Announcement

Collapse
No announcement yet.

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ জাতিসংঘের সামান্য এক ঝলক

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ জাতিসংঘের সামান্য এক ঝলক



    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর (UN Peacekeepers) সৈন্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতনের অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য প্রেরিত এই বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে চরম সংকটে থাকা নারী ও শিশুদের যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।


    প্রধান ভুক্তভোগী অঞ্চল ও মিশনসমূহ

    গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (DRC):
    ১৯৯০-এর দশক থেকে শুরু করে বিগত বছরগুলোতে এই দেশে নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে শত শত ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক (CAR): ২০১৪-২০১৫ সাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়েও এখানকার পথশিশু এবং অল্পবয়সী মেয়েদের ধর্ষণের মারাত্মক সব অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।

    হাইতি: হাইতিতে নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় নারীদের গর্ভবতী করে ফেলে যাওয়ার (ফাদারলেস চিলড্রেন) অসংখ্য নজির রয়েছে।

    অন্যান্য দেশ: সুদান, দক্ষিণ সুদান, লেবানন, কম্বোডিয়া এবং বসনিয়াতেও বিভিন্ন সময়ে জাতিসংঘ সৈন্যদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে।


    কাঠামোগত সমস্যা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি:

    ১. আইনি দায়মুক্তি (Immunity): জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী শান্তিরক্ষীরা যে দেশে দায়িত্ব পালন করছেন, সেখানকার স্থানীয় আইন বা আদালতের মুখোমুখি হন না।

    ২. নিজ দেশের ওপর নির্ভরশীলতা: কোনো সৈন্য অপরাধ করলে জাতিসংঘ তাকে সর্বোচ্চ নিজ দেশে ফেরত (Repatriation) পাঠাতে পারে। এরপর বিচার করার মূল দায়িত্ব থাকে সৈন্য প্রদানকারী দেশের (Troop-Contributing Country) ওপর।

    ৩. বিচারের অভাব: বেশিরভাগ দেশ তাদের অভিযুক্ত সৈন্যদের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক বা বেসামরিক আইনি পদক্ষেপ নেয় না, যা অপরাধীদের পার পেয়ে যেতে সাহায্য করে।

    ৪. ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা: চরম দারিদ্র্য ও যুদ্ধের কারণে স্থানীয় মানুষ খাবার, আশ্রয় বা সামান্য সাহায্যের বিনিময়ে শান্তিরক্ষীদের মাধ্যমে যৌন শোষণের শিকার হন।


    (লেখাটি গুগল থেকে প্রাপ্ত ওপেন সোর্স থেকে গৃহীত)​
    বছর ফুরিয়ে যাবে এতো রিসোর্স আছে gazwah.net সাইটে

  • #2
    বাংলাদেশ থেকেও তো অনেক আর্মি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে বিভিন্ন দেশে যায়, তাহলে কি তারাও...?
    Sabbir Ahmed
    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

    Comment


    • #3
      জাতিসংঘের​ নামে​ এমন নির্মম​​​ সত্যাচারের তীব্র স্তুতি​ জানাচ্ছি​!​

      বাংলাদেশে দিন দিন AQIS (AL Qaedah in Subcontinent) শক্তিশালী হচ্ছে, জাতিসংঘ কতৃক এমন প্রতিবেদন বের করার পর​পরই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে​​ পরিচিত​ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ​অর্থের বিনিময়ে জীবন বাজি রাখা অকুতোভয়​ কতিপয় বাহাদুরদের বীরত্বগাথা​ পুরাতন আমলনামা সামনে আনলেন! মূলত এগুলোর মাধ্যমে বাংলা ভাষা-ভাষী মুসলিমদের আপনি Sabbir Ahmed কী​ মেসেজ দিতে চান? সেটা যদি একটু ক্লিয়ার করতেন.....?!
      ৩৩ : ২৩

      Comment


      • #4


        জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী: ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত একটি কুফফার বাহিনী || Ummah News
        - https://dawahilallah.com/forum/জিহাদি-প্রকাশনা/অডিও-ও-ভিডিও/15148

        Ummah News || Exclusive: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নাকি ধর্ষণবাহিনী!?
        - https://dawahilallah.com/forum/জিহাদি-প্রকাশনা/অডিও-ও-ভিডিও/21311
        ---
        --
        -
        বছর ফুরিয়ে যাবে এতো রিসোর্স আছে gazwah.net সাইটে

        Comment


        • #5
          এরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী নয়: এরা মূলত অশান্তি সৃষ্টিকারী বাহিনী।

          রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
          الكفر ملة واحدة
          সমস্ত কাফের এক জাতি ।


          জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী: ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত একটি কুফফার বাহিনী​
          Last edited by Rakibul Hassan; 2 days ago.

          Comment


          • #6
            জাতিসংঘের গোয়েন্দারা উঠে পড়ে লেগে আছে আল কায়েদার উপর।তাদের মূলত নতুন চাল মুসলিম দেশ ধ্বংস করার।জাতিসংঘ কখনো মানবতা দেখাতে পারে না।
            বসনিয়ায় জাতিসংঘ কি উপকার করল?
            মিয়ানমারে জাতিসংঘ কি করেছে?
            কাস্মিরে জাতিসংঘ কি কাজ করেছে?

            Comment

            Working...
            X