OSINT-ভিত্তিক পরিচয় উদ্ঘাটনের পরের ধাপ হলো "আচরণগত প্রোফাইল" তৈরি
— অর্থাৎ শুধু কে, তা জানা নয়, বরং সেই ব্যক্তি কীভাবে চিন্তা করেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কখন সক্রিয় থাকেন এবং ভবিষ্যতে কী করতে পারেন তার একটি পূর্বাভাসযোগ্য চিত্র তৈরি করা।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এই প্রক্রিয়ার একটি সাধারণ কাঠামো নথিভুক্ত করেছে।
আচরণগত প্রোফাইলিং কেন সাধারণ পরিচয় শনাক্তকরণের চেয়ে ভিন্ন
শুধু কারো নাম বা পরিচয় জানা এবং তার আচরণ বোঝা — এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন স্তরের বিশ্লেষণ।
Citizen Lab-এর গবেষণা পদ্ধতিতে দেখা যায়, রাষ্ট্র-সমর্থিত নজরদারি প্রায়ই দ্বিতীয় স্তরে পৌঁছাতে চায়
— অর্থাৎ টার্গেট কার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেন, কখন সবচেয়ে সক্রিয় থাকেন, এবং কোন ধরনের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখান তা বোঝা, যাতে ভবিষ্যতের কার্যক্রম অনুমান করা যায়।
তিনটি প্রধান উপাদান — গবেষকদের বিশ্লেষণ
প্রথমত, সময়গত প্যাটার্ন বিশ্লেষণ। কেউ যদি নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে সক্রিয় হন,
বিশেষ করে গভীর রাতে বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার পরপরই, তাহলে এই সময়গত প্যাটার্ন থেকে তার কর্মপদ্ধতি বা এমনকি সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কেও ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, বিষয়ভিত্তিক আগ্রহ ম্যাপিং। একজন অনলাইন এক্টিভিস্ট যেসব বিষয়ে লেখেন, শেয়ার করেন বা মন্তব্য করেন, তার একটি দীর্ঘমেয়াদী রেকর্ড তৈরি করে তার আসন্ন তদন্ত বা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু সম্পর্কেও পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয় বলে গবেষকরা উল্লেখ করেন।
তৃতীয়ত, সামাজিক সংযোগ নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ। Freedom House-এর "Freedom on the Net" প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির সঙ্গে কে কে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন তার নেটওয়ার্ক ম্যাপ করে সোর্স, সহকর্মী বা সহযোগীদের সনাক্ত করা সম্ভব — এমনকি বার্তার বিষয়বস্তু না জেনেও, শুধু যোগাযোগের প্যাটার্ন থেকেই।
যোগাযোগ প্যাটার্ন বিশ্লেষণ — এনক্রিপশনের সীমাবদ্ধতা
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সত্য তুলে ধরা জরুরি। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বার্তার বিষয়বস্তু গোপন রাখে, কিন্তু "মেটাডেটা" — অর্থাৎ কে, কখন, কার সঙ্গে, কতক্ষণ যোগাযোগ করেছে — তা প্রায়ই সুরক্ষিত থাকে না।
Citizen Lab-এর একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, শুধু এই মেটাডেটা বিশ্লেষণ করেই একজন সাংবাদিকের গোপন সূত্র সম্পর্কে যথেষ্ট অনুমান করা সম্ভব, বিশেষত যদি যোগাযোগের সময় কোনো সংবেদনশীল ঘটনার প্রকাশের সঙ্গে মিলে যায়।
সোর্স ও তথ্যসূত্র ;
Citizen Lab — মেটাডেটা ও যোগাযোগ প্যাটার্ন বিশ্লেষণ গবেষণা
Netra News — DGFI-এর চলমান প্রোফাইলিং ও নজরদারি ইউনিট
Freedom House — Freedom on the Net প্রতিবেদন
EFF Surveillance Self-Defense ও Access Now Digital Security Helpline
_________________________________
— অর্থাৎ শুধু কে, তা জানা নয়, বরং সেই ব্যক্তি কীভাবে চিন্তা করেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কখন সক্রিয় থাকেন এবং ভবিষ্যতে কী করতে পারেন তার একটি পূর্বাভাসযোগ্য চিত্র তৈরি করা।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এই প্রক্রিয়ার একটি সাধারণ কাঠামো নথিভুক্ত করেছে।
আচরণগত প্রোফাইলিং কেন সাধারণ পরিচয় শনাক্তকরণের চেয়ে ভিন্ন
শুধু কারো নাম বা পরিচয় জানা এবং তার আচরণ বোঝা — এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন স্তরের বিশ্লেষণ।
Citizen Lab-এর গবেষণা পদ্ধতিতে দেখা যায়, রাষ্ট্র-সমর্থিত নজরদারি প্রায়ই দ্বিতীয় স্তরে পৌঁছাতে চায়
— অর্থাৎ টার্গেট কার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেন, কখন সবচেয়ে সক্রিয় থাকেন, এবং কোন ধরনের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখান তা বোঝা, যাতে ভবিষ্যতের কার্যক্রম অনুমান করা যায়।
তিনটি প্রধান উপাদান — গবেষকদের বিশ্লেষণ
প্রথমত, সময়গত প্যাটার্ন বিশ্লেষণ। কেউ যদি নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে সক্রিয় হন,
বিশেষ করে গভীর রাতে বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার পরপরই, তাহলে এই সময়গত প্যাটার্ন থেকে তার কর্মপদ্ধতি বা এমনকি সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কেও ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, বিষয়ভিত্তিক আগ্রহ ম্যাপিং। একজন অনলাইন এক্টিভিস্ট যেসব বিষয়ে লেখেন, শেয়ার করেন বা মন্তব্য করেন, তার একটি দীর্ঘমেয়াদী রেকর্ড তৈরি করে তার আসন্ন তদন্ত বা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু সম্পর্কেও পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয় বলে গবেষকরা উল্লেখ করেন।
তৃতীয়ত, সামাজিক সংযোগ নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ। Freedom House-এর "Freedom on the Net" প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির সঙ্গে কে কে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন তার নেটওয়ার্ক ম্যাপ করে সোর্স, সহকর্মী বা সহযোগীদের সনাক্ত করা সম্ভব — এমনকি বার্তার বিষয়বস্তু না জেনেও, শুধু যোগাযোগের প্যাটার্ন থেকেই।
যোগাযোগ প্যাটার্ন বিশ্লেষণ — এনক্রিপশনের সীমাবদ্ধতা
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সত্য তুলে ধরা জরুরি। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বার্তার বিষয়বস্তু গোপন রাখে, কিন্তু "মেটাডেটা" — অর্থাৎ কে, কখন, কার সঙ্গে, কতক্ষণ যোগাযোগ করেছে — তা প্রায়ই সুরক্ষিত থাকে না।
Citizen Lab-এর একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, শুধু এই মেটাডেটা বিশ্লেষণ করেই একজন সাংবাদিকের গোপন সূত্র সম্পর্কে যথেষ্ট অনুমান করা সম্ভব, বিশেষত যদি যোগাযোগের সময় কোনো সংবেদনশীল ঘটনার প্রকাশের সঙ্গে মিলে যায়।
সোর্স ও তথ্যসূত্র ;
Citizen Lab — মেটাডেটা ও যোগাযোগ প্যাটার্ন বিশ্লেষণ গবেষণা
Netra News — DGFI-এর চলমান প্রোফাইলিং ও নজরদারি ইউনিট
Freedom House — Freedom on the Net প্রতিবেদন
EFF Surveillance Self-Defense ও Access Now Digital Security Helpline
_________________________________