গনতন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন কায়েম করতে গিয়ে কিভাবে মানুষগুলো দ্বীন নিয়ে তামাশায় মেতে ওঠে সেটা আপনারা কিছুটা দেখছেন, আরও দেখবেন।
এই লোকগুলো কি ইনটেনশনালি, নীতিগতভাবে বা মন থেকে ইসলামের শত্রু?
না। এরা কেউ ইসলামের শত্রু না। এটা হলো একটা সিস্টেমের ন্যাচারাল পরিণতি।
একজন মানুষ যখন কোনো একটা সিস্টেমে, দলে বা সংগঠনে অংশগ্রহণ করে তখন সেই সিস্টেম, দল বা সংগঠনের নীতির প্রভাব তার চিন্তার উপর অবধারিতভাবে পড়বে। এবং একসময় এভাবে আস্তে আস্তে তার চিন্তা আমূল পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে!
ধরুন একজন মানুষ সেক্যুলার রাষ্ট্রের ডিসি হিসেবে চাকরিতে আছে। এখন তার এলাকায় যদি একটা পতিতালয় বা ক্যাসিনো থাকে তাহলে এটা রক্ষা করা তার দায়িত্ব। সে এটা রক্ষা করার শপথ নিয়েই চাকরি নিয়েছে।
তো ঘটনাক্রমে সে যদি অন্যদিকে কথিত ধার্মিক ও নামাজিও হয়, কেউ যদি তাকে জিজ্ঞেস করে, আপনি পতিতালয় ক্যাসিনো রক্ষা করেন?
সে তখন নিজের মুখ বাঁচানোর জন্য হয়তো বলবে, আরেহ এই মেয়েগুলো অসহায় হয়ে এই পেশায় আসছে; কিংবা জুয়ার মাধ্যমেও কত মানুষ সংসার চালাচ্ছে... ব্লা ব্লা ব্লা।
এই লোক কিন্তু ইনটেনশনাল ইসলামবিদ্বেষী না।
সমস্যা হলো, এভাবে নিজেদের মুখ বাঁচাতে গিয়ে যখন দীনের অপব্যাখ্যা দিতে থাকে, দীনের উপর, আল্লাহর বিধানের উপর অন্য কোনোকিছুকে প্রাধান্য দিতে থাকে তখন এই লোকদের অন্তর থেকে দীনের সম্মান ও মর্যাদা হাল্কা থাকে এবং একসময় নাই হয়ে যায়।
হজ্জের এক মাস'আলায় আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) একবার আল্লাহর রাসূলের সুন্নাহ জানানোয় উপস্থিত কেউ কেউ আবু বকর ও উমারের পদ্ধতির কথা বললে তিনি বলেছিলেন, "আমার আশাংকা হচ্ছে তোমাদের উপর আসমান থেকে নীল পাথর বর্ষিত হবে"।
দীনের বিধানের আজমতের ব্যাপারে এমন অবস্থানই আমরা দেখি আমাদের সালাফদের জীবনে। ব্যক্তিগত জীবনে কে কতটুকু পালন করতে পারুক না পারুক সেজন্য নিজেকে অপরাধী মনে করবে; কিন্তু বিধানের প্রতি চুড়ান্ত সম্মান থাকবে।
দীন না জানা লোকেরা হয় পথভ্রষ্ট, কিন্তু দীনকে একবার জানার পর, গ্রহণের পর প্রত্যাখ্যান বা বিকৃত করার দ্বারা তারা অভিশপ্ত হয়ে পড়ে। সুফিয়ান ইবনু উইয়াইনা বলেন, জ্ঞানীরা পথভ্রষ্ট হলে তাদের মধ্যে ইহুদিদের চরিত্র প্রবেশ করে, আর মূর্খরা পথভ্রষ্ট হলে তাদের মধ্যে খ্রিস্টানদের চরিত্র প্রবেশ করে।
গনতন্ত্রের দ্বারা দীন কায়েম হওয়া না হওয়া নিয়ে আলোচনা হলো হাতি আকাশে উড়বে কি না তা নিয়ে আলোচনা করার মতো ব্যাপার। তাই সেটা নিয়ে আমার আগ্রহ নেই।
যে মানুষগুলো দীন কায়েমের ব্রত লালন করেন তারাই যে নিজেদের অজান্তে বিকৃতির গহব্বরে হারিয়ে যাচ্ছেন, এবং শুধু একা নন বরং সমাজের একটা বড় অংশ নিয়ে-- এটা বড় বেদনার।
আমি অত্যন্ত বেদনা অনুভব করি সেইসব লোকদের জন্য যারা বস্তুত দীনের জন্য অনেক নির্যাতিত হয়েছেন, কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে, ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে থাকা সেক্যুলার কাফিরদের সন্তুষ্ট করার জন্য সেই দীনকেই বিকৃত করার কাজে লিপ্ত হয়েছেন।
এই লোকগুলো কি ইনটেনশনালি, নীতিগতভাবে বা মন থেকে ইসলামের শত্রু?
না। এরা কেউ ইসলামের শত্রু না। এটা হলো একটা সিস্টেমের ন্যাচারাল পরিণতি।
একজন মানুষ যখন কোনো একটা সিস্টেমে, দলে বা সংগঠনে অংশগ্রহণ করে তখন সেই সিস্টেম, দল বা সংগঠনের নীতির প্রভাব তার চিন্তার উপর অবধারিতভাবে পড়বে। এবং একসময় এভাবে আস্তে আস্তে তার চিন্তা আমূল পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে!
ধরুন একজন মানুষ সেক্যুলার রাষ্ট্রের ডিসি হিসেবে চাকরিতে আছে। এখন তার এলাকায় যদি একটা পতিতালয় বা ক্যাসিনো থাকে তাহলে এটা রক্ষা করা তার দায়িত্ব। সে এটা রক্ষা করার শপথ নিয়েই চাকরি নিয়েছে।
তো ঘটনাক্রমে সে যদি অন্যদিকে কথিত ধার্মিক ও নামাজিও হয়, কেউ যদি তাকে জিজ্ঞেস করে, আপনি পতিতালয় ক্যাসিনো রক্ষা করেন?
সে তখন নিজের মুখ বাঁচানোর জন্য হয়তো বলবে, আরেহ এই মেয়েগুলো অসহায় হয়ে এই পেশায় আসছে; কিংবা জুয়ার মাধ্যমেও কত মানুষ সংসার চালাচ্ছে... ব্লা ব্লা ব্লা।
এই লোক কিন্তু ইনটেনশনাল ইসলামবিদ্বেষী না।
সমস্যা হলো, এভাবে নিজেদের মুখ বাঁচাতে গিয়ে যখন দীনের অপব্যাখ্যা দিতে থাকে, দীনের উপর, আল্লাহর বিধানের উপর অন্য কোনোকিছুকে প্রাধান্য দিতে থাকে তখন এই লোকদের অন্তর থেকে দীনের সম্মান ও মর্যাদা হাল্কা থাকে এবং একসময় নাই হয়ে যায়।
হজ্জের এক মাস'আলায় আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) একবার আল্লাহর রাসূলের সুন্নাহ জানানোয় উপস্থিত কেউ কেউ আবু বকর ও উমারের পদ্ধতির কথা বললে তিনি বলেছিলেন, "আমার আশাংকা হচ্ছে তোমাদের উপর আসমান থেকে নীল পাথর বর্ষিত হবে"।
দীনের বিধানের আজমতের ব্যাপারে এমন অবস্থানই আমরা দেখি আমাদের সালাফদের জীবনে। ব্যক্তিগত জীবনে কে কতটুকু পালন করতে পারুক না পারুক সেজন্য নিজেকে অপরাধী মনে করবে; কিন্তু বিধানের প্রতি চুড়ান্ত সম্মান থাকবে।
দীন না জানা লোকেরা হয় পথভ্রষ্ট, কিন্তু দীনকে একবার জানার পর, গ্রহণের পর প্রত্যাখ্যান বা বিকৃত করার দ্বারা তারা অভিশপ্ত হয়ে পড়ে। সুফিয়ান ইবনু উইয়াইনা বলেন, জ্ঞানীরা পথভ্রষ্ট হলে তাদের মধ্যে ইহুদিদের চরিত্র প্রবেশ করে, আর মূর্খরা পথভ্রষ্ট হলে তাদের মধ্যে খ্রিস্টানদের চরিত্র প্রবেশ করে।
গনতন্ত্রের দ্বারা দীন কায়েম হওয়া না হওয়া নিয়ে আলোচনা হলো হাতি আকাশে উড়বে কি না তা নিয়ে আলোচনা করার মতো ব্যাপার। তাই সেটা নিয়ে আমার আগ্রহ নেই।
যে মানুষগুলো দীন কায়েমের ব্রত লালন করেন তারাই যে নিজেদের অজান্তে বিকৃতির গহব্বরে হারিয়ে যাচ্ছেন, এবং শুধু একা নন বরং সমাজের একটা বড় অংশ নিয়ে-- এটা বড় বেদনার।
আমি অত্যন্ত বেদনা অনুভব করি সেইসব লোকদের জন্য যারা বস্তুত দীনের জন্য অনেক নির্যাতিত হয়েছেন, কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে, ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে থাকা সেক্যুলার কাফিরদের সন্তুষ্ট করার জন্য সেই দীনকেই বিকৃত করার কাজে লিপ্ত হয়েছেন।
~~~ফেসবুক থেকে সংগৃহীত~~~
Comment