তাহলে একটা উপদেশ বলছি, যা তোমার জীবনের ধারা পাল্টে দিতে পারে।
একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল।
আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো।
আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন:
"তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো।"
আমি বললাম, "বলুন।"
তিনি বললেন:
"তুমি প্রতিদিন এক হাজারবার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে।"
তিনি আরও বললেন: "দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে।
নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে।"
চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন:
"তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'।"
আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম।
এরপর ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'।
আল্লাহর কসম: আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি:
যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে।
—শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ), মিশর।
—ভাষান্তর : ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি, কায়রো।
ইমাম ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ [মৃত্যু : ৫৯৭ হি.] বলেন —
“জেনে রাখুন, যখন কোনো মুসলিম বান্দা মুহাম্মাদের (ﷺ) ওপর অনেক বেশি দরূদ পড়ে তখন আল্লাহ তার অন্তরকে আলোকিত করে দেন, তার গুনাহ মাফ করে দেন, তার বক্ষকে হিদায়াতের জন্ম উন্মুক্ত করে দেন আর তার যাবতীয় কাজকে সহজ করে দেন।
কাজেই আপনারা বেশি বেশি দরূদ পাঠ করুন, যাতে করে আল্লাহ আপনাদেরকে রাসূলুল্লাহর (ﷺ) মিল্লাতের অন্তর্ভুক্ত করেন, তাঁর (ﷺ) সুন্নাহ অনুযায়ী আমলে নিয়োজিত করেন, আর আমাদের সবাইকে জান্নাতে তাঁর (ﷺ) সাথী বানিয়ে দেন।”
[বুস্তানুল ওয়াঈযীন, পৃ: ২৯৭, মুওয়াসসাসাতুল কুতুবিস সাকাফিয়্যাহ, বৈরুত, ১৯৯৮ ঈ.]
এ রমজানে আমরা চল্লিশ দিনের একটা রুটিন করতে পারি। একটানা চল্লিশ দিন আমরা একহাজার বার করে দরুদ পড়ার পরিকল্পনা করতে পারি। আশা করি রুটিন আকারে করলে গুরুত্ব থাকবে।
একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল।
আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো।
আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন:
"তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো।"
আমি বললাম, "বলুন।"
তিনি বললেন:
"তুমি প্রতিদিন এক হাজারবার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে।"
তিনি আরও বললেন: "দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে।
নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে।"
চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন:
"তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'।"
আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম।
এরপর ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'।
আল্লাহর কসম: আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি:
যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে।
—শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ), মিশর।
—ভাষান্তর : ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি, কায়রো।
ইমাম ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ [মৃত্যু : ৫৯৭ হি.] বলেন —
“জেনে রাখুন, যখন কোনো মুসলিম বান্দা মুহাম্মাদের (ﷺ) ওপর অনেক বেশি দরূদ পড়ে তখন আল্লাহ তার অন্তরকে আলোকিত করে দেন, তার গুনাহ মাফ করে দেন, তার বক্ষকে হিদায়াতের জন্ম উন্মুক্ত করে দেন আর তার যাবতীয় কাজকে সহজ করে দেন।
কাজেই আপনারা বেশি বেশি দরূদ পাঠ করুন, যাতে করে আল্লাহ আপনাদেরকে রাসূলুল্লাহর (ﷺ) মিল্লাতের অন্তর্ভুক্ত করেন, তাঁর (ﷺ) সুন্নাহ অনুযায়ী আমলে নিয়োজিত করেন, আর আমাদের সবাইকে জান্নাতে তাঁর (ﷺ) সাথী বানিয়ে দেন।”
[বুস্তানুল ওয়াঈযীন, পৃ: ২৯৭, মুওয়াসসাসাতুল কুতুবিস সাকাফিয়্যাহ, বৈরুত, ১৯৯৮ ঈ.]
এ রমজানে আমরা চল্লিশ দিনের একটা রুটিন করতে পারি। একটানা চল্লিশ দিন আমরা একহাজার বার করে দরুদ পড়ার পরিকল্পনা করতে পারি। আশা করি রুটিন আকারে করলে গুরুত্ব থাকবে।
Comment