পরিপূর্ণভাবে কুরআন ও সূন্নাহর সঠিক আনুগত্যের প্রয়োজনেও ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন ফরয।এ সম্পর্কে আল্লার রাসূল বলেন--
طلب العلم فريضة على كل مسلم
দীন সম্পর্কে জ্ঞান অন্বেষন দীনি শিক্ষার প্রয়োজনে মুসলিম সমাজে সাধারণ শিক্ষার ক্ষেত্রেও দীনি শিক্ষার বাধ্যতামূলক ব্যবস্হা থাকা চাই।আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ওহীভিত্তিক ইলমের প্রচার- প্রসারে আল্লাহ তাআলার প্রেরিত মহামান্য নবী ও রাসূলগন যুগে যুগে মানুষকে আল্লাহ তাআলার জন্য জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন।এ পথে তারা আল্লাহর ইচ্ছায় যথাসম্ভম সফলতাও অর্জন করেছেন।যেসব মানুষ তাদের ওহীভিত্তিক শিক্ষায় সাড়া দিয়েছেন,তাঁরা আল্লাহ তাআলার নেক বান্দা হিসেবে মুমিন- মুসলিম বলে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে স্বীকৃতি লাভে ধন্য হয়েছেন।তাঁরা ইহকালে যেমনি আল্লাহ তাআলার রহমতের আশ্রয় পেয়েছেন,তেমনি অনন্ত- অসীম পরকালে মহাসুখের আধার জান্নাত লাভের ওয়াদাও পেয়েছেন।আমরা যেহেতু মহান আল্লাহ তাআলার মেহেরবানীতে তাদের উত্তরসূরী মুমিন- মুসলিম নামে আখ্যায়িত হওয়ার সৌভাগ্যের অধিকারী হতে পেরেছি,এজন্য আমাদের আল্লাহ তাআলার শোকর গুজারি হতে হবে।আমাদের যথাসম্ভব সচেষ্ট থাকতে হবে,যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও কুরআন ও সূন্নাহর যথার্থ অনুসরনে সঠিক অর্থে মুমিন ও মুসলমান হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।নতুবা আমাদের মহান আল্লাহ তাআলার চরম অসুন্তুটির শিকার হতে হবে।তাছাড়া আমাদের সজাগ থাকতে হবে,যাতে মুসলিম সমাজে কোনো পক্ষই দীনি শিক্ষাকে সমূলে ধ্বংস বা সংকীর্নতার সম্মুখীন করতে না পারে।
নবী ও রাসূলগণ তাদের প্রতি নাযিলকৃত ওহীর বিষয়াদির প্রচার- প্রসারে যেসব কাফির- মুশরিকদের পক্ষ থেকে চরম বাধার সম্মুখীন হয়েছেন, সেসব লোকেরা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। তথাপি তাদের দোসররা যুগে যুগে দীনি শিক্ষার পথে চরম প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে আসছে। এমনকি মুসলিম সমাজে মুসলিম নামধারী একদল লোক কাফির- মুশরিকদের অনুসরণে তাদের সেচ্ছাচারিতা ও অপরাধপ্রবণতার পথকে উন্মুক্ত রাখার হীন মানসিকতায় দীনি শিক্ষার বিরুদ্ধে অন্তরায় সৃষ্টি করতে অভ্যস্ত রয়েছে।
দীনের প্রতি ঠাট্টা- বিদ্রপ করা কুফর,এক্ষেত্রে আরো পরিষ্কার করে বলতে হয় দীনি বিষয়াদি নিয়ে ঠাট্টা করা যেমনি দীনের প্রতি অবজ্ঞা ও অনাস্হার
র বহিঃপ্রকাশ ঠিক তেমনিভাবে দীনি শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্হায় প্রয়োজন মোতাবেক অন্তর্ভুক্ত করার বিরুদ্ধাচরণ অথবা দীনি শিক্ষাকে সংকুচিত করার অপপ্রয়াস পবিত্র ইসলামের প্রতি অবজ্ঞা ও অনাস্হার চরম বহিঃপ্রকাশেরই নামান্তর।আর এটা যে দীন বর্জন তথা কুফরের শামিল,তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ থাকার কথা নয়।
সুতরাং বুঝে আর না বুঝে কোনো মুসলমানের পক্ষ থেকে দীনি শিক্ষার বিরুদ্ধাচরণের মতো জঘন্য অপরাধ যেন সংঘটিত না হয়। এ বিষয়ে নিজেদের মহামূল্যবান ঈমান ও ইসলামের স্বার্থেই সতর্কতা অবলম্বন অপরিহার্য।
طلب العلم فريضة على كل مسلم
দীন সম্পর্কে জ্ঞান অন্বেষন দীনি শিক্ষার প্রয়োজনে মুসলিম সমাজে সাধারণ শিক্ষার ক্ষেত্রেও দীনি শিক্ষার বাধ্যতামূলক ব্যবস্হা থাকা চাই।আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ওহীভিত্তিক ইলমের প্রচার- প্রসারে আল্লাহ তাআলার প্রেরিত মহামান্য নবী ও রাসূলগন যুগে যুগে মানুষকে আল্লাহ তাআলার জন্য জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন।এ পথে তারা আল্লাহর ইচ্ছায় যথাসম্ভম সফলতাও অর্জন করেছেন।যেসব মানুষ তাদের ওহীভিত্তিক শিক্ষায় সাড়া দিয়েছেন,তাঁরা আল্লাহ তাআলার নেক বান্দা হিসেবে মুমিন- মুসলিম বলে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে স্বীকৃতি লাভে ধন্য হয়েছেন।তাঁরা ইহকালে যেমনি আল্লাহ তাআলার রহমতের আশ্রয় পেয়েছেন,তেমনি অনন্ত- অসীম পরকালে মহাসুখের আধার জান্নাত লাভের ওয়াদাও পেয়েছেন।আমরা যেহেতু মহান আল্লাহ তাআলার মেহেরবানীতে তাদের উত্তরসূরী মুমিন- মুসলিম নামে আখ্যায়িত হওয়ার সৌভাগ্যের অধিকারী হতে পেরেছি,এজন্য আমাদের আল্লাহ তাআলার শোকর গুজারি হতে হবে।আমাদের যথাসম্ভব সচেষ্ট থাকতে হবে,যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও কুরআন ও সূন্নাহর যথার্থ অনুসরনে সঠিক অর্থে মুমিন ও মুসলমান হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।নতুবা আমাদের মহান আল্লাহ তাআলার চরম অসুন্তুটির শিকার হতে হবে।তাছাড়া আমাদের সজাগ থাকতে হবে,যাতে মুসলিম সমাজে কোনো পক্ষই দীনি শিক্ষাকে সমূলে ধ্বংস বা সংকীর্নতার সম্মুখীন করতে না পারে।
নবী ও রাসূলগণ তাদের প্রতি নাযিলকৃত ওহীর বিষয়াদির প্রচার- প্রসারে যেসব কাফির- মুশরিকদের পক্ষ থেকে চরম বাধার সম্মুখীন হয়েছেন, সেসব লোকেরা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। তথাপি তাদের দোসররা যুগে যুগে দীনি শিক্ষার পথে চরম প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে আসছে। এমনকি মুসলিম সমাজে মুসলিম নামধারী একদল লোক কাফির- মুশরিকদের অনুসরণে তাদের সেচ্ছাচারিতা ও অপরাধপ্রবণতার পথকে উন্মুক্ত রাখার হীন মানসিকতায় দীনি শিক্ষার বিরুদ্ধে অন্তরায় সৃষ্টি করতে অভ্যস্ত রয়েছে।
দীনের প্রতি ঠাট্টা- বিদ্রপ করা কুফর,এক্ষেত্রে আরো পরিষ্কার করে বলতে হয় দীনি বিষয়াদি নিয়ে ঠাট্টা করা যেমনি দীনের প্রতি অবজ্ঞা ও অনাস্হার
র বহিঃপ্রকাশ ঠিক তেমনিভাবে দীনি শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্হায় প্রয়োজন মোতাবেক অন্তর্ভুক্ত করার বিরুদ্ধাচরণ অথবা দীনি শিক্ষাকে সংকুচিত করার অপপ্রয়াস পবিত্র ইসলামের প্রতি অবজ্ঞা ও অনাস্হার চরম বহিঃপ্রকাশেরই নামান্তর।আর এটা যে দীন বর্জন তথা কুফরের শামিল,তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ থাকার কথা নয়।
সুতরাং বুঝে আর না বুঝে কোনো মুসলমানের পক্ষ থেকে দীনি শিক্ষার বিরুদ্ধাচরণের মতো জঘন্য অপরাধ যেন সংঘটিত না হয়। এ বিষয়ে নিজেদের মহামূল্যবান ঈমান ও ইসলামের স্বার্থেই সতর্কতা অবলম্বন অপরিহার্য।
Comment