Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – ।। নবম পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – ।। নবম পর্ব

    আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
    ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
    বিজয়ের সোপান
    ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
    [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
    –।।থেকে- নবম পর্ব



    ইখওয়ানুল মুসলিমিন এবং ব্যর্থতার গণতন্ত্র


    খ্রিস্টবাদী কাফির পশ্চিমা বিশ্ব কখনোই এটা মেনে নেবে না যে, ইসলামের ভিত্তি ও মূল অবস্থানের ওপর প্রতিষ্ঠিত থেকে ইসলামপন্থীরা ক্ষমতার আসনে অধিষ্ঠিত হবে। অতীতে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ, নানান অভিজ্ঞতা ও ঘটনাপ্রবাহ একথা প্রমাণ করেছে ক্ষমতার আসন গ্রহণ করার জন্য ইসলামকে হতে হবে অন্তঃসারশূন্য, ধর্মনিরপেক্ষ, বেহাত, বিকলাঙ্গ এক বিকৃত পন্থা। এর সবচাইতে উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল ইহুদিমার্কা বিকৃত তুর্কি শাসনব্যবস্থা।

    ইখওয়ানের গণতন্ত্রের দিকে দৃষ্টিপাত করলে আমাদের উপরোক্ত বক্তব্যের যথার্থতা সুস্পষ্টভাবে ধরা পড়বে। ইতিহাস, ইখওয়ানের এ সমস্ত ব্যর্থ গণতান্ত্রিক উদাহরণে ভরপুর। সত্যান্বেষী ব্যক্তি স্মরণকালের ইতিহাসের কয়েকটি পাতা উল্টালেই হতবাক হয়ে এ জাতীয় ব্যর্থ গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতার অসংখ্য দৃষ্টান্ত দেখতে পাবেন। বিষয়টিকে আরও সুস্পষ্ট করার লক্ষ্যে সত্যাশ্রয়ী ব্যক্তিদের জন্য আমি এমনই কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরছি। এসব ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা সে সমস্ত লোকদের, যাদেরকে বলা হয় গণতান্ত্রিক ইসলামপন্থী অথবা মধ্যমপন্থী[1] অর্থাৎ যারা আমেরিকার সমর্থনপুষ্ট।



    প্রথম উদাহরণ- আলজেরিয়া

    আলজেরীয় অভিজ্ঞতা সর্বাধিক সুস্পষ্ট উদাহরণ, যা দ্বারা খুব সহজেই বোঝা যায় যে, ইসলামপন্থীদের জন্য গণতন্ত্র কার্যকরী নয়। আলজেরিয়ার ইসলামিক স্যালভেশন ফ্রন্ট নামের দলটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ইখওয়ানের নীতিমালা গ্রহণ করেছিল এবং রাজনৈতিক যুদ্ধ হিসেবে পার্লামেন্টে প্রবেশ করে গণতন্ত্রকে ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছিল দলটি তাদের প্রথম নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেছিল। অতঃপর ক্ষমতা গ্রহণের দিকে কিছুদূর এগোতেই খ্রিস্টান কুচক্রী মহলের প্রণোদনায় সেনা অভ্যুত্থান ঘটে নির্বাচনের ফলাফল বাতিল হয়ে যায়। দলের প্রতীক বাজেয়াপ্ত করা হয় নেতা-কর্মীদেরকে আটক করে মরুভূমিতে নির্বাসিত করা হয়। তাদের অপরাধ হলো, নির্বাচনে কেনো তারা বিজয় অর্জন করল? আর এভাবেই জেল-জুলুমের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রহসন সমাপ্ত হয়, আর নতুন করে সামরিক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে।[2]

    হে প্রিয় ভাই! (আল্লাহ আপনাদের উপর রহম করুন!) ভয়ানক এ সমস্ত নির্বাচনী প্রহসনের কথা একটু চিন্তা করুন



    দ্বিতীয় উদাহরণ- ফিলিস্তিন

    হারাকাতুল মুকাওয়ামা আল-ইসলামীয়া বা হামাস ফিলিস্তিনের বিধানসভা নির্বাচনে বিশাল বিজয় অর্জন করেছিল। কিন্তু তারপর কী হয়েছে? জিন শয়তানরা মানুষ শয়তানদেরকে প্ররোচিত করেছে। সারাবিশ্ব দ্রুত ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর অন্যায় অবরোধ আরোপ করেছে! এই অবরোধ আরোপের উদ্দেশ্য ছিল, জনগণকে দুর্বল করে দেয়া এবং ইহুদিদের জবরদখলকৃত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে হামাসের রাজনৈতিক স্বীকৃতি কেড়ে নেয়া।[3] সেই তখন থেকে আজও পর্যন্ত গণতান্ত্রিক এই সমস্ত প্রহসনের ধারা অব্যাহত রয়েছে।


    তৃতীয় উদাহরণ- তিউনিসিয়া


    আশির দশকের শেষের দিকে প্রাথমিক নির্বাচনগুলোতে ‘হিযব আন নাহদ্বা আল-ইখওয়ানি’ বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল আর এই বিজয়ের মাধ্যমেই ইসলামী এই সংগঠনের পতনের সূচনা হয় দলটি ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং নেতা-কর্মীদেরকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। জনগণের পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে স্বদেশ থেকে উৎখাত করে প্রবাসে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ইসলাম প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে হিযব আন নাহদ্বা আল-ইখওয়ানি নেতৃবৃন্দের সে সময় প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় তাগুত প্রেসিডেন্ট যাইনুল আবেদীন ইবনে আলীর রোষানল থেকে আত্মরক্ষা করা[4]


    চতুর্থ উদাহরণ- তুরস্ক

    জাহেলী মনোভাবাপন্ন তুর্কিরা কোনো অবস্থাতেই এটা মেনে নেয়নি যে, ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় যাবে। পূর্ব অভিজ্ঞতা ও ঘটনাপ্রবাহ একাধিকবার এটা প্রমাণ করেছে তবে এই শর্তে তারা এটা মানতে রাজি ছিল, ইসলামপন্থীদের দ্বীন থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। যদি তা না করা যায়, তবে ইসলামপন্থীদের পরিণতি হচ্ছে: কারাবরণ করা, বিতাড়িত ও দেশান্তরিত হওয়া, বিচারের মুখোমুখি হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়া।

    নাজমুদ্দিন আরবাকান নেতৃত্বাধীন সালামা পার্টি (MSP) কয়েক দশক পূর্বে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ লাভ করে। আরবাকান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন ইসলামী আন্দোলনের এই জাগরণের মুখে ইহুদি ভাবাপন্ন সামরিক বাহিনী সেনা-অভ্যুত্থান ছাড়া তাদের সামনে দ্বিতীয় কোনো উপায় খুঁজে পেল না। তাই তারা গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে দেশে স্বৈরশাসন ফিরিয়ে আনে...।

    সেনা অভ্যুত্থানের পর কয়েক বছর না যেতেই সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক প্রহসন আরম্ভ করে দেয়। সালামা পার্টি ফজিলত পার্টি নাম ধারণ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট লাভ করে সেনা নিয়ন্ত্রিত কোয়ালিশন সরকার গঠন করে। আঙ্কারার সিংহাসন টিকিয়ে রাখার জন্য অযৌক্তিক বহু ছাড় দেয়া সত্ত্বেও নব্য জাহিলিয়াত-প্রিয় তুর্কিদের মনোরঞ্জন করতে সক্ষম হয়নি তারা। সঙ্গত কারণেই রাজনৈতিক ক্যানভাসে নতুন চিত্র আসে। নাজমুদ্দিন আরবাকানসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিচারের মুখোমুখি হন। ইসলামী দলটি ভেঙে দেয়া হয় এবং নাজমুদ্দিন আরবাকান ক্ষমতা থেকে অপসারিত হন। এমনকি শেষ পর্যন্ত তিনি রাজনীতি থেকেই নিষিদ্ধ হন।

    গণতন্ত্র প্রেমিকদের অভ্যাস অনুযায়ী তুরস্কের ইসলামপন্থীরা দ্বিতীয়বার রাজনীতিতে আসার প্রচেষ্টা চালান এবার "ওয়েলফেয়ার পার্টি" (কল্যাণ সংগঠন) নামে তারা দল ঘোষণা করেন। অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে এ দল পরাজয় বরণ করে এবং অল্প সময়ের ভেতর তা নিষিদ্ধ হয়ে যায়।

    শেষ পর্যন্ত রজব তাইয়্যেব এরদোগান নতুন দল গঠন করেন, যার নাম দেন "অ্যাডালেট ভ কাল্কন্মা পার্টিসি”[5] (ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন দল) ইসলাম বান্ধব ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিতে তিনি দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। দলটি পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তুর্কি বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিতে সরকার গঠন করে। তবে সে ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর একভাবে ইসলামের লেবাস চড়ানো হয়। সবমিলিয়ে উদ্দেশ্য হল, ক্রুসেডার পশ্চিমা বিশ্বের মর্জি যেন রক্ষা হয় পাশাপাশি রাষ্ট্রের মূল নিয়ন্ত্রক ইহুদিবাদী সেনাবাহিনীকে তোয়াজ করে চলা যায়।


    পঞ্চম উদাহরণ- ইয়েমেন

    প্রকৃতপক্ষে ইয়েমেনে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের পরিণতি কলজে পোড়ানো মর্মান্তিক এক তিক্ত অভিজ্ঞতা। আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানির নেতৃত্বে ইখওয়ান ক্ষমতা গ্রহণের দিকে কিছুদূর অগ্রসর হতে না হতেই এই জামাত ইতিহাস হয়ে যায়।

    তাগুত আলী আব্দুল্লাহ সালেহকে নিঃশেষ করার জন্য দশ লক্ষ সশস্ত্র ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট ভবন ঘেরাও করেছিল কিন্ত আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানির হেকমতের কারণে তা সফল হয়নিপ্রকারান্তরে, তিনি ইয়েমেনের এই তাগুতকে সুযোগ করে দিলেন মুসলিমদের ঘাড়ে চেপে বসার জন্য। আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানির হেকমত, দশ লক্ষ সদস্যের সেই দলটি ভেঙ্গে দিল যাদের দাবি ছিল, (ইসলামী) শরীয়তই হবে আইন প্রণয়নের প্রধান উৎস। এরপর সরকার গঠন হলো। জিনদানি সেদেশের উপপ্রধান হয়ে গেলেন। আর এদিকে আলী আব্দুল্লাহ সালেহ ষড়যন্ত্র করে সালেম আলবাইদ্ব-এর নেতৃত্বে পরিচালিত দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্কট মোকাবেলায় ইখওয়ানকে ব্যবহার করতে লাগলদক্ষিণাঞ্চলের নেতৃবৃন্দকে পার্লামেন্টে রাজনৈতিকভাবে বয়কট করা হলো। আলবাইদ্ব ও তার অনুচরেরা ওই অবস্থায় উত্তরাঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় দেখলনা

    যুদ্ধ শুরু হলো। সেই যুদ্ধে ইখওয়ানের যুবকেরা ত্যাগের বিরাট দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। যুদ্ধে অল্প সময়ের ভেতর দক্ষিণাঞ্চল পরাজিত হল। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে তা পুনরায় যুক্ত হলো। দ্বিতীয়বার নির্বাচন দেয়া হলো। তখন বিভিন্ন সেবামূলক মন্ত্রণালয়ের দায়-দায়িত্ব ইখওয়ানের লোকদের কাঁধে অর্পণ করা হলোএদিকে তাদের মন্ত্রণালয়ের কাজে অর্থ খরচ করতে বাধা দেয়া হলো। উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণের সামনে তাদেরকে ব্যর্থ হিসেবে উপস্থাপন করানিজেদের মন্ত্রণালয় পরিচালনায় তারা অক্ষম; অর্পিত দায়িত্ব পালনে তারা অপারগমানুষকে এমনটা বোঝানো। যাইহোক, বাস্তবেই কুচক্রী আলী আব্দুল্লাহ সালেহ যা চেয়েছিল তাই হয়েছে। ধীরে ধীরে ইখওয়ানের বলয় সঙ্কুচিত হয়েছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে তাদের অবদান রাখার সুযোগ কমে এসেছে। অথচ একসময় তারা শাসন ক্ষমতা প্রায় লাভ করেই বসেছিল।


    সত্য পথের হে পথিক!ব্যর্থ গণতন্ত্রের এমন উদাহরণ অনেক দেয়া যাবে। আদতেই আপনি যদি সত্য ভালোবাসেন, তাহলে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে এসে মুক্তমনে ইসলাম ও মুসলিমদের ওপর শিরকী গণতন্ত্রের কুফল নিয়ে চিন্তা করুন ইনশা আল্লাহ আপনি বাস্তবতা অনুধাবন করতে পারবেন





    [1] মডারেট মুসলিম
    [2] ১৯৯২ সালের জানুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সামরিক সরকার ক্ষমতা দখল করে এর দুই মাসের মাথায় ইসলামিক স্যালভেশন ফ্রন্ট-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় - সম্পাদক

    [3] এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালের ২৫ জানুয়ারী জানুয়ারীর ৩০ তারিখে আমেরিকা, রাশিয়া,জাতিসঙ্ঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন দাবী করে হামাসকে অবশ্যই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে হবে, সহিংসতা পরিহার করে ইসরায়েলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, এবং পূর্বে পিএ (প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল অথোরিটি, ইসরায়েল ঘেঁষা) এর সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি মেনে চলতে হবে হামাস এই দাবীগুলো মানতে অস্বীকৃতি জানায় পরিণতিতে ফিলিস্তিনের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা হয় সকল ধরণের আর্থিক সাহায্য প্রদান বন্ধ করে দেওয়া হয় ফিলিস্তিনের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ২০০৭ সালের জুনে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সঙ্কটকালীন সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে ইসরায়েল এবং আমেরিকা অবরোধ তুলে নেয় রামাল্লাহ ভিত্তিক পিএ-কে পূর্বের মতো পুনরায় আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা প্রদান শুরু হয় কিন্তু হামাসের ওপর অবরোধ জারি থাকে -সম্পাদক
    [4] আন নাহদ্বার জনপ্রিয়তা দেখে প্রেসিডেন্ট যাইনুল আবেদীন ইবনে আলী আন নাহদ্বাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত করে। ২৫,০০০ এরও বেশী নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আন-নাহদা নিজেদের ইসলামী আদর্শ বাদ দিয়ে রীতিমতো ঘোষণা দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ দলে পরিণত হয়। তাদের নেতারা ঘোষণা করে তারা শরীয়াহর জন্য রাজনীতি করে না। ক্ষমতায় গিয়ে সরাসরি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন প্রণয়ন করে, এবং বিভিন্ন স্পষ্ট কুফরে লিপ্ত হয়। কিন্তু এতো ছাড় দেয়ার পরও ২০২১ সালে ঠিক আলজেরিয়া ও মিশরের মতোই পশ্চিমা সমর্থিত অভ্যুত্থানে আন-নাহদাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় - সম্পাদক
    [5] সংক্ষেপে এ কে পার্টি" বা ইংরেজিতে "Justice and Development Party (JDP)"





    আরও পড়ুন​
    অষ্টম পর্ব

  • #2
    এই বস্তাপঁঁচা ও ব্যর্থ গণতন্ত্র সম্পর্কে আমাদের কবে সঠিক উপলদ্ধি হবে? আল্লাহ তা’আলা আমাদের প্রতি রহম করুন,আমীন।

    Comment

    Working...
    X