ইসলামী শাসনব্যবস্থার অধীনে পর্দার বিধান পালন না করা কি নিছক ব্যক্তিগত গোনাহ নাকি শাস্তিযোগ্য অপরাধ? ইসলাম কি মুসলিমদের পোশাকের ব্যাপারে লিবারেল স্বাধীনতা প্রদান করে?
মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে একটা বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া দরকার। একটা হল, মূল বিধান। আরেকটা হল সেটার প্রয়োগ। প্রয়োগের ব্যাপারে ইসলাম বিভিন্ন স্ট্রাটেজি রেখেছে। কিন্তু মূল বিধান একই থাকবে। এখানে বিকৃতি করার সুযোগ নেই।
দেখুন আমরা মুসলিমরা আল্লাহর উবুদিয়্যাতকে মেনে নিয়েই ইসলাম গ্রহণ করেছি। এর জন্যই মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তার বিধানের সামনে আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই আমরা মুসলিম হয়েছি। এটাই মুসলিম নামের অর্থ।
ইসলামী শাসনে ইমাম বা খলিফার মৌলিক একটি দায়িত্ব হল, হিসবাহ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা। হিসবাহ বা আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার মন্ত্রণালয় হল ইসলামী শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়।
আপনি একদম আল্লামা মাওয়ারিদি, আবু ইয়ালা, ইবনে খালদুন, ইমামুল হারামাইম, ইবনে তাইমিয়া, ইবনুল কায়্যিম, আশরাফ আলি থানভি থেকে শুরু করে ইসলামী শাসনব্যবস্থা সংক্রান্ত সকল ক্ল্যাসিকাল কিতাবে এই ব্যাপারে আলোচনা পাবেন।
এমনকি আধুনিক সময়েও আহলে হক আলেমদের কিতাবে এই সংক্রান্ত অধ্যায় দেখবেন। এই বিষয়ে স্বতন্ত্র কিতাবাদিও আছে আরবীতে। এটি ইসলামী শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সকল ফুকাহায়ে কেরাম এটাকে শাসকের জন্য আবশ্যকীয় দায়িত্ব হিসেবে মত প্রদান করেছেন। ইবনে খালদুন তার মুকাদ্দামাতে একে দ্বীনি দায়িত্ব হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এই দপ্তর হল এমন এক প্রাতিষ্ঠানিক পর্যবেক্ষণ সিস্টেম, যার মাধ্যমে মানুষের রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইসলামের ভেলুজ, শরীয়ার নীতি বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা সেটার উপর পর্যবেক্ষণ করা হয়। এক কথায় সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হল এই বিভাগ। এই বিভাগ বিভিন্ন নৈতিক ইস্যুর লঙ্ঘনে তাজির বা শাস্তিরও অধিকার রাখে। এবং এটা শরীয়তে নিষিদ্ধ বা হারাম যেকোন কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
( প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখি, লিবারেল ও সেকুলার সিস্টেমেও তাদের নিজস্ব ভেলুজ পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের আইন আছে, প্রতিষ্ঠান আছে। লঙ্ঘনে শাস্তিও আছে)
এই বিভাগের অধীনে ফুকাহায়ে কেরাম সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে পর্দার বিধান বাস্তবায়নের দায়িত্বকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এবং এটা খুলাফায়ে রাশিদিনদের আমল থেকে পালিত এক দায়িত্ব।
ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ "আত তুরুকুল হিকমিয়্যাহ ফিস সিয়াসাতিল ইসলামিয়্যাহ গ্রন্থে আলাদা একটি অধ্যায়ই এনেছেন পর্দার বিধান বাস্তবায়নে শাসকের দায়িত্ব নিয়ে। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপ্রধানের উপর ওয়াজিব দায়িত্ব হল, বাজার, মেলা ও জন পরিসর থেকে নারী পুরুষের মিক্সিংকে নিষিদ্ধ করা। ( পৃষ্ঠা: ২৩৭)
সামনে অগ্রসর হয়ে তিনি আরো বলেন, তার জন্য আরো আবশ্যক হল, কোন নারী সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বের হতে থাকলে তাকে বন্দি করা। ( সংশোধন করা) কোন নারীকে এই অবস্থার উপর ছেড়ে দিলে এটা পাপ ও গোনাহের সহযোগী কাজ। আল্লাহ অবশ্যই শাসককে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন। আমিরুল মুমিনিন উমর রা: নারীদের জন্য পুরুষদের মাঝে চলা এবং রাস্তায় পুরুষদের সাথে মিক্সিংকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। সুতরাং শাসকদের এই ক্ষেত্রে উমর রা: কে অনুসরণ করাই আবশ্যক। ( পৃ:২৩৮)
মুসান্নাফু আবদির রাজজাকে এসেছে, উমর রা: এর যুগে এক নারী সুগন্ধি ছড়িয়ে রাস্তায় বের হওয়ার কারণে তার উপর দুররার শাস্তি প্রয়োগ করা হয়েছে। ( ৪/৩৭০)
আবার এক পুরুষ নারীদের সাথে মিশে নামাজ পড়ার কারণেও তিনি তার উপর একই শাস্তি প্রয়োগ করেছেন। ( আল আহকামুস সুলতানিয়াহ লিল মাওয়ারিদি, ২৪৭)
এরকম আরো নজির ও মত আনা যাবে। স্বয়ং রাসুলও পর্দাহীনতার উপর সরাসরি নজরদারি করেছেন এবং চোখে আসার সাথে সাথে সতর্ক করে দিয়েছেন। আসলে এই ব্যাপারে ফুকাহায়ে কেরাম সকলের মন্তব্য সেইম। এটা একটা ঐক্যমতপূর্ণ মাসআলা। ইসলামী শাসনব্যবস্থার অধীনে মুসলিমদের উপর শরীয়ার নির্দিষ্ট ড্রেসকোর্স ও পর্দার বিধানকে সামাজিকভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক জায়গায় প্রয়োগ করা হবে। প্রাইভেট স্পেসে কি করছে এটার উপর নজরদারি থাকবে না। কিন্তু পাব্লিক স্পেস ও প্রাতিষ্ঠানিক স্পেসে ইসলামের সার্বিক ভেলুজ ও নীতিমালার উপর নজর রাখা শাসকের ওয়াজিব দায়িত্ব।
মূল বিষয় হল, পর্দার বিধান পালন না করা আল্লাহর কাছে গোনাহের বিষয়। আবার একইসাথে ইসলামী শাসনব্যবস্থার আইনের দৃষ্টিতেও এটি একটি অপরাধ। এখানে শালীনতার সীমা ইসলামে পর্দার সীমা। এর বাইরে মুসলিমদের জন্য আলাদা কোন সীমা নেই। সুতরাং মুসলিমদের পর্দার বিধান আর শালীনতাকে আলাদা করা একটা বিদায়াত বা দ্বীনের মাঝে নব্য আবিষ্কৃত বিষয়।
কিন্তু এই অপরাধের জন্য শাস্তি কি হবে, ধরণ কি হবে কিংবা কখন প্রয়োগ হবে এটা নির্ধারিত না। এটা অবস্থার উপর নির্ভরশীল।
সাধারণ আইন তো থাকবে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু দাওয়াহ, ইসলাহ, সতর্ক করা এবং শাস্তি প্রয়োগ করা হবে অবস্থা অনুযায়ী। ইসলাম কখনোই পর্দাহীনতাকে মুসলিমদের জন্য ফান্ডামেন্টাল রাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। বরং এটাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। আখেরাতের দৃষ্টিতেও, রাষ্ট্রীয় আইনের দৃষ্টিতেও। যারা একটা হারাম বিষয়কে ফান্ডামেন্টাল রাইট বলে, তাদের ইমান ও কুফুরের ইলমের ব্যাপারে সিরিয়াস হওয়া জরুরী।
আপনি ইসলামী শাসনব্যবস্থার কাঠামো এখনই প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। আবার সকলকে এই মুহূর্তে পর্দার বিধানের আওয়াতায় আনতে পারবেন না। এরজন্য হিসবাহ বিভাগের কার্যক্রমের মত দাওয়াহ, ইসলাহ, সতর্ক করার মত কাজগুলো প্রয়োজন। দরকার মানুষকে আরো প্রস্তুত করা। কিন্তু আপনি ইসলামের নামে যা ইচ্ছে তা বলতে পারেন না।
আপনি যেটা করছেন, সেটা যে ইসলাম না- এই বোধ ও স্বীকৃতি আপনার মাঝে থাকতে হবে। মানুষকে ইসলামের ব্যাপারে ভুল ইনফরমেশন দেয়ার কি দরকার। ইসলাম যেটা বলেনি, মানুষকে ইসলামের রেফারেন্সে সেটা বলা মহা অন্যায়। এটা জুলুম ও বিকৃতি।
মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে একটা বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া দরকার। একটা হল, মূল বিধান। আরেকটা হল সেটার প্রয়োগ। প্রয়োগের ব্যাপারে ইসলাম বিভিন্ন স্ট্রাটেজি রেখেছে। কিন্তু মূল বিধান একই থাকবে। এখানে বিকৃতি করার সুযোগ নেই।
দেখুন আমরা মুসলিমরা আল্লাহর উবুদিয়্যাতকে মেনে নিয়েই ইসলাম গ্রহণ করেছি। এর জন্যই মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তার বিধানের সামনে আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই আমরা মুসলিম হয়েছি। এটাই মুসলিম নামের অর্থ।
ইসলামী শাসনে ইমাম বা খলিফার মৌলিক একটি দায়িত্ব হল, হিসবাহ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা। হিসবাহ বা আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার মন্ত্রণালয় হল ইসলামী শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়।
আপনি একদম আল্লামা মাওয়ারিদি, আবু ইয়ালা, ইবনে খালদুন, ইমামুল হারামাইম, ইবনে তাইমিয়া, ইবনুল কায়্যিম, আশরাফ আলি থানভি থেকে শুরু করে ইসলামী শাসনব্যবস্থা সংক্রান্ত সকল ক্ল্যাসিকাল কিতাবে এই ব্যাপারে আলোচনা পাবেন।
এমনকি আধুনিক সময়েও আহলে হক আলেমদের কিতাবে এই সংক্রান্ত অধ্যায় দেখবেন। এই বিষয়ে স্বতন্ত্র কিতাবাদিও আছে আরবীতে। এটি ইসলামী শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সকল ফুকাহায়ে কেরাম এটাকে শাসকের জন্য আবশ্যকীয় দায়িত্ব হিসেবে মত প্রদান করেছেন। ইবনে খালদুন তার মুকাদ্দামাতে একে দ্বীনি দায়িত্ব হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এই দপ্তর হল এমন এক প্রাতিষ্ঠানিক পর্যবেক্ষণ সিস্টেম, যার মাধ্যমে মানুষের রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইসলামের ভেলুজ, শরীয়ার নীতি বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা সেটার উপর পর্যবেক্ষণ করা হয়। এক কথায় সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হল এই বিভাগ। এই বিভাগ বিভিন্ন নৈতিক ইস্যুর লঙ্ঘনে তাজির বা শাস্তিরও অধিকার রাখে। এবং এটা শরীয়তে নিষিদ্ধ বা হারাম যেকোন কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
( প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখি, লিবারেল ও সেকুলার সিস্টেমেও তাদের নিজস্ব ভেলুজ পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের আইন আছে, প্রতিষ্ঠান আছে। লঙ্ঘনে শাস্তিও আছে)
এই বিভাগের অধীনে ফুকাহায়ে কেরাম সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে পর্দার বিধান বাস্তবায়নের দায়িত্বকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এবং এটা খুলাফায়ে রাশিদিনদের আমল থেকে পালিত এক দায়িত্ব।
ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ "আত তুরুকুল হিকমিয়্যাহ ফিস সিয়াসাতিল ইসলামিয়্যাহ গ্রন্থে আলাদা একটি অধ্যায়ই এনেছেন পর্দার বিধান বাস্তবায়নে শাসকের দায়িত্ব নিয়ে। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপ্রধানের উপর ওয়াজিব দায়িত্ব হল, বাজার, মেলা ও জন পরিসর থেকে নারী পুরুষের মিক্সিংকে নিষিদ্ধ করা। ( পৃষ্ঠা: ২৩৭)
সামনে অগ্রসর হয়ে তিনি আরো বলেন, তার জন্য আরো আবশ্যক হল, কোন নারী সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বের হতে থাকলে তাকে বন্দি করা। ( সংশোধন করা) কোন নারীকে এই অবস্থার উপর ছেড়ে দিলে এটা পাপ ও গোনাহের সহযোগী কাজ। আল্লাহ অবশ্যই শাসককে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন। আমিরুল মুমিনিন উমর রা: নারীদের জন্য পুরুষদের মাঝে চলা এবং রাস্তায় পুরুষদের সাথে মিক্সিংকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। সুতরাং শাসকদের এই ক্ষেত্রে উমর রা: কে অনুসরণ করাই আবশ্যক। ( পৃ:২৩৮)
মুসান্নাফু আবদির রাজজাকে এসেছে, উমর রা: এর যুগে এক নারী সুগন্ধি ছড়িয়ে রাস্তায় বের হওয়ার কারণে তার উপর দুররার শাস্তি প্রয়োগ করা হয়েছে। ( ৪/৩৭০)
আবার এক পুরুষ নারীদের সাথে মিশে নামাজ পড়ার কারণেও তিনি তার উপর একই শাস্তি প্রয়োগ করেছেন। ( আল আহকামুস সুলতানিয়াহ লিল মাওয়ারিদি, ২৪৭)
এরকম আরো নজির ও মত আনা যাবে। স্বয়ং রাসুলও পর্দাহীনতার উপর সরাসরি নজরদারি করেছেন এবং চোখে আসার সাথে সাথে সতর্ক করে দিয়েছেন। আসলে এই ব্যাপারে ফুকাহায়ে কেরাম সকলের মন্তব্য সেইম। এটা একটা ঐক্যমতপূর্ণ মাসআলা। ইসলামী শাসনব্যবস্থার অধীনে মুসলিমদের উপর শরীয়ার নির্দিষ্ট ড্রেসকোর্স ও পর্দার বিধানকে সামাজিকভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক জায়গায় প্রয়োগ করা হবে। প্রাইভেট স্পেসে কি করছে এটার উপর নজরদারি থাকবে না। কিন্তু পাব্লিক স্পেস ও প্রাতিষ্ঠানিক স্পেসে ইসলামের সার্বিক ভেলুজ ও নীতিমালার উপর নজর রাখা শাসকের ওয়াজিব দায়িত্ব।
মূল বিষয় হল, পর্দার বিধান পালন না করা আল্লাহর কাছে গোনাহের বিষয়। আবার একইসাথে ইসলামী শাসনব্যবস্থার আইনের দৃষ্টিতেও এটি একটি অপরাধ। এখানে শালীনতার সীমা ইসলামে পর্দার সীমা। এর বাইরে মুসলিমদের জন্য আলাদা কোন সীমা নেই। সুতরাং মুসলিমদের পর্দার বিধান আর শালীনতাকে আলাদা করা একটা বিদায়াত বা দ্বীনের মাঝে নব্য আবিষ্কৃত বিষয়।
কিন্তু এই অপরাধের জন্য শাস্তি কি হবে, ধরণ কি হবে কিংবা কখন প্রয়োগ হবে এটা নির্ধারিত না। এটা অবস্থার উপর নির্ভরশীল।
সাধারণ আইন তো থাকবে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু দাওয়াহ, ইসলাহ, সতর্ক করা এবং শাস্তি প্রয়োগ করা হবে অবস্থা অনুযায়ী। ইসলাম কখনোই পর্দাহীনতাকে মুসলিমদের জন্য ফান্ডামেন্টাল রাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। বরং এটাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। আখেরাতের দৃষ্টিতেও, রাষ্ট্রীয় আইনের দৃষ্টিতেও। যারা একটা হারাম বিষয়কে ফান্ডামেন্টাল রাইট বলে, তাদের ইমান ও কুফুরের ইলমের ব্যাপারে সিরিয়াস হওয়া জরুরী।
আপনি ইসলামী শাসনব্যবস্থার কাঠামো এখনই প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। আবার সকলকে এই মুহূর্তে পর্দার বিধানের আওয়াতায় আনতে পারবেন না। এরজন্য হিসবাহ বিভাগের কার্যক্রমের মত দাওয়াহ, ইসলাহ, সতর্ক করার মত কাজগুলো প্রয়োজন। দরকার মানুষকে আরো প্রস্তুত করা। কিন্তু আপনি ইসলামের নামে যা ইচ্ছে তা বলতে পারেন না।
আপনি যেটা করছেন, সেটা যে ইসলাম না- এই বোধ ও স্বীকৃতি আপনার মাঝে থাকতে হবে। মানুষকে ইসলামের ব্যাপারে ভুল ইনফরমেশন দেয়ার কি দরকার। ইসলাম যেটা বলেনি, মানুষকে ইসলামের রেফারেন্সে সেটা বলা মহা অন্যায়। এটা জুলুম ও বিকৃতি।
~~~ফেসবুক থেকে সংগৃহীত~~~