**খেলাধুলার মাধ্যমে পশ্চিমা অপসংস্কৃতির আমদানি, ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংসের হাতিয়ার।**
খেলাধুলা মানুষের চিন্তার জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করে।ভোগবাদী ও পুঁজিবাদী সমাজ-ব্যবস্থা নিজেদের স্বার্থে মানুষকে বিভিন্ন চাহিদার মধ্যে আবদ্ধ করে নিয়েছে। মানুষ চরম পর্যায়ে চাহিদা পূরণে ব্যস্ত।আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ছোট থেকেই একটি কথা অতিমাত্রায় শেখানো হয় 'পড়াশোনা করে যে, গাড়ি-ঘোড়ায় চড়ে সে।' অর্থাৎ ছোট থেকেই মানুষের অবচেতন মনে ভোগের চাহিদা সৃষ্টি করে দেওয়া হচ্ছে। ভোগের প্রতি চরম ভাবে বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা মানুষকে উৎসাহিত করছে। মানুষকে বানিয়েছে ভোগ্য পণ্য। মানুষের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ তার ঐকান্তিক চাহিদা পূরণ করতে যা ইচ্ছা তাই করছে। যা ইচ্ছা তাই খরচ করছে। মানুষের চাহিদা মেটানোর একটি মাধ্যম হলো বিনোদন।খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষ তার পার্থিব বিনোদনের চাহিদা মেটাচ্ছে। এর সাথে জড়িত আছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের জুয়া, হারাম মদের প্রচারণা।খেলাধুলার মাধ্যমে ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংস হচ্ছে অপরদিকে পশ্চিমা অপসংস্কৃতির আমদানী করা হচ্ছে। ফুটবল,ক্রিকেট সহ প্রায় প্রতিটি খেলাধুলার সাথে এখন মদ, জুয়া, ব্যভিচার, অশ্লীলতা ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسَ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
অর্থ: হে মুমিন সকল! নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্যনির্ধারক শরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব এগুলো থেকে বেঁচে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হতে পারো। (সূরা মায়িদা- ৯০)
ফ্রাঞ্চাইজি গুলো কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেন খেলোয়াড়দের পিছনে তাদের পর্ণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য। মানুষ খেলাধুলা ও অন্যান্য মাধ্যমে সেই সকল খেলোয়াড়দের তাদের আইডল বানিয়ে নেন। এবং পরবর্তীতে সেইসব খেলোয়াড়রা যেসব বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে মানুষ সেগুলো কেনার জন্য অবচেতন মনে ব্রেইনওয়াশড হয়ে যায়। বাজারে গেলে প্রয়োজন ছাড়াও সেইসব পণ্যের পেছনে হাজার হাজার টাকা ব্যয় করেন। মানুষ ভোগ্যপণ্য সংগ্রহে তখন মরিয়া হয়ে ওঠে।খেলাধুলার নামে মানুষকে অবচেতন মনে ভোগবাদীতায় অভ্যস্ত করা হচ্ছে। এভাবে খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষের চিন্তার জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। মানুষের চিন্তা জগতের পুরোটা গ্রাস করে নেয় খেলাধুলার রঙ তামাসা।মানুষের চিন্তা জগৎ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে পুঁজিবাদী ও ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থা। মানুষের চিন্তা জগৎকে নিয়ন্ত্রণের আরেকটা মাধ্যম হলো নারীদেরকে পণ্যের বিজ্ঞাপন-এ ব্যবহার। বেপর্দা করে নারীদেরকে আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করা হয় সামজের মানুষের সামনে। ভোগ্যপণ্যের মত তাদের ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমা ও টিভি চ্যানেলের উপস্থাপনা ও সাংবাদিকতায়। ফুটবল, ক্রিকেট সহ প্রায় প্রতিটি খেলায় পুরুষদের মত নারীদের মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসকল নারী খেলোয়াড় পুরুষ কর্তৃক নানাভাবে যৌন হেনস্থার শিকার হয়।
সৃষ্টিগত ভাবে পুরুষ মানুষ নারী কর্তৃক আকৃষ্ট। পুঁজিবাদীরা পুরুষের সৃষ্টিগত এই বৈশিষ্টকে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মত যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কাজে লাগায় মানুষের মন মানসিকতা নিয়ন্ত্রণের জন্য।এভাবে মানুষ আজ নারীর ফেতনায় আক্রান্ত ঘরে বাহিরে পথে ঘাটে। নারীদের টোপ হিসাবে ব্যবহার করা হয় ভোগবাদী সমাজের সিস্টেম কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। নারীবাদের উত্থানে আজ পরিবার সমাজ রাষ্ট্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।নারী তার স্বাভাবিক স্বভাবসুলভ পথ হারিয়ে কৃত্রিম পণ্যে পরিণত হয়েছে। এসকল নারীদেরকে ব্যবহার করা হয় সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ফিতনার বিষ-বাষ্প ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। ব্যানার, বিল-বোর্ড, খেলারমাঠে,বিজ্ঞাপনে সব স্থানে নারীর ছবি ঝুলিয়ে দেওয়া হয় অতি আকর্ষণীয়ভাবে। সামাজিক আন্দোলন মতবাদ প্রতিষ্ঠায় এসকল অবলা নারীদের সবার আগে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়।
খেলাধুলা নামক অহেতুক কাজ মানুষকে যেমন তার মূল উদ্দ্যেশ্য আল্লাহ তায়ালার অনুগত্য থেকে বঞ্চিত রাখে। তেমনি তার মূল্যবান সময় নষ্ট করে। মানুষ যে সময় খেলাধুলার মাধ্যমে অপচয় করে তা যদি আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করতো তাহলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তন হয়ে যেতো। পুঁজিবাদের কড়াল গ্রাস থেকে গরীব, অভাবী মেহনতি মানুষের জীবন - জীবিকার মান উন্নয়ন হতো।
মুমিনের বৈশিষ্ট্য আলোচনায় আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ.
অর্থ: আর তারা ঐ সকল ব্যক্তি যারা অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকে। (সূরা মুমিনূন-৩)
অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন, যদি তারা অনর্থক কথা- কাজের সংশ্রবে গিয়ে পড়ে তাহলে ভদ্রভাবে এড়িয়ে যায়। (সূরা ফুরকান- ৭৩)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'মানুষের সুন্দর ইসলাম হল, সে অনর্থক বিষয়াবলী পরিহার করবে।' -(মুসনাদে আহমদ হাদিস নং-০৩)
মানুষ যত আধুনিকতার সংশ্রবে যাচ্ছে ততোধিক রাসূল(ﷺ)এর সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় প্রভাবিত হয়ে দীন ঈমান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
খেলাধুলার পেছনে আপনার মূল্যবান সময়কে ব্যয় না করে জিহাদ ও কিতালের পথে ব্যয় করুন।আধুনিক বিশ্ব-ব্যবস্থার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন মোকাবেলায় নিজের মূল্যবান সময় ইলম ও জিহাদের কাজে ব্যয় করুন৷
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সমস্ত অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত রাখুন এবং জিহাদ ও কিতালের পথে অবিচল রাখুন (আমিন)।
খেলাধুলা মানুষের চিন্তার জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করে।ভোগবাদী ও পুঁজিবাদী সমাজ-ব্যবস্থা নিজেদের স্বার্থে মানুষকে বিভিন্ন চাহিদার মধ্যে আবদ্ধ করে নিয়েছে। মানুষ চরম পর্যায়ে চাহিদা পূরণে ব্যস্ত।আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ছোট থেকেই একটি কথা অতিমাত্রায় শেখানো হয় 'পড়াশোনা করে যে, গাড়ি-ঘোড়ায় চড়ে সে।' অর্থাৎ ছোট থেকেই মানুষের অবচেতন মনে ভোগের চাহিদা সৃষ্টি করে দেওয়া হচ্ছে। ভোগের প্রতি চরম ভাবে বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা মানুষকে উৎসাহিত করছে। মানুষকে বানিয়েছে ভোগ্য পণ্য। মানুষের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ তার ঐকান্তিক চাহিদা পূরণ করতে যা ইচ্ছা তাই করছে। যা ইচ্ছা তাই খরচ করছে। মানুষের চাহিদা মেটানোর একটি মাধ্যম হলো বিনোদন।খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষ তার পার্থিব বিনোদনের চাহিদা মেটাচ্ছে। এর সাথে জড়িত আছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের জুয়া, হারাম মদের প্রচারণা।খেলাধুলার মাধ্যমে ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংস হচ্ছে অপরদিকে পশ্চিমা অপসংস্কৃতির আমদানী করা হচ্ছে। ফুটবল,ক্রিকেট সহ প্রায় প্রতিটি খেলাধুলার সাথে এখন মদ, জুয়া, ব্যভিচার, অশ্লীলতা ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسَ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
অর্থ: হে মুমিন সকল! নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্যনির্ধারক শরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব এগুলো থেকে বেঁচে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হতে পারো। (সূরা মায়িদা- ৯০)
ফ্রাঞ্চাইজি গুলো কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেন খেলোয়াড়দের পিছনে তাদের পর্ণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য। মানুষ খেলাধুলা ও অন্যান্য মাধ্যমে সেই সকল খেলোয়াড়দের তাদের আইডল বানিয়ে নেন। এবং পরবর্তীতে সেইসব খেলোয়াড়রা যেসব বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে মানুষ সেগুলো কেনার জন্য অবচেতন মনে ব্রেইনওয়াশড হয়ে যায়। বাজারে গেলে প্রয়োজন ছাড়াও সেইসব পণ্যের পেছনে হাজার হাজার টাকা ব্যয় করেন। মানুষ ভোগ্যপণ্য সংগ্রহে তখন মরিয়া হয়ে ওঠে।খেলাধুলার নামে মানুষকে অবচেতন মনে ভোগবাদীতায় অভ্যস্ত করা হচ্ছে। এভাবে খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষের চিন্তার জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। মানুষের চিন্তা জগতের পুরোটা গ্রাস করে নেয় খেলাধুলার রঙ তামাসা।মানুষের চিন্তা জগৎ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে পুঁজিবাদী ও ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থা। মানুষের চিন্তা জগৎকে নিয়ন্ত্রণের আরেকটা মাধ্যম হলো নারীদেরকে পণ্যের বিজ্ঞাপন-এ ব্যবহার। বেপর্দা করে নারীদেরকে আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করা হয় সামজের মানুষের সামনে। ভোগ্যপণ্যের মত তাদের ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমা ও টিভি চ্যানেলের উপস্থাপনা ও সাংবাদিকতায়। ফুটবল, ক্রিকেট সহ প্রায় প্রতিটি খেলায় পুরুষদের মত নারীদের মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসকল নারী খেলোয়াড় পুরুষ কর্তৃক নানাভাবে যৌন হেনস্থার শিকার হয়।
সৃষ্টিগত ভাবে পুরুষ মানুষ নারী কর্তৃক আকৃষ্ট। পুঁজিবাদীরা পুরুষের সৃষ্টিগত এই বৈশিষ্টকে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মত যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কাজে লাগায় মানুষের মন মানসিকতা নিয়ন্ত্রণের জন্য।এভাবে মানুষ আজ নারীর ফেতনায় আক্রান্ত ঘরে বাহিরে পথে ঘাটে। নারীদের টোপ হিসাবে ব্যবহার করা হয় ভোগবাদী সমাজের সিস্টেম কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। নারীবাদের উত্থানে আজ পরিবার সমাজ রাষ্ট্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।নারী তার স্বাভাবিক স্বভাবসুলভ পথ হারিয়ে কৃত্রিম পণ্যে পরিণত হয়েছে। এসকল নারীদেরকে ব্যবহার করা হয় সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ফিতনার বিষ-বাষ্প ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। ব্যানার, বিল-বোর্ড, খেলারমাঠে,বিজ্ঞাপনে সব স্থানে নারীর ছবি ঝুলিয়ে দেওয়া হয় অতি আকর্ষণীয়ভাবে। সামাজিক আন্দোলন মতবাদ প্রতিষ্ঠায় এসকল অবলা নারীদের সবার আগে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়।
খেলাধুলা নামক অহেতুক কাজ মানুষকে যেমন তার মূল উদ্দ্যেশ্য আল্লাহ তায়ালার অনুগত্য থেকে বঞ্চিত রাখে। তেমনি তার মূল্যবান সময় নষ্ট করে। মানুষ যে সময় খেলাধুলার মাধ্যমে অপচয় করে তা যদি আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করতো তাহলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তন হয়ে যেতো। পুঁজিবাদের কড়াল গ্রাস থেকে গরীব, অভাবী মেহনতি মানুষের জীবন - জীবিকার মান উন্নয়ন হতো।
মুমিনের বৈশিষ্ট্য আলোচনায় আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ.
অর্থ: আর তারা ঐ সকল ব্যক্তি যারা অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকে। (সূরা মুমিনূন-৩)
অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন, যদি তারা অনর্থক কথা- কাজের সংশ্রবে গিয়ে পড়ে তাহলে ভদ্রভাবে এড়িয়ে যায়। (সূরা ফুরকান- ৭৩)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'মানুষের সুন্দর ইসলাম হল, সে অনর্থক বিষয়াবলী পরিহার করবে।' -(মুসনাদে আহমদ হাদিস নং-০৩)
মানুষ যত আধুনিকতার সংশ্রবে যাচ্ছে ততোধিক রাসূল(ﷺ)এর সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় প্রভাবিত হয়ে দীন ঈমান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
খেলাধুলার পেছনে আপনার মূল্যবান সময়কে ব্যয় না করে জিহাদ ও কিতালের পথে ব্যয় করুন।আধুনিক বিশ্ব-ব্যবস্থার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন মোকাবেলায় নিজের মূল্যবান সময় ইলম ও জিহাদের কাজে ব্যয় করুন৷
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সমস্ত অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত রাখুন এবং জিহাদ ও কিতালের পথে অবিচল রাখুন (আমিন)।
Comment