আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
এবং নিজ প্রতিপালকের পক্ষ হতে মাগফেরাত ও সেই জান্নাত লাভের জন্য একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হও যার প্রশস্ততা আকাশ মন্ডল ও পৃথিবীতূল্য যা মুত্তাকিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। (সুরা আলে ইমরান-১৩৩)
তোমরা একে অন্যের অগ্রণী হওয়ার চেষ্টা কর তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও সেই জান্নাত লাভের জন্য, যার প্রশস্ততা আকাশ ও পৃথিবীর প্রশস্ততা তুল্য। তা প্রস্তুত করা হয়েছে এমন সব লোকের জন্য, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, যা তিনি যাকে চান দান করেন। আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।
উপরের প্রত্যেকটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা আমাদের আখেরাতের পূঁজি উপার্জনে প্রতিযোগিতা করতে নির্দেশ দিয়েছেন।আর প্রতিযোগিতার অর্থই হলো, প্রতিযোগী তার পেছনের লোকদের দিকে তাকায় না বরং তার সামনে যে (আমলে) অগ্রগামী হয়ে গেছে তার চেয়ে অগ্রগামী হয়ে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা।
এ ক্ষেত্রে সাহাবিদের অবস্থা কেমন ছিলো?
ইবনু রজব হাম্বলী রহি. বলেন:
যখন সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) আল্লাহ তায়ালার এই বাণী শুনলেন
তখন তাঁরা বুঝে নিলেন যে, আল্লাহ তায়ালা এ দ্বারা নির্দেশ দিচ্ছেন প্রত্যেক মানুষ যেন চেষ্টা করে অন্যের আগে সেই মহান মর্যাদা ও জান্নাত অর্জনের জন্য এগিয়ে যেতে।
তাই, তাঁদের কেউ যখন এমন কোনো আমল দেখতেন যা তিনি নিজে করতে অক্ষম, তখন আশঙ্কা করতেন হয়তো সেই ব্যক্তিই তার চেয়ে অগ্রগামী, তখন তাঁর মন ব্যথিত হতো সেই অগ্রগামিতা হারানোর চিন্তায়। এভাবেই তাঁদের প্রতিযোগিতা ছিল পরকালের উচ্চ মর্যাদা অর্জনে।
যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন
“তার সমাপ্তি হবে মিশকের সুবাসে; আর এই ব্যাপারেই প্রতিযোগীরা প্রতিযোগিতা করুক।” [সূরা আল-মুতাফফিফীন: ২৬]
কিন্তু তাঁদের পরবর্তীরা এসে ব্যাপারটি উল্টো করে ফেলেছে। এখন মানুষের প্রতিযোগিতা পরকাল নয়, বরং এই তুচ্ছ দুনিয়া ও তার নশ্বর সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য হয়ে পড়েছে। -লাতায়িফুল মাআরিফ: ২৪৪
সালাফের কিছু বাণী
وَسَارِعُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ
এবং নিজ প্রতিপালকের পক্ষ হতে মাগফেরাত ও সেই জান্নাত লাভের জন্য একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হও যার প্রশস্ততা আকাশ মন্ডল ও পৃথিবীতূল্য যা মুত্তাকিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। (সুরা আলে ইমরান-১৩৩)
سَابِقُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أُعِدَّتْ لِلَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ ۚ ذَٰلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ ۚ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ
তোমরা একে অন্যের অগ্রণী হওয়ার চেষ্টা কর তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও সেই জান্নাত লাভের জন্য, যার প্রশস্ততা আকাশ ও পৃথিবীর প্রশস্ততা তুল্য। তা প্রস্তুত করা হয়েছে এমন সব লোকের জন্য, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, যা তিনি যাকে চান দান করেন। আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।
فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ
অতএব তোমরা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা কর
وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ
এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।
উপরের প্রত্যেকটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা আমাদের আখেরাতের পূঁজি উপার্জনে প্রতিযোগিতা করতে নির্দেশ দিয়েছেন।আর প্রতিযোগিতার অর্থই হলো, প্রতিযোগী তার পেছনের লোকদের দিকে তাকায় না বরং তার সামনে যে (আমলে) অগ্রগামী হয়ে গেছে তার চেয়ে অগ্রগামী হয়ে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা।
এ ক্ষেত্রে সাহাবিদের অবস্থা কেমন ছিলো?
ইবনু রজব হাম্বলী রহি. বলেন:
যখন সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) আল্লাহ তায়ালার এই বাণী শুনলেন
فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ
সৎকর্মে একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করো। [সূরা আল-বাকারা: ১৪৮]
سَابِقُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে ছুটে চলো, যার প্রশস্ততা আকাশ ও পৃথিবীর সমান। [সূরা আল-হাদীদ: ২১]
তখন তাঁরা বুঝে নিলেন যে, আল্লাহ তায়ালা এ দ্বারা নির্দেশ দিচ্ছেন প্রত্যেক মানুষ যেন চেষ্টা করে অন্যের আগে সেই মহান মর্যাদা ও জান্নাত অর্জনের জন্য এগিয়ে যেতে।
তাই, তাঁদের কেউ যখন এমন কোনো আমল দেখতেন যা তিনি নিজে করতে অক্ষম, তখন আশঙ্কা করতেন হয়তো সেই ব্যক্তিই তার চেয়ে অগ্রগামী, তখন তাঁর মন ব্যথিত হতো সেই অগ্রগামিতা হারানোর চিন্তায়। এভাবেই তাঁদের প্রতিযোগিতা ছিল পরকালের উচ্চ মর্যাদা অর্জনে।
যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন
خِتَامُهُ مِسْكٌ وَفِي ذَلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ
“তার সমাপ্তি হবে মিশকের সুবাসে; আর এই ব্যাপারেই প্রতিযোগীরা প্রতিযোগিতা করুক।” [সূরা আল-মুতাফফিফীন: ২৬]
কিন্তু তাঁদের পরবর্তীরা এসে ব্যাপারটি উল্টো করে ফেলেছে। এখন মানুষের প্রতিযোগিতা পরকাল নয়, বরং এই তুচ্ছ দুনিয়া ও তার নশ্বর সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য হয়ে পড়েছে। -লাতায়িফুল মাআরিফ: ২৪৪
সালাফের কিছু বাণী
- قال الحسن: إذا رأيت الرجل ينافسك في الدنيا فنافسه في الآخرة.
- وقال وهيب بن الورد: إن استطعت أن لا يسبقك إلى الله أحد فافعل
- قال بعض السلف: لو أن رجلا سمع بأحد أطوع لله منه كان ينبغي له أن يحزنه ذلك.