আমার মূল্যায়ন: আমার চেয়ে নিচের স্তরের লোকদের দিকে তাকানো এবং শুকরিয়া আদায় করা।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
উবাই ইবন কা’ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন,
এবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কয়েকটি হাদিস পড়ি।
আল্লামা সা’দী রহি. বলেছেন,
রাসূলুল্লাহ ﷺ এক আশ্চর্য ওষুধের দিকেই নির্দেশ করেছেন যা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার শক্তিশালী কারণ। আর তা হলো: বান্দা যেন সর্বদা নিজের থেকে কম জ্ঞান, বংশ, ধন-সম্পদ ও নানাবিধ নেয়ামতে যারা পিছিয়ে আছে তাদের দিকেই লক্ষ্য রাখে। যখন সে এভাবেই চিন্তা করতে থাকে, তখন সে বাধ্য হয় নিজের রবের প্রতি বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করতে ও তাঁর প্রশংসা করতে। কারণ, সে সর্বদা এমন বহু মানুষকে দেখতে পায় যারা এসব বিষয়ে তার চেয়ে বহু নিচে অবস্থান করছে, এবং তাদের অনেকেই কামনা করে, যেন তারা অন্তত তার মতো একটু হলেও স্বাস্থ্যে, সম্পদে, রিজিকে, গঠন ও চরিত্রে পৌঁছাতে পারে। তখন সে আল্লাহর প্রশংসা করে, এবং বলে“আলহামদুলিল্লাহ, যিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং তাঁর বহু মাখলুকের উপর আমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। -বাহজাতু কুলুবিল আবরার: ৫৪
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
وَلَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِ أَزْوَاجًا مِنْهُمْ زَهْرَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا لِنَفْتِنَهُمْ فِيهِ ۚ وَرِزْقُ رَبِّكَ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ
তুমি পার্থিব জীবনের ওই চাকচিক্যের দিকে চোখ তুলে তাকিও না, যা আমি তাদের (অর্থাৎ কাফেরদের) বিভিন্ন শ্রেণীকে মজা লোটার জন্য দিয়ে রেখেছি, তা দ্বারা তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য। বস্তুত তোমার রব্বের রিযক সর্বাপেক্ষা উত্তম ও সর্বাধিক স্থায়ী। -সূরা ত্বহা: ১৩১উবাই ইবন কা’ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন,
قَالَ أُبَيُّ بن كعب: من لم يعتز بعزاء اللَّهِ تَقَطَّعَتْ نَفْسُهُ حَسَرَاتٍ، وَمَنْ يتبع بصره فيما في أيدي الناس طال حُزْنُهُ، وَمَنْ ظَنَّ أَنَّ نِعْمَةَ اللَّهِ فِي مَطْعَمِهِ وَمَشْرَبِهِ وَمَلْبَسِهِ فقد قلّ علمه وَحَضَرَ عَذَابُهُ.
যে ব্যক্তি আল্লাহ পদত্ব নেয়ামত পেয়ে সন্তুষ্ট হয় না তার মন দুঃখ ও আক্ষেপে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি মানুষের হাতে যা আছে, তার দিকে(লোভাতুর হয়ে) তাকিয়ে থাকে, সে চিন্তামুক্ত হয় না। এবং যে ব্যক্তি মনে করে যে, আল্লাহর অনুগ্রহ কেবল তার খাবার, পানীয় ও পোশাকে সীমাবদ্ধ, তার ইলম কমতে থাকে এবং সে শাস্তির কাছাকাছি চলে আসে। -তাফসিরে বাগাবী: ৩/২৮১এবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কয়েকটি হাদিস পড়ি।
- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " انْظُرُوا إِلَى مَنْ أَسْفَلَ مِنْكُمْ، وَلَا تَنْظُرُوا إِلَى مَنْ هُوَ فَوْقَكُمْ ؛ فَهُوَ أَجْدَرُ أَنْ لَا تَزْدَرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ ". قَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ : " عَلَيْكُمْ ".
- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " إِذَا نَظَرَ أَحَدُكُمْ إِلَى مَنْ فُضِّلَ عَلَيْهِ فِي الْمَالِ وَالْخَلْقِ فَلْيَنْظُرْ إِلَى مَنْ هُوَ أَسْفَلَ مِنْهُ ".
আল্লামা সা’দী রহি. বলেছেন,
রাসূলুল্লাহ ﷺ এক আশ্চর্য ওষুধের দিকেই নির্দেশ করেছেন যা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার শক্তিশালী কারণ। আর তা হলো: বান্দা যেন সর্বদা নিজের থেকে কম জ্ঞান, বংশ, ধন-সম্পদ ও নানাবিধ নেয়ামতে যারা পিছিয়ে আছে তাদের দিকেই লক্ষ্য রাখে। যখন সে এভাবেই চিন্তা করতে থাকে, তখন সে বাধ্য হয় নিজের রবের প্রতি বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করতে ও তাঁর প্রশংসা করতে। কারণ, সে সর্বদা এমন বহু মানুষকে দেখতে পায় যারা এসব বিষয়ে তার চেয়ে বহু নিচে অবস্থান করছে, এবং তাদের অনেকেই কামনা করে, যেন তারা অন্তত তার মতো একটু হলেও স্বাস্থ্যে, সম্পদে, রিজিকে, গঠন ও চরিত্রে পৌঁছাতে পারে। তখন সে আল্লাহর প্রশংসা করে, এবং বলে“আলহামদুলিল্লাহ, যিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং তাঁর বহু মাখলুকের উপর আমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। -বাহজাতু কুলুবিল আবরার: ৫৪
- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " تَعِسَ عَبْدُ الدِّينَارِ، وَعَبْدُ الدِّرْهَمِ، وَعَبْدُ الْخَمِيصَةِ، إِنْ أُعْطِيَ رَضِيَ، وَإِنْ لَمْ يُعْطَ سَخِطَ، تَعِسَ وَانْتَكَسَ، وَإِذَا شِيكَ فَلَا انْتَقَشَ
চিন্তার পরিশুদ্ধি এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন সুখময় জীবনের চাবিকাঠি।
Comment