অজানা শঙ্কায় কেঁপে উঠছিলাম বারবার৷ অনেকক্ষণ খোঁজার পর অবশেষে সে বাড়িতে পৌঁছাই; যেখানে তারা ছিল৷ বাড়ির লোকেরা আমাদের বললেন, ‘ভেতরে আসুন, আপনাদের মেয়েরা ভেতরেই আছে।
    ভীষণ চিন্তিত ছিলাম আমরা, তাই বাইরে দাঁড়িয়েই তাদের নাম ধরে ডাকতে শুরু করিহাজার, ঈমান, নাবিলা, খাদিজা, তোমরা আছো? অবশেষে তাদের আওয়াজ শুনতে পেলাম। দৌঁড়ে আসতে আসতে বলছিল, আমার আম্মু কোথায়? আব্বু কোথায়? ভাইয়ারা কোথায়?
    তাদের সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, ‘চিন্তা কোরো না, তোমাদের আব্বু ও ভাইয়ারা শীঘ্রই চলে আসবেন ইনশাআল্লাহ।’ সারা রাত সে বাড়িতে আমরা অপেক্ষা করি৷ আশা ছিল, আমাদের মতো অন্যরাও হয়তো বেঁচে ফিরবে। পুরুষ বা বড়ো ছেলেদের থেকে অন্তত একজনকে হলেও আল্লাহ আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেবেন, এই আশায় বুক বেঁধেছিলাম আমরা। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় সেদিন তারা সকলেই শাহাদত বরণ করে আল্লাহর দরবারে উঁচু মর্যাদার অধিকারী হয়ে যান৷ তাদের ব্যাপারে এমন ধারণাই আমরা করি, আল্লাহই তাদের প্রকৃত হিসাব গ্রহণকারী৷


    অনাহুত মেহমান
    সকালে আরব মুজাহিদ ভাইয়েরা এসে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললেন। আমাদের অবস্থা ছিল খুবই শোচনীয়৷ পায়ে জুতো নেই, কাপড়-চোপড়ে রক্ত, বারুদ আর বাচ্চাদের প্রস্রাবের গন্ধ৷ ড. আইমান আয-যাওয়াহিরীর ছোটো মেয়ে আয়েশা আমাদের সাথে ছিল৷ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ভাইয়েরা তাকে উদ্ধার করেছিলেন৷ তার দুপায়েই আঘাত লেগেছিল; এক পা তো একদম ভেঙেই গিয়েছিল, আরেক পা ছিল মারাত্মকভাবে আহত৷ ভাইয়েরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে দু-পা ব্যান্ডেজ করে দেন।
    তারপর আমাদের নিয়ে খোস্তের দিকে রওনা হন। রাস্তায় বের হয়ে দেখি, অনেক গাড়ি ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে৷ লোকেরা বলাবলি করছে
    , এই রাস্তা বন্ধ। তাই, আমরাও আর সামনে এগুতে পারলাম না৷ তারা আমাদেরকে রাস্তার পাশের এক বাড়িতে নিয়ে গেলেন। আমাদের পরিচিত কিছু আরব পরিবারও সেখানে ছিল। আমাদের অবস্থা দেখে তারা আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করল, তোমাদের এ অবস্থা কেন? কী হয়েছে? তখন পুরো ঘটনা আমরা তাদের শোনাই৷ তারা কিছুই জানত না। বিস্তারিত শুনে তারা খুব মর্মাহত হয়।

    ড. যাওয়াহিরীর মেয়ে আয়েশার জন্য ভাইয়েরা ওষুধ নিয়ে আসেন৷ আমরা খেয়াল করে দেখি, তার মাথা খানিকটা ফুলে উঠেছে৷ এতে একটু শঙ্কিত হই। খুব ভয় হচ্ছিল তাকে নিয়ে৷ বেচারি অসহায়ের মতো ঘুমিয়ে ছিল। একটু পরপর মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করছিল৷ তার দুই বোন সেবা-যত্ন করছিল৷ সন্ধ্যাবেলা সে হঠাৎ কান্না করে ঘুম থেকে জেগে ওঠে৷ আমি ও তার বড়ো বোন নাবিলা দৌঁড়ে কাছে যাই৷ তখন বমি করতে শুরু করে সে, বমির সাথে রক্তও বের হচ্ছিল। আমরা ভীষণ পেরেশান হয়ে যাই৷ সকালবেলা সেদিন পহেলা রমজান ছিল ভাইদের বলি, আয়েশা খুবই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়েছে। ভাইয়েরা বললেন, তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক্ষুনি গাড়ি নিয়ে আসবেন৷


    দোর থেকে দোরে
    এরইমধ্যে বাড়ির লোকজন রাস্তার পাশে যাদের বাড়িতে তখন আমরা অবস্থান করছিলামআমাদের সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়৷ তারা ভয় করছিল, আমাদের কারণে তাদের বাড়িতে বোমা হামলা হতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে সারাটা দিন এক পাহাড়ি রাস্তায় বসে কাটিয়ে দিই। এক সময় পাহাড়ের পাশঘেঁষে ছোটো একটি ঘর দেখতে পেয়ে সেখানে যাই এবং আয়েশাকে শুইয়ে দিই৷ আচমকা ঘরের মালিক মহিলা এসে চিৎকার জুড়ে দেয়, ‘এটা আমাদের বাড়ি; তোমরা কারা? এক্ষুনি এখান থেকে বেরিয়ে যাও।’ আমরা তাকে বলি, ‘একটু পরেই আমরা চলে যাব। সামান্য সময়ের জন্য আমাদের বাচ্চাদের একটু বসিয়েছি মাত্র।’
    অনিচ্ছাসত্ত্বেও তিনি আমাদের অনুরোধ রাখেন৷ যোহরের সময় হলে ওযুর জন্য পাহাড়ের চারপাশে পানি খুঁজতে থাকি। এক জায়গায় একটি টিউবওয়েল পেয়ে সবাই মিলে ওযু করি এবং জোহর ও আসরের নামাজ একসাথে পড়ে নিই৷


    এ জগত ছাড়ি
    অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ভাইয়েরা আসরের পর কয়েকটা গাড়ি নিয়ে আসলেন। বললেন, ‘আপনারা এক্ষুনি তৈরি হয়ে নিন; পথ অনেক দীর্ঘ।’ ওযুর জন্য আবারও নিচে নামলাম। ওপরে আসার পর ভাইয়েরা বললেন, ‘দ্রুত গাড়িতে উঠে পড়ুন।’
    আমরা বললাম
    , ‘ডক্টর সাহেবের মেয়ে আয়েশা ওপরে এক কামরায় আহত অবস্থায় ঘুমিয়ে আছে। তাকে তো আনতে হবে।’
    এক ভাই বললেন
    , ‘আপনারা আমার স্ত্রীর সাথে থাকুন। আমিই তাকে নিয়ে আসছি।’
    আমরা গাড়িতে বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিন্তু, সে ভাইয়ের ফিরতে দেরি হচ্ছিল। অনেক্ষণ পর হঠাৎ উপস্থিত হলেন। কিন্তু আয়েশাকে তার সাথে না দেখে আমাদের ভেতরটা কেঁপে উঠল।

    তার স্ত্রীকে বললাম, ‘মেয়েটা কোথায়? সে তো আহত। আমাদের সাথে থাকাটা তার জন্য জরুরি।’
    এরমধ্যে সেই ভাই আমাদের নসীহত করা শুরু করলেন। বললেন, ‘আপনারা ধৈর্যে অভ্যস্ত মানুষ। আয়েশা তো খুব ছোট্ট মেয়ে। সে তুলনায় তার জখম অনেক গুরুতর ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, আয়েশা তার মায়ের কাছে চলে গেছে। তার (আখেরাতের সফর) সুখকর হোক। আজ শুক্রবার, রমযানের প্রথম দিন।’
    আমরা কান্নায় ভেঙে পড়লাম। তিনি আমাদের আল্লাহর কথা স্মরণ করতে বললেন। তার স্ত্রীও অঝোর ধারায় কাঁদতে লাগলেন।
    রাস্তায় মাগরিবের আযান হলে খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার সেরে নিলাম। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে অবশেষে পাহাড়ের চূড়ায় এক বাড়িতে গিয়ে উঠলাম। বাড়িটি পাহাড়ের চূড়ায় হওয়ায় নিচেই গাড়ি থেকে নামতে হলো। পাহাড় বেয়ে উঠতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। সময়ও লাগল অনেক। পৌঁছে দেখি বিশাল ঘর, মেঝেতে কার্পেট বিছানো, ফায়ারপ্লেস জ্বলছে। ঘরের পরিবেশ বেশ উষ্ণ। মেজবান আমাদের জন্য খাবার আনলেন। অনেক সমাদর করলেন। বললেন, ‘আমি, আমার পরিবার আর আমার যা-কিছু আছে সব আপনাদের জন্য উৎসর্গিত।’


    নতুন ঠিকানায়
    ৯/১১-এর পরপরই আমার ভাই শহীদ উসামা ব্রিটেন থেকে কান্দাহার চলে এসেছিলেন। কিন্তু, তখনও আমাদের দেখা হয়নি। দুর্ঘটনার খবর শোনার সাথে সাথে তিনি এই বাড়িতে চলে আসেন এবং তিন দিন আমাদের সাথে থাকেন।
    পরে মুজাহিদ ভাইয়েরা সিদ্ধান্ত নেন
    , সকল নারী ও শিশুকে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কিছুদিন পর আমরা পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। সফর ছিল অনেক দীর্ঘ ও কষ্টের। আমাদের সাথে পাকিস্তানি মুজাহিদ ভাইয়েরাও ছিলেন। পাকিস্তানে যাওয়ার পর আমরা প্রথমে এক মুজাহিদ ভাইয়ের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি খুবই নাজুক ছিল। সেই মুজাহিদ ভাইয়ের সাথে যুক্ত অনেক ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পাকিস্তানি ভাইয়েরা আমাদের নিয়ে পেরেশানিতে পড়ে যান। তাই, মরুভূমির মাঝে একটি কুঁড়েঘরে আমাদের নিয়ে যান এবং আমরাও সেখানকার জীবনের সাথেই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলাম।

    আল্লাহর রহমতে কিছুদিনের মধ্যেই আরব ভাইয়েরা আমাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠালেন। পাকিস্তান ছেড়ে এবার ইরানের পথ ধরলাম আমরা। সেখানে আমার ভাই উসামার সাথে সাক্ষাৎ হয়, আল্লাহ তাকে কবুল করুন। ইরানে থাকাকালে আমরা গ্রেফতার হই। এর দুই বছর পর পালিয়ে ওয়াজিরিস্তান চলে আসি।


    যে কথা বলতে চাই
    দীর্ঘ এই গল্পের শেষ কোথায়! তাই, কথা আর বাড়াব না। মুজাহিদদের জীবনটাই বিপদাপদ আর কষ্টের আখ্যান। বিজয় কিংবা শাহাদাত লাভ করা পর্যন্ত এর কোনো সমাপ্তি নেই। রবের নিকট আমার আকুতি- তিনি যেন আমাদের অবিচল রাখেন, শাহাদাত দিয়ে ধন্য করেন, তাঁর দরবারে আমাদেরকে সন্তুষ্টির সাথে কবুল করেন, আমাদের এবং সকল মুসলিম বোনদেরকে বন্দিত্ব থেকে রক্ষা করেন, আমীন।

    আমার মুজাহিদা, মুহাজিরা, মুরাবিতা বোনদের প্রতি ছোটো একটি বার্তা দিয়ে আমার কথা শেষ করছি।
    প্রিয় বোনেরা আমার, সবরকে নিজের জন্য আবশ্যক করে নিন। অবিচলতা আর দৃঢ়তা আঁকড়ে ধরুন। মনে রাখতে হবে, ধৈর্যই বিজয়। যেমনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
    من يتصبر يصبره الله، ومن يستغن يغنه الله، ومن يستعفف يعفه الله، وما أجد لكم رزقا أوسع من الصبر
    ‘যে ধৈর্য ধরার চেষ্টা করে; আল্লাহ তাকে আরও দৃঢ়তা দান করেন। যে [মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে] নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে; আল্লাহ তাকে স্বয়ংসম্পূর্ণতা দান করেন। যে পবিত্র থাকতে চায়; আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখেন। আমি তোমাদের জন্য সবরের চেয়ে বড়ো কোনো নেয়ামত পাইনি।’ [বুখারী: ৬৪৭০, মুসলিম: ১০৫৩]

    তাই প্রিয় বোনেরা আমার, আল্লাহর পথে প্রতিকূল পরিবেশে ধৈর্য ধারণ করলে, জান্নাতে মহান আল্লাহর সাক্ষাৎ ও প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সান্নিধ্য লাভে আমরা ধন্য হব। যেমনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
    حُجِبَتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ، وَحُجِبَتِ الجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ
    ‘জাহান্নামকে ঢেকে রাখা হয়েছে মনের অবৈধ স্বাদ-আহ্লাদ দিয়ে আর জান্নাতকে ঢেকে রাখা হয়েছে অপছন্দনীয় উপকরণ দিয়ে।’ [বুখারী : ৬০৪৩]

    যেমন, আমাদের মহামহিম রব ইরশাদ করেন,
    وَلَنَبۡلُوَنَّکُمۡ بِشَیۡءٍ مِّنَ الۡخَوۡفِ وَالۡجُوۡعِ وَنَقۡصٍ مِّنَ الۡاَمۡوَالِ وَالۡاَنۡفُسِ وَالثَّمَرٰتِ  وَبَشِّرِ الصّٰبِرِیۡنَ 
    ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব; (কখনও) কিছুটা ভয়ভীতি দ্বারা, (কখনও) ক্ষুধা দ্বারা এবং (কখনও) জান-মাল ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। সুসংবাদ শোনাও তাদেরকে, যারা (এরূপ অবস্থায়) সবরের পরিচয় দেয়।’ [সূরা বাকারা ২ : ১৫৫]

    সুতরাং যে-কেউ দয়াময় আল্লাহর পথে পরীক্ষার মুখোমুখি হয়ে সবর করবে; তার জন্য আল্লাহর তরফ থেকে হেদায়েত ও রহমতের সুসংবাদ রয়েছে।

    মনে রাখতে হবে, এ লড়াই অনেক দীর্ঘ লড়াই। ঈমান ও কুফরের লড়াই। সত্য-মিথ্যার লড়াই। আমাদের সন্তানদের হৃদয়ে এই বীজ বপন করতে হবে যে, পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিমে ছড়িয়ে থাকা ইসলামের শত্রুরা কেবল আমাদের ক্ষতিই করতে চায়। তারা চায়, আমরা আমাদের দ্বীন ছেড়ে তাদের অনুসরণ করি। যতদিন আমরা এই দ্বীন আঁকড়ে থাকব, ততদিন তারা আমাদের পিছু ছাড়বে না।

    আমেরিকা ও এসকল পাপিষ্ঠ-কাফের শাসক; যারা মানবরচিত আইনে দেশ চালায়, মুসলমানদের নির্যাতন করে, তাদের ধনদৌলত ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন করে; আমাদের সন্তানদের অন্তরে তাদের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষের সুদৃঢ় ভিত তৈরি করতে হবে।
    وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين و أصلي وأسلم على سيدنا محمد وآله وصحبه أجمعين.

  • #2
    পাক লহুতে সিঞ্চিত হোক আমাদের এই মাতৃভূমি,
    ঢাল তলোয়ার বেজে উঠুক জিহাদের যাত্রী তুমি।

    পবিত্র হোক মোদের এ দেশ নাপাক জন্তু থেকে,
    কাফের, তাগুত যতো পারো মাটিতে দাও ঢেকে।

    মোদের গর্ব মোদের আশা আল কায়েদা তালেবান,
    জোয়ান তুমি ক্ষিপ্র বেগে চালাও তবে অভিযান।
    শত্রু অভিমুখী যুদ্ধা।

    Comment


    • #3
      Originally posted by Ahlos sogor View Post
      পাক লহুতে সিঞ্চিত হোক আমাদের এই মাতৃভূমি,
      ঢাল তলোয়ার বেজে উঠুক জিহাদের যাত্রী তুমি।

      পবিত্র হোক মোদের এ দেশ নাপাক জন্তু থেকে,
      কাফের, তাগুত যতো পারো মাটিতে দাও ঢেকে।

      মোদের গর্ব মোদের আশা আল কায়েদা তালেবান,
      জোয়ান তুমি ক্ষিপ্র বেগে চালাও তবে অভিযান।
      আল্ল-হু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
      অসাধারণ হয়েছে কবিতাটা...
      হয় শাহাদাহ নাহয় বিজয়।

      Comment


      • #4
        কত কঠিন ছিল মুজাহিদদের এবং তাদের পরিবারের জন্য এবং তাদের আশ্রয়দানকারী আনসারদের জন্য এই আমেরিকা বিরোধী জিহাদ, বিষয়গুলো দিবালোকের মত পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরও কিছু লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আজও তাদের চরিত্রে কালিমালেপনের চেষ্টা করে যাচ্ছে, মুসলিম সাধারণ জনগণের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে উম্মাহর এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে বিতর্কিত করে বাতিলকে হকের তকমা দেয়ার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি ৯/১১ নিয়ে চলমান ইস্যু প্রসঙ্গে।

        আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদের সকল বিভ্রান্তি ও ভ্রান্ত ব্যাক্তিদের থেকে হিফাজত রাখুন, আমীন

        Comment


        • #5
          সফলতার প্রথম ধাপ সবচেয়ে কঠিন হয়, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কিরাম খেলাফত না থাকার কারণে যেমনি ভাবে পরবর্তী সবার থেকে বেশি কষ্ট করে খিলাফত কায়েম করেছেন তাই তারা পরবর্তী সবার থেকে শ্রেষ্ঠ, তেমনি ভাবে আমারা খেলাফাত হারিয়ে ফেলেছি , তাই আমরা যদি কষ্ট করে খিলাফত কায়েম করি তাহলে আমরা পরবর্তীদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ হতে পারব। তাই প্রথমে একটু কষ্ট হবে পরে সবকিছু সহজ হয়ে যাবে। তাই পুরো বিশ্বময় খিলাফত কায়েমের জন্য আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতেই হবে।
          Last edited by Rakibul Hassan; 10-09-2023, 04:13 PM.
          পৃথিবীর রঙ্গে রঙ্গিন না হয়ে পৃথিবীকে আখেরাতের রঙ্গে রাঙ্গাই।

          Comment

          Working...
          X