Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ#| ১৭ রবিউল আখির, ১৪৪৫ হিজরী।। ০২ নভেম্বর, ২০২৩ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ#| ১৭ রবিউল আখির, ১৪৪৫ হিজরী।। ০২ নভেম্বর, ২০২৩ ঈসায়ী

    পাকিস্তান থেকে বিতাড়িত শরণার্থীদের পুনর্বাসনে তালিবানের জোর প্রস্তুতি



    গত প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে একের পর এক ভয়াবহ যুদ্ধে বিধ্বস্ত একটি দেশ আফগানিস্তান। যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে অনেক আফগান নাগরিক পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি পাকিস্তান প্রশাসন এই আফগান শরণার্থীদের প্রতি চরম বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ শুরু করেছে। আফগানিস্তানসহ সকল দেশের শরণার্থীদেরকে পাকিস্তান ত্যাগ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। গত ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে পাকিস্তান ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানের এমন আচরণ ইসলামি ভ্রাতৃত্ববোধের আদর্শের বিপরীত, আর এটি ভালো প্রতিবেশীসুলভ আচরণও নয়।

    পাকিস্তানের এমন অমানবিক আচরণের কারণে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেন আফগান শরণার্থীরা। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই মানবেতর অবস্থায় আফগানিস্তানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন হাজার হাজার শরণার্থী।

    বর্তমানে আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতায় রয়েছেন ইমারতে ইসলামিয়ার তালিবান প্রশাসন। পশ্চিমা দেশগুলো আফগানিস্তানের উপর নানা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, তালিবান প্রশাসনকে এখনও স্বীকৃতি দেয়নি কোনো দেশ, উপরোন্তু আফগানদের রিজার্ভের অর্থও আটকে রেখেছে আমেরিকা। এমন প্রতিকূল পরিবেশেও ইমারতে ইসলামিয়া সরকার পাকিস্তান কর্তৃক বিতাড়িত আফগান শরণার্থীদের জন্য নিজেদের উজাড় করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। শরণার্থীদের জন্য যথাসম্ভব প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করবে বলে জানিয়েছে তালিবান প্রশাসন।

    শরণার্থীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে আমিরুল মুমিনীন শাইখ হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদাহ হাফিজাহুল্লাহ-এর নির্দেশক্রমে একটি কমিশনও ইতোমধ্যে গঠন করা হয়েছে। তুরখাম এবং স্পিন বলদাক সীমান্ত এলাকায় এই কমিশন শরণার্থীদের সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

    কান্দাহার প্রদেশের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা প্রত্যাবর্তনকারী আফগান শরণার্থীদের জন্য জরুরিভিত্তিতে ক্যাম্প তৈরি করছেন। এছাড়া ওষুধ, খাদ্য, নগদ অর্থ এবং পরিবহনের মতো মৌলিক প্রয়োজনগুলো শরণার্থীদের প্রদান করছেন ইমারতে ইসলামিয়া কর্তৃপক্ষ।

    ইমারতে ইসলামিয়ার জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডা. শারাফাত জামান বলেছেন, তুরখাম সীমান্তে আফগান শরণার্থীদের সেবা প্রদানে ব্যস্ত রয়েছেন কয়েক ডজন স্বাস্থ্য কর্মী। দ্রুতই সেখানে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম এবং সরঞ্জামাদিও পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ইমারতে ইসলামিয়ার সহকারী মুখপাত্র বিলাল কারিমি বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুভমেন্ট ব্রিগেড কমান্ড ছোট বড় শত শত বাহন, জেনারেটর, পানির ট্যাংকার, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পাঠানো অব্যাহত রেখেছেন।

    এদিকে, ইমারতে ইসলামিয়া সরকার বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী আফগান শরণার্থীদের বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্র জারি করেছেন। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, গত ৪৫ বছর ধরে আফগানরা বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ ও আগ্রাসনের কারণে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন এবং দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। আফগানদের উপর এমন পরিস্থিতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বর্তমানে এই আফগান শরণার্থীরা বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, আশ্রয় নেওয়া দেশ থেকে তাদের বিতাড়িত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ইমারতে ইসলামিয়া সরকার কিছু বিষয় স্পষ্ট করেছেন তাদের ঘোষণাপত্রে। ঘোষণাপত্রে বলা হয় –

    ১. সর্বপ্রথম আমরা সেসব দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই যারা গত ৪০ বছর আফগানদেরকে তাদের দেশে জায়গা দিয়েছেন। এখন আমরা আবারও তাদেরকে আহ্বান জানাই, আফগানদেরকে কোনোরকম পূর্ব-প্রস্তুতিহীন অবস্থাতে আপনাদের দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করবেন না। তাদেরকে বরং পর্যাপ্ত সময় দিন। দেশগুলোর উচিত ভালো প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করা, ইসলামি ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক আবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া।

    ২. আফগানরা ঐ দেশগুলোতে নিরাপত্তা সমস্যা সৃষ্টি করেনি। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতেও আফগানরা জড়িত নন।

    ৩. আমরা চাই প্রতিবেশী দেশগুলো ইসলামি ভ্রাতৃত্ববোধের মূলনীতি মাথায় রেখে আফগান শরণার্থীদের সাথে ভালো আচরণ করুক।

    ৪. যেসব দেশ আফগান শরণার্থীদেরকে তাদের দেশত্যাগে বাধ্য করছে, সেই দেশগুলো থেকে আফগানরা স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের সময় নিজেদের সাথে যে পণ্য, অর্থ এবং অন্যান্য মালামাল বহন করে আনছে এগুলো তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং তাদের অধিকার। এক্ষেত্রে এগুলো রেখে আসার বা তাদের উপর কোনো অন্যায় ও অন্যায্য শর্তারোপ করার অধিকার কারো নেই।

    ৫. সাম্প্রতিক সমস্যাবলির কারণে যেসকল আফগান অন্য দেশ থেকে বাধ্য হয়ে নিজ দেশে ফিরে আসছেন, তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীসহ সকল আফগানদের দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা উচিত। আর ফিরে আসা শরণার্থীদের স্থানান্তর, বাসস্থান, আশ্রয়, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোতে সবার হাত প্রসারিত করা উচিত।

    ৬. ইমারতে ইসলামিয়া বর্তমানে আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতায় আছেন। সরকার হিসেবে তারা পুরো দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন এবং আফগানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ কায়েম রেখেছেন। তাই ইমারতে ইসলামিয়ার কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে প্রত্যাবর্তনকারী শরণার্থীদেরকে আন্তরিকতার সাথে সম্ভাব্য সকল উপায়ে সাহায্য করতে।

    ৭. বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত প্রত্যাবর্তনকারী ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও শিল্পপতিদেরকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া।

    ৮. যেসব আফগান নাগরিক রাজনৈতিক কারণে দেশ ত্যাগ করেছেন, তাদেরকে আমরা দেশে ফিরে শান্তিতে বসবাস করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।

    আফগান জাতি এবং ইমারতে ইসলামিয়া সরকার স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকারী আফগান অভিবাসীদেরকে সাদরে গ্রহণ করে নিতে প্রস্তুত বলেও জানানো হয়েছে ইমারতে ইসলামিয়ার এই বিবৃতিতে। দেশে ফিরে আফগানিস্তানের উন্নয়নে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান তাঁরা। আর আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ এবং বিশেষত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদেরকে নিজেদের প্রত্যাবর্তনকারী অভিবাসী ভাই-বোনদেরকে সাহায্যের জন্য মাঠে নেমে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইমারতে ইসলামিয়া সরকার।





    তথ্যসূত্র:

    1. Facilitation of returning refugees underway in Spin Boldak, Torkham
    https://tinyurl.com/2cmpa38u
    2. Declaration of the Islamic Emirate on Afghan Refugees in Pakistan and Other Countries
    https://tinyurl.com/mryr9dub
    3. Arms of the homeland open for returning refugees
    https://tinyurl.com/ye6ukab4

    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    ভারতে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোয় আটক ৪



    গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলকে যে সকল দেশ প্রকাশ্য সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, উপমহাদেশের ইসরায়েল খ্যাত হিন্দুত্ববাদী ভারত তাদের মধ্যে অন্যতম। দেশটির বিভিন্ন জায়গায় ইসরায়েলের সমর্থনে মিছিল করছে হিন্দুত্ববাদীরা। তবে মুসলিমদের মধ্যে কেউ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সমর্থন প্রকাশ করলেই শিকার হতে হচ্ছে জেল জরিমানার।

    ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে মিছিল করায় অসংখ্য মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকার। তবে গ্রেফতারের সবচেয়ে প্রকাশ্য ঘটনাটি ঘটেছে কলতাকার ইডেন গার্ডেন ক্রিকেট মাঠে। বিশ্বকাপের বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন একদল দর্শক গ্যালারিতে ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন। বিষয়টি ক্রিকেট পরিচালনা সংস্থা আইসিসির নজরে আসতেই কয়েকজন এসে দর্শকদের কাছে থাকা ফিলিস্তিনের পতাকা কেঁড়ে নেয়। পরবর্তীতে মাইদান থানা পুলিশ এই ঘটনার জেরে ৪ জনকে গ্রেফতার করে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় যে, ঐ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    মূল ঘটনা জানা গিয়েছে যে, বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন কয়েকজন দর্শক। গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন দর্শকের হাতে দেখা যায় ফিলিস্তিনের পতাকা। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের হাতে ছিল আবার বাংলাদেশের পতাকাও। দুই পতাকাই দীর্ঘক্ষণ ধরে তারা হাতে ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    এথেকে অনেককেই ধারণা করছেন যে, আটককৃত ব্যক্তিরা বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে থাকতে পারন। তবে মাইদান থানা পুলিশ জানিয়েছে যে, আটককৃতরা সকলেই বাল্লে, ইকবালপুর ও কারায়া থানার বাসিন্দা।

    কোলকাতা পুলিশ জানিয়েছে যে, আটককৃতরা গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ গ্যালারিতে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছেন।


    তথ্যসূত্র:

    1. Kolkata: 4 Detained for Waving Palestinian Flag During Pak-Bangladesh Match, Let off Later
    https://tinyurl.com/mwc6zf2d
    2. ইডেনে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোয় গ্রেপ্তার ৪
    https://tinyurl.com/362mm8fx

    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3

      ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের জবাবি আক্রমণ ও মানবতার প্রশান্তি


      ফিলিস্তিনি মুসলিমদের উপর টানা ৩ সপ্তাহ নির্বিচার বোমা বর্ষণ করে হাজার হাজার মুসলিমকে হতাহত করার পর গাজায় স্থল অভিযান শুরু করেছিল দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। তবে উম্মাহর হাজারো প্রাণ ঝরে যাওয়ার কষ্টের মাঝে কিছুটা প্রশান্তির পরশ হয়ে এসেছে এই খবর যে, স্থল অভিযানের প্রথম দিকে ইসরায়েলই বাহিনী প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। কাসসাম ব্রিগেড ও ইসলামি জিহাদের মুজাহিদরা আগ্রাসি বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন।

      মুজাহিদদের প্রতিরোধমূলক আক্রমণে ইসরায়েলি বাহিনীর কমপক্ষে ১৩ জন সৈন্য নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে আরও অনেক।

      এদিকে কাসসাম ব্রিগেডের মুজাহিদগণ তাদের অভিযানের একটি ভিডিওতে দেখিয়েছেন যে, ড্রোনের মাধ্যমে তারা ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর একটি ইনফ্যান্ট্রি ইউনিটের উপর বোমা বর্ষণ করেছেন। এরপর খালি চোখে অন্তত ৪-৫ জন দখলদার সৈনিককে মাটিতে লুটিয়ে পরতে দেখা যায়, বাকিরা আশেপাশে দৌড়ে পালাতে থাকে।
      সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।





      আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় দুইটি পৃথক অভিযানে ইয়াসিন-১০৫ নামে পরিচিত আরপিজি দিয়ে যায়তউন এলাকার পূর্বদিকে ইসরায়েলি শত্রুদের দুইটি ট্যাংক ধ্বংস করে দিয়েছেন মুজাহিদগণ।

      প্রথম অভিযানে এক বা একাধিক মুজাহিদ একটি টানেল দিয়ে এসে একটি ইসরায়েলি এপিসি লক্ষ্য করে আরপিজি দিয়ে রকেট নিক্ষেপ করেন, সেটি সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এপিসিটির উপর বিস্ফোরণ হয়ে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এই এপিসি তে থাকা ১০ জন সৈন্যে হতাহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা যাচ্ছে।

      আরো একটি অভিযানে একটি বাগানের মধ্যে ইসরায়েলি ট্যাংক লক্ষ্য করে ইয়াসিন-১০৫ লঞ্চার দিয়ে রকেট নিক্ষেপ করে ট্যাংককে ধ্বংস করে দেন মুজাহিদরা। এছাড়া টানেলের মুখে আরেকটি সামরিক যান যেটি একটি ট্যাংক হতে পারে, সেটিও ধ্বংস করেন মুজাহিদরা।






      উত্তর ও মধ্য গাজার সীমান্তেও ইসরায়েলি বাহিনীর অগ্রযাত্রা রুখে দেওয়ার দাবি করেছে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুজাহিদগণ।

      দখলদার বাহিনী নির্বিচারে বোমা মারার পর স্থল অভিযানের মাধ্যমে দ্রুত গাজা দখলে নেওয়ার দুরভিসন্ধি নিয়েই হয়তো এগুচ্ছিল। তবে মুজাহিদদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হয়।



      তথ্যসূত্র:

      1. Al-Qassam Brigades Clash With IDF on Northern Border of Gaza Strip
      https://tinyurl.com/3z5rz45h
      2. Gaza Conflict Intensifies with Al-Qassam Brigades Ambush
      https://tinyurl.com/yc3ajc6k
      3. Hamas military wing publish scenes of it throwing a bomb using a UAV on an Israeli infantry unit near Beit Hanoun
      https://tinyurl.com/bdcssmpj

      আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মাদরাসা খোলা রাখলেই জরিমানা প্রতিদিন ১০ হাজার!


        ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন রাজ্যের মাদরাসা শিক্ষার উপর কঠোরতা আরোপের অংশ হিসেবে বেশকিছু মাদরাসাকে হয় বন্ধ নাহয় দৈনিক ১০ হাজার রুপি জরিমানা প্রদানের আদেশ জারি করেছে। ইতিমধ্যে ‘রাজ্য সরকারের অনুমতি না নিয়ে স্থাপিত’ মাদরাসা বন্ধের অংশ হিসেবে মুজাফফরনগরে ১২ টি মাদ্রাসাকে এই নোটিশ প্রেরণ করেছে মুজাফফরনগর জেলা প্রশাসন।

        যে মাদরাসাগুলোতে বেশিরভাগ ছাত্রকে বিনা খরচে পড়ানো হয়, সেই ধরনের ১২ টি মাদরাসাকে দেওয়া হয়েছে প্রতিদিন ১০ হাজার রুপি জরিমানা দেওয়ার নোটিশ! অযৌক্তিক এই নির্দেশনাটি রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। ভারতীয় একটি জাতীয় দৈনিক মুজফ্ফরনগর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শুভম শুক্লাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, ব্লক শিক্ষা কর্মকর্তা এই নোটিশ ইস্যু করেছে।

        ইসলামবিদ্বেষী ও কট্টর হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচিত যোগী আদিত্যনাথ বরাবরই ইসলামি শিক্ষার প্রতি বিরুপ মনোভাবাপন্ন, যেটি সে তার বক্তব্য-বিবৃতির মাঝে প্রায়ই প্রকাশ করে। রাজ্যের মাদ্রাসায় বিদেশি ফান্ড আসছে কি না সেটা খতিয়ে দেখার নাম করে একটি স্পেশাল ইনভেসটিগেশন টিম তৈরি করেছিল তার সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় মুজাফফরনগর জেলা প্রশাসন তাদের ভাষায় ‘উপযুক্ত কাগজপত্রহীন’ ১০০ টি মাদরাসার সন্ধান পেয়েছে। তার মধ্যে থেকেই ১২ টি মাদরাসাকে নোটিশ পাঠিয়ে বলা হয়েছে যে, ৩ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ না করলে প্রতিদিন ১০,০০০ রুপি করে জরিমানা দিতে হবে।

        অথচ মাদরাসাগুলোকে এরকম অযৌক্তিক নোটিশ পাঠানোর কোন আইনি এখতিয়ার জেলা প্রশাসনের আছে কি না, সেটা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে।
        ইউপি বোর্ড অফ মাদ্রাসা এডুকেশনের চেয়ারম্যান ইফতিকার আহমেদ জাভেদ জানিয়েছেন, “মাদ্রাসার ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারোর নেই। শিক্ষা দফতরেরও নেই। কেবলমাত্র সংখ্যালঘু দফতরের এই অধিকার রয়েছে।”

        এবিষয়ে জামিয়াতে উলামায়ে হিন্দের উত্তরপ্রদেশের সেক্রেটারি জাকির হোসেন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “এই ধরনের নোটিশ পাঠিয়ে আসলে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে। একাধিক মাদ্রাসায় এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাদেরকে তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে নথিপত্র দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর যারা দিতে পারবেন না তাদেরকে প্রতিদিন ১০,০০০ টাকা করে জরিমানার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এটা কি আদৌ সম্ভব?”

        সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশ রাজ্যে প্রায় ২৪ হাজার মাদরাসা রয়েছে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে ১৬ হাজার মাদরাসা। বাকি ৮ হাজার মাদরাসাকেই ধীরে ধীরে এই ১২ টি মাদরাসার মতো পরিণতি ভোগ করতে হয় কি না, এটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।


        তথ্যসূত্র:

        1. Unregistered madrasas in Uttar Pradesh to be penalised Rs 10,000 per day
        https://tinyurl.com/cfas3cec
        2. UP’s unregistered madrasas have to pay Rs 10,000 fine per day, says education dept
        https://tinyurl.com/29e7apaw
        3. Madrassa: মাদ্রাসার অনুমোদন নেই? প্রতিদিন ১০,০০০ টাকা করে জরিমানা, যোগী রাজ্যে কড়া ফরমান
        https://tinyurl.com/bdd32wrx

        আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ‘নিরপরাধ সাধারণ ফিলিস্তিনি বলতে কিছু নেই’- মার্কিন কংগ্রেসম্যান



          ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক মার্কিন কংগ্রেসম্যান ব্রায়ান ম্যাস্ট


          গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর কয়েকদিন পর ইসরায়েলের রাষ্ট্রপতি বলেছিল যে, গাজায় নিরীহ কোন বাসিন্দা নেই, যারা আছে সবাই সন্ত্রাসী। এবার তার সুরে সুর মিলিয়ে একই ধরণের মন্তব্য করেছে ফ্লোরিডা থেকে নির্বাচিত এক মার্কিন কংগ্রেসম্যান।

          রিপাবলিকান দলের সদস্য ব্রায়ান ম্যাস্ট নামের ঐ কংগ্রেসম্যান বলেছে যে, ‘আমি মনে করি নিরপরাধ সাধারণ ফিলিস্তিনি কথাটা আমাদের এতো হালকাভাবে বারবার ব্যবহার করা উচিৎ নয়।’
          সে আরও বলেছে যে, নিরীহ সাধারণ ফিলিস্তিনি কথাটা নাকি ‘নিরীহ নাৎসি সদস্য’ কথার নামান্তর।

          নিরপরাধ ফিলিস্তিনি নাগরিক বলতে কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেছে সে। কেননা, তার মতে, নিরীহ সাধারণ ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা খুবই কম।
          পার্লামেন্ট হাউসে দাঁড়িয়ে গতকাল ১ নভেম্বর নিজের বক্তব্যে এই কথা বলে মার্কিন কংগ্রেসের এই সদস্য।

          গত অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাকে এমন মন্তব্য করতেও শোনা গিয়েছে যে, ফিলিস্তিনি শিশুদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রদান করা হয়। মার্কিন টিভি চ্যানেলগুলোতে ইসরায়েলের পক্ষে তার সরব উপস্থিতিও চোখে পরার মতো।

          ব্রায়ান ম্যাস্ট ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেছে সে। গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর পর ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন প্রকাশে এমনকি পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটাল হিলে ইসরায়েলি আর্মির পোশাক পরে উপস্থিত হয়েছে এই ব্রায়ান ম্যাস্ট।

          ইসরায়েল যখন গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে নির্বিচার বিমান হামলা চালিয়ে কয়েকশত সাধারণ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করলো, তার ঠিক এক দিন পরেই দখলদার ইসরায়েলের পক্ষে এমন মন্তব্য করলো মার্কিন এই আইনপ্রণেতা।

          ইসরায়েল লাগাতার যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করে যেতে থাকার পরেও ব্রায়ান ম্যাস্টের এধরণের মন্তব্য এবং ইসরায়েলের পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ আমেরিকার রাজনীতিতে জায়নবাদ তথা ইসরায়েলের প্রভাব কতোটা গভীরে তা স্পষ্ট করে।





          তথ্যসূত্র:

          1. GOP Rep. Brian Mast: There Are Very Few “Innocent Palestinian Civilians,” You Wouldn’t Say “Innocent Nazi Civilians”
          https://tinyurl.com/2tbft9p4
          2. Rep. Mast: Palestinians are educated to be terrorists
          https://tinyurl.com/2satcdrt
          3. Israeli President Says There Are No Innocent Civilians in Gaza, All Palestinians ‘Responsible’ For Hamas Attack
          https://tinyurl.com/yersb5ec
          4. Main source, Aljazeera
          https://tinyurl.com/8aadx8s9

          আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ইহুদীরা আমেরিকা, জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ পদে সুকৌশলে প্রবেশ করে রয়েছে। তাই সব শক্তি ইহুদিরা নিজের পক্ষে ব্যবহার করতে পারছে।
            পৃথিবীর রঙ্গে রঙ্গিন না হয়ে পৃথিবীকে আখেরাতের রঙ্গে রাঙ্গাই।

            Comment


            • #7
              ‘নিরপরাধ সাধারণ ফিলিস্তিনি বলতে কিছু নেই’- মার্কিন কংগ্রেসম্যান
              কুফফাররা যখনই মুসলিম ভূমিতে আগ্রাসন চালিয়েছে, কেউই নিরপরাধ, বেসামরিক, নারী, শিশু কিছুরই বাছবিচার করে নাই।

              Comment

              Working...
              X