Announcement

Collapse
No announcement yet.

"গণতান্ত্রিক ইসলাম একটি পশ্চিমা এজেন্ডা"

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • "গণতান্ত্রিক ইসলাম একটি পশ্চিমা এজেন্ডা"

    "গণতান্ত্রিক ইসলাম একটি পশ্চিমা এজেন্ডা"

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সন বলেছিলেন যে, "আমেরিকার পক্ষ থেকে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য একটি বার্তা, আর এটার জন্যই সে লড়াই করে ; তার একটা হলো: গণতন্ত্র আর অন্যটি হলো : পুঁজিবাদ(সুদি ব্যবস্থাপনা)।"
    গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার মাধ্যমে আমেরিকা তার সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন অবিচল রেখেছেন। ইসলামী শাসন ব্যবস্থা বিলুপ্তির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু তাদের কৌশলগত শাসন নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনার অংশ।সারাবিশ্বে মুসলিম উম্মাহ যখন নির্যাতিত, নিপিড়ীত এমনি এক ক্লান্তিলগ্নে উম্মাহর মুষ্টিমেয় একটি দল যখন আল্লাহর পথে জিহাদ শুরু করলো তখন সারাবিশ্বের কাফেররা শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে মুসলমানদের মধ্যে গণতনন্ত্রের ফেরি আরম্ভ করলো ও চোখ রাঙানো শুরু করলো। গণতন্ত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে গেছে৷ পুঁজিবাদী শানব্যস্থার লাশেও পচন ধরেছে।



    بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
    وَإِن تُطِع أَكثَرَ مَن فِي الأَرضِ يُضِلّوكَ عَن سَبيلِ اللَّهِ إِن يَتَّبِعونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِن هُم إِلّا يَخرُصونَ


    অর্থ: আর যদি তুমি যারা যমীনে আছে তাদের অধিকাংশের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। তারা শুধু ধারণারই অনুসরণ করে এবং তারা শুধু অনুমানই করে।-[৬:১১৬] আল আনআম।

    মহান রাব্বুল ইজ্জত পবিত্র কুরআনের অন্যত্র ইরশাদ করেন,
    وَلا يَزالونَ يُقاتِلونَكُم حَتّى يَرُدّوكُم عَن دينِكُم إِنِ استَطاعوا
    আর তারা তোমাদের সাথে লড়াই করতে থাকবে, যতক্ষণ না তোমাদেরকে তোমাদের দীন থেকে ফিরিয়ে দেয়, যদি তারা সক্ষম হয়।_ [২:২১৭] আল বাকারা।

    পশ্চিমা বিশ্ব ইসলাম কে কখনো বিজয়ী দেখতে চায় না। ইসলামের জাগরণ কে যেকোন মূল্যে ঠেকাতে মরিয়া সর্বদা। র‍্যান্ড কর্পোরেশন এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা ইসলামের জাগরণ কে ঠেকাতে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে কাজ করছে।

    র‍্যান্ড কর্পোরেশনঃ একটি আমেরিকান থিংক ট্যাংক। আমেরিকান প্রসাশনের অধিকাংশ পলিসি এই প্রতিষ্ঠানের পরামর্শের অধীনে বাস্তবায়ন হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পর তাদের সব থেকে বড় টার্গেট ছিলো মুসলিম বিশ্বের স্বাধীনতা লাভে বাধা হয়ে দাঁড়ানো এবং সে স্থানে নিজেদের প্রভু দীনের দুশমন শ্রেনীর লোকদের সে স্থানে রাখা। তারা ২০০৫ সালে civil democratic Islam নামে একটি বই বের করেন। যেখানে উল্লেখ ছিল তাদের অভিলাষ অনুযায়ী সনাতন ইসলাম কে "গণতান্ত্রিক ইসলামে" পরিণত করতে হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ইসলামের ব্যাপারে তিনটি লক্ষ্য রয়েছে।
    প্রথমত,তারা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর বিস্তার রোধ করতে।
    দ্বিতীয়ত, এ কাজ করতে গিয়ে যেন এমন ধারণা তৈরি না হয় যে যুক্তরাষ্ট্র “ইসলামের বিরোধী।”
    এবং তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদে তাদের অবশ্যই এমন উপায় খুঁজে বের করতে হবে যার মাধ্যমে ইসলামী জিহাদের পেছনে থাকা গভীরতর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণগুলো সমাধান করা যায় এবং উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিকরণের দিকে অগ্রসর হওয়া উৎসাহিত করা যায়।

    আমেরিকার র‍্যান্ড কর্পোরেশন ইসলামকে চারটি ভাগে ভাগ করেছেন।
    Fundamentalists (মৌলবাদী): তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সমসাময়িক পাশ্চাত্য সংস্কৃতি প্রত্যাখ্যান করে। তারা একটি কর্তৃত্ববাদী, কঠোর (puritanical) রাষ্ট্র গঠন করতে চায়, যেখানে তাদের শরিয়া ভিত্তিক ইসলামী আইন ও নৈতিকতা কার্যকর হবে। লক্ষ্য অর্জনে তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ব্যবহার করতে রাজি।ধর্মই রাষ্ট্র চালাবে ।

    Traditionalists (প্রথাবাদী): তারা রক্ষণশীল সমাজ চায়। আধুনিকতা, উদ্ভাবন ও পরিবর্তনের প্রতি সন্দিহান।ধর্মকেন্দ্রিক সমাজ চাই, তবে জিহাদ নয়।

    Modernists (আধুনিকতাবাদী): তারা চায় ইসলামি বিশ্ব বৈশ্বিক আধুনিকতার অংশ হোক। ইসলামকে যুগোপযোগী করার জন্য সংস্কার ও আধুনিকায়নের পক্ষে।ধর্ম ও রাষ্ট্র একসাথে থাকতে পারে, তবে সংস্কারকৃত রূপে ।

    Secularists (ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী): তারা চায় ইসলামি বিশ্ব পশ্চিমা শিল্পোন্নত গণতন্ত্রগুলোর মতো ধর্ম ও রাষ্ট্রকে আলাদা করে গ্রহণ করুক। ধর্মকে শুধু ব্যক্তিগত জীবনে সীমাবদ্ধ রাখার পক্ষে।যেমন: কামাল আতাতুর্কের তুরস্ক, আরব বিশ্বের কিছু বামপন্থী বা লিবারেল দল।
    আমেরিকার কাছে সেকুলারিস্ট ও মর্ডানিস্ট ইসলামের কদর বেশি। কারণ ইসলামকে আধুনিকায়ন ও রাষ্ট্র থেকে ধর্ম কে আলাদা করতে পারলে তাদের অভিলাষ অনুযায়ী তারা পৃথিবীতে এক অআধিপত্য বিস্তার করে যাবে।

    আমেরিকা সনাতন ইসলাম কে গণতান্ত্রিক ইসলামে রুপ দিতে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে :-

    ১. “Islamic Renewal” বা ইসলামী পুনরুজ্জীবন (Islamic Renewal) সমর্থন
    আমেরিকার কিছু নীতি-নলেজ বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং নানান বেসরকারি ও সরকারি প্রোগ্রাম মুসলিম সমাজে “পুনরুজ্জীবন” বা সংস্কার (reform) প্রচারে কাজ করেছে। এতে রয়েছে ইসলামের ঐতিহ্য, “ইজতিহাদ” ও মানবাধিকার, সমতা, স্বাধীন চিন্তা, নাগরিক অধিকার ইত্যাদির দিকটি গুরুত্ব দেওয়া।

    ২. গণতন্ত্র এবং‐মানবাধিকারের জন্য অর্থ‐সহায়তা ও প্রকল্প।
    সংস্থাগুলো যেমন USAID, ও অন্যান্য বেসরকারি‐সরকারি গ্রান্ট প্রকল্পগুলি যেসব দেশে মুসলিম সংখ্যালঘু বা মুসলিম‐ভিত্তিক জনগোষ্ঠী আছে, সেখানে “গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান”, “স্বাধীন বিচারব্যবস্থা”, “মিডিয়া স্বাধীনতা”, “নাগরিক সমাজ গঠন” ইত্যাদিতে সহায়তা করা।

    “Presidential Initiative for Democratic Renewal” নামে একটি উদ্যোগ, যেখানে বৈশ্বিকভাবে মানুষ‐ভিত্তিক সরকার, স্বচ্ছতা, বিচার‐অধিকার, অধিকার প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন‐স্বাধীনতা ইত্যাদি ক্ষেত্রগুলিতে অর্থায়ন ও নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।
    ৩. সাংবাদিকতা ও তথ্যপ্রবাহঃ স্বাধীন মিডিয়া, ডিজিটাল স্বাধীনতা

    তথ্য ও সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন রাখতে এবং সরকারের অপকরণ, দমনপীড়ন বা কট্টরপন্থী মতবাদের বিপক্ষে সাংবাদিক ও মিডিয়াকে সাপোর্ট করা।
    ইন্টারনেট ফ্রিডম, সাইবার‐সেন্সরশিপ কমাতে প্রযুক্তি‐মাধ্যমে সাহায্য করা; এ ধরনের উদ্যোগ রয়েছে যেন মানুষ “বিচ্ছিন্ন” বা “দমিয়ে রাখা” সমাজে থেকেও তথ্য ও মত প্রকাশ পায়।
    ৪. বিভিন্ন থিঙ্কট্যাঙ্ক এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ন্যারেটিভ তৈরি

    যেমন “Rethinking Political Islam” প্রভৃতি প্রকল্প যেখানে রাজনৈতিক ইসলাম, ইসলামী দল‐সংগঠন‐শাসনগুলি কীভাবে কাজ করছে, তখনকার গতিবিধি, সমস্যা ও কৌশল ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করা হয়।

    ইসলামী চিন্তা‐গবেষণা প্রতিষ্ঠান (যেমন IIIT — International Institute of Islamic Thought) যারা ইসলামের তত্ত্ব এবং অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও আধুনিকতার সঙ্গে ইসলামী ঐতিহ্য মিলিয়ে কাজ করা নিয়ে পাশাপাশি রয়েছে।


    গণতান্ত্রিক ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহকে জিহাদ বিমুখ করে রাখা তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।তাদের অনুগত শাসককে ক্ষমতায় বসিয়ে রাখার মাধ্যমে ধোঁকার সাগরে নিমজ্জিত করে রাখতে চায় চিরকাল।
    গণতান্ত্রিক ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কার্যত ইসলামী শরিয়া ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেওয়া হবে। সুতরাং শরিয়া ব্যবস্থা পুনঃরুদ্ধার এবং ইসলামকে পুনুজ্জীবিত করার একমাত্র উপায় গণতন্ত্র পরিহার করা।
    যতদিন মুসলিমরা গণতান্ত্রিক ইসলামের দিকে ছুটবে ততদিন তারা পশ্চিমা দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে পারবে না। পশ্চিমা দাসত্ব থেকে মুক্তির একমাত্র পথ জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ।
    ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত:রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
    «مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ»
    “যে কোনো জাতির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।”
    -(আবু দাউদ, হাদীস: 4031; ইমাম আহমাদ; সহীহ আল-আলবানি)
    আল্লাহ তায়ালা বলেন,
    إِنِ الحُكمُ إِلّا لِلَّهِ
    অর্থ: আদেশ ও আইন একমাত্র আল্লাহরই চলবে।[১২:৬৭] সুরা ইউসুফ।

    গণতন্ত্র ইসলামে হারাম। গণতন্ত্র একটি অসাড়, বস্তুগত মানবরচিত ধর্ম। যা পরকালে কোন কল্যাণ সাধন করতে পারবে না।কস্মিনকালেও গণতন্ত্র দিয়ে ইসলামি খিলাফত কায়েম করা সম্ভব না। কোন রাষ্ট্র গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম করতে পারেনি, পারবে না ইনশাআল্লাহ।[কুরআনে বর্ণিত এই সত্যের বাস্তব চিত্র প্রত্যেক যুগে লক্ষ্য করা যেতে পারে। অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন, {وَمَا أَكْثَرُ النَّاسِ وَلَوْ حَرَصْتَ بِمُؤْمِنِينَ} অর্থাৎ, তোমার আগ্রহ সত্ত্বেও অধিকাংশ লোক বিশ্বাসী নয়। (সূরা ইউসুফ ১২:১০৩) এ থেকে জানা গেল যে, ন্যায় ও সত্য পথের পথিকদের সংখ্যা সব সময় কমই হয়। আর এ থেকে এটাও সাব্যস্ত হয় যে, হক ও বাতিলের মাপকাঠি হল দলীল ও প্রমাণাদি, অনুসারীদের সংখ্যায় বেশী হওয়া অথবা কম হওয়া এর মাপকাঠি নয়। অর্থাৎ, এমন নয় যে, যে কথাটা অধিকাংশ মানুষ অবলম্বন করেছে, সেটাই হক এবং যেটা অল্প সংখ্যক লোক অবলম্বন করেছে, সেটা বাতিল। বরং উল্লেখিত ঐ কুরআনী তত্ত্ব ও বাস্তবতার ভিত্তিতে এটাই বেশী সম্ভবপর যে, হকপন্থীরা সংখ্যালঘু এবং বাতিলপন্থীরা সংখ্যাগুরু হবে। আর এর সমর্থন সেই হাদীস থেকেও হয়, যাতে নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, "আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হয়ে যাবে এবং এর মধ্য থেকে কেবল একটি দল জান্নাতী হবে, অবশিষ্টরা হবে জাহান্নামী। আর এই জান্নাতী দলের নিদর্শন সম্পর্কে তিনি (সাঃ) বলেছেন, (مَا أَنَا عَلَيْهِ وَأَصْحَابِي) যারা আমার ও আমার সাহাবার তরীকার উপর কায়েম থাকবে।" (আবূ দাউদঃ সুন্নাহ অধ্যায়, তিরমিযীঃ ঈমান অধ্যায়)
    এ আয়াত থেকে সুস্পষ্ট ভাবে বোঝা যায় গণতন্ত্র ইসলামে হারাম। কারণ গণতন্ত্র অধিকাংশের রায়ের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। “যেমন মদকে ইসলামিক নাম দিয়ে ‘ইসলামিক মদ’ বলা হলেও তা কখনো হালাল হয়ে যায় না; তেমনি গণতন্ত্রকে ইসলামিক গণতন্ত্র নামকরণ করলেও তা ইসলামসম্মত হয়ে যাবে না।”

    হে আল্লাহ! আপনি আমাদের বিজাতীয় অনুকরণে গণতান্ত্রিক ইসলাম থেকে হিফাজত করুন। দীনের সঠিক বুঝ দান করুন। (আমিন)



  • #2
    মাশাআল্লাহ ভাই, সুন্দর লিখেছেন। আল্লাহ্‌ তাআলা আপনার ইলম ও হায়াতে বারাকাহ দান করুন। আপনার লিখনিকে কবুল করুন। আমীন

    "গণতান্ত্রিক ইসলাম একটি পশ্চিমা এজেন্ডা"
    আমার মতে, মুসলিমরা যে নানাভাগে বিভক্ত, পশ্চিমারা এটাকেই ৪টা ভাগ করেছে। এগুলোর কোন কোন ধারার পিছে পশ্চিমা প্রভাব আছে, কিন্তু এই ধারাগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তৈরি হয়েছে বলে মনে করি। এমনকি গণতান্ত্রিক যে ধারা আছে, সেটাও কারো কারো ভুল ইজতিহাদের ফল (আওয়ামীলীগ বা বিএনপির মত দল আমার উদ্দেশ্য না)।
    তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে যারা দ্বীন কায়েমের স্বপ্নে বিভোর, তারা ভুল ধারণার উপর আছে। তবে তাদের বেশিরভাগই পশ্চিমা বিধ্বংসী এজেন্ডা নিয়ে সচেতন নয় বলা যায়। আমরা যদি তাদের পশ্চিমা এজেন্ডার ধারক বাহক মনে করি, তবে সেটা ভুল হবে বলেই আমি মনে করি।
    বছর ফুরিয়ে যাবে এতো রিসোর্স আছে https://gazwah.net সাইটে

    Comment

    Working...
    X