Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – ।। দ্বিতীয় পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – ।। দ্বিতীয় পর্ব

    আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
    ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
    বিজয়ের সোপান
    ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
    [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
    –।।থেকে- দ্বিতীয় পর্ব


    মুসলিম উম্মাহ্'র বর্তমান অবস্থা এবং তাদের শাসকদের বাস্তব প্রকৃতি


    মুসলিম উম্মাহ'র বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করলে কেবল অশ্রু ঝরাতে হয়। অনুশোচনায় হৃদয় দগ্ধ হয় মানব কল্যাণের জন্য প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মাহকে যখন কেউ স্বচক্ষে নীচ জাতির লুণ্ঠনের শিকার হতে দেখেযখন দেখে তাদের ভূমিগুলো নিকৃষ্ট শয়তান পূজারীদের বিচরণক্ষেত্রযখন কেউ প্রত্যক্ষ করে, মুসলিম দেশগুলো উদ্ধত খোদাদ্রোহী জাতির অভয়ারণ্য হয়ে আছে, তখন সে আনমনে স্বগতোক্তি করে, হায়! এই কি সেই জাতি নয়, যারা এক সময় ছিল বাতিলের বিরুদ্ধে অগ্রসর যোদ্ধা? এরাই না একসময় দুনিয়া শাসন করেছে? এরাই না একসময় গোটা বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছে?

    নিরপেক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, মুসলিমদের এই দুর্যোগ- দুর্দশা, অপমান ও অবমাননা, দুর্বলতা ও শক্তিহীনতা, নব্য ক্রুসেডারদের আগ্রাসনের শিকার হওয়া, এককথায় ইসলাম ও মুসলিমদের সামগ্রিক ভ্রান্তি, পথভ্রষ্টতা ও নাস্তিক্যবাদের গ্রাসে পরিণত হওয়াএ সবই হয়েছে বাস্তব জীবন থেকে আল্লাহর মনোনীত ও শাশ্বত শরীয়তের অনুপস্থিতির কারণে এবং মিথ্যা রবদাবিদার মানুষরূপী শয়তানদের হাতে রচিত জাহিলি সংবিধান ও অপরাপর ভ্রান্ত জীবনব্যবস্থার দ্বারা শাশ্বত এই শরীয়ত পরিবর্তিত হবার অনিবার্য পরিণতি স্বরূপ। সংবিধান তথা জীবন বিধান রচনার একমাত্র অধিকার শুধুমাত্র আল্লাহ’র। অথচ মানুষরূপী এ সমস্ত শয়তানগুলো নিজেরা সংবিধান রচনার স্পর্ধা দেখিয়েছে।

    মুসলিমদের ওপর চেপে বসা এ সমস্ত রাজা-বাদশাহ এবং শাসকবর্গ এই জাহেলি ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গিয়েছে যার দরুন তারা আল্লাহর একক অধিকারের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করে না। তারা নিজেদেরকে মানুষের জন্য আইন প্রণয়নের অধিকারী মনে করছে তাই আমাদের দায়িত্ব হলো, খোদা দাবিদার এ সমস্ত তাগুত গোষ্ঠীর ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলার ফয়সালা এবং শরীয়তের প্রমাণাদি তাওহীদবাদী ভাইদের জন্য তুলে ধরা যেন এর মাধ্যমে মুক্তিকামী সত্যসন্ধানী মু’মিনরা শাসনের আসন দখল করে রাখা এ সমস্ত রক্তপিপাসুর দল এবং তাদের পদলেহনকারীদের চিনতে পারে এই ভ্রান্ত, পরাজিত ও নিকৃষ্ট শাসন ব্যবস্থাকে বৈধতা দানকারী গোষ্ঠীর প্রকৃতি ও বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত হতে পারে মু’মিনদের কাছে যাতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়ে যায়, আল্লাহর দ্বীনের পক্ষে কাজ করা এবং ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ এই সমস্ত তাগুতি ব্যবস্থার ছত্রছায়ায় কখনোই নিষ্কণ্টক হবে না এ ব্যবস্থা কেবল সে সমস্ত প্রয়াসকেই স্বীকৃতি দেয়, যা তার ছত্রছায়ায় ও অধীনে হয়ে থাকে। এই স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা সবক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবেও হয়ে থাকে।

    হে আমার আকীদার ভাই! সত্য সন্ধানী হে প্রিয় মুসলিম ভাই! আমি আর কথা না বাড়িয়ে আপনাদের সামনে কিছু আয়াতে কারিমা ও সুস্পষ্ট প্রমাণাদি পেশ করছি। এতে আপনার নিকট নব্য ইয়াসিক পূজারী[1] এ সমস্ত তাগুত গোষ্ঠীর কুফরের বিষয়টা প্রতিভাত হয়ে যাবে, যারা মুহাম্মাদ -এর দুর্বল উম্মতের ঘাড়ে চেপে বসে আছে। এবং ইনশা আল্লাহ এ বিষয়গুলো জানার মাধ্যমে আমরা এ সমস্ত শয়তানের দোসর, তাদের পদলেহী উলামায়ে সূ' ও জ্ঞানপাপীদের প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকতে পারব আর আল্লাহ তা’আলাই সঠিক পথের দিশা দানকারী।

    অতীত এবং বর্তমানের অসংখ্য তাকওয়াবান আলেম, দয়াময় আল্লাহর শরীয়ত পরিবর্তনকারী শাসকগোষ্ঠীর কুফরকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে গেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আলেমরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তাগুতের প্রতি কুফরী তথা তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা এবং তার সাথে সম্পূর্ণভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করা কালিমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর শর্তাবলীর একটি। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্'র দ্বারা উদ্দেশ্য হল, আল্লাহ ভিন্ন যত কিছুর ইবাদাত, যত কিছুর পূজা-অর্চনা করা হয়, সম্পূর্ণভাবে সবকিছুকে প্রত্যাখ্যান করা। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন

    فَمَن يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ وَيُؤْمِن بِاللَّهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ ﴿البقرة: ٢٥٦﴾

    যে তাগুতকে সম্পূর্ণরূপে বর্জন করল এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন করল, প্রকৃতপক্ষে সে মজবুত হাতল আঁকড়ে ধরল’[2]

    সুতরাং আমরা দেখতে পেলাম, তাগুতের প্রতি কুফরী, আল্লাহর প্রতি ঈমানের চেয়ে অগ্রগণ্য। অর্থাৎ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার পূর্বে তাগুতের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে হবে। বান্দার ঈমান ততক্ষণ পর্যন্ত বিশুদ্ধ হবে না যতক্ষণ সে অন্যান্য উপাস্যদের সাথে এবং মানুষের বানানো আল্লাহর অন্যান্য শরিকদের সাথে সম্পূর্ণরূপে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। এবং তাদেরকে পুরোপুরিভাবে বর্জন করবে না



    তাগুত এর আভিধানিক অর্থ:


    ভাষাশাস্ত্রবিদ উলামায়ে কেরাম 'তাগুত' শব্দের সংজ্ঞা যেভাবে দিয়েছেন-

    (ইমাম ওয়াহেদীর বর্ণনা মতে)সকল ভাষাবিদ বলেছেন: الطَّاغُوتِ এমন প্রত্যেক জিনিস, আল্লাহ ব্যতীত যার ইবাদাত করা হয়। শব্দটি একবচন, বহুবচন, পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গসবক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন:

    يُرِيدُونَ أَن يَتَحَاكَمُوا إِلَى الطَّاغُوتِ وَقَدْ أُمِرُوا أَن يَكْفُرُوا بِهِ ﴿النساء: ٦٠﴾

    “তারা তাগুতের কাছে বিচার ফায়সালা কামনা করে, অথচ তাদের প্রতি নির্দেশ হয়েছে, যাতে তারা ওকে মান্য না করে” [3]

    এখানে الطَّاغُوتِ শব্দটি একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

    অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে-

    وَالَّذِينَ كَفَرُوا أَوْلِيَاؤُهُمُ الطَّاغُوتُ يُخْرِجُونَهُم مِّنَ النُّورِ إِلَى الظُّلُمَاتِ ﴿البقرة: ٢٥٧﴾

    “আর যারা কুফরী করে তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়” [4]

    এ আয়াতে الطَّاغُوتِ শব্দটি বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

    অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে-

    وَالَّذِينَ اجْتَنَبُوا الطَّاغُوتَ أَن يَعْبُدُوهَا ﴿الزمر: ١٧﴾

    “যারা তাগুতের গোলামি করা থেকে বিরত থেকেছে ...”[5]

    এই আয়াতে الطَّاغُوتِ শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে



    তাগুত-এর পারিভাষিক অর্থ:


    আসুন! এবার আমরা দেখে নেই শরীয়তের পরিভাষায় তাগুত কাকে বলে?

    তাগুতের সংজ্ঞার ব্যাপারে পূর্ববর্তী উলামায়ে কেরামের মতভেদ তুলে ধরার পর ইমাম ইবনে জারীর রহিমাহুল্লাহ তাগুত শব্দের সংজ্ঞা এভাবে দিয়েছেন-


    والصواب من القول عندي في"الطاغوت"، أنه كل ذي طغيان على الله، فعبد من دونه، إما بقهر منه لمن عبده، وإما بطاعة ممن عبده له، وإنسانا كان ذلك المعبود، أو شيطانا، أو وثنا، أو صنما، أو كائنا ما كان من شيء.

    ‘আমার মতে তাগুতের সঠিক সংজ্ঞা হলো- সেই হলো তাগুত, যে আল্লাহ তা’আলার অবাধ্য হয়। ফলে আল্লাহ তা’আলাকে ব্যতিরেকে তারই উপাসনা করা হয়—হয়ত তার পক্ষ থেকে উপাসনাকারীকে বাধ্য করার কারণে অথবা উপাসনাকারীর তার প্রতি আনুগত্য থাকার কারণে। এই উপাস্য হতে পারে মানুষ অথবা শয়তান, মূর্তি অথবা ভিন্ন কোনো পূজনীয় বস্তু বা অন্য যে কোনো বস্তু’[6]

    ইবনুল কাইয়্যিম রহিমাহুল্লাহ তাগুতের ব্যাখ্যায় বলেন-

    الطاغوت كل ما تجاوز به العبد حده من معبود أو متبوع أو مطاع فطاغوت كل قوم من يتحاكمون إليه غير الله ورسوله ، أو يعبدونه من دون الله ، أو يتبعونه على غير بصيرة من الله ، أو يطيعونه فيما لا يعلمون أنه طاعة لله [إعلام الموقعين 1/50.[

    ‘তাগুত হলো—যার ব্যাপারে বান্দারা আল্লাহর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে হতে পারে তার উপাসনা করা হয়, অনুসরণ করা হয় অথবা আনুগত্য করা হয়। সুতরাং, প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মধ্যে তাগুত হলো সেই ব্যক্তি, আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলের বিপরীতে লোকেরা যার কাছে বিচার প্রার্থনা করে আল্লাহ তা’আলা ব্যতিরেকে যার উপাসনা করে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিধানের প্রতি ভ্রূক্ষেপ না করে যার অনুসরণ করে। বা যে বিষয়ে আনুগত্য কেবল আল্লাহর জন্য সেখানে আল্লাহর পরিবর্তে যার আনুগত্য করা হয়।

    বর্তমান তাগুতদের অবস্থা এবং তাদের ব্যাপারে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, ধ্যান-ধারণা নিয়ে যদি চিন্তা করা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে অধিকাংশ মানুষই আল্লাহর ইবাদাত থেকে বিমুখ হয়ে তাগুতের ইবাদতে নিজেদেরকে সঁপে দিয়েছে। কুরআনের আইন অনুসারে বিচার চাইবার বদলে তারা তাগুতের কাছে তাগুতের বানানো বিধান অনুযায়ী বিচার চাইছে। তারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে বিমুখ হয়ে তাগুতের অনুসরণ-অনুকরণ করছে।


    [1] ইয়াসিকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় টীকা আকারে-
    ইয়াসিক ছিল তাতারি সম্প্রদায়ের সংবিধান। এটি তাদের নেতা চেঙ্গিস খানের রচিত আইন যার নাম আল-ইয়াসা (الياسا) বা আল-ইয়াসিক ( الياسق)তারা সামগ্রিকভাবে এই বিধান প্রয়োগ করত এবং এটি ছিল তাদের 'পবিত্র সংবিধান'মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আক্রমণ কালে তারা এটি সাথে বহন করে নিয়ে যেত।

    ৬১৬ হিজরীর দিকে তারা মুসলিম বিশ্বে আক্রমণ চালায়। ৬৮০ হিজরিতে তাতারীরা মুসলিম হয়ে যায়। মুসলিম হওয়ার পরও তারা তাদের পূর্বের সংবিধান ইয়াসিক অনুযায়ীই চলতে থাকে। রাষ্ট্রীয় সংবিধান আগের মতো ইয়াসিকই রয়ে যায়। তাতাররা রাষ্ট্রীয় কাজকর্মে চেঙ্গিস খানের অনুসরণ করে। সে আল-ইয়াসিক আইন তৈরি করেছিল যা ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান এবং ইসলামী বিধান হতে নির্বাচন করে তৈরি করা। আবার কিছু বিধান ছিল তার নিজস্ব মস্তিষ্কপ্রসূত। একে তারা ইসলামী বিধানের মোকাবেলায় প্রাধান্য দিত ও যথেষ্ট উন্নত এবং যুগোপযোগী বলে মনে করত

    আল্লাহ তাআলার শরীয়ত বাদ দিয়ে কুফরী সংবিধান দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করার কারণে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ তাদের কাফের ফতোয়া দেন। যারা ইসলামী আদালতে বিচারের জন্য না গিয়ে তাতারীদের আদালতে বিচারের জন্য যাবে এবং যারা তাতারীদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করবে তারাও কাফের হয়ে যাবে বলে ফতোয়া দেন। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এবং প্রখ্যাত মুফাসসির, তাফসীরে ইবনে কাসীরের প্রণেতা হাফেয ইবনে কাসীর রহিমাহুল্লাহ এ একই ধরনের রায় দেন। তাফসীরে ইবনে কাসীরে সূরা মায়েদার ৫০ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় এবং বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াতে ৬২৪ হিজরীর ইতিহাসের আলোচনায় চেঙ্গিস খান ও ইয়াসিকের কথা এসেছে।

    [2] সূরা আল-বাকারাহ; ০২: ২৫৬
    [3]সূরা আন- নিসা; ০৪: ৬০
    [4] সূরা আল-বাকারাহ;০২: ২৫৭
    [5] সূরা আয-যুমার ; ৩৯: ১৭

    [6] তাফসীরে তবারী, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ২১





    ​আরও পড়ুন

  • #2
    আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে তাগুত ও তাগুতি সংবিধানকে পরিপূর্ণভাবে বর্জন করার তাউফীক দান করুন, আমীন।

    Comment

    Working...
    X