Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – ।। তৃতীয় পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – ।। তৃতীয় পর্ব

    আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
    ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
    বিজয়ের সোপান
    ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
    [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
    –।।থেকে- তৃতীয় পর্ব


    এবারে আসুন, মুসলিম দেশসমূহের রাষ্ট্রপ্রধানদের রিদ্দাহ্ ও কুফরের কারণ নিয়ে আলোচনা করা যাকতাদের কুফরের বহুবিধ কারণের মধ্যে আমরা কেবল সর্বাধিক সুস্পষ্ট কারণগুলোকে এখানে উল্লেখ করব যাতে পাঠক খুব সহজেই শক্ত দলীল প্রমাণাদির মাধ্যমে এ সমস্ত বিশ্বাসঘাতক মুরতাদ গোষ্ঠীর ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।

    প্রথম কারণ: তারা নিজেদের জন্য আইন প্রণয়ন, আল্লাহর আইনের বিপরীতে অন্য আইন দ্বারা বিচারকার্য পরিচালনা এবং দয়াময় আল্লাহর শরীয়তকে শয়তানের শরীয়ত দ্বারা পরিবর্তন করার অধিকার ও বৈধতা সাব্যস্ত করেছে।

    উলামায়ে কেরাম এ বিষয়ে একমত, যে ব্যক্তি সর্বসম্মত কোনো হারামকে হালাল করবে অথবা সর্বসম্মত কোনো হালালকে হারাম বানাবে, সে কাফের, মুরতাদ। যে ব্যক্তি দ্বীনের কোনো একটি বিধানকে অস্বীকার করবে, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করবে , তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে অথবা আল্লাহর পাশাপাশি নিজের জন্য আইন প্রণয়নের বৈধতা সাব্যস্ত করবে, সে মিল্লাতে ইসলাম থেকে বহিস্কৃত কাফের ও মুরতাদ।

    মহান আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-

    إتخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّه ﴿التوبة: ٣١﴾

    ‘তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে নিজেদের পাদ্রী ও ধর্ম-যাজকদেরকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে’[1]

    তিনি আরো ইরশাদ করেন-

    وَلَا تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَإِنَّهُ لَفِسْقٌ وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَىٰ أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ إِنَّكُمْ لَمُشْرِكُونَ ﴿الأنعام: ١٢١﴾

    ‘যেসব জন্তুর ওপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয় না, সেগুলো থেকে ভক্ষণ করো না এ ভক্ষণ করা গোনাহ। নিশ্চয় শয়তানরা তাদের বন্ধুদেরকে আদেশ দেয় যেন তারা তোমাদের সাথে তর্ক করে। যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তোমরাও মুশরিক হয়ে যাবে’ [2]

    অন্যত্র তিনি ইরশাদ করেন-

    وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِن شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّهِ ذَٰلِكُمُ اللَّهُ رَبِّي عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ ﴿الشورى: ١٠﴾

    “আর তোমরা যে কোনো বিষয়েই মতভেদ কর না কেন তার ফয়সালা তো আল্লাহ্‌রই নিকট। 'ইনিই আল্লাহ্‌, আমার প্রভু, তাঁরই উপরে আমি নির্ভর করি, আর তাঁরই দিকে আমি প্রত্যাবর্তন করি”। [3]

    তিনি আরও ইরশাদ করেন-

    وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ ﴿المائدة: ٤٤﴾

    ‘আর যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তা দ্বারা বিচার ফয়সালা করে না, তারাই কাফের। [4]

    একই সূরায় অন্যত্র আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-

    أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ حُكْمًا لِّقَوْمٍ يُوقِنُونَ ﴿المائدة: ٥٠﴾

    ‘তবে কি তারা পুনরায় জাহেলিয়াতের বিচার ব্যবস্থা তালাশ করছে? অথচ যারা (আল্লাহতে) একনিষ্ঠভাবে বিশ্বাস করে, তাদের কাছে আল্লাহ তা’আলার চাইতে উত্তম বিচারক আর কে হতে পারে? [5]

    অন্যত্র ইরশাদ করেন-

    أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُمْ مِنَ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنْ بِهِ اللَّهُ ﴿الشورى: ٢١﴾

    ‘তাদের জন্য এমন কিছু শরীক আছে কি, যারা তাদের জন্য দ্বীনের এমন বিধান দিয়েছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি?[6]

    আরও ইরশাদ করেন-

    إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ أَمَرَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ ذَٰلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ ﴿يوسف: ٤٠﴾

    ‘শাসন চলবে একমাত্র আল্লাহর। তিনি আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া অন্য কারও গোলামী করবে না। এটাই সুসংহত দ্বীন কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না’[7]

    ইমাম আবু ইয়া'লা বলেন,যে ব্যক্তি (কুরআনের) দ্ব্যর্থহীন বক্তব্য দ্বারা প্রমাণিত আল্লাহর কোনো হারামকে অথবা রাসূলুল্লাহ -এর হাদীস দ্বারা প্রমাণিত কিংবা উম্মতের সর্বসম্মতিক্রমে হারাম বলে প্রমাণিত কোনো বিষয়কে হালাল সাব্যস্ত করবে, সে কাফের। যেমন- কেউ মদ্য পানকে মুবাহ (জায়েজ) মনে করল নামায, রোযা অথবা যাকাত আদায় না করাকে জায়েজ মনে করল এমনিভাবে যে ব্যক্তি আল্লাহ কর্তৃক (কুরআনের) সুস্পষ্ট দ্ব্যর্থহীন বক্তব্য দ্বারা হালাল বলে প্রমাণিত অথবা রাসূলুল্লাহ কর্তৃক অথবা মুসলিম উম্মাহ কর্তৃক হালাল বলে প্রমাণিত কোনো বিষয়কে জেনে-শুনে হারাম সাব্যস্ত করবে, মুসলিমদের সর্বসম্মতিক্রমে সে কাফের। যেমন, কেউ বিবাহকে হারাম সাব্যস্ত করল। আল্লাহ তা’আলা যে পন্থায় ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন, কেউ সে পন্থায় ক্রয়-বিক্রয়কে হারাম সাব্যস্ত করল।

    ইমাম ইবনে যায়েদ রহিমাহুল্লাহ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ এই আয়াতের [8] তাফসীরে লিখেন- যে ব্যক্তি স্বরচিত কোনো গ্রন্থ দ্বারা বিচার ফায়সালা করল, আর আল্লাহর কিতাবকে ছেড়ে দিল এবং দাবি করল, তার গ্রন্থটি আল্লাহর পক্ষ থেকে, তবে সে কুফরি করল।

    ইমাম ইবনে জারীর তাবারী রহিমাহুল্লাহ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ -এই আয়াতের তাফসীরে[9] বলেন,যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার ফয়সালা যা তিনি নিজ কিতাবে অবতীর্ণ করেছেন এবং বান্দাদের মাঝে ফয়সালাকারী হিসেবে নির্ধারণ করেছেনতা গোপন করবে এবং তা ভিন্ন অন্য কিছু দ্বারা বিচার করবে, -فَأُولَٰئِكَ - তারাই ঐ সমস্ত লোক, যারা আল্লাহর অবতীর্ণ ব্যবস্থা অনুযায়ী বিচার করেনি বরং তারা আল্লাহর ফয়সালাকে পরিবর্তন করেছে এবং নিজ কিতাবে অবতীর্ণ আল্লাহর হক রায় তথা সুষ্ঠু বিচার নীতিকে গোপন করেছে هُمُ الْكَافِرُون -তারাই কাফের অর্থাৎ তারাই সে সমস্ত লোক, যারা সত্যকে গোপন করেছে; যা প্রকাশ করা ও উন্মোচন করা তাদের দায়িত্ব ছিল। তারা সত্যকে ভিন্ন কিছু দ্বারা পরিবর্তন করে মানুষের সামনে তুলে ধরেছে সেই পরিবর্তিত পন্থা দ্বারা বিচার করেছে বিনিময়ে তারা মানুষের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করেছ”

    ইমাম আবু বকর জাসসাস রহিমাহুল্লাহ - فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ إلخ - এই আয়াতের[10] তাফসীরে লিখেন-

    وفي هذه الآية دلالة على أن من رد شيئاً من أوامر الله - تعالى - أو أوامر الرسول-صلى الله عليه وسلم- فهو خارج من الإسلام سواءً رده من جهة الشك فيه ، أو من جهة ترك القبول ، والامتناع عن التسليم وذلك يوجب صحة ما ذهب إليه الصحابة في حكمهم بارتداد من امتنع من أداء الزكاة. " أحكام القرآن للجصاص"

    ‘এই আয়াতই প্রমাণ করে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার অথবা তাঁর রাসূল -এর আদেশ-নিষেধসমূহ থেকে কোনো একটি বিষয়কে প্রত্যাখ্যান করবে, সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে। চাই সে সন্দেহবশত প্রত্যাখ্যান করুক অথবা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাক ও মেনে নেয়া থেকে বিরত থাকুক। আয়াতটি সাহাবায়ে কেরামগণের মতামতকে সঠিক বলে সাব্যস্ত করে। তাঁরা ঐ ব্যক্তিদেরকে মুরতাদ আখ্যায়িত করেছেন, যারা যাকাত প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছে” [11]

    শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন,নিশ্চয়ই মুসলিমদের সর্বসম্মত বিষয় এই যে, যে ব্যক্তি দ্বীনে ইসলাম এবং রাসূলুল্লাহ -এর শরীয়ত ব্যতিরেকে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণকে বৈধতা দান করবে, সে কাফের।


    ইমাম ইবনে রাহওয়াই রহিমাহুল্লাহ বলেন,মুসলিমরা একমত, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলাকে অথবা রাসূলুল্লাহ -কে গালিগালাজ করবে, আল্লাহর অবতীর্ণ কোনো বিষয়কে প্রত্যাখ্যান করবে অথবা কোনো নবীকে হত্যা করবে, তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে যদিও সে আল্লাহর অবতীর্ণ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দান করে।

    শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আলে শাইখ বলেন,নিঃসন্দেহে আল্লাহর অবতীর্ণ ব্যবস্থা ভিন্ন অন্য ব্যবস্থা দ্বারা বিচার ফয়সালাকারী কাফের। তার এই কুফরি হয়ত আকীদাগত হবে, যা তাকে মিল্লাতে ইসলাম থেকে বহিস্কৃত করে দেবে অথবা আমল সংশ্লিষ্ট হবে, যা মিল্লাতে ইসলাম থেকে বহিষ্কার করবে না।

    আকীদাগত কুফরী কয়েক প্রকারের।

    তার মাঝে পঞ্চম প্রকারটি হলো সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জঘন্য এবং সবচেয়ে স্পষ্ট আর তা হলো: শরীয়তের বিরোধিতা এবং শরীয়তের আহকামের সাথে হঠকারিতা। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করা এবং আইনের ধারা প্রণয়ন, আইনের সাহায্য দান, রায় প্রস্তুতকরণ, মূল ও শাখা বিশ্লেষণ, বিচার প্রক্রিয়া গঠন, ধারা ও প্রকার বিভাজন, রায় প্রদান ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগএককথায় সর্বদিক থেকে শরীয়াহ আদালতের সাদৃশ্য ও সামঞ্জস্য গ্রহণ।

    শরীয়াহ আদালতের মৌলিক নীতিমালা ও স্বতন্ত্র তথ্যসূত্র রয়েছে যার উৎস হলো কুরআন এবং হাদীস একইভাবে এই সমস্ত আদালতেরও বিভিন্ন তথ্যসূত্র রয়েছে, যা মূলত বিভিন্ন শরীয়ত, বিভিন্ন দেশের আইন ও বিধিমালা থেকে নেওয়া হয়যেমন-ফ্রান্সের আইন, মার্কিন আইন, ব্রিটিশ আইন, অনেক ক্ষেত্রে শরীয়তের অনুসারী দাবিদার বিদা‘আতপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠির আইন ইত্যাদি। এ জাতীয় আদালত বর্তমানে অধিকাংশ মুসলিম দেশে প্রস্তুত রয়েছে। সেগুলোর দ্বার উন্মুক্ত। মানুষ প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে সেসব আদালতে উপস্থিত হয়ে কিতাব সুন্নাহ বিরোধী আইনের আশ্রয় নিয়ে নিজেদের মাঝে সংঘটিত বিবাদের মীমাংসা করছে। আর সে সমস্ত আইন এবং আদালত মানুষের ওপর ক্ষমতা খাটাচ্ছে তাদের ওপর আইনি চাপ প্রয়োগ করছে মানুষকে এই ব্যবস্থার ওপর টিকিয়ে রাখছে এবং টিকে থাকতে বাধ্য করছে। এই কুফরের চেয়ে বড় কুফর আর কি হতে পারে! 'মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল-এই মর্মে প্রদত্ত সাক্ষ্যের সঙ্গে এর চাইতে বড় সাংঘর্ষিক বিষয় আর কি হতে পারে!





    [1] সূরা তাওবা;০৯ : ৩১
    [2]সূরা আন‘আম;০৬ : ১২১
    [3]সূরা আশ শূরা; ৪২: ১০
    [4]সূরা আল মায়েদাহ ;০৫: ৪৪
    [5]সূরা আল মায়েদাহ ; ০৫: ৫০
    [6] সূরা আশ শুরা, ৪২: ২১
    [7] সূরা ইউসুফ,১২: ৪০
    [8] আর যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তা দ্বারা বিচার ফয়সালা করে না।
    [9] আর যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তা দ্বারা বিচার ফয়সালা করে না, তারাই কাফের।
    [10] না, তোমার মালিকের শপথ, এরা কিছুতেই ইমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের যাবতীয় মতবিরোধের ফয়সালায় তোমাকে (শর্তহীনভাবে) বিচারক মেনে নেবে, অতঃপর তুমি যা ফয়সালা করবে সে ব্যাপারে তাদের মনে আর কোনো দ্বিধাদ্বন্দ থাকবে না, বরং তোমার সিদ্ধান্ত তারা সর্বান্তকরণে মেনে নেবে। [সূরা আন-নিসা;০৪:৬৫]। এটি হচ্ছে পুরো আয়াতের অনুবাদ।-সম্পাদক
    [11] আহ্‌কামুল কুরআন লিল জাস্‌সাস: ৩/১৮১






    আরও পড়ুন​

  • #2
    আকীদাগত কুফরী কয়েক প্রকারের।

    তার মাঝে পঞ্চম প্রকারটি হলো সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জঘন্য এবং সবচেয়ে স্পষ্ট আর তা হলো: শরীয়তের বিরোধিতা এবং শরীয়তের আহকামের সাথে হঠকারিতা। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করা এবং আইনের ধারা প্রণয়ন, আইনের সাহায্য দান, রায় প্রস্তুতকরণ, মূল ও শাখা বিশ্লেষণ, বিচার প্রক্রিয়া গঠন, ধারা ও প্রকার বিভাজন, রায় প্রদান ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগএককথায় সর্বদিক থেকে শরীয়াহ আদালতের সাদৃশ্য ও সামঞ্জস্য গ্রহণ।
    আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে সর্ব প্রকারের কুফরী থেকে হিফাযত করুন,আমীন।

    Comment

    Working...
    X