Announcement

Collapse
No announcement yet.

ইসলামি রীতিতে নওমুসলিমের লাশ দাফনে প্রশাসনের টালবাহানা

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ইসলামি রীতিতে নওমুসলিমের লাশ দাফনে প্রশাসনের টালবাহানা

    ইসলামি রীতিতে নওমুসলিমের লাশ দাফনে প্রশাসনের টালবাহানা


    ছবি: নওমুসলিম আহমাদ।


    গত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে একজন নওমুসলিমের লাশ আটকে আছে চট্রগ্রাম পুলিশের কাছে। নিহত এই নওমুসলিমের নাম আহমাদ। দুই বছর আগে ইসলামের সত্যতা অনুধাবন করতে পেরে শায়েখ হারুন ইজহার সাহেবের কাছে সেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি। এরপর থেকে তিনি প্রকৃত মুসলিম হিসেবে জীবন-যাপন করে আসছিলেন।

    গত ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রামে এক মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় তিনি নিহত হন। খবর পেয়ে তার মা ও তার পরিবারের সদস্যরা তাঁর লাশ নেয়ার জন্য আসে। অপরদিকে নওমুসলিম আহমাদের বন্ধুরা জানায়, মৃত্যুর আগে আহমাদ ওয়াসিয়াত করেছেন যে, তাঁর লাশকে যেন ইসলামি রীতি মোতাবেক জানাযা ও দাফন-কাফন করা হয়।

    এতে আহমাদের পরিবারের সদস্যা তাঁর লাশ নেওয়ার জন্য একটি নাটক সাজায় যে, তারা আহমাদের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে কিছুই জানে না। এতে আহমাদের বন্ধুরা আহমাদের মুসলিম হওয়ার এফিডেভিট পত্র প্রদর্শন করে।



    কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনাটির পর থেকেই এক হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তা আহমাদের লাশ নিয়ে টালবাহানা শুরু করে। নানা যুক্তিতর্ক প্রদান করে সে আহমাদের বন্ধুদের জানায় যে, ঐ এফিডেভিট (হলফনামা) পত্র অগ্রহণযোগ্য। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে, হিন্দু ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বেশ্বর সিংহ লাশের পরিচয় সনাক্তের জন্য দায়িত্ব প্রদান করে ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) স্নেহাংশু বিকাশ সরকারের কাছে।

    গত ১৩ মার্চ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। কিন্তু এত দীর্ঘ সময় পার হলেও এই পুলিশ কর্মকর্তা লাশের তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করেনি। উল্টো তদন্তের জন্য আরও সময় চেয়ে আবেদন করেছে।

    এমন ঘটনা নতুন নয়। ২০২১ সালের ১৪ জুন, খাগড়াছড়িতে নুসরাত জাহান নামে এক নওমুসলিম নারীর লাশ চিতায় পোড়ানো হয়েছে। এর আগে টেকনাফের একজন চাকমা মেয়ে লাকিংমে ইসলাম গ্রহণ করে হালিমাতুস সাদিয়া নাম গ্রহণ করে। এরপর তিনি মারা গেলে প্রশাসন তাঁর লাশও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

    একজন মুসলিমদের লাশ ইসলামি রীতিতে জানাযা ও দাফন-কাফন হবে, এটি তাঁর ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় অধিকার। তবে বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হওয়া সত্বেও এ বিষয়ে প্রশাসন ইসলামি বিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করছে।



    তথ্যসূত্র:
    ——–
    ১। লাশটি দাফন হবে নাকি ওঠবে চিতায়
    https://tinyurl.com/4pt4b9ds
    ২। সড়ক দুর্ঘটনায় নওমুসলিমের মৃত্যু, দাফন নিয়ে পরিবারের সঙ্গে বিরোধ
    https://tinyurl.com/mwdb57ra
    ৩। পাহাড়ে আতংক – মুসলিম হলে খুন; খ্রিস্টান হলে অর্থ ও সেবা
    https://tinyurl.com/4cdj6uy7

    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    প্রশাসন হল ইসলামের শত্রু।তাই তাকে শত্রু হিসেবেই গণ্য করতে হবে।
    পৃথিবীর রঙ্গে রঙ্গিন না হয়ে পৃথিবীকে আখেরাতের রঙ্গে রাঙ্গাই।

    Comment


    • #3
      আমদের দেশ এখন হিন্দুত্ববাদীদের দখলে চলে গেছে এই সত্য বুঝতে পারলে ইসলাম ফিরিয়ে আনা সহজ হবে ইনশাল্লাহ
      فَقَاتِلُوْۤا اَوْلِيَآءَ الشَّيْطٰنِ

      Comment

      Working...
      X