Announcement

Collapse
No announcement yet.

পহেলা বৈশাখ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ : চেতনার শিরোনামে শিরকের অবাধ চর্চা || ২য় পর্ব (শেষ) || শায়খ ফজলুর রহমান কাসেমি হাফিজাহুল্লাহ

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পহেলা বৈশাখ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ : চেতনার শিরোনামে শিরকের অবাধ চর্চা || ২য় পর্ব (শেষ) || শায়খ ফজলুর রহমান কাসেমি হাফিজাহুল্লাহ


    পহেলা বৈশাখ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ : চেতনার শিরোনামে শিরকের অবাধ চর্চা

    শায়খ ফজলুর রহমান কাসেমি হাফিজাহুল্লাহ


    [ ২য় পর্ব ]




    ১১. গ্রামাঞ্চল এবং কলকাতা শহরের উপকণ্ঠে বিভিন্ন মন্দির ও অন্যান্য প্রাঙ্গনে পয়লা বৈশাখ থেকে আরম্ভ হয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা সমগ্র বৈশাখ মাস জুড়ে অনুষ্ঠিত হয়। -বাংলা উইকিপিডিয়া

    শরয়ী মূল্যায়ন: মন্দির থেকে এ দিবসের আয়োজনগুলো পরিচালিত হয়। মান্দিরের চরিত্রগুলো এ দিবসের আয়োজনগুলোতে অনুশীলন করা হয়। মন্দিরের বিশ্বাসগুলো এ দিবসের আয়োজনগুলোতে প্রতিফলিত হয়। এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে কোন মুসলমান কীভাবে মুসলমান থাকতে পারে?

    ১২. পয়লা বৈশাখের দিন উল্লেখযোগ্য ভিড় চোখে পড়ে কলকাতার বিখ্যাত কালীঘাট মন্দিরে। সেখানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ভোর থেকে মন্ত্রপাঠপূর্বক গঙ্গাস্নান করে প্রতীক্ষায় থাকে দেবীকে পূজা নিবেদন করে হালখাতা আরম্ভ করার জন্য। -বাংলা উইকিপিডিয়া

    শরয়ী মূল্যায়ন: পহেলা বৈশাখ মুশরিকদের কালীঘাট মন্দিরে পূজার বিশেষ দিবস। মুশরিকরা দেবীকে পূজা দিয়ে হালখাতা শুরু করার দিবস হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। এ দিবসের সাথে তাহওহীদের বিশ্বাসে মুসলিমদের কোনও সম্পর্ক নেই। থাকতেও পারে না।

    ১৩. ব্যবসায়ী ছাড়াও বহু গৃহস্থও পরিবারের মঙ্গল কামনা করে দেবীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে কালীঘাটে গিয়ে থাকে। এই দিন বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক হিসেবে নতুন ধুতি-পাঞ্জাবি এবং শাড়ি পরার রেওয়াজ প্রচলিত। -বাংলা উইকিপিডিয়া

    শরয়ী মূল্যায়ন: এ দিবসটি সর্বস্তরের মুশরিকদের পূজার বিশেষ দিবস। দেবীকে খুশি করার বিশেষ দিবস। কালীঘাটে গিয়ে মুশরিকদের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের দিনে, মুশরিকদের সঙ্গে শিরকি কাজে অংশগ্রহণ করে কোন মুসলিমের পক্ষে তার ঈমান টিকিয়ে রাখা কীভাবে সম্ভব?

    ১৪.

    বাংলার পহেলা বৈশাখ

    দেবাশিস দাস

    ================

    প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে সাথে/বছর ঘুরে এলো নব সাঁজে/বাংলার পহেলা বৈশাখ।/এসো হে বৈশাখ /তোমাকে স্বাগতম।

    বাসন্তী রঙের পরিধানের মাঝে/ভালোবাসার মিলন মেলায় মন হারাবে/প্রকৃতির কৃষ্ণচূড়ায় রঙ্গিন লাল আভায়,/প্রতিটি হৃদয় ভালোবাসায় ভরাবে।

    পহেলা বৈশাখ বাঙালির আনন্দের খেলা,/সারাদিন খুশীর মেলা/আনন্দ উল্লাসে বয়ে যায় সারা বেলা।

    পহেলা বৈশাখ মানে বাঙালির আত্মশুদ্ধির ক্ষণ/বিশ্ব বাঙালির আত্মআবিষ্কারের দিন।/পহেলা বৈশাখ মানে, পান্তা, ইলিশের ভালোবাসার/সাথে প্রিয়জনদের শ্রেষ্ঠ মেলার আসর।

    ঈদ, পূজা, খ্রিসমাস ও বৌদ্ধ পূর্ণিমার/সব উৎসবকে ছাড়িয়েও সেরা,/তুমি যে শুধু/বাঙালির প্রাণের/মিলন মেলা, /হে পহেলা বৈশাখ।

    এসো হে বৈশাখ/প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে, /তোমাকে জানাই স্বাগতম।

    বাঙালির এই মিলন মেলায়/আজ নয় কোন ধনী-গরীব/ছোট-বড় ভেদাভেদ।/আনন্দের এই দিন/ধুয়ে মুছে যাক সব দুঃখ/জ্বালা, বেদনা আর গ্লানি।

    সুখ-শান্তি আর ভালোবাসায় ভরে উঠুুক/বাঙালি হৃদয়ের শ্রেষ্ঠ উৎসব পহেলা বৈশাখ।

    শরয়ী মূল্যায়ন: বাঙালির আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে সকল ধর্মের সকল ধর্মীয় আয়োজনের চাইতে শ্রেষ্ঠ আয়োজন হচ্ছে পহেলা বৈশাখের আয়োজন। কেউ যদি তার তাওহীদের বিশ্বাসকে ত্যাগ করে পহেলা বৈশাখের শিরকি বিশ্বাসকে নিজের মধ্যে ধারণ করে বেঁচে থাকতে চায়, তাহলে সে বাঙালি হতে পারবে, তাওহীদবাদী মুসলিম কোনো ভাবেই হতে পারবে না। কারণ সে ইসলাম ও তাওহীদ ত্যাগ করে শিরকের ধর্ম গ্রহণ করেছে।



    ১৫. সায়ীদ আবু বকর নামে দৈনিক ইনকিলাবের একজন লেখক খুব গর্বের সাথে লিখেছেন-

    পহেলা বৈশাখ এখন বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাংলার মুসলমান-হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধকে এক মঞ্চে আনার শাশ্বত কোন উৎসব যদি থেকেই থাকে বাঙালির, তা এই পহেলা বৈশাখ।

    শরয়ী মূল্যায়ন: যে দরজা দিয়ে এ লেখকের গর্বের জোয়ার ধেয়ে আসছে, মূলত সে দরজা দিয়েই মুমিনের ঈমান ও তাওহীদের বিশ্বাস বের হয়ে গেছে। আল্লাহর বন্ধু মুসলমান ও আল্লাহর দুশমন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান এক মঞ্চে মঞ্চস্থ হওয়ার কোন ধারণা আল্লাহর দেয়া বিধানে নেই। এটা তখন সম্ভব যখন কোন মুসলমান তার ঈমানের গণ্ডিকে ত্যাগ করবে।

    ১৬. আবার কেউ গর্ব করে বলছেন, এটা মুসলমানদের ঐতিহ্য। মুসলিম রাজারাই এটার প্রবর্তক।

    শরয়ী মূল্যায়ন: পহেলা বৈশাখের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রেক্ষাপট হচ্ছে মুগল সম্রাট আকবরের বাংলা সন প্রবর্তন এবং সে উপলক্ষে পহেলা বৈশাখ উদযাপন। মুসলমানরা যখন তাদের মূল ঐতিহ্যগুলোকে হারিয়ে ফেলেছে, তখন থেকে তারা এসব ফালতু বিষয় নিয়ে গর্ব করা শুরু করেছে। আকবরের সন প্রবর্তন বিষয়ক যে ইতিহাস বলা হয় তা যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে একজন মুসলমান হিসাবে এবং আল্লাহর বিধানের একজন অনুগত বান্দা হিসাবে তার যে বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করার দরকার ছিল তা নিম্নরূপ:

    ক. সম্রাট আকবর তার রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে হিজরী সনকে পরিবর্তন করে বর্তমান প্রচলিত বাংলা সন চালু করেছে। একজন মুসলিমের এ কথা জানা থাকার কথা যে, ইসলামে বাইতুল মালের সকল আয় ব্যয়ের হিসাব হিজরী সনের সাথে জড়িত। এর ব্যতিক্রম করার কোন সুযোগ নেই। বৈধও নয়। আর আকবর যে কেমন মুসলিম ছিল তা কে না জানে? তার মুসলিম নামটি ছাড়া ইসলামের সাথে তার যে নূন্যতম কোন সম্পর্কও ছিল না, তা কারোরই অজানা নয়।

    খ. নববর্ষ উদযাপন, বর্ষবরণ, বর্ষবরণ উপলক্ষে উৎসবের আয়োজন এ সবই ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটা কখনো মুসলমানের ঐতিহ্য হতে পারে না।

    গ. কোন বৈধ উৎসবও যখন কুফর-শিরক কিংবা কবিরা গুনাহতে ভরে যায় তখন সেই উৎসব আর মুসলমানদের উৎসব থাকে না। পহেলা বৈশাখের এ উৎসব তো কখনোই বৈধ ছিল না। অতএব এটি মুসলমাদনের উৎসব হওয়ার প্রশ্নই আসে না।



    আমাদের পহেলা বৈশাখ কি ভিন্ন কিছু্র নাম?

    পহেলা বৈশাখের প্রেক্ষাপট, অনুশীলনের পদ্ধতি, উদযাপনের আকৃতি, এর সঙ্গে জড়িত বিশ্বাস -এর যত বিবরণ আমরা এ পর্যন্ত পেশ করলাম তার প্রত্যেকটি শিরক-কুফর ও কবিরা গুনাহে ঘেরা। এ ক্ষেত্রে অতীত ও বর্তমান সমান। কোন তারতম্য নেই।

    তাহলে আমাদের মধ্যে যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করেও এ দিবসটির পক্ষে কথা বলে এবং দিবসটি উদযাপন করে, তাদের পহেলা বৈশাখ কি ভিন্ন কিছুর নাম? তাদের পহেলা বৈশাখ শিরকমুক্ত কীভাবে? যে জিনিসটি জন্মসূত্রেই অপবিত্র, তা পবিত্র হবে কীভাবে?

    যারা বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখে তাদের কাছে কেন বিষয়টি এত হালকা তা আমাদের বোধগম্য নয়। শিরকি কর্মকান্ডকে শিরক বলা, কুফরি কার্যকলাপকে কুফর বলা বাড়াবাড়ি করা নয়। বরং এটিই মধ্যপন্থা। ইসলামে শিরক-কুফরের পরিচয় পরিস্কার। তাতে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা নেই। সাধারণ মুসলমানদের সামনে প্রতিটি বিষয়কে পরিষ্কার করে দেয়া আলেম উলামাদের কর্তব্য। এ জন্যই হক্কানী উলামায়ে কেরাম এ বিষয়ে আগেও বলেছেন, এখনো বলছেন, সামনেও বলবেন ইনশাআল্লাহ



    পহেলা বৈশাখের শিরকী কর্মকাণ্ডের তালিকা

    ১. পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে পুতুল, লক্ষীপেঁচা, কুমির, হাতীর মূর্তি প্রদর্শন করে এসবের মাধ্যমে শান্তি কামনা ও অশুভ শক্তির অপসারণ কামনা। যা বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত।

    ২. পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রমনাবটমূলে সম্মিলিতভাবে ভোরের সূর্যকে অভিবাদন।

    ৩. পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে বউমেলায় শিবের উপাসনা।

    ৪. পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে হালখাতার মাধ্যমে মঙ্গলদাত্রী লক্ষী ও সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজা।

    ৫. মুশরিকদের শিরকগাঁথা কীর্তন অনুষ্ঠান

    ৬. কালিঘাট মন্দিরে উপস্থিতি এবং দেবীর কাছে আরাধনা।



    বাঙালিধর্ম : আমাদের করণীয়

    সর্বশেষ কথা হচ্ছে, পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বাঙালি জাতির একটি আত্মিক ও আধ্যত্মিক দিবস। যে দিবসে এ জাতি তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান করে থাকে। সেসব আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী নিজেদেরকে পাপ-পঙ্কিলমুক্ত করার চেষ্টা করে। অশুভ শক্তিকে অপসারণ করে শুভশক্তিকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে থাকে। পহেলা বৈশাখে উদিত সূর্যকে তারা তাদের পুরা বছরের ত্রাণকর্তা মনে করে তাকে আশীর্বাদ জানায়।

    বাঙালি জাতির এ দিবস উদযাপনের মাঝে রয়েছে নানান কুফর ও শিরক। কিছু রয়েছে কবিরা গুনাহ।

    তাওহীদে বিশ্বাসী কোনো মুমিন কিছুতেই এ ধরনের শিরকি দিবস উদযাপন করতে পারে না, অংশগ্রহণ করতে পারে না, এ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারে না, উপহার আদান-প্রদান করতে পারে না।



    বাংলাদেশি হওয়া আমাদের নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের অংশ হতে পারে; কিন্তু বাঙালিত্ব কখনোই আমাদের জাতীয়তার অংশ নয়। আমরা মুসলিমরা ইসলামি জাতীয়তায় বিশ্বাসী; বাঙালি জাতীয়তায় নয়। এটা সম্পূর্ণ ‘আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা’র আকিদার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। উপরন্তু কেউ যদি মনে করে, বাঙালি হওয়ার পর সে আর আল্লাহর বিধানের অধীনে থাকা জরুরী নয়, এমন ব্যক্তি বাঙালি হতে পারে। মুসলমান নয়। কেউ যদি মনে করে, বাঙালি হতে গেলে যদি আল্লাহর বিধানকে কুরবান করতে হয় তাও সে করবে, তাহলে সে বাঙালি হতে পারবে, মুসলমান হতে পারবে না। কেউ যদি মনে করে, বাঙালি হিসাবে পূর্ণ পরিচয় দেয়ার পর এবং বাঙালি রীতির সবটুকু পালন করার পর আল্লাহর বিধান যতটুকু রক্ষা করা যায় করব, তাহলেও সে বাঙালি হতে পারবে, মুসলিম ও মুমিন হতে পারবে না।

    বিষয়গুলো পানির মতো পরিষ্কার। কোনও অস্পষ্টতা নেই।

    পহেলা বৈশাখ এবং পহেলা বৈশাখের মত মানুষকর্তৃক আবিষ্কৃত সব ধরনের রীতি-নীতির ক্ষেত্রে মুমিন মুসলিমদের করণীয় হচ্ছে, তারা প্রতিটি ক্ষেত্রে শরীয়তকে জিজ্ঞেস করে পা রাখবে। শরীয়তের অনুমোদনের বাইরে এক বিন্দুও তার নড়াচড়ার অনুমতি নেই। সে সব কিছু কুরবান করে দিতে পারবে। কিন্তু শরীয়তের এক বিন্দুও কুরবান করতে পারবে না। এমন বাংলাদেশি সে হতে পারবে না, যে বাংলাদেশি হতে গেলে সে মুসলিম থাকতে পারবে না। সে ততটুকুই বাংলাদেশি হতে পারবে যতটুকু বাংলাদেশি হলে তার ঈমান হারাতে হয় না। বাংলাদেশি হিসাবে ততটুকু পরিচয়ই সে বহন করতে পারবে যতটুকু তার ঈমানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।



    সবশেষ দোয়া করি, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এবং আমাদের সকল মুসলিম ভাই বোনদেরকে সব ধরনের কুফর-শিরক ও কুসংস্কার থেকে হেফাযত করুন এবং মৃত্যু পর্যন্ত বিশুদ্ধ ঈমানের উপর অবিচল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।


    সমাপ্ত

    ✍️
    Collected‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬​

    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

  • #2
    পহেলা বৈশাখ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ : চেতনার শিরোনামে শিরকের অবাধ চর্চা || ১ম পর্ব || শায়খ ফজলুর রহমান কাসেমি হাফিজাহুল্লাহ


    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

    Comment


    • #3
      ১৫. সায়ীদ আবু বকর নামে দৈনিক ইনকিলাবের একজন লেখক খুব গর্বের সাথে লিখেছেন-

      পহেলা বৈশাখ এখন বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাংলার মুসলমান-হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধকে এক মঞ্চে আনার শাশ্বত কোন উৎসব যদি থেকেই থাকে বাঙালির, তা এই পহেলা বৈশাখ।

      শরয়ী মূল্যায়ন: যে দরজা দিয়ে এ লেখকের গর্বের জোয়ার ধেয়ে আসছে, মূলত সে দরজা দিয়েই মুমিনের ঈমান ও তাওহীদের বিশ্বাস বের হয়ে গেছে। আল্লাহর বন্ধু মুসলমান ও আল্লাহর দুশমন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান এক মঞ্চে মঞ্চস্থ হওয়ার কোন ধারণা আল্লাহর দেয়া বিধানে নেই। এটা তখন সম্ভব যখন কোন মুসলমান তার ঈমানের গণ্ডিকে ত্যাগ করবে।


      তৌহিদ, ঈমান, আকিদা হেফাজতের জন্য এগুলো বারবার পড়ার দরকার।
      এরূপ কুফর ও শিরিক থেকে দৃঢ়তার সাথে বেচে থাকার দরকার, তাহলেই তৌহিদ, ঈমান ও আকিদার হেফাজত হবে।

      হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে ইহকালে তৌহিদ, ঈমান ও আকিদার অটল রাখ।
      আর পরকালে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা কর।
      আমীন।
      Last edited by Munshi Abdur Rahman; 1 day ago.

      Comment


      • #4
        মাশাআল্লাহ !
        আবু যুবাইর ভাই! আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আপনাকে প্রতিটা সময়ে সময়োপযোগী পোস্ট প্রদানের তাওফিক দিয়ে আমাদেরকে তা দ্বারা উপকৃত করুন
        আল্লাহ আপনাকে অব্যাহত রাখুন এবং মাহদির কাফেলার সাথে মিলিত হওয়ার আগ পর্যন্ত অথবা আপনার শাহাদাতের আগ পর্যন্ত এপথে আপনাকে অটল অবিচল রাখুন, সাথে আমাদেরকেও!
        আমীন , ইয়া রাঊফু বিন্নাসি ইয়া আরহামার-রাহিমীন।
        "আমরা তাওবা করার পূর্বে মরতে চাই না এবং মৃত্যু সামনে আসার পরে তাওবা করতে চাই না"
        আবু হাযেম রহ.

        Comment

        Working...
        X