Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ#| ০৯ শাবান, ১৪৪৫ হিজরী।। ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ#| ০৯ শাবান, ১৪৪৫ হিজরী।। ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ঈসায়ী

    দেইর আল বালাহ তে ইসরায়েলি বিমান হামলায় বহু বেসামরিকের মৃত্যু



    গত রবিবার (ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৪) মধ্য গাজা উপত্যকায় বিশেষ করে দেইর আল-বালাহ শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলা চালিয়েছে। ফলে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী,গাজা উপত্যকার কেন্দ্রে অবস্থিত আল বালাহ শহরের একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বোমা হামলায় মহিলা সহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।

    ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান প্রতিবেশী নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও বিমান হামলা চালিয়েছে। ফলে সেখানেও অনেক বেসামরিক লোকজন আহত হয়েছে।

    এরই মাঝে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী নিকটবর্তী শহর আল-জাওয়াইদাতে হামাদ পরিবারের একটি বাসভবনকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। সেখানে তিন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

    এছাড়াও, ইসরায়েলি নৌযানগুলি দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় অবস্থিত রাফাহ উপকূলের দিকে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে।

    ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুসারে ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে ২৮,৮৫৮জনের প্রাণহানি হয়েছে এবং আরো ৬৮,৬৭৭ জন আহত হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Multiple civilian casualties in Israeli airstrikes on Deir el-Balah
    http://tinyurl.com/2cfd3v6e

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    নওমুসলিম দম্পতিকে হিন্দুদের হয়রানি, নিন্দা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম



    চট্রগ্রামে নওমুসলিম দম্পতিকে অপমান এবং আদালত প্রাঙ্গণে হিন্দুত্ববাদী স্লোগান দিয়েছে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এই ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

    সে সঙ্গে নওমুসলিম দম্পতিকে সকল ধরনের আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত করে তাদের স্বাধীন, স্বাভাবিক এবং নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সরকারের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় সংগঠনটি।

    সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) হেফাজতের প্রচার সম্পাদক মুফতি কিফায়াতুল্লাহ আজহারী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা-প্রতিবাদ ও দাবি জানানো হয়।

    বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান বলেন, ‘ইসলামের ছায়াতলে সদ্য প্রবেশকারী নওমুসলিম ভাই ইব্রাহীম ওমর এবং নওমুসলিমা বোন জান্নাতুল ইসলামকে হিন্দুত্ববাদী লোকজন কর্তৃক কোর্ট প্রাঙ্গণে টেনেহিঁচড়ে লাঞ্ছিত করে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান তোলার ঘটনায় আমরা যারপরনাই বিস্মিত ও হতবাক হয়েছি। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    তারা আরো বলেন, কয়েক বছর আগেই আদালতের মাধ্যমে নওমুসলিম ভাই ইব্রাহিম ওমর এবং নওমুসলিমা বোন জান্নাতুল ইসলাম (স্নেহা) মুসলিম হয়েছেন। তারা দেশের প্রচলিত আইন মেনে ও শরীয়ত সম্মতভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তাদের সাংসারিক জীবন প্রায় দুই বছরের বেশি। কিন্তু গত কয়েকদিন পূর্বে নওমুসলিমা বোনের (হিন্দু) মায়ের করা একটি অপহরণ মামলায় নওমুসলিম ভাইকে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে এবং বোনকে উদ্ধার দেখিয়ে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করে। আদালত নওমুসলিমা বোনের জবানবন্দীর ভিত্তিতে তাকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেয়।

    পরবর্তী সময়ে আদালতের সকল কার্যক্রম শেষে যখন নওমুসলিমা বোনকে কোর্ট কাস্টডি থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তখন হিন্দুত্ববাদীরা তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু নওমুসলিমা বোন কোনোভাবেই তাদের সাথে যেতে চাচ্ছিলেন না। তখন আদালত প্রাঙ্গণে থাকা মুসলিম ভাইদের প্রতিবাদের মুখে হিন্দুরা পিছু হটলেও বোনকে নিরাপদে বের করার কোনো উপায় তাদের ছিলো না। এ অবস্থায় নওমুসলিমদের পক্ষের এডভোকেট নওমুসলিমা বোনটিকে তাদের হাত থেকে রক্ষার জন্য আবারো কোর্ট কাস্টডিতে ঢুকিয়ে ফেলেন।

    হেফাজত নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সে সময় হিন্দুত্ববাদীরা জয় শ্রীরাম সহ বিভিন্ন উগ্র স্লোগান দিতে থাকলে মুসলিম ভাইয়েরাও আল্লাহু আকবর ধ্বনি উচ্চারণের মাধ্যমে তাদের জবাব দেয়। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনকে বারবার পুলিশ প্রটোকল দিয়ে নওমুসলিমা বোন যেখানে যেতে চায় সেখানে পৌঁছিয়ে দিতে বললেও হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে কোর্ট কর্তৃপক্ষ বোনটিকে নিরাপদ কাস্টডিতে রাখতে বাধ্য হয়।

    হেফাজতে ইসলাম বলে, বাংলাদেশের সংবিধান কোন নাগরিককে ধর্মান্তরিত হতে বাধা দেয় না। যে দুজন মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তারা প্রাপ্তবয়স্ক পরিণত জ্ঞানের অধিকারী। তারা স্বজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তাদেরকে জোরপূর্বক অন্য কোনো ধর্মে ফিরিয়ে নেওয়া সুস্পষ্ট আইনের লঙ্ঘন। একটি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার এভাবে হরণ করার অধিকার কারও নেই।

    হেফাজত নেতৃদ্বয় আরো বলেন, নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলমানদের কটাক্ষ করে যে উগ্রবাদী ভঙ্গিতে স্লোগান দেওয়া হয়েছে, সেটি কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করে নেওয়ার মতো নয়। উগ্রবাদী কোনো গোষ্ঠী যদি সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার মাধ্যমে আদালতকে প্রভাবিত করে নওমুসলিম এ দম্পতিকে হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য কোনো অপচেষ্টা চালায়, তাহলে অবশ্যই হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কঠোর হস্তে তার মোকাবেলা করবে।

    অনতিবিলম্বে নওমুসলিম এ দম্পতিকে সকল ধরনের আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত করে তাদের স্বাধীন, স্বাভাবিক এবং নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনাকাঙ্খিত এই জঘন্য ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানায় হেফাযত ইসলাম।


    তথ্যসূত্র:
    ১. চট্রগ্রামে নওমুসলিম দম্পতির অপমানের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি হেফাজতের – http://tinyurl.com/5995rk79

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আল্লাহ্‌ তাআলা সারা বিশ্বের সকল স্থানের নিপীড়িত মুসলিম উম্মাহকে সাহায্য করুন, আমীন

      Comment

      Working...
      X