Announcement

Collapse
No announcement yet.

সিরিয়ায় ফরাসি মুহাজিরদের ওপর কী চলছে? || পর্ব-৩ (শেষ) || মূল : হামিদ আল-কৌসি || অনুবাদ : মুনশি আব্দুর রহমান

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • সিরিয়ায় ফরাসি মুহাজিরদের ওপর কী চলছে? || পর্ব-৩ (শেষ) || মূল : হামিদ আল-কৌসি || অনুবাদ : মুনশি আব্দুর রহমান



    [দ্বিতীয় পর্বের পর]

    সিরিয়ার দীর্ঘ যুদ্ধের বছরগুলোতে তার গোষ্ঠীর ভূমিকার কথা স্মরণ করতে গিয়ে ওমর ওমসেন জোর দিয়ে বলেন, সিরিয়ায় পৌঁছানোর পর থেকেই তার গোষ্ঠীর সদস্যরা একটিমাত্র পবিত্র লক্ষ্যের প্রতি সম্পূর্ণ অবিচল ছিল; আর তা হলো জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। তারা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার যেকোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে জড়ানো থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ সযত্নে বিরত রেখেছিল।

    তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের বিভীষিকাময় বছরগুলোতে সিরীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘটিত বেশ কয়েকটি সংঘাতে অংশ নিতে এই গোষ্ঠীটি সরাসরি অস্বীকৃতি জানায়। এছাড়া, আহরার আশ-শাম ও নুরুদ্দিন আল-জেনকি আন্দোলনের মতো অন্যান্য গোষ্ঠী কিংবা আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) তাদের যে নির্দেশ দিয়েছিল, তাতেও তারা বিন্দুমাত্র কান দেয়নি। স্বার্থ ও জোটের পরিবর্তনের সাথে সাথে যারা গিরগিটির মতো নিজেদের অবস্থান বদলায়, তাদের অন্ধ অনুকরণ করতে তারা কখনোই প্রস্তুত ছিলেন না বলে তিনি জোরালোভাবে উল্লেখ করেন।

    নির্বিচারে তাকফির (কাফির ফতোয়া দেওয়া) এবং সুস্পষ্ট শরিয়াহভিত্তিক প্রমাণ ছাড়া সাধারণ মুসলমানদের ওপর জোরপূর্বক বিধান চাপিয়ে দেওয়ার নীতি প্রত্যাখ্যান করার বিষয়েও তিনি গোষ্ঠীর অনড় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, সিরীয়দের কষ্ট বাড়ানো বা তাদের ওপর নতুন করে কোনো অযৌক্তিক বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া তাদের লক্ষ্য ছিল না। বরং তাদের কাঁধ থেকে জুলুমের জগদ্দল পাথর দূর করা এবং যুদ্ধের কারণে বিপর্যস্ত সমাজগুলোতে নতুন করে আশার আলো জাগানোই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

    ওমর ওমসেন অত্যন্ত আবেগের সাথে জানান, সিরীয়রা যে অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করেছে, গোষ্ঠীটির সদস্যরাও অক্ষরে অক্ষরে ঠিক একই কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছে। তারা সিরীয়দের সাথে ভয়, উদ্বেগ ও প্রাণহানির সীমাহীন বেদনা ভাগ করে নিয়েছে এবং সিরীয়দের স্বজন হারানোর বেদনায় নিজেদের নিহত ভাইদের জন্যও ঠিক একইভাবে কেঁদেছে। তবে তিনি এ কথাও পরিষ্কার করে দেন যে, এর মানে এই নয় যে তারা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে উঠে গেছেন বা শরিয়াহর কাঠামোর বাইরে চলে গেছেন। যে কেউ কোনো অপরাধ বা আইন লঙ্ঘন করলে, তার জাতীয়তা বা পরিচয় যাই হোক না কেন, তাকে অবশ্যই কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

    তিনি সগর্বে উল্লেখ করেন, বাশার আল-আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের একেবারে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গোষ্ঠীটির সদস্যরা সিরীয়দের পাশেই ছায়ার মতো ছিল। তারা স্বাধীনতা অর্জনের মরণপণ লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে এবং দীর্ঘ বছরের অবর্ণনীয় কষ্টের পর অবশেষে সরকারের পতনে সিরীয়দের সাথে বিজয়ের বাঁধভাঙা আনন্দও ভাগ করে নিয়েছে।

    ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই ভিডিওটিতে সাবেক সরকারের পতনের সময়কার চূড়ান্ত সামরিক অভিযানগুলোতে ফরাসি যোদ্ধাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়। এছাড়া লাতাকিয়া শহরে তাদের বিজয়ী বেশে প্রবেশ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর আনন্দঘন দৃশ্যও এতে দেখানো হয়।

    ওমর ওমসেন জানান, বিজয়ের ওই অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো যুদ্ধের দীর্ঘ বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে তাদের নতুন করে মূল্যায়ন করতে বাধ্য করেছিল। তারা অন্তর থেকে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, এই মহিমান্বিত বিজয়ের মূল কৃতিত্ব আসলে সিরীয়দেরই প্রাপ্য; যারা দীর্ঘ বিপ্লব ও ভয়াবহ যুদ্ধের সমস্ত ভার নীরবে বহন করেছে এবং এর পথে নিজেদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করেছে।

    তিনি আরও বলেন, ওই দৃশ্যগুলো দেখে তারা একটি মৌলিক সত্য গভীরভাবে অনুধাবন করতে সক্ষম হন। আর তা হলো, সিরিয়ার আজকের এই স্বাধীন পরিণতির পেছনে তারা কোনোভাবেই প্রধান কৃতিত্বের দাবিদার নন; বরং এই কৃতিত্ব সবার আগে সেই সাহসী সিরীয়দের, যারা বিপ্লবের একেবারে প্রথম দিন থেকেই হাসিমুখে চরম মূল্য চুকিয়ে আসছে।

    তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে সেইসব শিশুদের কথা স্মরণ করেন, যারা বিক্ষোভের একেবারে শুরুতে দেয়ালে কেবল স্লোগান লেখার অপরাধেই গ্রেপ্তার ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তিনি স্মরণ করেন বিপ্লবের প্রথম মাসগুলোতে নিহত অকুতোভয় বিক্ষোভকারীদের এবং বাশার আল-আসাদ সরকারের অন্ধকার কারাগারে নির্মম নির্যাতনের শিকার হওয়া মজলুম নারীদের। তার মতে, সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মূল্য চোকাতে এই মানুষগুলোই তাদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল।

    তিনি আরও যোগ করেন, চারদিক থেকে ধেয়ে আসা ভয়াল ধ্বংসযজ্ঞ সত্ত্বেও এই সিরীয়রাই সবার প্রথম জালিম সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। তাদের অনেকেই অস্ত্র কেনা ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার তাগিদে নিজেদের স্ত্রীদের গয়না পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিল। অন্যদিকে, যুদ্ধ ও লাগাতার বোমাবর্ষণের বছরগুলোতে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের বাঁচাতে অনেকেই হাসিমুখে নিজেদের জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েছিল।

    বিপন্ন বেসামরিক নাগরিকদের উদ্ধার এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটকে পড়াদের বের করে আনার কঠিন কাজে “ফরাসি গুরাবা যোদ্ধা” গোষ্ঠীর সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের দৃশ্যও ভিডিওটিতে প্রদর্শন করা হয়।

    ওমর ওমসেনের মতে, সিরীয়দের দীর্ঘ বছরের অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করার অনেক পরেই মূলত ফরাসি যোদ্ধারা সিরিয়ার মাটিতে পা রেখেছিল। তিনি মনে করেন, তাদের এই আগমন ছিল সিরীয় জনগণের প্রতি নিঃস্বার্থ সমর্থন ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র; বিশেষ করে যখন তাদের যন্ত্রণা ও দুর্দশা এক নজিরবিহীন ও অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

    তিনি অকপটে স্বীকার করেন, এই রক্তস্নাত গল্পের “প্রকৃত বীর” হলো সিরীয়রাই। সিরিয়ার আপামর জনগণের প্রতি এক আবেগঘন বার্তায় তিনি তাদের পূর্বসূরিদের আত্মত্যাগকে কোনোভাবেই বৃথা যেতে না দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আজ তারা যে স্বাধীন পথে হাঁটছেন, তা মূলত দীর্ঘ বছরের সংঘাতে যারা নিজেদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে পথ তৈরি করে গেছেন, তাদেরই অসামান্য অবদান।

    এই প্রেক্ষাপটেই ভিডিওটিতে সিরীয় বিপ্লব ও বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কালজয়ী প্রতীক হিসেবে বিবেচিত বেশ কয়েকজন নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু খালিদ আল-সুরি, আবু ফিরাস আল-সুরি, হাসান আব্বুদ, আবু ওমর সারাকিব, কর্নেল আবুল ফুরাত এবং আব্দুল বাসিত আস-সারুত।

    ওমর ওমসেন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, প্রকৃত একনিষ্ঠ ব্যক্তিরা সবসময় তারাই হন না, যাদের ছবি টেলিভিশন পর্দা বা সংবাদমাধ্যমে প্রতিনিয়ত ভেসে ওঠে। বরং তারাই প্রকৃত একনিষ্ঠ, যাদের নাম প্রচারের আলোর আড়ালেই চিরকাল ঢাকা পড়ে গেছে; অথচ তাদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও বুকের রক্তই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুগম পথ রচনা করে দিয়েছে।

    এসব বার্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই ভিডিওটিতে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার ওয়াশিংটন সফর ও বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের দৃশ্য দেখানো হয়; যেখানে তিনি অভাবনীয় মিডিয়া কভারেজ পাচ্ছিলেন। এর ঠিক বিপরীতে ওমর ওমসেন এমন ব্যক্তিদের কথা ব্যথিত চিত্তে তুলে ধরেন, যারা যুদ্ধের বছরগুলোতে চরম আত্মত্যাগ করা সত্ত্বেও প্রাপ্য সম্মানটুকু পাননি। তিনি মনে করেন, সিরিয়ার বর্তমান বাস্তবতায় যা ঘটছে, তা ইতিহাসের পাতায় মোটেও নতুন কিছু নয়।

    তিনি সিরীয়দের প্রতি সরাসরি এক বার্তায় আকুল আহ্বান জানান, তারা যেন কোনো মূল্যেই শহীদদের পবিত্র রক্ত বৃথা যেতে না দেয়। বিপ্লব ও যুদ্ধের বছরগুলোতে দেওয়া এই অসামান্য আত্মত্যাগের বিনিময়ে অন্য কোনো অপশক্তিকে যেন তারা দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ছিনিমিনি খেলার সুযোগ না দেয়।

    ভিডিওটিতে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার সাক্ষাতের একটি অংশও তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি প্রাসঙ্গিক বক্তব্যও প্রচার করা হয়; যেখানে তিনি সিরিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি এবং দ্রুজ সম্প্রদায় সংক্রান্ত স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে কথা বলেছিলেন।

    ভিডিওটিতে ইসরায়েলের চরমপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী “ইতামার বেন-গ্যভির”-এর বক্তব্যের কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়; যেখানে তিনি সিরীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়া দামেস্কে সিরীয় সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ ভবনে ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলার দৃশ্যও এতে প্রদর্শন করা হয়।

    ওমর ওমসেন অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, এসব বিদেশি হুমকিকে হেলায় উপেক্ষা করা হলে তা পরিস্থিতিকে আরও চরম অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। তিনি সিরীয়দের সতর্ক করে বলেন, বিদেশি চাপ ও নগ্ন হস্তক্ষেপের মুখে আজ নীরবতা পালন করলে, তা ভবিষ্যতে সমগ্র জাতির জন্য আরও ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

    ভিডিওটিতে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের একটি বক্তব্যও তুলে ধরা হয়। সেখানে তিনি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বাইরে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলেও ইসরায়েলের আধিপত্য বিস্তারের এক আগ্রাসী রূপকল্প নিয়ে কথা বলেছিলেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় ভিডিওটিতে গাজা উপত্যকায় চলমান অসম যুদ্ধ এবং এর ফলে সৃষ্ট ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, চরম মানবিক সংকট ও ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র দেখানো হয়। জুলুমকে কোনোভাবেই উপেক্ষা না করার প্রয়োজনীয়তার কথা বোঝাতে গিয়েই তিনি এসব মর্মস্পর্শী দৃশ্যকে বাস্তব উদাহরণ হিসেবে টেনেছেন।

    সিরীয়দের উদ্দেশে ওমর ওমসেন বলেন, যুদ্ধ ও দুর্দশার নিষ্ঠুর জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে তারা যে বছরগুলো পার করেছেন, তা তাদের আজীবন স্মরণ রাখা উচিত। তাদের আরও মনে রাখা উচিত, চরম বিপদের দিনে কীভাবে বিভিন্ন দেশ থেকে ছুটে আসা বিদেশি যোদ্ধারা তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মরণপণ লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল এবং অকাতরে তাদের সমর্থন ও সহায়তা জুগিয়েছিল।

    সিরিয়ার যুদ্ধে বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর হয়ে লড়াই করা আরব ও বিদেশি যোদ্ধাদের দৃশ্যও ভিডিওটিতে সযত্নে তুলে ধরা হয়। এতে জোর দিয়ে বলা হয়, এই যোদ্ধারা নিজেদের প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে যোগ দিয়েছিল কেবল মজলুম সিরীয়দের সাহায্য করার একান্ত ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই।

    ভিডিওটির একেবারে শেষাংশে ওমর ওমসেন সিরীয়দের প্রতি এক আবেগপূর্ণ আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুদ্ধের দুঃসহ বছরগুলোতে যেসব ব্যক্তি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে নিঃস্বার্থ লড়াই করেছে, তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, তাদের ওপর নিপীড়ন চালানো বা তাদের কারও হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগ যেন তারা কখনোই কাউকে না দেয়। সবার চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই বিপজ্জনক ও বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেন।

    ভিডিওটিতে সিরীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার হওয়া বেশ কয়েকজনের ছবিও প্রদর্শন করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক বিলাল আব্দুল কারিম, আবু শুয়াইব আল-মাসরি, আবু ইয়াহিয়া আল-জাজাইরি এবং হামজা আল-মালয়েজি।

    অবশেষে “নিষিদ্ধ জোট” (التحالف المحرم) শিরোনামে খুব শিগগিরই এর দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশের ঘোষণার মধ্য দিয়েই ভিডিওটির প্রথম পর্বের পরিসমাপ্তি টানা হয়।

    *****
    সমাপ্ত আলহামদু লিল্লাহ...

    সতর্কবার্তা: এই লেখাটি মূলত আপনাদের তথ্যগত অবগতির উদ্দেশ্যে অনুবাদ করা হলো। সুতরাং, এখানে প্রদত্ত বিষয়গুলোকে চূড়ান্ত বা অকাট্য প্রমাণ হিসেবে ধরে না নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, রচনায় উপস্থাপিত যাবতীয় চিন্তাধারা ও বক্তব্যের দায়ভার একান্তই মূল লেখকের নিজস্ব। তাঁর সকল মতাদর্শ বা বিশ্লেষণের সাথে আমাদের পুরোপুরি মতৈক্য থাকতে হবে—এমনটি কোনোভাবেই অপরিহার্য নয়। তাদের চিন্তাধারা আমাদের জানা দরকার, আর মূলত এ কারণেই আমাদের এই আর্টিকেল অনুবাদ করা হয়েছে। -অনুবাদক
    “ধৈর্যশীল, সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।”
    -শাইখ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

  • #2
    সিরিয়ায় ফরাসি মুহাজিরদের ওপর কী চলছে? || পর্ব-১ || মূল : হামিদ আল-কৌসি || অনুবাদ : মুনশি আব্দুর রহমান
    https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...A6%BE%E0%A6%A8

    সিরিয়ায় ফরাসি মুহাজিরদের ওপর কী চলছে? || পর্ব-২ || মূল : হামিদ আল-কৌসি || অনুবাদ : মুনশি আব্দুর রহমান
    https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...A6%BE%E0%A6%A8

    “ধৈর্যশীল, সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।”
    -শাইখ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    Comment


    • #3
      আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে সত্য ও ন্যায়ের ওপর অবিচল থাকার, সকল প্রকার অন্যায়-অবিচার থেকে বেঁচে থাকার এবং সর্বাবস্থায় তাঁর সন্তুষ্টির পথে চলার তাওফীক দান করুন। আমীন।

      Comment

      Working...
      X