Announcement

Collapse
No announcement yet.

গেরিলা জিহাদ কি দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায়?

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • গেরিলা জিহাদ কি দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায়?



    গেরিলা জিহাদ কি দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায়? - এ ব্যাপারে জানতে চাচ্ছি।
    রাশিয়া, চায়না, ইরানসহ অনেক দেশে বিপ্লবের মাধ্যমে শাসন ক্ষমতা পূর্ণ উলট-পালট হয়েছে, এবং বিপ্লবী পন্থায় গণতন্ত্রের মতো শরয়ী কোন ইস্যু নাই।
    বিপ্লবের মাধ্যমে দ্বীন কায়েমের চেষ্টা কি কোন ভাবে শরিয়ার খেলাফ হবে? আলেম ভাইদের কাছে জানতে চাই।
    তাহলে আমরা বাংলাদেশে বিপ্লবের জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত না? বিপ্লবের এক পর্যায়ে হয়তো গেরিলা জিহাদ দরকার হতে পারে - সেটি বুঝতে পারছি।

    বিস্তারিত কারণ বা যুক্তিগুলো জানতে চাচ্ছি।​
    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 3 days ago.

  • #2
    এই বিষয়ে জানতে আগ্রহী৷ বিশেষজ্ঞ ভাইয়েরা উত্তর দিলে ভালো হয় ইনশা আল্লাহ৷ সম্প্রতি কিছু ভাইয়েরাও তানযীমের দিকে নানান অভিযোগ উত্থাপন করেছেন এই বিষয়ে, আশা করি ভাইয়েদের নজরে এসেছে৷ অনেক ভাইয়েরা বিষয়গুলোতে বিভ্রান্তিতে রয়েছেন৷ ক্ল্যারিফিকেশান আসা জরুরী।

    Comment


    • #3
      নিচের আর্টিকেলগুলো থেকে উপকৃত হতে পারেন ভাই ইনশাআল্লাহ

      দ্বীন কায়েমঃ একটি কৌশলগত পর্যালোচনা – উস্তাদ আবু আনওয়ার আল হিন্দি


      এ দ্বীন তাত্ত্বিকতার না, এ মানহাজ নিস্ক্রিয়তার মানহাজ না


      ​জিহাদি আন্দোলন নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি ও জবাব -রামযি ইউসুফ
      https://gazwah.net/?p=31863
      Last edited by Munshi Abdur Rahman; 3 days ago.
      ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

      Comment


      • #4
        ভাই, ১ম রিসালাহতে দেখছি বলা আছে,

        এটিতে ইখওয়ানী/জামাতী ধারা, হিযবুত তাহরীর, বিভিন্ন জিহাদী তানজীম, তাকিফর ওয়াল হিজরাহ[জামাতুল মুসিলমীন]/GIA/জামাতুল বাগদাদী [আইএস/আইএসএস], এবং শায়খ উসামা বিন লািদন রাহিমাহুল্লাহ / আল-কায়েদার মানহাজ এর দিকে নজর দিবো
        অর্থাৎ আমার মূল প্রশ্ন সমাজ-রাষ্ট্র বিপ্লবের বিষয়ে আলোচনা নেই।

        বাকী ২টি রিসালাতেও এ বিষয়ক কোন আলাপ পেলাম না। আপনি পেয়ে থাকলে এখানে কি কপি-পেস্ট করে দিতে পারবেন?​

        Comment


        • #5
          Originally posted by abu_jihad View Post
          বাকী ২টি রিসালাতেও এ বিষয়ক কোন আলাপ পেলাম না। ​
          প্রিয় ভাই, সমাজবিপ্লবের তত্ত্বটা অপেক্ষাকৃত নতুন। ২০২১ সালের পরবর্তীতে "What's to be done" শীর্ষক সিরিজটি পাবলিশড হবার পরে এই তত্ত্ব শরীয়াহপ্রেমী দ্বীনী অঙ্গনের গ্রাসরুট লেভেলে পৌছে যায় এবং একে নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হয়। ভাইদের থিওরিগুলোর বেশীরভাগ আনা হয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখন্ড সংঘটিত সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লবসমূহের ভিত্তিতে। আমাদের ভুমিতে লোকাল, রিজিওনাল ও গ্লোবাল এই তিন লেয়ারের এনিমির অবিরত বাঁধার বিরুদ্ধে কতটুকু সাস্টেইনেবল হবে কি না কোনো কিছুই এখনো ব্যাটেল-টেস্টেড না। সবকিছুই এখনো থিওরেটিক্যাল পর্যায়ে আছে এবং বাস্তবায়নের পরিকল্পনা হিসেবে খুবই বেসিক লেভেলের কার্যক্রম দ্বাঈ ভাইয়েরা শুরু করেছেন।

          যেহেতু ভাইদের দাবি অনুযায়ী তাদের মানহায এই ভুমিতে সবচেয়ে সাস্টেইনেবল এবং উম্মাহকেন্দ্রিক একটা চিন্তা নিয়ে তারা অগ্রসর হচ্ছেন, আমরা নিজে থেকে কোনো সংঘর্ষ না বাধিঁয়ে তাদেরকে তাদের মতো কাজ করতে দেয়া উচিত এটাই আমার ব্যক্তিগত মতামত। আর বাদবাকি আসন্ন কনফ্লিক্ট এবং এতে তাদের অবস্থান ও আপোষহীনতার মাত্রাই বলে দিবে এই আন্দোলন কোথায় যাবে।

          আর ইখওয়ানী-হিজবুততাহরীর-দাঈশ সবগুলোর পরিণতিই যেহেতু চোখের সামনে তাই এর ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা আছে। অপেক্ষাকৃত নতুন তত্ত্ব নিয়ে মতামত দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন সময় ও নিবিড় পর্যবেক্ষন। তবে আশা করি বিচক্ষণ ব্যক্তিবর্গের পক্ষ থেকে আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণ আসবে, যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে কনফ্লিক্ট এড়িয়ে যাওয়া হতে পারে বলে আমার অনুমান।

          Comment


          • #6
            [QUOTE=abu_jihad;n214334রাশিয়া, চায়না, ইরানসহ অনেক দেশে বিপ্লবের মাধ্যমে শাসন ক্ষমতা পূর্ণ উলট-পালট হয়েছে,[/QUOTE]


            => রাশিয়ার জার(Tsar) সাম্রাজ্য ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ক্লান্ত। জার্মানির ইস্টার্ন ফ্রন্টলাইনে এবং বলকানে অটোমান এম্পায়ারের হাতে পযুর্দস্ত জার সাম্রাজ্য পুরোটাই ছেয়ে গিয়েছিলো তীব্র জনঅসন্তোষ আর কোণঠাসা অবস্থায়। একে ভেতর থেকে যেমন হয়ে পড়েছিলো অসহায়, তেমনি বাইরের পরাশক্তিগুলোর সংগে ক্রমাগত যুদ্ধে ব্যর্থতার বিশাল তালিকা অভ্যন্তরে একটা বিদ্রোহ ও বিপ্লবকে বাধ্যতামূলক করে ফেলে। এবং এর চূড়ান্ত সুবিধা নেয় অভ্যন্তরে থাকা কমিউনিস্ট আন্দোলন। ভেতরের জনসমর্থন ও বাহিরের বহিশক্তির সাহায্যহীন জারকে পতন ঘটানো সময়ের ব্যাপার মাত্র

            => চায়নায় কোনো রাজপথের বিপ্লব হয়নি। ১৯৩৭ এ চায়নিজ কমিউনিস্ট সংগঠনের নেতা মাও সেতুং এবং ন্যাশনালিস্ট সংগঠনের নেতা চিয়াং কাই-শেক দখলদার জাপানিজ এম্পায়ারের বিরুদ্ধে লড়েছে। সেটা ছিলো জনসমর্থিত এক গেরিলা যুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পারমাণবিক বোমা হামলা হামলার সপ্তাহের মধ্যেই জাপানিজ এমপায়ার Air, Ground, Sea সব জায়গা থেকে Allied Forces এর কাছে সারেন্ডার করে। গোটা এশিয়ার ভুমি থেকে Imperial Japanese Army কে সরিয়ে নেয়া হয়। তখন Mao Zedong আর Chiang Kai-shek নিজেদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু করে। তবে বেশিরভাগ সাধারণ জনগণ ও Soviet Union এর সহায়তায় চীনে একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করে Mao Zedong!

            => দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে Nazi Germany এর হাতে ধাওয়া খেয়ে জ্বালানিসংকটে পড়া Great Britain ও Soviet Union একযোগে হামলা করে ইরান দখল করে নেয় এবং রেজা শাহকে সরিয়ে তার ছেলে রেজা পাহলভিকে ক্ষমতায় বসায়। পরবর্তীতে অযোগ্যতা, দুর্নীতি, দমনপীড়ন, আমেরিকার গোলামির ফলে ইরানে বিপ্লব শুরু হয় যাতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ছিলো- রক্ষণশীল থেকে সেক্যুলার। Ruhollah Khomenei প্রথমে Iraq এরপরে France এ বসে জনগণকে গাইডেন্স প্রদান করেন। ইউরোপ পাহলভিকে কোনো সহায়তা করেনি। আমেরিকাও এগিয়ে আসেনি। আমেরিকান হাই-কমান্ড তখন কনফিউজড ছিলো কার পক্ষ নিবে, যদিও পাহলভি তাদের একচ্ছত্র গোলাম ছিলো এবং ফ্রান্সে থাকা অবস্থায় খোমেনির ভয়েস বেশ মডারেট ছিলো, যখন সে পশ্চিমা মিডিয়ায় কথা বলতো। আঞ্চলিক ও গ্লোবাল মিত্রদের সহায়তার অভাবে পাহলভির পতন হয়। ইরানি ইনকিলাবের এই বিজয়ের পরে দেশের হাল ধরতে France থেকে বিমানে চড়ে ইরানে অবতরণ করেন খোমেনি।
            পাহলভির পলায়নের মাধ্যমে ইরানিয়ান বিপ্লব সফল হওয়ার পরে দেশে নেতৃত্ব দিতে ফ্রান্স থেকে বিমানে এসে ইরানে অবতরণ করছেন রুহুল্লাহ খোমেনি।

            Comment


            • #7
              "গেরিলা জিহাদ কি দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায়?"



              গেরিলা জিহাদই দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায় নয়।

              বরং

              গেরিলা জিহাদ ও দ্বীন কায়েমের একটি উপায়/ মাধ্যম।






              Comment


              • #8
                Originally posted by Omayer Binyameen View Post

                যেহেতু ভাইদের দাবি অনুযায়ী তাদের মানহায এই ভুমিতে সবচেয়ে সাস্টেইনেবল এবং উম্মাহকেন্দ্রিক একটা চিন্তা নিয়ে তারা অগ্রসর হচ্ছেন, আমরা নিজে থেকে কোনো সংঘর্ষ না বাধিঁয়ে তাদেরকে তাদের মতো কাজ করতে দেয়া উচিত এটাই আমার ব্যক্তিগত মতামত। আর বাদবাকি আসন্ন কনফ্লিক্ট এবং এতে তাদের অবস্থান ও আপোষহীনতার মাত্রাই বলে দিবে এই আন্দোলন কোথায় যাবে।

                আর ইখওয়ানী-হিজবুততাহরীর-দাঈশ সবগুলোর পরিণতিই যেহেতু চোখের সামনে তাই এর ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা আছে। অপেক্ষাকৃত নতুন তত্ত্ব নিয়ে মতামত দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন সময় ও নিবিড় পর্যবেক্ষন। তবে আশা করি বিচক্ষণ ব্যক্তিবর্গের পক্ষ থেকে আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণ আসবে, যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে কনফ্লিক্ট এড়িয়ে যাওয়া হতে পারে বলে আমার অনুমান।

                জ্বি ভাই জাঝাকাল্লাহ। আমার উদ্দেশ্য তাদেরকে বাঁধা দেয়া নয় বরং শরয়ী দিক থেকে ঐ পদ্ধতিতে কোন সমস্যা আছে কিনা - সেটি বুঝা।

                Comment


                • #9
                  Originally posted by Rafikul Islam View Post
                  "গেরিলা জিহাদ কি দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায়?"



                  গেরিলা জিহাদই দ্বীন কায়েমের একমাত্র উপায় নয়।

                  বরং

                  গেরিলা জিহাদ ও দ্বীন কায়েমের একটি উপায়/ মাধ্যম।







                  বিপ্লবের মাধ্যমে দ্বীন কায়েমের চেষ্টা কি কোন ভাবে শরিয়ার খেলাফ হবে?

                  আমরা বাংলাদেশে বিপ্লবের জন্য প্রচেষ্টা করা কিউচিত না?

                  Comment


                  • #10
                    Originally posted by abu_jihad View Post


                    জ্বি ভাই জাঝাকাল্লাহ। আমার উদ্দেশ্য তাদেরকে বাঁধা দেয়া নয় বরং শরয়ী দিক থেকে ঐ পদ্ধতিতে কোন সমস্যা আছে কিনা - সেটি বুঝা।


                    প্রিয় ভাই, শরীয়াহসম্মত বলতে কি বুঝাতে চেয়েছেন পুরোপুরি বুঝিনি। যদি এই বুঝিয়ে থাকেন যে এই ভাইদের সংগঠনে যোগদানের মাধ্যমে কি জিহাদের ফরযিয়্যত আদায় হয়ে যাবে কি না, তবে এটা সেটা আমরা নন-আলেমরা বলা সম্ভব নয়। বরং উলামায়ে কেরাম তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, মানহায, কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণ করে বলতে পারবেন যে তাদের এই আন্দোলনে যোগদান কি জিহাদের ফরযিয়্যত আদায়ের জন্য যথেষ্ঠ হবে কিনা। কারণ শাইখুল হাদীস আবু ইমরান হাফিজাহুল্লাহর দারসে হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহর সিরিজ থেকে জেনেছি জিহাদ যেসমস্ত বিষয়াদির অভাবে জিহাদ সম্ভবপর হয়ে উঠে না সেসব সক্ষমতা অর্জন করা মুসলিমদের জন্য ফরজ। যেমন ইদাদ, সামরিক প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সক্ষমতা অর্জন, সামরিক দক্ষতাসম্পন্ন অগ্রবর্তী দক্ষ লোকবল তৈরী।

                    এই ফরযিয়্যাতগুলো কি উনাদের সংগঠনসমূহ কভারেজ দিচ্ছে বা দেয়ার চেষ্টা করবে? এই বিষয়ে ভাইদের অস্পষ্ট বক্তব্যগুলোকেও এনালাইসিস করে যা বুঝতে পেরেছি তা হলো এখন তারা মাঠে বা রাজপথে কাজ করবেন, যেকোনো ধরণের সামরিক প্রস্তুতিকে এড়িয়ে যাবেন ত্বাগুতের সংগে সংঘাত এড়াতে কিন্তু সময় আসলে উনারা ঠিকই গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবেন। এটা কিভাবে সম্ভব? সীমিত সময়ের জন্য হাজির হওয়া সংকটকালে কিভাবে একটা সামরিক বিষয়ে অদক্ষ দ্বাঈদের জামাআত কোনোপ্রকার পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই সহস্রগুণে শক্তিশালী লোকাল, রিজিওনাল ও আন্তর্জাতিক ত্বাগুত দলের সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে নামবে? শুধু জনসমর্থন কি যথেষ্ঠ হবে?

                    বিভিন্ন ধরনের সীমাবদ্ধতা সামনে রেখে বিশ্লেষণ করলে মনে হয়, এই পদ্ধতির নিজস্ব বিভিন্ন ফায়েদা থাকলেও, জিহাদের ফরজিয়্যত আদায়ের জন্য যথেষ্ট নয়। জিহাদের ফরজিয়্যত আদায়ের জন্য স্বতন্ত্র মেহনত অনিবার্য।

                    [Special Tips: আপনার আর্জেন্ট কোনো বিষয় যদি হয় তাহলে একক মাশোয়ারায় বিস্তারিত বলে আলেমদের পরামর্শের রিকুয়েস্ট করতে পারেন। এখানে আমরা বেশিরভাগই সাধারণ ভিজিটর]​​
                    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 1 day ago.

                    Comment

                    Working...
                    X