Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – অষ্টাদশ পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ – অষ্টাদশ পর্ব

    আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
    ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
    বিজয়ের সোপান
    ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
    [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
    –।।থেকে- অষ্টাদশ পর্ব



    মুসলিম জামাতের সঙ্গে জুড়ে থাকা এবং আল্লাহর দ্বীনের ক্ষেত্রে বিভাজন পরিহারের আবশ্যকতা


    সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ মুসলিমদের একতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। এ বিষয়টির মর্যাদা তিনি সমুন্নত করেছেন এবং এটিকে সর্বোচ্চ মানের বিষয় বলে বিবেচিত করেছেন। আর তার কারণ হলো, একতার মাঝে বহুবিধ কল্যাণ ও বিবিধ উপকারিতা নিহিত রয়েছে। পক্ষান্তরে, তিনি দ্বীনের অনুসারীদেরকে মতানৈক্যে লিপ্ত হতে কঠোরভাবে বারণ করেছেন। কারণ, বিভেদ-বিভক্তি ও বিচ্ছিন্নতা অত্যন্ত ক্ষতিকারক দ্বীন ও আকীদাহ সচেতন প্রতিটি তাওহীদবাদী মুসলিমদেরকে সে ক্ষতি স্পর্শ করে

    কুরআনের অসংখ্য জায়গায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুহাম্মাদ -এর অনুসারীদেরকে জামাতের সঙ্গে জুড়ে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং দ্বীনের ক্ষেত্রে বিভাজন তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। তাই তো চিরন্তন, শাশ্বত, সুস্পষ্ট সত্য ধর্ম ইসলামের অনুসারীদেরকে সম্বোধন করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ইরশাদ করছেন-

    وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا﴿آل‌عمران: ١٠٣﴾

    ‘আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না’। [1]

    তিনি আরও ইরশাদ করেন-

    وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ تَفَرَّقُوا وَاخْتَلَفُوا مِن بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْبَيِّنَاتُ وَأُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ ﴿آل‌عمران: ١٠٥﴾

    ‘আর তাদের মত হয়ো না, যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং নিদর্শন সমূহ আসার পরও বিরোধিতা শুরু করেছে-তাদের জন্যে রয়েছে ভয়ঙ্কর আযাব’ [2]

    আল্লাহ তা’আলা আরও ইরশাদ করেছেন-

    وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَا تَنَازَعُوا فَتَفْشَلُوا وَتَذْهَبَ رِيحُكُمْ وَاصْبِرُوا إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ ﴿الأنفال: ٤٦﴾

    ‘আর আল্লাহ তা’আলার নির্দেশ মান্য করো এবং তাঁর রাসূলের। তোমরা পরস্পরে বিবাদে লিপ্ত হইও না। যদি তা করো, তবে তোমরা কাপুরুষ হয়ে পড়বে এবং তোমাদের প্রভাব চলে যাবে। আর তোমরা ধৈর্যধারণ করোনিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন [3]

    আল্লাহর কিতাবে এমন আরো বহু আয়াত রয়েছে, যেগুলোতে একতা ও ঐক্যের এবং মতানৈক্য বর্জন ও বিরোধ পরিহারের নির্দেশ ঘোষিত হয়েছে। অতএব, এ বিষয়টি মুসলিমদের জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কর্তৃক নির্দেশিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিবসমূহের একটি। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া এমনটাই বলেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে থাকা এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন না হওয়া ইসলামের মূল ভিত্তিসমূহের একটি, যা নিজ কিতাবে আল্লাহর জোরালো ওসিয়তের অন্তর্ভুক্ত। এটি এমন একটি বিষয়, যা পরিত্যাগ করার কারণে আল্লাহ তা’আলা আহলে-কিতাব ও অন্যান্যদেরকে তীব্র নিন্দা করেছেন। বিশেষভাবে যেসব বিষয়ে রাসূলুল্লাহ জোর দিয়ে ওসিয়ত করে গেছেন, ঐক্য ও একতার এই বিষয়টিও সেসবের অন্যতম। যেমন তিনি ইরশাদ করেন-

    عَلَيْكُمْ بِالْجَمَاعَةِ؛ فَإِنَّ يَدَ اللهِ عَلَى الْجَمَاعَةِ، وَإِنَّ الشَّيْطَانَ مَعَ الْوَاحِدِ, وَهُوَ مِنَ الِاثْنَيْنِ أَبَعْدُ

    জামাতবদ্ধ থাকা তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কারণ জামাতের সঙ্গে আল্লাহর সাহায্য রয়েছে। আর একজনের সাথে শয়তান থাকে, কিন্তু দুইজন থেকে সে অনেক দূরে থাকে। ।[4]

    একইভাবে ইবনে কাসীর রহিমাহুল্লাহ নিজ তাফসীর গ্রন্থে (وَلَا تَفَرَّقُوا) এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, “আল্লাহ তা’আলা মু’মিনদেরকে জামাতবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বিচ্ছিন্ন হতে বারণ করেছেন।

    ইমাম তাবারী রহিমাহুল্লাহ وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا -এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো- এর দ্বারা আল্লাহ তা’আলা বোঝাতে চাচ্ছেন: 'তোমরা আল্লাহর নির্দেশিত দ্বীনকে আঁকড়ে ধরো। নিজ গ্রন্থে তিনি কালিমায়ে হক ও তার প্রতি আত্মসমর্পণের ভিত্তিতে একতা ও ঐক্যের যে নির্দেশ ঘোষণা করেছেন, তোমরা তা আঁকড়ে থাকো। আর এটিই হল ওই রজ্জু, যা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে এ কারণেই নিরাপত্তাকে রশি বলা হয়েছে। কারণ নিরাপত্তা, ভীতি দূরীভূত হওয়া এবং উদ্বেগ আশঙ্কা থেকে মুক্তিলাভের কারণ হয়ে থাকে।

    ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, আল্লাহর রজ্জু দ্বারা উদ্দেশ্য হলো জামাত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি এ আয়াত ও কুরআনের এজাতীয় অন্যান্য আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, মহান আল্লাহ মু’মিনদেরকে জামাতবদ্ধ থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই তিনি মতানৈক্যে লিপ্ত হতে এবং পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হতে বারণ করেছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের পূর্ববর্তীরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে লৌকিকতা এবং আল্লাহর দ্বীন নিয়ে ঝগড়া বিবাদের কারণে।

    ইবনে জারীর এবং ইবনে আবি হাতেমশা'বী সূত্রে এবং তিনি সাবেত ইবনে ফাত্বিনাহ্ আল মাযানী সূত্রে বর্ণনা করে বলেন, “আমি ইবনে মাসউদকে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলতে শুনেছি, হে মানুষ সকল! তোমাদের জন্য আবশ্যক হল আনুগত্য ও জামাতবদ্ধ থাকা। কারণ এই উপায়টি আল্লাহ কর্তৃক নির্দেশিত রজ্জু”

    ইবনে আবি হাতেমসাম্মাক ইবনে ওয়ালিদ আল হানাফী থেকে বর্ণনা করেন, ‘তিনি ইবনে আব্বাসের সাক্ষাতে মিলিত হন। অতঃপর বলেন, আমাদের শাসকদের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী, যারা আমাদের ওপর জুলুম করছে, আমাদেরকে গালিগালাজ করছে এবং আমাদের প্রাপ্য সদাকার ক্ষেত্রে সীমালংঘন করছে? আমরা কি তাদেরকে বাধা দেবো না? তখন তিনি বলেন, ‘না। তাদেরকে সেগুলো দিয়ে দাও। আর অবশ্যই অবশ্যই জামাতের সংহতি রক্ষা করো। পূর্ববর্তী উম্মতগুলো জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তুমি কি আল্লাহর এই বাণী শোনোনি’?

    وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا﴿آل‌عمران: ١٠٣﴾

    ‘আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না’। [5]

    মুসলিমদের ঐক্য ও সংহতি রক্ষা করা এবং পূর্ববর্তী উম্মতের মত দ্বীনের ক্ষেত্রে বিভক্তি সৃষ্টি না করার আবশ্যকতা ও নির্দেশ সংবলিত মুতাওয়াতির[6] বহু হাদীসে নববী বিদ্যমান রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস। রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন-

    عن أبي هريرة - رضي الله عنه - قال : قال رسولُ اللهِ - صلى الله عليه وسلم - : (( إنَّ اللهَ تعالى يَرْضَى لَكُمْ ثَلاَثاً ، ويَكْرَهُ لَكُمْ ثَلاَثاً : فَيَرْضَى لَكُمْ أنْ تَعْبُدُوهُ ، وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيئاً ، وَأَنْ تَعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللهِ جَمِيعاً وَلاَ تَفَرَّقُوا ، وَيَكْرَهُ لَكُمْ : قِيلَ وَقَالَ ، وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ ، وإضَاعَةَ المَالِ )) . رواه مسلم

    আল্লাহ তোমাদের জন্য তিনটি বিষয় পছন্দ করেছেন এবং তোমাদের তিনটি কাজে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তোমাদের জন্য তাঁর পছন্দনীয় বিষয়গুলো হলো- (১) তোমরা তাঁরই ইবাদাত করবে এবং কোনো কিছুকে তাঁর সঙ্গে শরিক করবে না (২) তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরবে এবং বিচ্ছিন্ন হবে না (৩) আল্লাহ যাকে তোমাদের নেতৃত্বভার দান করেন তোমরা তাঁর কল্যাণ কামনা করবে। আর তোমাদের যে কাজগুলোতে তিনি রাগান্বিত সেগুলো হচ্ছে- (১) ক্বিল ওয়া ক্বাল (সন্দেহের ভিত্তিতে কিছু বর্ণনা করা যেমন, 'কথিত আছে যে'; ইত্যাদি ইত্যাদি) (২) অতিরিক্ত প্রশ্ন এবং (৩) সম্পদের অপব্যয়।[7]

    আমরা দেখতে পেলাম, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে পছন্দনীয় তিনটি বিষয়ের একটি হল, আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরা ও বিচ্ছিন্ন না হওয়া। মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থে ইমাম নববী এমনটাই বলেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ মুসলিমদের জামাতের সঙ্গে জুড়ে থাকতে এবং পরস্পরে সদ্ভাব সম্প্রীতি বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়টি ইসলামের মৌলিক নীতিমালার অন্যতম। প্রকাশ থাকে যে, পছন্দনীয় তিনটি বিষয়ের প্রথমটি হলো: শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদাত করা। দ্বিতীয়টি হলো, তাঁর সঙ্গে অন্য কিছুকে শরীক না করা। তৃতীয়টি হলো, সকলে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরা এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন না হওয়া।

    রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন-

    عَلَيْكُمْ بِالْجَماعَةِ، وَإِيّاكُمْ وَالْفُرْقَةَ، فَإِنَّ الشّيْطَانَ مَعَ الْوَاحِدِ وَهُوَ مِنَ الاثْنَيْنِ أَبْعَدُ، مَنْ أَرَادَ بُحْبُوحَةَ الْجَنّةِ فَلْيَلْزَمِ الْجَماعَةَ

    তোমাদের জন্য আবশ্যক হল জামাতবদ্ধ থাকা। আর অবশ্যই অবশ্যই বিচ্ছিন্নতা পরিহার করতে হবে। কারণ একজনের সাথে শয়তান থাকে কিন্তু দুইজন থেকে সে অধিক দূরত্বে। যে ব্যক্তি জান্নাতের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করতে চায় সে যেন জামাতের সঙ্গে জুড়ে থাকে।[8]

    পাঠক লক্ষ্য করুন! নেকড়ে বাঘ যেভাবে পাল থেকে বিচ্ছিন্ন বকরীকে নির্জনে নিয়ে যায়, শয়তান ঠিক সেভাবেই একাকী ব্যক্তির ওপর চড়াও হয়ে তাকে নির্জনে নিয়ে যায়। তাকে আল্লাহর অবাধ্যতায় নিমজ্জিত করে।

    আরও লক্ষ্য করুন! জামাতবদ্ধ থাকাকে শয়তানের বিরোধিতা বলে অভিহিত করা হয়েছে! আমরা দেখতে পেলাম, শয়তানকে অপ্রস্তুত করার উপায় এবং পদস্খলন ও ধ্বংস থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এই একতাকে। জান্নাতের সুপ্রশস্ত প্রাণকেন্দ্র ও তার মধ্যভাগে অবস্থানের জন্য শর্ত করা হয়েছে মুসলিমদের জামাতের সঙ্গে জুড়ে থাকা ও তাদের পতাকার ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করা এবং সর্বপ্রকার বিবাদ, মতভেদ ও বিচ্ছিন্নতা পরিহার করাকে।

    তামীম দারী বলেন, উমার ইবনে খাত্তাবের যুগে মানুষেরা দালানকোঠা নিয়ে গর্ব করতে আরম্ভ করেছিল। তখন তিনি বলেন, ‘হে আরববাসী! ভূমি ভূমি! (অর্থাৎ দালানকোঠার প্রতি মনোযোগী না হয়ে ভূমির কাছাকাছি থাকো) নিশ্চয়ই জামাত ছাড়া ইসলামের কোনো মূল্য নেই। নেতৃত্ব ছাড়া জামাতের কোনো মূল্য নেই। আর আনুগত্য ছাড়া নেতৃত্বের কোনো মূল্য নেই। শুনে রাখো! যাকে তার সম্প্রদায় বুঝে-শুনে নেতা বানাবে, তার এই নেতৃত্ব তার নিজের জন্য এবং তাদের সকলের জন্য জীবনীশক্তি হবে। আর যাকে তার সম্প্রদায় না বুঝে-শুনে নেতা বানাবে, তার এই নেতৃত্ব তার নিজের জন্য এবং তাদের জন্য ধ্বংসের কারণ হবে।

    ইমাম আওযা'য়ী বলেন, বলা হয়, মুহাম্মাদ -এর সাহাবী ও তাবেঈগণ পাঁচটি বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন: (১) জামাতের সঙ্গে জুড়ে থাকা, () সুন্নাহ অনুসরণ, () মসজিদ নির্মাণ, () তেলাওয়াতে কুরআন এবং (৫) জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ”





    [1] সূরা আলে ইমরান; 03: ১০৩
    [2] সূরা আলে ইমরান, ০৩: ১০৫
    [3] সূরা আল আনফাল, ০৮: ৪৬
    [4] শু‘আবুল ঈমান, হাদীস নং- ১১০৮৫
    [5] সূরা আলে ইমরান; 03: ১০৩
    [6] যুগ পরম্পরাগত
    [7] সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৪৫৭৮
    [8] সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-২১৬৫





    আরও পড়ুন​

  • #2
    আল্লাহ আমাদেরকে হকপন্থী জামাআহর সাথে জুড়ে থাকার তাওফিক দান করুন। বিচ্ছিন্নতা থেকে হেফাযত করুন। আমীন
    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

    Comment

    Working...
    X