Announcement

Collapse
No announcement yet.

এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে

    এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে । আবু বাকর আলহিনদী

    মানুষ যখন কোনো কাজকে এজন্য আনজাম না দিবে যে, এটি শুধু আমি আল্লাহর জন্যই করেছি এবং দুনিয়ার মানুষের সাথে এর কোনোই সম্পর্ক নেই, তাহলেই মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাবে, এক সাথী অপর সাথীকে দোষারোপ করবে, মামুর তার আমীরের দোষারোপ করবে এবং পরিণতিতে কাজ থেকে দূরে সরে যাবে। এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং এতোদিন প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে।

    কারণ তারা যদি একমাত্র আল্লাহর ইবাদাতের উদ্দেশ্যে জিহাদের পথে পা বাড়াতো, তাহলে কে তার সাথে খেয়ানত করেছে আর কে তাকে ধোঁকা দিয়েছে এগুলোর জের ধরে সে জিহাদ থেকে দূরে সরতো না। তার উপর এ বিধান তো আল্লাহর। তাই সর্ব হালাতে আল্লাহর ইবাদাতের উদ্দেশ্য থাকতো। মানুষের তুচ্ছ থেকে তুচ্ছতর বিষয় তাকে আল্লাহর বিধান পালন থেকে বিরত রাখতে পারতো না।
    আর বাস্তবতা হলো পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ অন্যকে দোষারোপকারী। আর যে অন্যকে দোষারোপের এই হীন কাজে জড়িত হয়ে যাবে, তার দ্বারা মহৎ কোনো উদ্দেশ্য হাসিল হওয়া দুনিয়ার স্বাভাবিক দৃষ্টিতেই অসম্ভব।

  • #2

    এ ধরনের সাথিরা মূলত আল্লাহর ইবাদত নয় বরং প্রকারান্তরে মানুষের ইবাদত করেছে।
    কারণ এ জিনিসগুলো তার জন্য পরিক্ষা
    আল্লাহ তাআলা বলেন


    ​আত তাওবাহ্, আয়াতঃ ১৬

    اَمۡ حَسِبۡتُمۡ اَنۡ تُتۡرَکُوۡا وَلَمَّا یَعۡلَمِ اللّٰہُ الَّذِیۡنَ جٰہَدُوۡا مِنۡکُمۡ وَلَمۡ یَتَّخِذُوۡا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ وَلَا رَسُوۡلِہٖ وَلَا الۡمُؤۡمِنِیۡنَ وَلِیۡجَۃً ؕ وَاللّٰہُ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ ٪

    অর্থঃ
    অর্থঃ তোমরা কি মনে কর যে, তোমাদের ছেড়ে দেয়া হবে এমনি, যতক্ষণ না আল্লাহ জেনে নেবেন তোমাদের কে যুদ্ধ করেছে এবং কে আল্লাহ, তাঁর রসূল ও মুসলমানদের ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করা থেকে বিরত রয়েছে। আর তোমরা যা কর সে বিষয়ে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।

    ---------------------

    তাফসীর (মুফতী তাকী উসমানী) (Bangla)

    ১৫. দৃশ্যত এর দ্বারা ইশারা করা হয়েছে সেই সকল ব্যক্তির প্রতি, যারা মক্কা বিজয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তখনও পর্যন্ত কোনও জিহাদে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়নি। অন্যান্য সাহাবীগণ তো মক্কা বিজয়ের আগেও বহু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই নও মুসলিমদেরকে বলা হচ্ছে, তোমাদেরও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত। বারাআঃ বা সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা দানের পর যদিও বড় কোনও যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, তথাপি তাদেরকে সর্বান্তকরণে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে এ কারণে যে, পাছে আত্মীয়তার পিছুটানের ফলে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটানোর যাবতীয় দাবী ও চাহিদা পূরণে তারা ইতস্ততঃ করে। এজন্যই জিহাদের নির্দেশ দানের সাথে সাথে এ কথাও বলে দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনদের ছাড়া অন্য কাউকে এমন অন্তরঙ্গ বন্ধু না বানায়, যার কাছে নিজেদের গোপন কথা প্রকাশ করা যায়।​

    Comment

    Working...
    X