Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ#| ০১ যিলক্বদ, ১৪৪৪ হিজরী।। ২২ মে, ২০২৩ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ#| ০১ যিলক্বদ, ১৪৪৪ হিজরী।। ২২ মে, ২০২৩ ঈসায়ী

    ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ প্রভাব: কাশ্মীরী ছাত্রদের উপর রড দিয়ে হামলা




    জম্মুর গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে (জিএমসি) প্রোপাগান্ডামূলক দ্য কেরালা স্টোরি সিনেমা নিয়ে অভিযোগ করায় একটি গ্রুপ লোহার রড দিয়ে হামলা চালিয়ে একদল কাশ্মীরী ছাত্রকে আহত করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ মে সোমবার সকালে।জম্মু ও কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা জিএমসি জম্মু থেকে দুঃখজনক হামলার খবর পেয়েছি।

    জানতে পেরেছি যে কেরালা স্টোরি ইস্যুতে হামলার ফলে একদল কাশ্মীরি ছাত্র আহত হয়েছেন। তাদের উপর লোহার রড দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় ১ ছাত্র গুরুতর জখম হয়েছেন। লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করায় ১২ টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীরের ছাত্ররা দ্য কেরালা স্টোরি মুভি নিয়ে আলোচনার সময় করা কিছু মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছিল।

    এদিকে জম্মুর এসএসপি, চন্দন কোহলি এক বিবৃতিতে বলেছে যে জম্মুর জিএমসি হোস্টেলে কিছু ছাত্র এবং বহিরাগতদের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করার কথা জানালেও এখনো হামলাকারীদের আটক করেনি।

    উল্লেখ্য, ভারতে ক্রমবর্ধমান ইসলামোফোবিয়া এবং ইসলাম বিদ্বেষী জিঘাংসা ও অস্থিরতা দিনদিন তীব্র আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মুভিটি মুক্তির পর যেভাবে মুসলিমদের উপর সহিংসতা হয়েছিল, সেভাবে ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
    মনগড়া তথ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক আগুন ছড়ানো সিনেমার মাধ্যমে সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছে। হিন্দুত্ববাদীদের অতৃপ্ত তৃষ্ণা মেটাতে নির্দোষ মুসলিমদের রক্ত ​​ঝরানো হচ্ছে।

    তথ্যসূত্র:
    —–
    1/ The Kerala Story: Kashmiri students beaten up in Jammu after altercation over movie
    https://tinyurl.com/2p8h98s8






    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    ‘থুক জিহাদের’ অভিযোগে দিল্লিতে জুসের দোকানে বজরং দলের হানা



    বজরং দলের সদস্যরা এক হিন্দু দোকানের মালিক রাজু তার দোকানটি প্রাক্তন নামে রেখে একজন মুসলিম জুস বিক্রেতার কাছে ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে।
    দিল্লির নাজফগড়ে জুসের দোকানের মালিক রাজু, তার দোকান, ‘রাজু জুস অ্যান্ড শেকস’, মুহাম্মদ জায়েদকে ভাড়া দেয়, যিনি ব্যানারের নীচে দোকানটি চালান।

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জাফরান স্কার্ফ পরিহিত বজরং দলের হিন্দুত্ববাদী সদস্যরা হিন্দু নামের ব্যানারে একজন মুসলিম ব্যক্তি দ্বারা পরিচালিত দোকানের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    দোকানটি মোহাম্মদ জায়েদ নামে একজন চালাচ্ছেন তা দেখে তারা আপত্তি জানায় এবং মালিক রাজুকে দোকানের নাম পরিবর্তন করে ‘হিন্দু নামের’ পরিবর্তে ‘মুসলিম নাম’ রাখতে বলে। “দোকানের চালক যদি মুসলিম হয় তাহলে নেমপ্লেটে হিন্দু নাম কেন লেখা আছে?”
    তখন দোকান মালিক জানান যে নামটি ভাড়া নেওয়ার আগে থেকেই ছিল। “নাম যে কোনো হতে পারে। তাতে সমস্যা কি..?”

    হিন্দুত্ববাদীরা তখন মালিককে বলেছে, দোকানটি যে চালাচ্ছেন তার নামে রাখতে হবে। হিন্দু নাম দেবেন না, বিভ্রান্তি তৈরি করবেন না। কারণ মুসলিমরা থুক জিহাদ এবং অন্যান্য অনুরূপ জিনিস চালায়।

    বজরং দলের লোকেরা তখন মালিককে দোকান হিন্দু লোককে ভাড়া দিতে বলে। তারা বলে সেই হিন্দুকে ভাড়া দিতে, “যে হিন্দু জুস তৈরি করতে পারে। মুসলিমরা জুসে থুতু দিতে পারে, এবং হিন্দুরা তা পান করবে। কেউ জানে না, তারা এতে থুথু থেকে খারাপ কিছু বা এতে প্রস্রাব দিতে পারে। হিন্দুদের পুরুষত্বহীন করার জন্য ওষুধ দিতে পারে।

    ‘লাভ জিহাদ’-এর মতো ‘থুক জিহাদ’ (থুতু জিহাদ) হল একটি হিন্দুত্ববাদী ষড়যন্ত্র তত্ত্ব যা মুসলিম সম্প্রদায়কে অর্থনৈতিক প্রান্তিকতার দিকে ঠেলে দেওয়ার প্রয়াসে তৈরি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ‘লাভ জিহাদ’-এর মতো ‘থুক জিহাদ’ ‘ল্যান্ড জিহাদ’ এগুলোর শেষে জিহাদ শব্দ থাকলেও এগুলো ইসলামি শরিয়তের কোন বিধান বা পরিভাষা নয়। এগুলোর সাথে মুসলিমদের কোন সম্পর্ক নেই। হিন্দুরা মুসলিমদের হয়রানি করতে কাল্পনিক যুক্তিতে এগুলোকে মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।

    তথ্যসূত্র:
    ——
    1/ ‘Thook jihad’: Bajrang Dal creates ruckus at Muslim run juice shop in Delhi
    https://tinyurl.com/mv7hxda2

    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      নবীজিকে (ﷺ) নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট ও ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ কুপ্রভাব




      মহারাষ্ট্র পুলিশের প্রতিনিধি চিত্র। ছবি: পিটিআই


      মহারাষ্ট্রের আকোলায় নবী (ﷺ) ও মুসলিমদের নিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি আপত্তিকর পোস্ট করে ‘ছত্রপতি সেনা’ নামক উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর নেতা করণ সাহু। আপত্তিকর ইনস্টাগ্রাম পোস্টের প্রতিবাদ করায় মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে উগ্র হিন্দুরা। বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্টে ঘটনাটিকে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত প্রোপাগান্ডামূলক চলচ্চিত্র দ্য কেরালা স্টোরিকে দায়ী করা হয়েছে। এ ছবিটিতে কেরালা নিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

      ১৩ মে, শনিবার গভীর রাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই সহিংসতায় এক পথচারীর মৃত্যু হয় এবং আরও অনেকে আহত হয়। এরপর থেকে পুলিশ ২৮ জনেরও বেশি যুবককে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের।

      জেলা প্রশাসন ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC)-এর ১৪৪ ধারা জারি করেছে – যা একটি এলাকায় চার বা তার বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে। রবিবার (১৪ মে) সকাল থেকে ইন্টারনেট পরিষেবাও ৪৮ ঘণ্টার জন্য বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

      সহিংসতার সূত্রপাত হয় আকোলা ‘ছত্রপতি সেনা’ নামক উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীটির নেতা করণ সাহুর একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে সাহুর ব্যাপক ফলোয়ার রয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায় এবং নবীকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্টটি ইনস্টাগ্রামে আপলোডের কিছুক্ষণের মধ্যেই হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট পড়ে। এবং তার অনুসারীরা তাদের হ্যান্ডেলগুলিতেও এটি শেয়ার করা শুরু করে। রাতের দিকে ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকের কাছে পৌঁছেছিল এবং মুসলিম নেতারা কাছাকাছি রামদাসপেঠ থানায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

      “ইশার নামাজে শেষ করে অনেক মুসলিম পোস্টটি নিয়ে কথা বলে, এবং থানায় রওয়ানা দেয়। রওয়ানাকারীদের মাঝে একজন স্থানীয় মুসলিম জানান, ‘ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আমাদের নবীকে অবমাননা করা হয়েছে, সাথে মুসলমানদের টার্গেট করার কথা জানানো হয়েছে। পুরো পোস্টটি উস্কানিমূলক ছিল এবং আমাদের অনুভূতিতে আঘাত করার অভিপ্রায়ে পোস্ট করা হয়েছে।’

      অনেক আশা নিয়ে মুসলিমরা থানায় যাওয়ার পর পুলিশ তাদের অভিযোগ আমলে নিতে অস্বীকার করে। ফলে পরিস্থিতি কিছুটা ঘোলাটে হতে থাকে।

      “কিছুক্ষণের মধ্যেই হিন্দু কুচক্রীমহল মুসলিমদের থানায় যাওয়া ঘটনাকে বিকৃত করে গুজব রটায়। যে মুসলিমরা হামলা চালানোর জন্য মন্দিরে প্রবেশ করেছে। জেলা পরিষদের সদস্য দ্বীনেশ্বর সুলতান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটলেও, এটি হিন্দুদের মধ্যে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এবং পার্শ্ববর্তী গলিতে একমাত্র মসজিদে প্রবেশ করে হামলা চালায়।

      পথচারীর মৃত্যুর কারণ

      হিন্দুদের হামলায় বিলাস গায়কওয়াড় নামে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। তাকে মুসলিম সন্দেহে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, দলিত সম্প্রদায়ের অন্তর্গত গায়কওয়াড় একটি অটোরিকশা চালাচ্ছিল। যখন হিন্দু জনতা তাকে আক্রমণ করে, তখন “তিনি বারবার জনতাকে বলতে থাকেন যে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের নন। কিন্তু কোন কিছুই বিক্ষুব্ধ হিন্দু জনতাকে থামাতে পারেননি। অন্য একজন বলেছেন যে, হিন্দুরা তার পরিচয় ভুল করার কারণ হল তার অটোরিকশাটিতে “কেজিএন” লেখা ছিল। কেজিএন মানে খাজা গরীব নওয়াজ ওরফে খাজা মঈনুদ্দিন চিস্তি, যিনি একজন সম্মানিত মুসলিম বুযূর্গ ছিলেন। যাকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই শ্রদ্ধা করে।

      তথ্যসূত্র:
      ——-
      1/ One Dead, Several Injured in Communal Violence in Maharashtra’s Akola Over Instagram Post (The Wire)
      https://tinyurl.com/4psf7hfb

      আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ইয়া রব, মুসলিমদের হেফাজত করুন ।

        Comment


        • #5
          উল্লেখ্য, ‘লাভ জিহাদ’-এর মতো ‘থুক জিহাদ’ ‘ল্যান্ড জিহাদ’ এগুলোর শেষে জিহাদ শব্দ থাকলেও এগুলো ইসলামি শরিয়তের কোন বিধান বা পরিভাষা নয়। এগুলোর সাথে মুসলিমদের কোন সম্পর্ক নেই। হিন্দুরা মুসলিমদের হয়রানি করতে কাল্পনিক যুক্তিতে এগুলোকে মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।
          লা'নাতুল্ল-হি আলাইহিম ওয়াল মালাইকাতি ওয়ান নাসি আজমাইন।

          অনেক অনেক জাযা-কুমুল্ল-হু খইরন আহসানাল জাযা আলফিরদাউস মিডিয়া বৃন্দ।
          Last edited by Rakibul Hassan; 05-26-2023, 07:37 AM.
          হয় শাহাদাহ নাহয় বিজয়।

          Comment

          Working...
          X