Announcement

Collapse
No announcement yet.

Vpn কীভাবে কাজ করে ?

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • Vpn কীভাবে কাজ করে ?

    VPN কীভাবে কাজ করে ?



    কোনো একটি প্রশ্নের সুপ্রমাণিত ও যুক্তিসংগত উত্তর না পেলে পর্যায়ক্রমে এমনই আরও কিছু প্রশ্ন মনের মাঝে উদিত হবে, এটা খুবই স্বাভাবিক। যেমন- VPN কি শুধুমাত্র অবৈধ ও অননুমোদিত ওয়েব সাইট পরিদর্শন করার জন্যই ব্যবহৃত হয়? তার মানে কি পুরো VPN জিনিসটাই অবৈধ? এমনই অনেক প্রশ্ন আমাদের মনের মাঝে ঘুরপাক খায়! তাই না?

    VPN শব্দটির সাথে আমরা পরিচিত হলেও আমরা এর মূল কাজটা সম্পর্কে অবগত নই। পাশাপাশি VPN সম্পর্কে আমাদের অধিকাংশের মাঝে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো-
    • VPN কী?
    • VPN কীভাবে কাজ করে?
    • VPN সম্পর্কে আমাদের ভুল ধারণাগুলো ভাঙ্গার চেষ্টা করবো!



    প্রথমেই জানবো, VPN কী?
    VPN -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Virtual Private Network (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক)। আমরা এটার প্রযুক্তিগত ব্যাপক আলোচনা না করে, বরং আমরা একটি উদাহরণের মাধ্যমে দেখবো যে, VPN জিনিসটা আসলে কীভাবে কাজ করে থাকে?


    আমরা যখন ইন্টারনেটে সার্চ করি, তার মানে আমরা আমাদের ডিভাইসের কোনো একটি ব্রাউজারের মাধ্যমে কোনো একটি রিকয়েস্ট পাঠাই, যেমন- আমরা youtube.com ভিজিট করতে চাই, তখন আমাদের রিকয়েস্টটা প্রথমে আমাদের আইএসপি সার্ভারের কাছে যায়। ISP মানে হচ্ছে- Internet Service Provider (ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী)। আমাদের আইএসপি সার্ভার হতে পারে- আমরা যে কোম্পানির সিম ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি সেটা অথবা আমরা যে কোম্পানি থেকে ব্রডব্যান্ড (Broadband)-এর ক্যাবল এনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি সেটা। তো হ্যাঁ... আমরা যা বলছিলাম যে, ISP-এর মাধ্যমে আমাদের রিকয়েস্টটা সেই youtube.com এর কাছে যায়। অথবা আমাদের রিকয়েস্টটা হতে পারে facebook.com, google.com ইত্যাদি।

    এই যে কনেকশানের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাগুলো রয়েছে, এখানে হ্যাকাররা চাইলেই ব্রীজ করতে পারে এবং আমাদের ডেটা তথা তথ্যগুলো হাতিয়ে নিতে পারে। এর মধ্যে প্রথমেই তারা আমাদের আইপি এড্রেস সংগ্রহ করবে এবং এরপর এক এক করে আমাদের সকল তথ্য হাতিয়ে নিবে। শুধু কী হ্যাকার? থার্ড পার্টিও যে আছে, যাদের কাছে আমরা এক একটি পণ্য বৈ আর কিছুই নই!

    আর যদি আমরা VPN ব্যবহার করি তবে আমাদের রিকয়েস্টটা প্রথমে একটি ক্লাইন্ট সার্ভারে যাবে। তারপর ক্লাইন্ট সার্ভারে আমাদের ডেটা Encrypted (এনক্রিপ্টেড) হবে তথা আমাদের ডেটাকে আচ্ছাদিত করা হবে। তারপর একটি সিক্রেট টানেল তথা গোপন সুড়ঙ্গের মাধ্যমে আমাদের এই এনক্রিপ্টেড ডেটা আইএসপি সার্ভারে যাবে। আইএসপি সার্ভার থেকে আরও একটি সিক্রেট টানেলের মাধ্যমে অন্য একটি VPN সার্ভারে যাবে। তারপর এই VPN সার্ভার হয়ে সর্বশেষ গন্তব্য youtube.com এ পৌঁছাবে। VPN ব্যবহারের ফলে কনেকশানের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাগুলোর দুর্বলতা অনেকাংশেই কেটে যায়। VPN-এর এই প্রসেসের মাঝখানে আমাদের পুরো ডেটাটা এনক্রিপ্টেড হয়ে যায় ও আমাদের আইপি এড্রেসটাও পরিবর্তিত হয়ে যায়। যদিও বাহ্যিকভাবে আইপি এড্রেস কখনওই পরিবর্তিত হয় না, তবুও কনেকশানের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাগুলোতে বসে থাকা হ্যাকার ও থার্ড পার্টির হাত থেকে আমাদের ডেটাগুলোকে বাঁচাতে এই পরিবর্তিত আইপি এড্রেসগুলো বেশ কাজে দেয়। আর যদি কোনো হ্যাকার আমাদের ডেটা ব্রীজ করতেও পারে তারপরও আমাদের মূল তথ্যগুলো পেতে তাদেরকে অনেক কষ্ট পোহাতে হবে, কেননা আমাদের ডেটাগুলো সব আচ্ছাদিত ও আমাদের আইপি এড্রেসটাও পরিবর্তিত!

    VPN ডেটাকে এনক্রিপ্টেড করার সাথে সাথে মূল আইপি এড্রেসকে হাইড তথা লুকিয়ে রাখে, ফলাফল দাঁড়াচ্ছে VPN আমাদেরকে সেইফ থাকার জন্য সাহায্য করছে। তার মানে VPN শুধুমাত্র আইপি এড্রেসকে হাইড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তা নয়, বরং ইন্টারনেটে সেইফ থাকার জন্যও VPN ব্যবহৃত হয়।




    VPN সম্পর্কে আমাদের ভুল ধারণা-
    ১. VPN শুধুমাত্র অবৈধ ও অননুমোদিত ওয়েব সাইট ভিজিট করার জন্যই ব্যবহৃত হয়!
    VPN সম্পর্কে উপরের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, VPN শুধুমাত্র অবৈধ ও অননুমোদিত ওয়েব সাইট ভিজিট করার জন্যই ব্যবহৃত হয় না, বরং ইন্টারনেটে সেইফ থাকার জন্যও ব্যবহৃত হয়। যাতে করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় আমরা আমাদের তথ্য হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে পারি এবং আমরা যেন থার্ড পার্টির কোনো পণ্যে পরিণত না হই। আর VPN প্রথম প্রথম সরকারি কাজেই ব্যবহৃত হত, যাতে সরকারি তথ্যগুলো সুরক্ষিত থাকে।


    ২. VPN ব্যবহার করলে লুকিয়ে থাকা যায়!
    VPN ব্যবহার করলে লুকিয়ে থাকা যায়! এমনটা ভাবা বোকামি। VPN ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা আমাদের ডেটার উপরে শুধুমাত্র একটা অতিরিক্ত লেভেলের সিকিউরিটির লেয়ার যুক্ত করতে পারি, যাতে করে হ্যাকার ও কোনো থার্ড পার্টি থেকে আমরা আমাদের ডেটাগুলো সুরক্ষিত রাখতে পারি। এর থেকে বেশি কিছু নয়।

    VPN ব্যবহার করলে লুকিয়ে থাকা যায় না, এর জন্য একটি সহজ কথাই যথেষ্ট যে, আমাদের আইএসপি সার্ভারই আমাদের বের করে ফেলতে পারবে! কেননা আমরা যত যাই করি না কেন আমাদের আইএসপি সার্ভার হয়েই যেতে হবে।

    আর একটা বিষয় হচ্ছে, VPN শুধুমাত্র ইউজার ও লক্ষিত ওয়েব সাইটের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাতেই কাজ করে। আমাদের লক্ষিত ওয়েব সাইটটি চাইলেই আমাদের মূল আইপি এড্রেস বের করে ফেলতে পারবে। আমরা যদি Tor Browser দিয়েও আমাদের ডিভাইস থেকে Tutanota-তে একটি একাউন্ট খুলি, এবং এরপর যদি উক্ত ডিভাইস থেকে আরও একটি একাউন্ট খুলতে যাই, তখনই আমাদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে, একটি ডিভাইস থেকে একাধিক একাউন্ট খোলা যাবে না! যদিও Tutanota-তে একাউন্ট খুলতে কোনো এভিডেন্সের প্রয়োজন পড়ে না, কিন্তু আমাদের অজান্তেই তারা আমাদের ডিভাইসটিকেই এভিডেন্সরূপে নিয়ে গেছে! প্রশ্ন আসে না, Tor Browser ব্যবহারকালে তারা আমাদের ডিভাইসের তথ্য কোথায় পেল?

    আর VPN দ্বারা আমার আইপি এড্রেস পরিবর্তিত হলেও VPN-এর আইপি এড্রেস তো আর পরিবর্তিত হয় না! আমরা যখন VPN ব্যবহার করছি তখন VPN-ই আমাদের আইপি এড্রেস। উক্ত VPN সার্ভার থেকে আমাদের আইপি এড্রেস সংগ্রহ করা কঠিন তো অবশ্যই তবে অসাধ্য নয়

    এক কথায় আমি যদি টার্গেটে এসে যাই, তবে আমাকে ধরা কোনো ব্যাপারই নয়।


    ৩. প্রক্সি আর ভিপিএন একই জিনিস!
    আমাদের ধারণা Proxy আর VPN একই জিনিস! কিন্তু এই দু'টা একই জিনিস নয়, বরং Proxy শুধুমাত্র আইপি এড্রেস হাইড করার কাজ করে থাকে, পক্ষান্তরে VPN ডেটাকে এনক্রিপ্টেড করার সাথে সাথে আইপি এড্রেসকেও হাইড করে। অর্থাৎ Proxy = 1 আর VPN = 2. Proxy ব্যবহার করে আমি ব্যান করা সাইট ভিজিট করতে পারলেও আমার ডেটাগুলো এনক্রিপ্টেড থাকবে না। ফলে Proxy ব্যবহারে ডেটা চুরির ভয় থাকেই যায়।


    ৪. টর ব্রাউজার ও ভিপিএন একই জিনিস!

    Tor Browser ও VPN একই জিনিস নয়, বরং VPN থেকে Tor Browser উত্তম। VPN হচ্ছে একটি সিঙ্গেল সার্ভার, পক্ষান্তরে Tor হচ্ছে Decentralized server (বিকেন্দ্রীভূত সার্ভার), যেখানে ভলান্টিয়াররা মাল্টিপলসার্ভার মেইন্টেইন করে আমাদের পুরো ইন্টারনেট কানেকশানটা এনক্রিপ্টেড করে রাখে। যদিও মাল্টিপলসার্ভার হয়ে কাজ করার ফলে Tor বেশ স্লো কাজ করে।


    Proxy < VPN < Tor Browser
    তার মানে, Proxy থেকে VPN উত্তম। আর, VPN থেকে Tor Browser উত্তম।


    ৫. বাংলাদেশে VPN অবৈধ!
    বিশ্বের কয়েকটা দেশ (যেমন- চীন, রাশিয়া ... ইত্যাদি) ব্যতীত প্রায় সকল দেশেই VPN বৈধ। বাংলাদেশ সরকার VPN সম্পর্কে যা বলে তা নীচে দেওয়া হল। উক্ত কথাগুলো থেকেও বেশ ভালো ধারণা পাবেন ইনশাআল্লাহ।


    VPN সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকার যা বলে (English PDF Link)- https://ia902602.us.archive.org/27/i...eshi%20VPN.pdf
    VPN সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকার যা বলে (নীচে PDF-টির অনুবাদ)-



    বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন
    IEB ভবন, রমনা, ঢাকা-1000, বাংলাদেশ।

    নম্বর: 14.32.0000.008.52.022.14-0.527 তারিখ: 10-04-2017

    ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কে (ভিপিএন) সংশোধিত নির্দেশাবলী

    বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (BTRC), এই অফিসের মেমো নং: BTRC/E&O/VoIP (177)/2005/254-21; তারিখ 07-01-2015, সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাতে পেরে আনন্দিত যে, ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) নিম্নলিখিত শর্তাবলীর অধীনে IP নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    শর্তাবলী
    ১. যেকোন সত্তা, এই নির্দেশাবলীর সমস্ত শর্তাবলীর অধীনে, ভিপিএন ব্যবহার করতে অনুমোদিত তথ্য যোগাযোগের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ।
    ২. VPN ট্র্যাফিকের ব্যবহারকারী/পরিষেবা প্রদানকারীর দ্বারা মনিটরিং ব্যবস্থা করা হবে এবং মালিক কমিশনের প্রয়োজনে যে কোনও সংস্থাকে সিস্টেমে অ্যাক্সেস দেবে।
    ৩. VPN শুধুমাত্র অফিস বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ট্রাফিক বহন করবে। বাণিজ্যিক ভয়েস ট্রাফিক VPN এ বহন করা হবে না।
    ৪. VPN ট্র্যাফিক ILDTS নীতি অনুযায়ী রুট করা হবে।
    ৫. ভিপিএন টানেলের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং, কল সেন্টার, MPLS ট্র্যাফিক পাস করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রাসঙ্গিক নির্দেশাবলী প্রযোজ্য হবে৷
    ৬. ISP লাইসেন্সধারীরা এই নির্দেশাবলীর সমস্ত শর্তাবলীর অধীনে তার লাইসেন্সিং এলাকার গ্রাহকদের VPN পরিষেবা প্রদান করবে।
    ৭. আইএসপিগুলি সম্ভাব্য অপব্যবহার শনাক্ত করতে সোর্স আইপি, গন্তব্য আইপি এবং ট্র্যাফিক ভলিউম নিরীক্ষণ করবে এবং এই জাতীয় যে কোনও বিষয়ে কমিশনকে অবহিত করবে।
    ৮. আইএসপিগুলি প্রতি মাসের প্রথম ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে VPN ক্লায়েন্টের বিবরণের উপর একটি মাসিক প্রতিবেদন জমা দেবে। ISPs কমিশনকে একটি MRTG লিঙ্কও প্রদান করবে, যাতে তাদের VPN ক্লায়েন্টদের MRTG থাকে।
    ৯. গ্রাহকদের দ্বারা VPN ট্র্যাফিকের অননুমোদিত ব্যবহার সংশ্লিষ্ট ISP এবং IIGS দ্বারা ব্লক করা হবে৷
    ১০. ISPs যেকোন VPN টানেল চালু করার আগে তার গ্রাহকদের কাছ থেকে "VPN রেজিস্ট্রেশন ফর্ম"-এ নির্দেশিত সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি এবং তথ্য সহ যথাযথভাবে পূরণ করা, স্বাক্ষরিত এবং সিল করা "পরিশিষ্ট-I" অনুযায়ী নির্ধারিত ফর্ম সংগ্রহ ও যাচাই করবে। আইএসপিগুলিকে পরবর্তী মাসের প্রথম ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে বিটিআরসি-তে উল্লেখিত সমস্ত নথির মূল কপি জমা দিতে হবে।
    ১১. IIGs শুধুমাত্র নির্দিষ্ট উৎস IP ঠিকানা(গুলি), গন্তব্য IP ঠিকানা(গুলি) এবং ব্যান্ডউইথের বিপরীতে VPN পরিষেবাতে অ্যাক্সেস প্রদান করবে৷ আইএসপিদের কাছ থেকে লিখিত অনুরোধ পাওয়ার পর। IIGS ISP অনুরোধ নথি সংরক্ষণ করবে; প্রয়োজনে বিটিআরসি আইআইজিকে নথি সরবরাহ করতে বলতে পারে বা যে কোনো সময় নথি এবং ভিপিএন অ্যাক্সেস তালিকা পরিদর্শন করতে পারে।
    ১২. কমিশন নিজে থেকে বা অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা/আইন গোয়েন্দা সংস্থার অনুরোধে, প্রয়োজনে, কোনও পূর্ব নোটিশ ছাড়াই যে কোনও আইপি থেকে কোনও ভিপিএন টানেল বা ট্র্যাফিক ব্লক করতে পারে।
    ১৩. কমিশন কোন বিধান ব্যাখ্যা বা ব্যাখ্যা করার একচেটিয়া অধিকার এবং কর্তৃত্ব সংরক্ষণ করে এই নির্দেশাবলীর কোন বিধানের প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে কোন বিভ্রান্তি দেখা দিলে এই নির্দেশাবলী।
    ১৪. বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্ট, 2001 অনুযায়ী অপারেশনাল এবং/অথবা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে এই নির্দেশের যে কোনও বিধান লঙ্ঘনের জন্য।
    ১৫. এই নির্দেশাবলী এই চিঠি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে৷


    স্বাক্ষর
    10/04/2017
    (ইঞ্জি. মো. মেসবাহুজ্জামান) পরিচালক
    প্রকৌশল ও পরিচালনা বিভাগ
    ই-মেইল: mesba@btrc.gov.bd
    ফোন 9554604

    বিতরণ:
    ১. চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সকল ISP অপারেটর;
    ২. চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সকল IIG অপারেটর;
    ৩. BTRC এর নোটিশ বোর্ড;
    ৪. BTRC এর ওয়েব সাইট।





    "পরিশিষ্ট-১"
    ভিপিএন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম

    সত্তা/ব্যবহারকারীর নাম :
    ঠিকানা :
    আবেদনকারীর ব্যবসার ধরন (ব্যাংক/এয়ারলাইনস/ব্যক্তিগত (ফ্রিল্যান্সার/গবেষক/ওয়েব ডেভেলপার ইত্যাদি)/গার্মেন্টস/হাসপাতাল/ ইত্যাদি:

    মোবাইল নম্বর :
    ই-মেইল ঠিকানা :
    উৎস আইপি ঠিকানা:

    গন্তব্য আইপি ঠিকানা:

    VPN ব্যান্ডউইথের প্রয়োজনীয়তা (Mbps): VPN এর জন্য পরিষেবা তালিকা:

    ক্রম না. পরিষেবা/আবেদনের নাম
    ....
    ....
    ....
    ....
    ....


    পরিষেবা/আবেদনের নথি প্রয়োজন:
    সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য Individula ব্যবহারকারীদের জন্য
    ১. বর্তমান ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত কপি।
    ২. বর্তমান আয়করের সত্যায়িত অনুলিপি ছাড়পত্র।
    ৩. এর সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি নিবন্ধিত কোম্পানির জন্য নিগম।
    ৪. অঙ্গীকার ("সংযোজন-২" অনুযায়ী)
    ১. NID/পাসপোর্টের সত্যায়িত অনুলিপি
    ২. আন্ডারটেকিং ("সংযোজন-২" অনুযায়ী)।



    "পরিশিষ্ট-২"

    আন্ডারটেকিং

    ১. আমি/আমরা প্রত্যয়ন করছি যে, এই VPN রেজিস্ট্রেশন ফর্মে দেওয়া তথ্য/ডকোমেন্টগুলি সত্য এবং সঠিক এবং আমরা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের সংশোধিত নির্দেশাবলীতে বর্ণিত শর্তাবলী মেনে চলার অঙ্গীকার করি৷
    ২. আমি/আমরা বুঝি যে কোনো সময়ে যদি VPN পরিষেবা পাওয়ার জন্য কোনো তথ্য দেওয়া হয় ভুল পাওয়া গেলে পরিষেবাটি যদি এই ধরনের আবেদনের ভিত্তিতে মঞ্জুর করা হয় বলে গণ্য হবে বাতিল করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্ট, 2001 অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দায়ী থাকবে।
    ৩. আমরা VPN পরিষেবা ব্যবহার করে এমন কিছু করব না যা জাতীয় নিরাপত্তা, স্বার্থ এবং সংস্কৃতির পরিপন্থী।

    অনুমোদিত ব্যক্তির স্বাক্ষর ................
    নাম ...........................................
    অবস্থান ......................................
    তারিখ ও স্থান ...............................




    VPN-52.022.14-0 পৃষ্ঠা: 4
    ফোন: +88 02 9611111, ফ্যাক্স: +88 02 9556677, 9567755, ই-মেইল: info@btrc.gov.bd, ওয়েব: www.btrc.gov.bd




    এই পোষ্টটি ভয় দেখিয়ে ফোরাম থেকে চলে যাওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা কতটুকু রিক্স নিয়ে ইন্টারনেট চালাই তা ভালো করে জেনে-বুঝে নেওয়ার জন্য। আমরা যখন কোনো একটি কাজ করি তখন তার উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে নেওয়া উচিত। মনে করুন, কোনো চুর যদি কোনো একটি বিল্ডিংয়ের কোনা কোনা উত্তমরূপে অবলোকন করে ও সেটা সম্পর্কে উত্তমরূপে জানে, তবে উক্ত বিল্ডিংয়ে তার প্রবেশ করাও সহজ হবে আবার সেখান থেকে বের হয়ে আসতেও সহজ হবে। একজন হ্যাকার কোনো একটি ওয়েব সাইট নিয়ে যত বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করবে তার জন্য উক্ত ওয়েব সাইটটি হ্যাক করা ততই সহজ হবে ও নিজের কাছে উক্ত ওয়েব সাইটটিকে ধরে রাখা ততই সহজ হবে। আমরা কোনো একটি বিষয় সম্পর্কে যত বেশি উত্তম থেকে উত্তমভাবে অবগত থাকব উক্ত বিষয়টি ততই আমাদের কন্ট্রোলে থাকবে তথা নিয়ন্ত্রণে থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমি যদি ভিপিএন সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা রাখি, তবে আমি বুঝতে পারবো যে কখন আমার ভিপিএন ব্যবহার করা উচিত আর কখন আমার ভিপিএন ব্যবহার করা উচিত না। কখন আমাকে মোবাইলের ব্যাটারী খুলে ফেলতে হবে, কখন আমাকে সিম ফেলে দিতে হবে আর কখন আমাকে পুরো মোবাইলটাই ফেলে দিতে হবে। কোনো প্রশ্ন ও সংশয় থাকলে প্রশ্নোত্তর করা যেতে পারে।
    হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

  • #2
    জাযাকাল্লাহু খাইরান। ভাইজান, কয়েকটি প্রশ্ন ছিলো। একটু কষ্ট জানাবেন প্লিজ।
    ১/ আমাদের ফোরাম কি vpn দিয়ে ইউস করা যায় কি না!? ইউস করা গেলে কোন vpn ইউস করবো?
    ২/ orbot এর vpn অপশন চালু ফায়ারফক্স/ ক্রুম দিয়ে ব্রাউজ করাটা নিরাপদ হবে কি না!?
    ৩/ bridges কি? তার কাজ কি?
    ৪/ tor browsr এর স্পিড বাড়ানোর কোন পদ্ধতি আছে কি না?
    অনুগ্রহ করে বলবেন ইনশাআল্লাহ।

    Comment


    • #3

      কোথাও এই ধরণের ছবি দেখে আমরা ভেবে নিতে পারি যে, User Device ও VPN Client এর মাঝে যেহেতু লাল রং ও খোলা তালা ব্যবহৃত হয়েছে, তার মানে তো দেখি, VPN শুরুতেই সেইফ না !

      VPN Client মূলত আমাদের ডিভাইসে ইনস্টল করা VPN সফটওয়্যারটা/অ্যাপটাকেই বুঝায়। শুরুতেই আমরা যে লাল রং ও খোলা তালা দেখতে পাচ্ছি তা মূলত আমাদের ডিভাইসের ভিতরের অবস্থা। তবে যদি আমাদের ডিভাইসের ভিতরেই কোনো স্পাই তথা গোয়েন্দা সফটওয়্যারটা/অ্যাপ থেকে থাকে, তবে তো নিঃসন্দেহে লাল রং ও খোলা তালা অনিরাপত্তার অর্থই বহন করবে।
      হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

      Comment


      • #4
        আমরা যদি VPN ব্যবহার না করে ইন্টারনেট চালাই, তবে আপনি গুগলে "Who can see device history?" (কে ডিভাইস ইতিহাস দেখতে পারে?) লিখে সার্চ করতে পারেন। উত্তর আসবে,
        If you're not careful, almost anyone can see your internet activity. Wi-Fi admins can see your activity through router logs, while websites, apps, ISPs, search engines, and advertisers all have means of tracking what you do online. Your devices and browsers keep records of what you do on them too.
        অনুবাদঃ আপনি যদি সতর্ক না হন, তবে প্রায় যে কেউই আপনার ইন্টারনেট কার্যকলাপ দেখতে পারবে। ওয়াই-ফাই অ্যাডমিনরা রাউটার লগের মাধ্যমে আপনার কার্যকলাপ দেখতে পারে, যখন ওয়েবসাইট, অ্যাপস, আইএসপি, সার্চ ইঞ্জিন এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সবার কাছে আপনি অনলাইনে যা করেন তা ট্র্যাক করার উপায় রয়েছে৷ আপনার ডিভাইসে এবং ব্রাউজারগুলিওতে আপনি যা করেন তার রেকর্ডও তারা রাখে।


        এমনকি আমরা যদি গুগল ক্রোম এর তিন ফোঁটার মধ্যে ক্লিক করে তাতে বিদ্যমান New Incognito Window-ও ব্যবহার করি, তবে তাতেও কোনো লাভ নেই। আপনি গুগলে " Who can see incognito history? " (কে ছদ্মবেশী কার্যকলাপ দেখতে পারে?) লিখে সার্চ করতে পারেন। উত্তর আসবে,
        Your Internet Service Provider (ISP) and other third-party entities may still be able to track your online activity, even when you are browsing in incognito mode. Not only that: if you share your device with others, even they can find out what you visited in incognito mode.
        অনুবাদঃ আপনার ISP তথা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং অন্যান্য থার্ড-পার্টি এখনও আপনার অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করতে সক্ষম হতে পারে, এমনকি আপনি যখন incognito তথা ছদ্মবেশী মোডে ব্রাউজ করছেন তখনও৷ শুধু তাই নয়: আপনি যদি আপনার ডিভাইসটি অন্যদের সাথে শেয়ার করেন, যদিও তারাও ছদ্মবেশী মোডে আছে তারপরও আপনি কী দেখেছেন তারা তা জানতে পারবে।


        আর আমরা এটাও খেয়াল করি যে, যখন আমরা Incognito মোড ব্যবহার করে ইউটিউব ব্যবহার করি, তখন বাংলাদেশি ভিডিওই আমাদের সামনে আসে ও বাংলাদেশি এড তথা বিজ্ঞাপনই আমাদের সামনে আসে!

        অনেক ওয়েব সাইটে এই কথাগুলোর বিপরীত লিখাও আছে, কিন্তু আমরা যদি একটু ভাবি তবেই এর সত্যতা পেয়ে যাবো। কেননা, তারা যদি আমাদেরকে ট্র্যাক নাই করে তবে তো ওদের ওয়েব সাইট গুলো ঠিক মত কাজই করবে না। যেমন- যদি তারা আমাদের ট্র্যাক না করে তবে তো অ্যামেরিকার বিজ্ঞাপন শো করবে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের মানুষ অ্যামেরিকার বিজ্ঞাপন দেখলে কি উক্ত বিজ্ঞাপন দিয়ে উক্ত কোম্পানি ব্যবসায় সফল হবে? কথার কথা কোনো বাংলাদেশি কোম্পানি একটি চকলেটের বিজ্ঞাপন ইউটিউবে দিল। এখন এই বিজ্ঞাপনটি যদি অ্যামেরিকায় শো হয়, তবে কি অ্যামেরিকার মানুষ তা ক্রয় করতে পারবে? যদি না এই বাংলাদেশি চকলেটটি অ্যামেরিকায় না থাকে? এক টাকার চকলেট কি হাজার টাকা খরচ করে অ্যামেরিকায় পাঠানো হবে? সুতরাং স্বাভাবিক ভাবেই বুঝা যায় যে, তারা আমাদের হিস্টোরি ফলো করে। এমনকি আমরা এটাও খেয়াল করেছি যে, যখন আমরা কথার কথা "সেভেন আপ" নিয়ে সার্চ করলাম, তখন এর সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন আমাদের সামনে শো হয়। কিন্তু যখনই আমরা আমাদের হিস্টোরি ডিলেট করে দেই, তখনই উল্টা-পাল্টা বিজ্ঞাপণ আসা শুরু করে, অর্থাৎ তখন আর কোল ড্রিংস নিয়ে বিজ্ঞাপন আসে না। কেননা, তারা আমাদের হিস্টোরির উপর ভিত্তি করে আমাদের সামনে বিজ্ঞাপন শো করছিল। যেই আমরা আমাদের হিস্টোরি ডিলেট করে দিলাম তখন ওরা ওদের মাথার মধ্যে আঘাত খেয়ে গেল!

        এই সমস্ত বিষয় নিয়ে পূর্বেও এই ফোরামে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে, তারপরও আলোচনার সুবিধার্তে আবারও কিছু লিখা। সুতরাং আমাদের প্রত্যেকের উচিত সবসময় VPN ব্যবহার করা।
        হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

        Comment


        • #5
          Originally posted by Hanjala313 View Post
          ১/ আমাদের ফোরাম কি vpn দিয়ে ইউস করা যায় কি না!? ইউস করা গেলে কোন vpn ইউস করবো?
          এই ফোরামটি আমরা সাধারণ ব্রাউজার যেমন- ক্রোম ব্রাউজার দিয়েও ব্যবহার করতে পারতাম, কিন্তু এখন পারছি না এই কারণে যে, বাংলাদেশ সরকার এই ফোরামটি নিষিদ্ধ করেছে বলে।

          যে কোনো নিষিদ্ধ সাইট Proxy ব্যবহার করেই ভিজিট করা সম্ভব। তবে আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে-
          Proxy < VPN < Tor Browser ; তার মানে, Proxy থেকে VPN উত্তম। আর, VPN থেকে Tor Browser উত্তম।

          আর যেহেতু Windows, macOS, Linux ও Android-এর জন্য Tor Browser বিদ্যামান রয়েছে, সেহেতু Tor Browser ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে এই ফোরাম ভিজিট করার কোনো মানেই হয় না। বরং আমরা VPN ও Tor Browser উভয়টি একই সাথে ব্যবহার করে আমরা আমাদের নিরাপত্তকে বৃদ্ধি করতে পারি। ইনশাআল্লাহ।

          Download Tor Browser Now
          https://www.torproject.org/download/
          Last edited by Rakibul Hassan; 05-29-2023, 11:48 PM.
          হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

          Comment


          • #6

            Does Tor keep My browsing history? (টর ব্রাউজার কি আমার ব্রাউজিং কার্যকলাপ সংগ্রহ করে রাখে?)
            A browser history is a record of requests made while using a web browser, and includes information like websites visited and when. Tor Browser deletes your browsing history after you close your session.


            প্রতিটি ব্রাউজারই ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং কার্যকলাপ সংগ্রহ করে রাখে, যাতে করে ব্যবহারকারীর জন্য ব্রাউজিং করা সহজ ও দ্রুত হয়। মনে করুন আমি কিছু ব্রাউজিং করছি এবং আমাকে Previous তথা আগের পেইজটিতে ফিরার প্রয়োজন হল, তখন ব্রাউজার যদি আমার ব্রাউজিং কার্যকলাপ সংগ্রহ করে না রাখে, তবে কিন্তু আমি আর Previous পেইজটি ফিরতে পারবো না। আর আমার পক্ষে প্রতিটা পেইজের লিংক মনে রাখাও সম্ভব না। তাই আমাদের জন্য ব্রাউজিং করা যাতে করে সহজ ও দ্রুত হয়, ব্রাউজারই আমাদের ব্রাউজিং কার্যকলাপ সংগ্রহ করে রাখে। ঠিক তেমনি Tor browser-ও আমাদের ব্রাউজিং কার্যকলাপ সংগ্রহ করে রাখে, তবে যখনই আমরা আমাদের টর ব্রাউজারটি বন্ধ করে দেই, তখনই টর ব্রাউজার আমাদের ব্রাউজিং কার্যকলাপের ইতিহাস মুছে দেয়।

            এখন এখানে আরও একটি বিষয় যোগ করতে চাই। আর তা হল এই যে, কথার কথা মনে করুন, আমি টর ব্রাউজার দিয়ে এই ফোরামটি ভিজিট করলাম বা ভিজিট করছি। অর্থাৎ আমার টর ব্রাউজারের ব্রাউজিং কার্যকলাপে এটা সংগৃহীত আছে যে, আমি এই ফোরামটি ভিজিট করেছি। তাই তো? এবং এরপর আমি টর ব্রাউজার দিয়েই আবার ইউটিউব ভিজিট করলাম। এখন ইউটিউব যেহেতু বিজ্ঞাপন শো করবে, তাই নিশ্চয় ইউটিউব আমার ব্রাউজিং কার্যকলাপ দেখে বিজ্ঞাপন শো করার চেষ্টা করবে! তাই তো? তখন ইউটিউব আমার ব্রাউজিং কার্যকলাপে কী দেখবে? দেখবে যে, এই ভিউয়ার একটি নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সাইট ভিজিট করেছে বা করছে! আপনার কি মনে হয়, ইউটিউব কি Tor browser আর VPN এর ধারধারবে? ইউটিউব কি এই তথ্য গোয়েন্দা সংস্থাকে জানাবে না? থার্ড পার্টি কি এই তথ্যটি নিয়ে ব্যবসা করবে না? এই তথ্যটি কি তারা অ্যামেরিকার কাছে বিক্রি করবে না? ভারতের কাছে বিক্রি করবে না? বাংলাদেশ সরকারের কাছে বিক্রি করবে না? ইউটিউব এমন ধরণের ব্যবসা করে কিনা তা সম্পর্কে আমার জানা নেই, তবে ফেইসবুক যে এই ধরণের ব্যবসা করে থাকে তা আমাদের সকলেরই জানা।

            তাই এই ফোরাম ভিজিট করা কালে বা এই ফোরাম ভিজিট করার আগে ও পরে অন্য কোনো সাইট ভিজিট করা আমাদের উচিত হবে না।
            • ১. হয়ত টর ব্রাউজারটি বন্ধ করে আবার নতুন করে টর ব্রাউজারটি চালু করবো।
            • ২. নয়ত টর ব্রাউজারের উপরের দিকে তিন টান (তিন ফোঁটা)-তে ক্লিক করে New Window খোলে নিবো। এভাবে একই সাথে একাধিক উইন্ডো খোলে আমরা ব্রাউজ করতে পারবো।
            • ৩. নয়ত নিজ হাতে ব্রাউজিং কার্যকলাপ ডিলেট করে নিবো।
            • ৪. নয়ত আমরা TOR এর settings-এ যাবো এবং “Privacy and Security”-তে ক্লিক করে History অপশানে গিয়ে Use custom setting for history-কে পরিবর্তন করে সিলেক্ট করবো “Never remember history”। এর ফলে কখনই আমাদের ব্রাউজিং কার্যকলাপ সেইভ হবে না। যার ফলে ব্রাউজিং করতে আমাদের উপরোক্ত সমস্যাবলী হবে যা প্রথমে উল্লেখ করা হয়েছে।
            হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

            Comment


            • #7
              আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত ভাইয়েরা। অনুগ্রহ করে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিলে খুবই উপকার হয়। আল্লাহ আপনাদের তাওফিক দান করুন আমিন।
              সম্মানিত ভাইয়েরা,, ফোরামে লগইন করার দু,এক মিনিটের মধ্যেই লগআউট হয়ে যায় অটোমেটিকলি। তার কারণ কি?

              Comment


              • #8
                Originally posted by Hamjah mohammod View Post
                আসসালামু আলাইকুম,
                ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।




                Originally posted by Hamjah mohammod View Post
                সম্মানিত ভাইয়েরা,, ফোরামে লগইন করার দু,এক মিনিটের মধ্যেই লগআউট হয়ে যায় অটোমেটিকলি। তার কারণ কি?

                আমরা যদি ফোরামে লগ ইন করার সময় User Name ও Password দেওয়ার পর Remember me-তে ঠিক মার্ক দিয়ে দেই, তবে আর এই সমস্যা থাকবে না। ইনশাআল্লাহ।
                হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

                Comment


                • #9
                  ফেইসবুকের যেকোনো একটা প্রোডাক্ট কারও ডিভাইসে থাকলেও হল, ব্যাস; উক্ত ব্যক্তির শরীরে কাপর থাকা সত্ত্বেও যেন সে উলঙ্গ। ফেইসবুক আমাদের সম্পূর্ণ ডিভাইসের সকল তথ্য নিয়ে যায়। ফেইসবুকের কুকৃর্তিগুলো আমাদের সকলের সামনেই প্রকাশ্য। যেমন-
                  ফেইসবুক আমাদের সরাসরি শোনে।
                  ফেইসবুক আমাদেরকে সরাসরি দেখে।
                  ফেইসবুক আমাদের ডিভাইসে থাকা অডিও ডাউনলোড করে নেয়।
                  ফেইসবুক আমাদের ডিভাইসে থাকা ভিডিও ডাউনলোড করে নেয়।
                  ফেইসবুক আমাদের ডিভাইসে থাকা ফটো ডাউনলোড করে নেয়।
                  ফেইসবুক আমাদের ডিভাইসে থাকা যেকোনো ফাইল ডাউনলোড করে নেয়।
                  ফেইসবুক আমাদের ডিভাইসকে ডাটাবেইজ হিসেবে ইউড করে।
                  ফেইসবুক আমাদের লোকেশান ট্র্যাক করে।
                  ফেইসবুক আমাদের ব্রাউজিং হিস্টোরি দেখে।
                  ফেইসবুক আমাদের এসব ডেটা তথা তথ্য বিক্রি করে। এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ফেইসবুকের অনেক বড় ক্রেতা। ভারত প্রতিবছর ফেইসবুককে বিশাল অংকের অর্থ দিয়ে থাকে। ভারত এমনটা করবে খুবই স্বাভাবিক, কেননা ভারতের মানুষ এমন যে, এদেরকে ফেইসবুকের মাধ্যমে ওয়াশ করে রাখা যায়।

                  অনেকের কাছে এগুলো বেশ হাস্যকর মনে হয়, তারা বলে কার ঠেকেছে কেউ আমাকে ২৪ ঘন্টা ফলো করবে? কোনো ব্যক্তি ফলো করে না বরং এআই ফলো করে। এমনকি এআই চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে পারে।

                  ফেইসবুকের এমনসব কুকৃর্তির জন্য ফেইসবুককে বেশ কয়েকবার আমেরিকার বাতিল আঈনের সম্মুখিত হতে হয়েছে। এরপরও এই বেহায়া ফেইসবুকের চরিত্র সংশোধিত হয়নি। বৃটিশরা উপমহাদেশে বাণিজ্য করতে এসে যেমন শাসকে পরিণত হয়েছিল। ঠিক তেমনি ঐ যুগটি এখনও থাকলে ফেইসবুক আর গুগল এখন বিশ্ব শাসন করত। এমনকি অনেকেই বলে থাকেন যে, ফেইসবুক চাইলে যেকোনো দেশের শাসনভার ও অর্থনীতিসহ যেকোনো কিছুর মাঝে পরিবর্তন এনে দিতে পারবে।

                  তো আমরা ফেইসবুক সম্পর্কে আরও জানি যে, ফেইসবুকের কারণে আমাদের অনেক মুজাহিদ ভাই গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত গুগল বা ইউটিউবের বিরুদ্ধে আমি ব্যক্তিগতভাবে এমন কথা শোনিনি। আমার জানা মতে ইউটিউব সর্বোচ্চ অ্যাকাউন্ট বা চ্যানেল ডিলেট করে দেয়। আবারও উল্লেখ করছি যে, আমি জানি না যে, ইউটিউব ফেইসবুকের মত তথ্য বিক্রি করে কিনা। তাই আমি বর্তমানে ফেইসবুকের থেকে ইউটিউবকে নিরাপদ মনে করি, যদিও নিরাপদ কোনটাই না। আর আমরা এটাও জানি যে, ফেইসবুক ও ইউটিউবেই অধিক মানুষের আসা-যাওয়া। তাই মিডিয়ার কাজে এই প্লাটফর্মগুলোর বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। যদিও বর্তমানে টেলিগ্রাম জনপ্রিয় হচ্ছে, তবে অচিরেই হয়ত সরকার একেও নিষিদ্ধ ঘোষনা করবে।

                  আমাদের অনেক ভাই মিডিয়ায় কাজ করতে চান বা মিডিয়ায় কোনো একটি লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে চান। যেমন অনেক ভাই এমন মনোভাব প্রকাশ করে থাকেন যে, তারা দাওয়াহ ইলাল্লাহকে সাধারণ মানুষের সাথে পরিচিত করিয়ে দিতে চান। এর জন্য তাদের কেউ কেউ প্রশ্ন রাখেন যে, মুজাহিদদের ইউটিউব চ্যানেলগুলো কেন এই ফোরামকে সাধারণ মানুষের সাথে পরিচিত করিয়ে দিচ্ছে না? এর কারণ হল- ইউটিউবের কিছু নিয়ম নীতি আছে। তাতে উল্লেখ আছে যে, কেউ যদি ইউটিউবের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে, তবে তাকে স্ট্রাইক দেওয়া হবে। এমন করে মোট তিনটি স্ট্রাইক হলে সেই চ্যানেলটিকে ডিলেট করে দেওয়া হবে। শুধু যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তা নয়, বরং আরও বেশ কয়েকটি নীতি রয়েছে যা সামনে আসবে ইনশাআল্লাহ। এই কারণে মুজাহিদদের ইউটিউব চ্যানেলগুলো এই ফোরামকে সাধারণ মানুষের সাথে পরিচিত করিয়ে দেন না। এবার কেউ কেউ প্রশ্ন করে বসতে পারেন যে, ইউটিউবে এত এত চ্যানেল আর প্রতিদিনই কত কত ভিডিও আপলোড হচ্ছে, তো ইউটিউব কি এসব দেখার জন্যই বসে আছে? প্রথম কথা তো হলঃ হ্যাঁ... ইউটিউব প্রতিটা ভিডিও এআই দিয়ে রিভিউ করে। আর তা ছাড়া ইউটিউবের কাছে রিপোর্ট করা যায়। মুজাহিদদের ইউটিউব চ্যানেলগুলোর ভিডিও কি তাগুতরা বা ব্রেইন ওয়াশড মানুষরা দেখে না? অবশ্যই দেখে এরা ইউটিউবের কাছে রিপোর্ট করলে ও ইউটিউব উক্ত ভিডিওতে সত্যিই তাদের দৃষ্টিতে সমস্যা পেলে তিন দিনের ভিতর সেই ভিডিওটি ডিলেট করে দিবে ও সেই সাথে উক্ত চ্যানেলে একটি স্ট্রাইক দিবে। স্ট্রাইকের কারণে চ্যানেলে ভিউও কমে যায়। আর ইউটিউবের কাছে ইস্যুটি সিরিয়াস মনে হলে তিনটি স্ট্রাইকের অপেক্ষাও করতে হবে না, বরং সরাসরি চ্যানেল ডিলেট করে দিবে।

                  আবার অনেক মুজাহিদ ভাই এই ইচ্ছাও প্রকাশ করে থাকেন যে, তারা ইউটিউবের ভিডিওর কমেন্টে এই ফোরামটিকে সাধারণ মানুষের সাথে পরিচিত করিয়ে দিতে চায়। হ্যাঁ... আমি আফ্রিদির কাছে এটা গ্রহণযোগ্য আইডিয়া মনে হয়েছে, তবে এর জন্য আমার দৃষ্টিতে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

                  ১ম কৌশল হলঃ রিক্স নিতে হবে
                  উপরে যতগুলো কথা হয়েছে, এতে স্পষ্ট যে, আমাদেরকে রিক্স নিতে হবে।

                  ২য় কৌশল হলঃ জি-মেইল
                  ইউটিউব আমরা যেভাবেই চালাই না কেন, ইউটিউবে কমেন্ট করতে নিশ্চয় ইউটিউবে সাইন আপ করতে হবে। আর ইউটিউবে সাইন আপ করতে একটি জি-মেইল অবশ্যই লাগবে। আর বর্তমানে জি-মেইল খোলা বেশ কঠিন। জি-মেইল খোলার জন্য মোবাইল নাম্বার লাগবেই। অনেকে টেম্পোরারি মোবাইল নাম্বারের পরামর্শ দেন, এসব কোনো কাজে দেয় না। যত যাই করি না কেন একটি রিয়েল মোবাইল নাম্বারের অবশ্যই প্রয়োজন পড়বে। এখন মোবাইল নাম্বারসহ ডিভাইস দিয়েও ভেরিফাই করা জরুরী হয়ে গেছে। বিশেষ করে যারা ইউটিউবে চ্যানেল চালায়।
                  • ইউটিউবের জন্য প্রয়োজন জি-মেইলের।
                  • জি-মেইলের জন্য প্রয়োজন মোবাইল নাম্বারের।
                  • মোবাইল নাম্বারের জন্য প্রয়োজন জাতীয় আই ডি কার্ডের।

                  ৩য় কৌশল হলঃ জাতীয় আই ডি কার্ড
                  অনেক সময় ইন্টারনেটে জাতীয় আই ডি কার্ডের উভয় পাশের ছবিসহ পাওয়া যায়। যেমন অমুক জায়গায় অমুকের জাতীয় আই ডি কার্ড পাওয়া গিয়েছে। উক্ত জাতীয় আই ডি কার্ডটি সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন। এমন কিছু পেলে দ্রুত তা দ্বারা যতগুলো পারা যায় সিম রেজিস্ট্রি করে ফেলতে হবে। অতিরিক্ত করতে যাওয়া যাবে না, কেননা বেশি খেতে গেলে সমস্যা আছে।

                  প্রতিটা চেইনেই এমন একজন ভাই থাকা উচিত যিনি সিম বিক্রি, বিকাশসহ বিভিন্ন একাউন্ট তৈরি করা, নষ্ট পিসি-মোবাইল ঠিক করতে পারা ইত্যাদি পারবেন। এতে অনেক কাজ সহজ হয়ে যায়।

                  অথবা আত্মীয়-স্বজনের মাঝে বৃদ্ধ কারও জাতীয় আই ডি কার্ড দিয়ে সিম রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে। এ জাতীয় কথা বলা যায় যে, বড়্ নানার এত বয়স হয়েছে, তার কোনো মোবাইল নাই। এটা হল? বিষয়টা কেমন দেখায়? হ্যাঁ? কই বড়্ নানার জাতীয় আই ডি কার্ডটা দেন, বড়্ নানার জন্য একটা মোবাইল কিনে আনি। যদি বলা হয়, মোবাইল কিনে আন, ঘরে সিম আছে। তবে বলা যায় যে, আরে এটা কি বলেন? আমি বড়্ নানাকে পরিপূর্ণ ভালোবাসি, তাই আমি তাকে একটা পরিপূর্ণ মোবাইলই উপহার দিবো। অপূর্ণ উপহার দিতে পারবো না। যদি কোনোভাবে বড়্ নানার জাতীয় আই ডি কার্ড পাওয়া যায়, তবে হয়ত বড়্ নানার সিম কিনার সময় দুইটা সিন কিনবেন, একটা বড়্ নানার জন্য আর অন্যটা আপনার জন্য। নয়ত বড়্ নানার জাতীয় আই ডি কার্ডের একটা ফটোকপি রেখে দিবেন।

                  ৪র্থ কৌশল হলঃ নতুন সিম নতুন মোবাইল
                  নতুন সিমের ব্যবস্থা হয়ে গেলে একটি নতুন মোবাইলেরও ব্যবস্থা করতে হবে। নিজের ব্যবহৃত পুরাতন মোবাইলে নতুন সিম ব্যবহার করা যাবে না। মোবাইলে অনেক ধরণের নাম্বার থাকে যা সিম ভরার সাথে সাথে সিম কোম্পানির কাছে চলে যায়। নতুন মোবাইল অবশ্যই লাগবে। নতুন মোবাইল না নিলে নতুন সিমের ব্যবস্থা করা আর না করা একই জিনিস।

                  ৫ম কৌশল হলঃ জি-মেইল
                  আমরা যে কাজগুলো ভিপিএন ব্যবহার করে করতে পারবো সেগুলো ভিপিএনসহ করবো, আর যেগুলো ভিপিএনসহ করতে পারবো না তা ভিপিএন ছাড়াই করবো। তবে কমেন্টগুলো অবশ্যই সবসময় ভিপিএন যোগেই করবো। নতুন মোবাইলে নতুন সিম প্রবেশ করিয়ে কোনো একটা ব্রাউজারে একটি জি-মেইল খোলতে হবে। জি-মেইল খোলে ইউটিউবে সাইন-আপ করতে হবে। তারপরে থেকেই আমরা কমেন্ট করতে পারবো, তবে আমরা এভাবে কমেন্ট করবো না। বরং ইউটিউবে ২ ধরণের ভিডিও দেখবো-
                  এক. How to create a youtube channel.
                  দুই. How to create a youtube brand account.
                  আমরা যতখুশি ব্র্যান্ড একাউন্ট খোলতে পারবো। মেইন একাউন্ট থেকে কমেন্ট না করে ব্র্যান্ড একাউন্ট ব্যবহার করে কমেন্ট করবো। মেইন একাউন্ট একবার ডিলেট হলে সবটাই যাবে, এমনকি যদি মেইন একাউন্টের সাথে আরও ব্র্যান্ড একাউন্ট থেকে থাকে তবে সেগুলোও সব যাবে। কিন্তু কোনো ব্র্যান্ড একাউন্ট গেলে শুধু ঐ ব্র্যান্ড একাউন্টটাই যাবে, মেইন একাউন্টের কোনো ক্ষতি হবে না। ইনশাআল্লাহ।

                  ৬ষ্ঠ কৌশল হলঃ সরাসরি এই ফোরামের লিংক দিয়ে কমেন্ট করা যাবে না
                  আমরা যদি সরাসরি ফোরামের লিংক ব্যবহার করে কমেন্ট করি, তবে আমাদের একাউন্ট এমনও হতে পারে সাথে সাথে ডিলেট হয়ে যাবে। তাই আমরা অন্য কোনো অনলাইন নোট পেডে (JustPaste.it) কিছু দিকনির্দেশনাসহ এই ফোরামের লিংকটি এড করে দিবো, কেননা আমাদেরকে ধরে নিতে হবে যে, যে এই ফোরামে নতুন আসতে চাচ্ছেন তিনি কিছুই জানেন না, তাই তার জন্য পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনার ব্যবস্থা করতে হবে। দিকনির্দেশনায় অযথা লিংক রাখা যাবে না, খুবই সাদা-সিদা দিকনির্দেশনা থাকবে, টর ব্যবহারের কথা থাকবে, টর ডাউনলোডের লিংক থাকবে ও এই ফোরামের লিংকটি থাকবে ব্যাস। আর আমরা আমাদের কমেন্টগুলো ২৪ ঘন্টার ভিতরেই নিজ থেকে ডিলেট করে দিবো। নয়ত কেউ যদি আমাদের কমেন্টে রিপোর্ট করে, তবেও আমাদের একাউন্ট ডিলেট হয়ে যেতে পারে। সাধারণত রিপোর্ট করলে তিন দিনের মাঝেই একশান নেওয়া হয়। আমরা এক্ষেত্রে সতর্কতাস্বরূপ মাত্র একদিনই কমেন্টাকে রাখবো। তাহলে ইনশাআল্লাহ লং টাইম কাজ করতে পারবো। আর যদি কোনো কারণে কোনো একটি ব্র্যান্ড একাউন্ট ডিলেট হয়ে যায়, তবে অন্য একটি ব্র্যান্ড একাউন্ট ব্যবহার করা শুরু করবো। মেইন একাউন্ট কখনই ব্যবহার করবো না। আর একই ধরণের ও একই লিংক বার বার ব্যবহার করবো না, বরং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লিখা লিখবো ও একাধিক লিংক ব্যবহার করবো। সবচেয়ে ভালো হয় প্রতিবার নতুন নতুন লিংক ব্যবহার করা।
                  Last edited by আফ্রিদি; 05-31-2023, 10:50 AM. Reason: "এর উভয় পাশের ছবিসহ" এতটুকু অংশ নতুন যুক্ত করেছি।
                  হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

                  Comment


                  • #10
                    Originally posted by Hanjala313 View Post
                    ৪/ tor browsr এর স্পিড বাড়ানোর কোন পদ্ধতি আছে কি না?
                    টর ব্রাউজার ব্যবহারকালেই কি শুধু স্পিড কম পান, নাকি কোনো সময়ই স্পিড পান না? কোনটা? তবে আপনার প্রশ্নের সোজা উত্তর হল, টর ব্রাউজারের স্পিড বাড়ানোর কোনো পদ্ধতি নেই। তবে-
                    • আপনি আপনার টর ব্রাউজার আপডেট দিয়ে না থেকে থাকলে আপডেট দিন।
                    • স্পিড কম পেলে, টর ব্রাউজারটি কেটে পুনরায় চালু করুন।
                    • স্পিড কম পেলে, নিউ আইডেন্টিটিতে ক্লিক করুন। এবং ততক্ষণ পর্যন্ত বারংবার ক্লিক করতে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না মোটামুটি স্পিড পান।


                    টর ব্রাউজার ব্যবহারকালেই কি শুধু স্পিড পান না, নাকি কোনো সময়ই পান না? কোনটা?
                    • অনেক সময় কমদামী ডিভাইস হলে স্পিড কম পাওয়া যায়। আর সেটা শুধু টর এর ক্ষেত্রেই নয়, বরং পুরা নেট সিস্টেমের ক্ষেত্রেই।
                    • সিমের মধ্যে সমস্যা থাকলে স্পিড কম পাওয়া যায়। সিমের বয়স অনেকদিন হয়ে থাকলে সিম নতুন করে উঠানো যেতে পারে।
                    • ডিভাইসে প্রচুর ফাইল ও সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকলেও স্পিড কম পাওয়া যায়। মেমরি কার্ডে মূল্যহীন ফাইল থাকলে সরিয়ে ফেলা উচিত অথবা মেমরি কার্ড পরিবর্তন করা উচিত।
                    • ডিভাইসে অনেক দিন যাবৎ টেম্পরারি ফাইল জমে থাকলেও স্পিড কমে যায়।
                    • আপনার এলাকায় আপনার ব্যবহৃত সিমের নেটওয়ার্ট কেমন পাওয়া যায়?
                    • ডিভাইসের ভিতরে ধুলা-বালি জমলেও স্পিড কমে যায়।

                    এককথায় টর ব্রাউজারে কম স্পিড পাওয়া শুধু টর ব্রাউজারেরই সমস্যা নয়, বরং অন্য সমস্যাও থাকতে পারে। তাই আপনি কষ্ট করে সব বিষয়ের উপর একটু চোখ বুলান। এরপরও যদি মনে করেন যে, না... এটা টর ব্রাউজারেরই সমস্যা, তবে প্রথমে যা বলেছি তা করে দেখতে পারেন। তারপরও যদি কিছু না হয়, তবে আর কি করা !
                    হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

                    Comment


                    • #11
                      Originally posted by Hanjala313 View Post
                      ২/ orbot এর vpn অপশন চালু ফায়ারফক্স/ ক্রুম দিয়ে ব্রাউজ করাটা নিরাপদ হবে কি না!?
                      আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনলাইন কখনই নিরাপদ না। তবে ভিপিএন ব্যবহার করা ভিপিএন ব্যবহার না করার থেকে উত্তম। আপনি সাধারণ ব্রাউজিং করতে পারেন। তবে অবশ্যই ব্রাউজিং করার পর নিজ হাতে ব্রাউজিং হিস্টোরি মুছে ফেলা খুবই জরুরী।

                      বি.দ্র. আমি কখনও ভিপিএন ব্যবহার করে ফায়ারফক্স বা ক্রোম ব্যবহার করিনি! সুতরাং এ নিয়ে আমার কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই!
                      হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

                      Comment


                      • #12
                        জাযাকাল্লাহু খাইরান,, ভাইজান , ( bridges) কাকে? তার কাজ কি? bridges ওপেন করে ফোরাম ব্রাউজ করেছি, একটি বিষয় দেখেছি ফোরামের কমেন্ট অপশন বন্ধ থাকে। প্রশ্নগুলো উত্তর দেওয়ার জন্য শুকরিয়া।

                        Comment


                        • #13
                          Isp আমাদের কি কি তথ্য শেয়ার করে?
                          তবে কি এনোনিমাস থাকার কোন অপশনই নেই? যতটুকু বুঝলাম, তাগুত তাহলে আমাদেরকে দেখছেই......
                          বিষশ গুলো ক্লিয়ার না আমি!
                          ১। টরব্রাউজারে কেউ নিজেকে আইডিন্টিফাই করার মত তথ্য দিলনা। তারপরও কি খুঁজে বের করা সম্ভব?
                          ​​​​​
                          সব ধারণা মনে হচ্ছে এলোমেলো হয়ে গেল.....
                          সংক্ষিপ্ত আকারে আবার বললে ভালো হতো।
                          হয় শাহাদাহ নাহয় বিজয়।

                          Comment


                          • #14
                            Originally posted by ALQALAM View Post
                            Isp আমাদের কি কি তথ্য শেয়ার করে?
                            তবে কি এনোনিমাস থাকার কোন অপশনই নেই? যতটুকু বুঝলাম, তাগুত তাহলে আমাদেরকে দেখছেই......
                            বিষশ গুলো ক্লিয়ার না আমি!
                            ১। টরব্রাউজারে কেউ নিজেকে আইডিন্টিফাই করার মত তথ্য দিলনা। তারপরও কি খুঁজে বের করা সম্ভব?
                            ​​​​​
                            সব ধারণা মনে হচ্ছে এলোমেলো হয়ে গেল.....
                            সংক্ষিপ্ত আকারে আবার বললে ভালো হতো।
                            ভাই, অতিরিক্ত পেরেশানি নেয়ার কোন কারণ নেই। আমাদের হাতে থাকা অনলাইন ব্রাউজিং এর জন্য সবথেকে নিরাপদ মাধ্যম হচ্ছে টর ব্রাউজার। যদিও কোন কিছুই শতভাগ নিরাপদ নয়। তবে টর ব্রাউজার ব্যবহার করে আপনি বাংলাদেশে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। আর আপনার যদি ব্রাউজারে ব্রিজ সেট করা থাকে তাহলে আপনার আই এস পি আপনার টর ইউজ সম্পর্কে ধারণা করার সম্ভাবনা সেভাবে নেই।

                            এখানে একটা জরুরি বিষয় বলে রাখি- কোন দেশের আইটি সক্ষমতার উপর আপনার আইডেন্টিটি লিকের ব্যাপারগুলো সম্পর্কিত । সুপার এডভান্স সিস্টেম ছাড়া আপনাকে ডিটেক্ট করা মোটামুটি অসম্ভব যদি না আপনি নিজে থেকে কোন কিছু করার দ্বারা আইপি লিক করেন। এজন্য ব্রাউজের সময় সতর্ক থাকা যাতে আইপি লিক না হয়ে যায়। যেমন- অনেকে টর দিয়ে কোন ফাইল সেভ এর সময় Open with ইউজ করে। এতে করে আইপি লিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য সেভ করে এরপর হার্ড ডিস্ক থেকে সেই ফাইল ওপেন করা। এভাবে কিছু ব্যাসিক সতর্কতা অবলম্বন করলে আশা করা যায় মেজর কোন সমস্যা হবে না ইনশাল্লাহ।
                            আর সর্বোপরি কথা তো হচ্ছে- নিরাপত্তা আল্লাহর জিম্মায়। আমরা আমাদের হাতে থাকা আসবাব ব্যবহার করতে পারি শুধু।
                            আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখুন।আমীন।
                            "মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি।" [৩৩:২৩]

                            Comment


                            • #15
                              Originally posted by ALQALAM View Post
                              যতটুকু বুঝলাম, তাগুত তাহলে আমাদেরকে দেখছেই......
                              উল্লেখযোগ্যভাবে টার্গেটে না এসে থাকলে তেমন কোনো চিন্তার নেই।

                              লাখ লাখ মানুষ ভিপিএন ইউজ করে, প্রত্যেকের উপর আলাদা আলাদা করে দৃষ্টি রাখা প্রায় অসম্ভব যদি না অটোমেটিক কোনো ডিভাইস থেকে থাকে। আর তাছাড়া প্রত্যেকের উপর দৃষ্টি রাখলে ওদের লোকেরই বেশি ক্ষতি হবে। তবে ভিপিএন নিয়ে এখানে কড়া করে লিখার কারণ হচ্ছে, ইদানিং বাহ্যিকদৃষ্টে অনুমান করছি যে, বাংলাদেশ থেকে স্বমূলে জিহাদকে মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর এই সম্ভাবনা খুবই প্রবল বলে ধারণা করছি।

                              একটু আলোচনা না করলেই নয়- আমরা নিশ্চয় অবগত আছি যে, আমেরিকা বাংলাদেশের কাছে মূলত দুইটা জিনিস চায়-
                              এক. একটি সুষ্ঠু নির্বাচন, যাতে করে জনপ্রিয় দল বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে।
                              দুই. জনপ্রিয় দল বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকাকালীন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে আরাকান দখল করে চীনকে চাপ দেওয়া। সেই সাথে বাংলাদেশে শক্তি বাড়িয়ে পুরা দক্ষিণ এশিয়াকে চাপে রাখা।

                              আমেরিকা চায় তাদের যেন এই দুই লক্ষ্য ব্যতীত অন্য কোথাও চোখ দিতে না হয়। যদি এমন হয় আমেরিকা বাংলাদেশে আসল, তারপর যদি তাদের মুজাহিদের সম্মুখীন হতে হয়, তবে তারা তাদের সাম্ভাব্য লক্ষ্য থেকে সরে যেতে পারে। তাই আমেরিকা তাদের সকল বিরুধী শক্তিকে স্বমূলে ধ্বংস করে বাংলাদেশে শক্ত পা রাখতে চাচ্ছে। নয়ত চীন আমেরিকার বিরুদ্ধে যেকোনো শক্তিকে ব্যবহার করতে সাহায্য করতে পারে।

                              আর যেহেতু বর্তমান বাংলাদেশে মুজাহিদদের বড় একটি অংশ অনলাইনে এক্টিভ, তাই তারা অনলাইনে নতুন নতুন বিভিন্ন ফাঁদ পাতছে। এমনও হতে পারে ট্র্যাকিং করার জন্য নতুন ও উন্নত ডিভাইস আমেরিকার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। (সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, বিস্তারিত ইনশাআল্লাহ "বাংলাদেশ - ভারত - চীন - রাশিয়া - আমেরিকা" তে আলোচনার চেষ্টা করবো)
                              হে পরাক্রমশালী শক্তিধর! কৃপণতা আর কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই সর্বক্ষণ।

                              Comment

                              Working...
                              X