হালাকাহ | পর্ব : ১ || আবু বাকর আলহিনদী
20260611_090212.jpg
প্রিয় ভাইয়েরা! আল্লাহর বিধান ও মূলনীতিসমূহ চিরস্থায়ী হিসেবে এসেছে, যা যুগের প্রেক্ষাপটে বদলে যায় না এবং পরিবর্তনযোগ্য নয়। আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তার কথা এবং তাঁর নির্ধারিত বিধানে কোনো পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করার ক্ষমতা কারো নেই।
সূরা আল-আনআম, আয়াত ১১৫:
অর্থ: "আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণাঙ্গ সত্য ও ন্যায়সঙ্গত। তাঁর বাণীর কোনো পরিবর্তনকারী নেই। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।"
সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬২:
অর্থ: "পূর্ববর্তীদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর নিয়ম (বিধান)। আর আপনি আল্লাহর নিয়মে কখনোই কোনো পরিবর্তন পাবেন না।"
সূরা ইউনুস, আয়াত ৬৪ (এর অংশবিশেষ):
অর্থ: "আল্লাহর বাণীর কোনো পরিবর্তন নেই; এটাই হলো মহাসাফল্য।"
প্রিয় ভাইয়েরা! অনুরূপভাবে ইসলামকে কিয়ামাত পর্যন্ত আগত সমস্ত মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু এটি পূর্ণাঙ্গ, তাই এতে নতুন করে কোনো সংযোজন বা বিয়োজনের অধিকার নেই।
সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ৩:
অর্থ: "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দীন (জীবনব্যবস্থা) হিসেবে মনোনীত করলাম।"
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের হাদীস:
রসূলুল্লহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
অর্থ: "যে ব্যক্তি আমাদের এই দীনের মধ্যে নতুন কিছু উদ্ভাবন করল, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।" (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৯৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৭১৮)
সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিযীর হাদিস:
রসূলুল্লহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বিদায় খুতবার এক দীর্ঘ নাসীহাতে বলেছিলেন:
অর্থ: "তোমরা দীনের মধ্যে নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করা থেকে বেঁচে থাকো। কারণ (দীনের ভেতর) প্রতিটি নতুন বিষয়ই বিদআত, আর প্রতিটি বিদআতই হলো গোমরাহী বা পথভ্রষ্টতা।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৬০৭; সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ২৬৭৬)
সুতরাং যুগের প্রেক্ষাপটে সমাজ বা সংস্কৃতি বদলাতে পারে, কিন্তু আল্লাহর তাওহীদ (একত্ববাদ) এবং হালাল-হারামের মৌলিক বিষয়গুলো আদম (আলাইহিস সালাম) থেকে শুরু করে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত একই রয়ে গেছে।
সূরা আশ-শূরা, আয়াত ১৩:
অর্থ: "তিনি তোমাদের জন্য দীনের সেই পথই নির্ধারিত করেছেন, যার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন নূহকে এবং যা আমি ওয়াহী করেছি আপনার প্রতি এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে এই মর্মে যে—তোমরা দীনকে প্রতিষ্ঠিত করো এবং এতে দলাদলি করো না।"
ওয়া আখিরু দা’ওয়ানা আনিল আমদু লিল্লাহি রববিল আলামীন।
20260611_090212.jpg
প্রিয় ভাইয়েরা! আল্লাহর বিধান ও মূলনীতিসমূহ চিরস্থায়ী হিসেবে এসেছে, যা যুগের প্রেক্ষাপটে বদলে যায় না এবং পরিবর্তনযোগ্য নয়। আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তার কথা এবং তাঁর নির্ধারিত বিধানে কোনো পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করার ক্ষমতা কারো নেই।
সূরা আল-আনআম, আয়াত ১১৫:
وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ صِدْقًا وَعَدْلًا ۚ لَّا مُبَدِّلَ لِكَلِمَاتِهِ ۚ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
অর্থ: "আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণাঙ্গ সত্য ও ন্যায়সঙ্গত। তাঁর বাণীর কোনো পরিবর্তনকারী নেই। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।"
সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬২:
سُنَّةَ اللَّهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ ۖ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ اللَّهِ تَبْدِيلًا
অর্থ: "পূর্ববর্তীদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর নিয়ম (বিধান)। আর আপনি আল্লাহর নিয়মে কখনোই কোনো পরিবর্তন পাবেন না।"
সূরা ইউনুস, আয়াত ৬৪ (এর অংশবিশেষ):
لَا تَبْدِيلَ لِكَلِمَاتِ اللَّهِ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ
অর্থ: "আল্লাহর বাণীর কোনো পরিবর্তন নেই; এটাই হলো মহাসাফল্য।"
প্রিয় ভাইয়েরা! অনুরূপভাবে ইসলামকে কিয়ামাত পর্যন্ত আগত সমস্ত মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু এটি পূর্ণাঙ্গ, তাই এতে নতুন করে কোনো সংযোজন বা বিয়োজনের অধিকার নেই।
সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ৩:
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
অর্থ: "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দীন (জীবনব্যবস্থা) হিসেবে মনোনীত করলাম।"
জেনে রাখুন, যুগের দোহাই দিয়ে আল্লাহর মূল বিধানে নতুন কোনো নিয়ম বা নিজস্ব মনগড়া ব্যাখ্যা তৈরি করার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই।
রসূলুল্লহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ فِيهِ فَهُوَ رَدٌّ
অর্থ: "যে ব্যক্তি আমাদের এই দীনের মধ্যে নতুন কিছু উদ্ভাবন করল, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।" (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৯৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৭১৮)
সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিযীর হাদিস:
রসূলুল্লহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বিদায় খুতবার এক দীর্ঘ নাসীহাতে বলেছিলেন:
وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ
অর্থ: "তোমরা দীনের মধ্যে নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করা থেকে বেঁচে থাকো। কারণ (দীনের ভেতর) প্রতিটি নতুন বিষয়ই বিদআত, আর প্রতিটি বিদআতই হলো গোমরাহী বা পথভ্রষ্টতা।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৬০৭; সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ২৬৭৬)
সুতরাং যুগের প্রেক্ষাপটে সমাজ বা সংস্কৃতি বদলাতে পারে, কিন্তু আল্লাহর তাওহীদ (একত্ববাদ) এবং হালাল-হারামের মৌলিক বিষয়গুলো আদম (আলাইহিস সালাম) থেকে শুরু করে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত একই রয়ে গেছে।
সূরা আশ-শূরা, আয়াত ১৩:
شَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِ نُوحًا وَالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰ ۖ أَنْ أَقِيمُوا الدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا فِيهِ
অর্থ: "তিনি তোমাদের জন্য দীনের সেই পথই নির্ধারিত করেছেন, যার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন নূহকে এবং যা আমি ওয়াহী করেছি আপনার প্রতি এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে এই মর্মে যে—তোমরা দীনকে প্রতিষ্ঠিত করো এবং এতে দলাদলি করো না।"
ওয়া আখিরু দা’ওয়ানা আনিল আমদু লিল্লাহি রববিল আলামীন।
Comment