Announcement

Collapse
No announcement yet.

ভোট ও নির্বাচন : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও শারয়ি দৃষ্টিভঙ্গি || পর্ব-৪

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ভোট ও নির্বাচন : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও শারয়ি দৃষ্টিভঙ্গি || পর্ব-৪

    ভোট ও নির্বাচন : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও শারয়ি দৃষ্টিভঙ্গি

    পর্ব-৪


    নির্বাচন ও ভোটে অংশগ্রহণের সপক্ষে উপস্থাপিত দলিলের ব্যবচ্ছেদ

    গণতন্ত্র কুফরি ব্যবস্থা—এ বিষয়ে প্রায় সকল আলিমের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। তবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নিয়তে ভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কুফরি কি না—এ বিষয়ে উলামায়ে কিরামের মাঝে দুটি মত পরিলক্ষিত হয়।

    একদল উলামায়ে কিরামের মত হলো—এটিও কুফরই হবে। কারণ শরয়ি অনুমোদন ছাড়া কেবল ভালো নিয়তের ভিত্তিতে কোনো কুফরি কথা বা কর্ম বৈধ হয়ে যায় না। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয় যে, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ইচ্ছামতো আইন প্রণয়ন করতে পারবে। পাশাপাশি বিদ্যমান কুফরি সংবিধানকে সম্মান ও মান্যযোগ্য বিধান হিসেবে স্বীকার করতে হয়, তার ওপর শপথ নিতে হয় এবং বাহ্যিকভাবে হলেও পুরো ব্যবস্থাকে সমর্থন জানাতে হয়। সুতরাং শরয়ি ইকরাহ (প্রাণ বা অঙ্গহানির নিশ্চিত বা প্রবল আশঙ্কাজনিত বাধ্যতা) ছাড়া এতে অংশগ্রহণ কোনোভাবেই অনুমোদিত নয়।

    অন্যদিকে দ্বিতীয় একদল উলামায়ে কিরামের মত হলো—শর্তসাপেক্ষে এতে অংশগ্রহণ অনুমোদিত হতে পারে। শর্ত হলো: গণতন্ত্রের কুফরি বিষয়গুলো অস্বীকার করা, আল্লাহর হাকিমিয়্যাহ ও সার্বভৌমত্ব স্বীকার করা, গণতন্ত্র নয় বরং ইসলাম প্রতিষ্ঠার নিয়ত থাকা এবং বিকল্প কোনো পথ না থাকা। তবে এ মতের পক্ষে ফতোয়া থাকলেও এ বিষয়ে সুসংহত ও গবেষণাভিত্তিক রচনা খুব বেশি পাওয়া যায় না।
    তাদের আলোচনায় মূলত দুটি মূলনীতির ওপর নির্ভর করা হয়েছে। প্রথমটি হলো—

    الضَّرُورَاتُ تُبِيحُ الْمَحْظُورَاتِ

    ‘একান্ত প্রয়োজন শারিয়াহ-নিষিদ্ধ কাজসমূহকে বৈধ করে দেয়।’

    [ফাতহুল কাদির : ৪/৩৪৮, প্রকাশনী : দারুল ফিকর, বৈরুত]


    এ মূলনীতির ভিত্তিতে তারা বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও ভোটপ্রদান যদিও মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ, তবে বর্তমান বাস্তবতায় এটিই নাকি ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ এবং এতে মুসলিমদের বহু কল্যাণ জড়িত। তাই জরুরতের কারণে এটি বৈধ বলে বিবেচিত হবে—যেমন জরুরি অবস্থায় জান বাঁচানোর জন্য শূকরের গোশত খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    আমাদের জবাব : মূলনীতি ও উদাহরণ উভয়ই সঠিক; কিন্তু এর প্রয়োগে গুরুতর ভুল করা হয়েছে। এই মূলনীতির প্রয়োগিক ক্ষেত্রে ফুকাহায়ে কিরাম অত্যন্ত কঠোর শর্তারোপ করেছেন। শরিয়তে সব প্রয়োজনকে ‘জরুরত’ হিসেবে গণ্য করা হয় না এবং সব জরুরতে একই ধরনের ছাড়ও নেই। যদি যেকোনো প্রয়োজনেই নিষিদ্ধ কাজ বৈধ হয়ে যেত, তাহলে প্রাণ বাঁচানোর প্রয়োজনে অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করাও বৈধ হয়ে যেত। অথচ ফুকাহায়ে কিরাম স্পষ্টভাবে বলেছেন—নিজে নিহত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করার অনুমতি নেই। এতে বোঝা যায়, জরুরত মানেই সর্বক্ষেত্রে বৈধতা নয়; বরং জরুরতের ধরন অনুযায়ী বিধান ভিন্ন হয়ে থাকে।

    জরুরতের সীমা : ফিকহি দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো পরিস্থিতিকে ‘জরুরত’ বলতে হলে নিম্নোক্ত শর্তগুলো থাকতে হবে—

    1. নিশ্চিত বা প্রবল আশঙ্কা থাকতে হবে—কল্পনা বা দুর্বল ধারণা নয়।

    2. ক্ষতিটি হতে হবে মৌলিক স্বার্থে (দ্বীন, জীবন, অঙ্গ, আক্‌ল, নাস্‌ল)।

    3. বৈধ বিকল্প কোনো পথ থাকতে পারবে না।

    4. ছাড়টি হবে জরুরতের পরিমাণ অনুযায়ী ও পরিমাণগতভাবে সীমিত—

    5. কুফরি বিষয়ে ছাড় কেবলমাত্র শরয়ি ইকরাহ (প্রাণ বা অঙ্গহানির নিশ্চিত/প্রবল আশঙ্কা) ব্যতীত নেই।

    [বিস্তারিত দেখুন, আল-আশবাহ ওয়ান-নাযায়ির, ইবনু নুজাইম : ১/৭৩-৭৪, প্রকাশনী : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত; আল-মুওয়াফাকাত, শাতিবি : ১/৩১, প্রকাশনী : দারু ইবনি আফফান, কায়রো]

    এখানে আমাদের মূল বিবেচ্য বিষয় হলো—গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে শরিয়তের দৃষ্টিতে জরুরতের সীমা কোথায় এবং কী পরিমাণ ছাড় রয়েছে। আমরা পূর্বেই প্রমাণসহ উল্লেখ করেছি যে, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোটপ্রদান কুফরি কর্ম। সুতরাং জানতে হবে—কোন পরিস্থিতিতে শরিয়ত কুফরি কথা বা কাজের অনুমতি দেয়।

    ফিকহের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থসমূহ পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয় যে, কুফরি কথা বা কাজের অনুমতি কেবল শরয়ি ইকরাহ-এর ক্ষেত্রে দেওয়া হয়েছে। ইকরাহ বলতে বোঝায়—আদেশ অমান্য করলে প্রাণহানি বা অঙ্গহানির নিশ্চিত বা প্রবল আশঙ্কা থাকা। শুধু মারধর, জেল-জুলুম বা ক্ষতির ভয় থাকলে কুফরি কথা বা কাজে লিপ্ত হওয়ার অনুমতি নেই। আর ইকরাহের ক্ষেত্রেও শর্ত হলো—অন্তরে ঈমান অটুট থাকতে হবে; বাহ্যিকভাবে বাধ্য হয়ে কুফর প্রকাশের অনুমতি থাকলেও অন্তরের বিশ্বাসে কোনো আপস করা যাবে না।

    ইমাম বুরহানুদ্দিন মারগিনানি রাহিমাহুল্লাহ বলেন :
    (
    وَإِنْ أُكْرِهَ عَلَى الْكُفْرِ بِاَللَّهِ تَعَالَى وَالْعِيَاذُ بِاَللَّهِ أَوْ سَبِّ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بِقَيْدٍ أَوْ حَبْسٍ أَوْ ضَرْبٍ لَمْ يَكُنْ ذَلِكَ إكْرَاهًا حَتَّى يُكْرَهَ بِأَمْرٍيَخَافُ مِنْهُ عَلَى نَفْسِهِ أَوْ عَلَى عُضْوٍ مِنْ أَعْضَائِهِ) لِأَنَّ الْإِكْرَاهَ بِهَذِهِ الْأَشْيَاءِ لَيْسَ بِإِكْرَاهٍ فِي شُرْبِ الْخَمْرِ لِمَا مَرَّ، فَفِي الْكُفْرِ وَحُرْمَتُهُ أَشَدُّ أَوْلَى وَأَحْرَى. قَالَ (وَإِذَا خَافَ عَلَى ذَلِكَ وَسِعَهُ أَنْ يُظْهِرَ مَا أَمَرُوهُ بِهِ وَيُوَرِّي، فَإِنْ أَظْهَرَ ذَلِكَ وَقَلْبُهُ مُطْمَئِنٌّ بِالْإِيمَانِ فَلَا إثْمَ عَلَيْهِ)... (فَإِنْ صَبَرَ حَتَّى قُتِلَ وَلَمْ يُظْهِرْ الْكُفْرَ كَانَ مَأْجُورًا).


    ‘আর যদি বন্দিত্ব, গ্রেফতারি বা প্রহারের ভয় দেখিয়ে কাউকে আল্লাহর সাথে কুফরি করতে -আল্লাহর পানাহ- কিংবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে গালি দিতে বলপ্রয়োগ করা হয় তাহলে সেটা (শারয়ি) ইকরাহ বা বাধ্যকরণ বলে গণ্য হবে না; যতক্ষণ না তাকে এমনভাবে বলপ্রয়োগ করা হয়, যার কারণে তার প্রাণহানি বা কোনো অঙ্গহানির আশঙ্কা থাকে। কেননা, (বন্দিত্ব, গ্রেফতারি বা প্রহার) এসবের ভয় দেখিয়ে মদপানের জন্য বলপ্রয়োগ করা হলে সেটা (শারয়ি) ইকরাহ বা বাধ্যকরণ বলে বিবেচিত হয় না। এর কারণ পূর্বে গত হয়েছে।

    তাহলে কুফরের নিষেধাজ্ঞা যেখানে (মদপানের নিষেধাজ্ঞার চেয়ে) আরও অধিক কঠিন, সেখানে তো এসবের ভয় দেখিয়ে বলপ্রয়োগ করা হলে সেটা (শারয়ি) ইকরাহ বা বাধ্যকরণ বলে বিবেচিত না হওয়াটা আরও উত্তমভাবে প্রমাণিত হবে। গ্রন্থকার (ইমাম বুরহানুদ্দিন মারগিনানি রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আর যখন কেউ নিজের ব্যাপারে এমন (প্রাণহানি বা অঙ্গহানির) আশঙ্কা করবে তখন তার জন্য এ অবকাশ আছে যে, তারা তাকে যে (কুফরির) আদেশ করেছে তা (বাহ্যিকভাবে মুখে বা কর্মে) প্রকাশ করবে এবং তাওরিয়া (কথা বা কাজে একরকম আর অন্তরে ভিন্নরকম উদ্দেশ্য লালন) করবে।

    সুতরাং সে যদি (বাহ্যিকভাবে মুখে বা কর্মে) কুফরি প্রকাশ করে, যে অবস্থায় তার অন্তর ইমান-বিশ্বাসে পরিপূর্ণ অটল, তাহলে এতে তার কোনা গুনাহ হবে না। .....আর যদি সে (কুফরি করার জন্য বাধ্য হওয়ার পরও তা প্রত্যাখ্যান করে) ধৈর্য ধারণ করে, এমনকি তাকে হত্যা করে ফেলা হয়, তবুও সে (মুখে বা কর্মে বাহ্যিকভাবে হলেও) কুফরি প্রকাশ করেনি, তাহলে সে (আল্লাহর নিকট) প্রতিদানপ্রাপ্ত হবে।’ [আল-হিদায়াহ : ৩/২৭৪, প্রকাশনী : দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত]

    আর প্রাণহানি বা অঙ্গহানির এ আশঙ্কা অনুমাননির্ভর বা ধারণাপ্রসূত হলে হবে না; বরং নিশ্চিত বা কমপক্ষে প্রবল ধারণা থাকতে হবে যে, আদেশমতো কুফরি না করলে সত্যিসত্যিই তাকে প্রাণে প্রাণে মেরে ফেলা হবে কিংবা তার কোনো অঙ্গ নষ্ট করে দেওয়া হবে। যেমন আল্লামা আবু বকর আয-যাবিদি রাহিমাহুল্লাহ বলেন :

    قَوْلُهُ (فَإِذَا خَافَ ذَلِكَ وَسِعَهُ أَنْ يُظْهِرَ مَا أَمَرُوهُ بِهِ) إذَا غَلَبَ عَلَى ظَنِّهِ أَنَّهُمْ فَاعِلُوهُ


    ‘গ্রন্থকারের উক্তি “আর যখন কেউ নিজের ব্যাপারে এমন (প্রাণহানি বা অঙ্গহানির) আশঙ্কা করবে তখন তার জন্য এ অবকাশ আছে যে, তারা তাকে যে (কুফরির) আদেশ করেছে তা (বাহ্যিকভাবে মুখে বা কর্মে) প্রকাশ করবে।” এটা তখনই করা যাবে, যখন তার প্রবল ধারণা হবে যে, তারা সত্যিসত্যিই এমনটা করবে।’ [আল-জাওহারাতুন নাইয়ারাহ : ২/২৫৫, প্রকাশনী : আল-মাতবাআতুল খাইরিয়্যাহ, কায়রো]

    সুতরাং প্রাণহানি বা অঙ্গহানির ব্যাপারে নিশ্চিত বা প্রবল আশঙ্কা ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে কুফরি করার অনুমতি নেই। যেমন আল্লামা আব্দুর রহমান শাইখিযাদাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন :
    (وَلَا رُخْصَةَ) عَلَى إجْرَاءِ الْكُفْرِ عَلَى اللِّسَانِ (بِغَيْرِهِمَا) أَيْ بِغَيْرِ الْقَتْلِ وَالْقَطْعِ؛ لِأَنَّ غَيْرَهُمَا لَيْسَ بِمُلْجِئٍ.


    ‘আর জবানে কুফরি বাক্য বলার কোনো অনুমতি নেই এই দুই অবস্থা ব্যতীত। অর্থাৎ প্রাণহানি বা অঙ্গহানির আশঙ্কা ব্যতীত। কেননা, এ দুটি ছাড়া অন্যান্য অবস্থা চূড়ান্ত পর্যায়ের বাধ্যকারী নয়।’ [মাজমাউল আনহুর : ২/৪৩৩, প্রকাশনী : দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত]

    এখন চিন্তা করে দেখুন, কুফরি কর্মকাণ্ড অনুমোদিত হওয়ার জন্য শরিয়তে যে ইকরাহ বা বাধ্যতার শর্তারোপ করেছে, তা কি গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও তাতে ভোট দেওয়ার মধ্যে পাওয়া যায়। নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে এবং ভোট না দিলে কি কাউকে হত্যা বা অঙ্গ নষ্ট করার বাস্তবিক হুমকি আছে?

    ব্যতিক্রম কোথাও থাকলে এবং হুমকি সত্যিই সিরিয়াস পর্যায়ের হয়ে থাকেলে সেক্ষেত্রে শারয়ি মূলনীতির আলোকে জরুরতের ভিত্তিতে অবশ্যই গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও তাতে ভোট দেওয়ার মতো কুফরি কর্মকাণ্ড করার অনুমতি আছে। যদিও এমন ঘটনা সচরাচর তেমন কোথাও শোনা যায় না বললেই চলে। বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও ঘটলে সেটার বিধান অবশ্যই ব্যতিক্রম হবে। কিন্তু আমভাবে যখন এমন শারয়ি ইকরাহ বা বাধ্যবাধকতা কোথাও পাওয়া যায় না তখন ব্যাপকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং তাতে ভোটদান করার অনুমতি দেওয়া হয় শরিয়তের কোন মূলনীতির আলোকে?

    শারয়ি ইকরাহ না থাকলে যেখানে কুফরি কথা উচ্চারণ করাই অনুমোদিত নয়, সেখানে কুফরি কাজে গণহারে অংশগ্রহণ করা, সেটকে প্রতিষ্ঠিত করা, কুফরি নিযামের অংশ হওয়া এবং তাগুতদের মানহাজকে শক্তিশালী করা কীভাবে অনুমোদিত হবে? উপরে বর্ণিত শারয়ি মূলনীতিটি বুঝে থাকলে আশা করি বিষয়টি সবার সামনে স্পষ্ট হয়েছে।


    ​​চলবে ইনশাআল্লাহ

    ✍️
    Collected‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬‬​
    ​​​
    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

  • #2
    ভোট ও নির্বাচন : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও শারয়ি দৃষ্টিভঙ্গি || পর্ব-১
    https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...6%AC-%E0%A7%A7


    ভোট ও নির্বাচন : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও শারয়ি দৃষ্টিভঙ্গি || পর্ব-২
    https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...6%AC-%E0%A7%A8


    ভোট ও নির্বাচন : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও শারয়ি দৃষ্টিভঙ্গি || পর্ব-৩
    https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...6%AC-%E0%A7%A9
    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

    Comment

    Working...
    X