Announcement

Collapse
No announcement yet.

ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধান বিচারপতি ফাদ্বিলাতুশ শায়খ আব্দুল হাকিম হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধান বিচারপতি ফাদ্বিলাতুশ শায়খ আব্দুল হাকিম হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো

    ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধান বিচারপতি ফাদ্বিলাতুশ শায়খ আব্দুল হাকিম হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো




    আল ফিরদাউস এর সম্পাদক মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিযাহুল্লাহ’র ওয়াল থেকে…

    ‎ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধান বিচারপতি ফাদ্বিলাতুশ শায়খ আব্দুল হাকিম হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো:


    ‎উনার নাম শায়খ আবদুল হাকিম। তাঁর পিতা শায়খ আল্লামা ‘খোদাদাদ’ রহিমাহুল্লাহ ছিলেন একাধারে এক মহান মুহাদ্দিস এবং লোকমুখে ‘হাজি মোল্লা সাহেব’ নামে সমধিক পরিচিত। তাঁর বংশপরিক্রমা হলো: শায়খ আবদুল হাকিম ইবনে শায়খ আল্লামা খোদাদাদ ইবনে শের মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ জান ইবনে সা’দুল্লাহ খান ইবনে সাইয়িদ মুহাম্মদ খান; মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁদের সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। জন্ম ও পরিচয়ের দিক থেকে তিনি হাক্কানি, আফগান এবং কান্দাহারের বান্দ-ই-তিমুরি এলাকার অধিবাসী। তিনি সুপরিচিত ‘ইসহাকজাই’ গোত্রের এক কৃতি সন্তান।

    উনার জন্মঃ

    ‎১৩৭৬ হিজরিতে (আনুমানিক ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে) আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের পাঞ্জওয়াই জেলার অন্তর্গত তালোকান গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও দ্বীনি পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

    বেড়ে ওঠা ও শিক্ষাজীবনঃ

    ‎তাঁর সম্মানিত পিতা ছিলেন সেকালের এক বিশিষ্ট আলেম এবং সুপরিচিত মুফতি। পিতার স্নেহছায়ায় থেকে তিনি পবিত্র কুরআন, ফারসি কিতাবাবলি, আরবি ব্যাকরণ (নাহু ও সরফ), জ্যোতির্বিদ্যা (হায়আহ), প্রজ্ঞা (হিকমাহ), যুক্তিবিদ্যা (মানতিক), দর্শন, অলংকারশাস্ত্র (বালাঘাত), ফারায়িজ বা উত্তরাধিকার আইন (মিরাস), আকিদা, ফিকহ, উসুলুল ফিকহ এবং তাফসিরের কিছু কিতাব অধ্যয়ন করেন।

    এরপর ১৩৯৬ হিজরিতে তিনি জাবুল সফর করেন। সেখানে শায়খ উবাইদুল্লাহ আখুন্দজাদার কাছে তিনি আল্লামা তাফতাযানি রচিত বালাগাতশাস্ত্রের প্রসিদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ ‘আল-মুতাওয়াল’ অধ্যয়ন করেন।

    ‎পরবর্তী সময়ে, ১৩৯৭ হিজরিতে (১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে) ইলমে হাদিসসহ অন্যান্য শাস্ত্রীয় জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে তিনি পাকিস্তানের পেশোয়ারের নিকটবর্তী আকোড়া খাট্টাকে অবস্থিত সুবিখ্যাত দ্বীনি বিদ্যাপীঠ ‘দারুল উলুম হাক্কানিয়া’য় গমন করেন। সেখানে তিনি দারুল উলুম হাক্কানিয়ার মহান আলেমদের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং তাঁদের অমূল্য ইলমি নির্যাস গ্রহণ করেন। এই বরেণ্য স্কলারদের মধ্যে অন্যতম হলেন—শায়খ আল্লামা মুহাদ্দিস আবদুল হক, শায়খ আবদুল হালিম জারোবি, শায়খ মুফতি আজম মুহাম্মদ ফরিদ জারোবি এবং শায়খ মুহাম্মদ আলি সোয়াতি প্রমুখ; মহান আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।

    ‎শায়খ আবদুল হাকিম হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ স্মৃতিচারণ করে বলেন,

    ‎“দারুল উলুম হাক্কানিয়ায় আমি এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শায়খ আবদুল হকের কাছে ‘জামি তিরমিজি’র কিছু অংশ অধ্যয়ন করেছি। শায়খ মুফতি মুহাম্মদ ফরিদের কাছে পড়েছি তাফসিরে জালালাইনের প্রথমাংশ, সহিহ বুখারির প্রথমাংশ, জামি তিরমিজির প্রথম খণ্ড এবং সুনানে আবি দাউদ। প্রধান শিক্ষক আল্লামা আবদুল হালিম জারোবির তত্ত্বাবধানে আমি তাফসিরে বায়যাবী, সহিহ বুখারির দ্বিতীয়াংশ এবং সহিহ মুসলিম অধ্যয়ন করি।

    ‎তাফসিরে জালালাইনের দ্বিতীয়াংশ, জামি তিরমিজির দ্বিতীয়াংশ এবং শামায়িলে তিরমিজি পড়ার সুযোগ হয়েছে শায়খ মাওলানা সামিউল হকের সান্নিধ্যে থেকে। মাওলানা মুহাম্মদ আলি সোয়াতির কাছে পড়েছি শরহু মাআনিল আসার (তাহাবি) এবং আল-হিদায়ার দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড। আর শায়খ ফজলুল মাওলার কাছে আমি মিশকাতুল মাসাবিহ অধ্যয়ন করেছি।”

    ১৪০০ হিজরিতে (১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি টানেন এবং অসাধারণ কৃতিত্বের সঙ্গে ‘সনদ-ই-আলিমিয়্যাহ’ (ঐতিহ্যবাহী ইসলামি শিক্ষার সর্বোচ্চ ডিগ্রি) অর্জন করেন।

    ‎আকোড়া খাট্টাকে প্রাতিষ্ঠানিক অধ্যয়ন শেষ করে তিনি বেলুচিস্তানের জিয়ারত শহরে ফিরে আসেন। ওই একই বছরের শাবান ও রমজান মাসে তিনি শায়খ জান মুহাম্মদের কাছে পবিত্র কুরআনের তাফসির অধ্যয়ন করেন।

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org
Working...
X