Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ ।। ০৩ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ০৪ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ ।। ০৩ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ০৪ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    পশ্চিম তীরে আরও একটি শরণার্থী শিবির ভেঙে ফেলেছে দখলদার ইসরায়েল

    চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে উত্তর পশ্চিম তীরের শহর জেনিনের শরণার্থী শিবিরে অভিযান শুরু করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অংশ নেয় শত শত দখলদার সৈন্য, তারা বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙে এবং রাস্তা খুঁড়ে শিবিরের প্রায় সব বাসিন্দাকে তাড়িয়ে দেয়। এরই অংশ হিসেবে এবার পশ্চিম তীরের নূর শামস শরণার্থী শিবিরের ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলেছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা।

    বাসিন্দারা বলছেন, ইসরায়েলি বুলডোজারগুলো নূর শামস শরণার্থী শিবিরের ঘরবাড়ি ভেঙে সেই এলাকার মধ্য দিয়ে একটি প্রশস্ত রাস্তা তৈরী করছে। যাতে সহজেই সামরিক যানবাহনগুলোকে প্রবেশ করানো যায়। পশ্চিম তীরে ছয় সপ্তাহ ধরে চলা বর্বর এই অভিযানের ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

    নূর শামস শিবির পরিষেবা কমিটির প্রধান নিহাদ আল-শাউইশ জানিয়েছেন, প্রায় ১৩ হাজার জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় কেউই মূল শিবিরের ভিতরে অবশিষ্ট নাই। তিনি বলেন, শিবিরে প্রায় ৩ হাজার লোক অবশিষ্ট ছিল। এখন তারা সবাই চলে গেছে। এখনও কিছু লোক বাইরের দিকে রয়েছে কিন্তু শিবিরে কেউ অবশিষ্ট নেই।

    সন্ত্রাসী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জেনিনে এবং এর শরণার্থী শিবিরের পাশাপাশি তুলকারেম ও নুর শামস শরণার্থী শিবিরসহ পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সপ্তাহব্যাপী বড় আকারের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। যার ফলে হাজার হাজার লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    গত জানুয়ারিতে পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আগ্রাসন শুরু করে সন্ত্রাসী ইসরায়েল। দখলদাররা ফিলিস্তিনি ওই অঞ্চলটিতে শত শত সৈন্য ও বুলডোজার মোতায়েন করেছে। এগুলো দিয়ে শরণার্থী শিবিরের বাড়িঘর ধ্বংস করা হচ্ছে, বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ।

    ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা-ইউএনআরডাব্লুএ জানিয়েছে, পশ্চিম তীরজুড়ে বাড়িঘর ধ্বংস এবং শরণার্থী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি সেনারা। এ সময় বহু ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে এবং কমপক্ষে ৪০ হাজার লোক বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।



    তথ্যসূত্র:
    1. Israel clears another refugee camp as squeeze on West Bank tightens
    https://tinyurl.com/utny66z5

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত


    যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির লঙ্ঘন করে ৩ মার্চ, সোমবার দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী গাজার দক্ষিণাঞ্চলে দুই ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এ সময় আরও ৩ জন আহত হয়। গাজার চিকিৎসাকর্মীরা হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দখলদার ইসরায়েল পুরোপুরি অবরোধ আরোপ করায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আশঙ্কা বাড়ছে যে, যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়তে পারে। বার্তা সংস্থা আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

    আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে ড্রোন হামলায় দু’জন নিহত হয়েছে। এছাড়া খান ইউনিসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও তিন জন আহত হয় বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

    গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই ২ মার্চ, রবিবার থেকে গাজাজুড়ে হামলা বাড়িয়েছে দখলদার ইসরায়েল। রবিবারও গাজা উপত্যকায় একই ধরনের ইসরায়েলি হামলায় চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে অস্বীকার করার পর গাজায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশও স্থগিত করেছে ইহুদিবাদী সরকার।

    প্রসঙ্গত, গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৮,৩৮৮ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে এবং ১১১,৮০৩ জন আহত হয়েছেন। সরকারের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে যে, গুঁড়িয়ে যাওয়া ভবনের নিচে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন, যাদের অনেকেই মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. LIVE: Israel kills two in Gaza, Trump envoy to return to Middle East
    https://tinyurl.com/3x8c8h7y
    2.Israeli fire kills two Palestinians in Gaza amid impasse over ceasefire
    https://tinyurl.com/zwf5r7ss
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      গাজায় ৯০০ বারের বেশি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে দখলদার ইসরায়েল

      ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ৯০০ বারেরও বেশি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে। এসব হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হয়েছেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

      গাজার মিডিয়া অফিসের মহাপরিচালক ইসমাইল আল-থাওয়াবতা বলেন, ‘এই লঙ্ঘনগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান ও গোলাবর্ষণ হামলা, ব্যাপক ড্রোন তৎপরতা, মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা, সাধারণ নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা।’

      তিনি আরও জানান, ইসরায়েল গাজায় জ্বালানি প্রবেশে বাধা দিয়েছে, উদ্ধারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় গাড়ি ও ভারী যন্ত্রপাতি আটকে দিয়েছে এবং ২ লাখ ৬০ হাজার তাঁবু ও অস্থায়ী আবাসন সরঞ্জাম প্রবেশেও বাধা দিয়েছে।

      আল-থাওয়াবতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগ করে।

      গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬ জনে পৌঁছেছে এবং অন্তত ৪৯০ জন আহত হয়েছেন।

      এদিকে, ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ০২ মার্চ, রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে ইসরায়েল ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি করছে।

      তারা ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘মানবিক সহায়তাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বাড়ানো এবং তাদের ওপর গণহত্যামূলক নীতি প্রয়োগ করা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’

      তবে গাজায় ত্রাণ প্রবেশে ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে দেশটির ভেতরেও সমালোচনা বাড়ছে। বন্দিদের পরিবারের পাশাপাশি রাজনীতিবিদরাও এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়াইর গোলান বলেছে, ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি সরকার যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ ও বন্দি বিনিময় আলোচনা থেকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে।



      তথ্যসূত্র:
      1. Israel violated ceasefire more than 900 times since 19 January, says Gaza govt. media office
      https://tinyurl.com/tae4mb7m
      2.Israel violated Gaza ceasefire over 900 times
      https://tinyurl.com/529ccu8t

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        কাশ্মীরে আরও চার মুসলিমের সম্পত্তি জব্দ করল ভারতীয় পুলিশ


        হিন্দুত্ববাদী ভারত কর্তৃক দখলীকৃত কাশ্মীরে ধারাবাহিক দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। এবার তারা আরও চার কাশ্মীরি মুসলিমের সম্পত্তি জব্দ করেছে।

        গত ৩ মার্চ কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিজেপি মনোনীত লেফটেন্যান্ট গভর্নর মিনহাজ সিনহার নির্দেশে ভারতীয় পুলিশ পুঞ্চ জেলায় এসব স্থানীয় মুসলিমদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে।

        স্থানীয় আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এসব সম্পত্তির বিক্রি, লিজ বা অন্য কোনো লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের আওতাধীন পুলিশ বা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এই সম্পত্তিগুলো এখন আর ব্যবহার করা যাবে না।

        এর আগে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিজেপি সরকার পাঁচ কাশ্মীরির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল। এছাড়াও গত ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখে ভারতীয় পুলিশ শোপিয়ান জেলার এক মুসলিমের দুই তলা বাড়ি অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এর আওতায় জব্দ করে।

        ২০১৯ সালের আগস্টে ভারত সরকার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকে কাশ্মীরিদের শত শত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এই অভিযান চালানো হচ্ছে, যা কাশ্মীরিদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রচেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে।


        তথ্যসূত্র:
        1. BJP regime attaches properties of four more Kashmiris in IIOJK
        https://tinyurl.com/2484cd6s
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          গুমের প্রতিটি ঘটনা হাসিনার নির্দেশেই হয়েছে: গুম কমিশনের প্রধান



          গুমের প্রতিটি ঘটনা শেখ হাসিনার নির্দেশে হয়েছে বলে জানিয়েছেন গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।

          মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

          গুম কমিশনের সদস্য নূর খান সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ লাইনের ভেতরে কারাগারের মতো গোপন বন্দিশালা তৈরি করে রাখা হয়েছিল। যেটি একেবারেই এবসার্ড একটা ব্যাপার। সেটি আমরা বগুড়ায় পেয়েছি। আমাদের ধারণা অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের বন্দিশালা আরও পাব।

          এসব বন্দিশালা গত ১৫ বছরে করা হয়েছে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নূর খান বলেন, এগুলো গত ১৫ বছরের মধ্যেই বানানো হয়েছে। সম্ভবত গত ১০-১২ বছরের মতো। এখানে বিভিন্ন জেলা থেকে বন্দিদের এনে রাখা হতো, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করা হতো এবং এখান থেকেও অনেকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে।


          তথ্যসূত্র:
          ১. ‘গুমের প্রতিটি ঘটনা শেখ হাসিনার নির্দেশেই হয়েছে’
          https://tinyurl.com/y67rz9y6
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ভারতের কারাগারে আটক ১০৬৭ জনের ঠিকানাসহ তালিকা পেয়েছে গুম কমিশন


            গত দুই-আড়াই বছরে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক ১০৬৭ বাংলাদেশির নাম ঠিকানাসহ একটি তালিকা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক মইনুল ইসলাম চৌধুরী।

            মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

            মইনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের নাম ঠিকানাসহ একটি তালিকা পাওয়া গেছে । আরও তথ্য পাওয়া গেলে কমিশনে পাঠানো হবে মর্মে লিখিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তালিকায় গুমের শিকার কোনো ব্যক্তির নাম আছে কি না তার অনুসন্ধান চলমান।

            তিনি বলেন, পুলিশ ও বিজিবির পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। তবে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ নামের গুমের শিকার ব্যক্তিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর বর্ডার দিয়ে পুশইন করা হয়েছে মর্মে আমরা অবগত আছি। এ বিষয়ে কমিশনের অনুসন্ধান চলমান আছে।


            তথ্যসূত্র:
            ১. ভারতে আটক বাংলাদেশিদের তালিকা পাওয়া গেছে : গুম কমিশনের সভাপতি
            https://tinyurl.com/2rcu23k7

            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত সুজনের শরীরের ৩০০টি স্প্লিন্টার; অর্থভাবে চিকিৎসা বন্ধ, খোঁজ নেয়নি কেউ


              বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে প্রায় ৩০০ স্প্লিন্টার শরীরে নিয়ে কীভাবে বেঁচে আছি, কেউ খোঁজ নেয় না। প্রায় সাত মাস হয়ে গেল জীবনটা দুর্বিষহ হয়ে গেছে। চিকিৎসা তো দূরের কথা, খেয়ে না খেয়ে যে পরিবার নিয়ে কোনোমতে দিন পার করছি, দেখার কেউ নেই বলে গণমাধ্যমের কাছে আক্ষেপ করছিলেন জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে অংশ নেওয়া আহত সুজন (৪৪)।

              সুজন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার আকালু গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছেলে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি ছিলেন তিনিই। ঢাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে আহত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকায় পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছেন তিনি। ঘরে নিয়মিত চুলা জ্বলে না। আত্মীয়দের সাহায্য-সহযোগিতায় খেয়ে না খেয়ে কোনোমতে দিন পার হচ্ছে তার। অর্থাভাবে চিকিৎসাও হচ্ছে না। তার প্যারালাইসড মায়ের অবস্থা আরও শোচনীয়। তিন সন্তানের পড়ালেখাও বন্ধের পথে।

              গণমাধ্যমকে সুজন বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে অন্যদিনের মতো ৫ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে বাড্ডা থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করি। সকাল ১০টার দিকে পুলিশ আমাদের লক্ষ্য করে একতরফা গুলি বর্ষণ শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশের ছোঁড়া ২শ ৯৬টি স্প্লিন্টার আমার শরীরে লাগে। আমি অচেতন অবস্থায় দেয়ালের পাশে পড়ে থাকি। পরের দিন সকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার জ্ঞান ফিরে। আমার শরীরে এখনও প্রায় ৩শ স্প্লিন্টার রয়েছে। আমি চলাফেরা করতে পারি না। ক্রাচের মাধ্যমে হাঁটলেও ব্যাথা বেড়ে যায়, শরীর ফুলে শক্ত হয়। খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। কেউ খোঁজ নেয় না।

              সুজনের স্ত্রী নূপুর বলেন, ‘আমার স্বামী আহত হওয়ার পর থেকে সংসারে কোনো আয় নেই। বর্তমানে আমার শ্বশুর বাড়ি এলাকায় খেয়ে না খেয়ে জীবন পার করছি। এমনও দিন যাচ্ছে চুলায় আগুন জ্বলে না। আমার ৩ সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’

              নূপুর আরও বলেন, ‘আমার স্বামীসহ প্যারালাইসড শাশুড়ির খাবার-ওষুধও যোগাড় করতে পারছি না। সম্পদ বলতে বাড়ির মাত্র ৩ শতাংশ জায়গা। সেখানে জরাজীর্ণ ১৬ হাতের কাঁচা ঘরে শাশুড়ি, আমরা স্বামী-স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে খুব করুণ অবস্থায় থাকি। মেরামতের অভাবে ঘরটিও যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।’


              তথ্যসূত্র:
              ১. ‘শরীরে ৩০০ স্প্লিন্টার নিয়ে কীভাবে বেঁচে আছি, কেউ খোঁজ নেয় না’
              -https://tinyurl.com/swraht42
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                কারাগারে জামাই আদরে আওয়ামী নেতারা; অবৈধভাবে বাইরে থেকে রান্না করা খাবার খাচ্ছে


                ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর হিসাবে পরিচিত ভিআইপি বন্দিদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে-এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, কারা কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে বন্দিদের আরাম-আয়েশে রাখার ব্যবস্থা করছে। জেল কোড ভেঙে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দিচ্ছে। অবৈধভাবে বাইরে থেকে রান্না করা খাবার প্রবেশ করানো হচ্ছে কারা অভ্যন্তরে। বিশেষ করে সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, শাহজাহান খান এবং পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বাসা থেকে রান্না করা খাবার নির্বিঘ্নে কারাগারে ঢুকেছে জেলারের সহযোগিতায়। এ ঘটনায় দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া কারাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অনেক অভিযোগ।

                গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, জেলার একেএম মাসুমের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হলেন কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল মামুন এবং কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার সর্বোত্তম দেওয়ান। ৪ ফেব্রুয়ারি গঠিত এ কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয় ডিআইজি (প্রিজন্স) জাহাঙ্গীর কবির। কিন্তু সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত তদন্ত কমিটি তাদের সরেজমিন কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

                ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছে প্রায় ৯ হাজার। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে সাবানের জন্য প্রতিমাসে ৫০ টাকা করে বরাদ্দ আছে। বরাদ্দ রয়েছে হারপিক। দেওয়ার কথা ৫০ গ্রাম করে সরিসার তেল। জামিনপ্রাপ্ত গরিব বন্দিদের যাতায়াত ভাতাও কারা কর্তৃপক্ষের দেওয়ার কথা। কিন্তু এসব না দিয়ে এ সংক্রান্ত মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বন্দিদের জরুরি সেবার জন্য যে পিকআপ রয়েছে, তা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি স্থাপনার ভেতর গাছপালা কাটতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু অনুমতি না নিয়ে সম্প্রতি কারা কম্পাউন্ডের ভেতর আগুন জ্বালিয়ে অনেক গাছপালা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এতে বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি পুড়ে যায়। এ কারণে ঝুঁকিতে পড়েছে বন্দিরা। তাদের মধ্যে বিরাজ করছে আগুন আতঙ্ক।

                গণমাধ্যমের বরাতে আরও জানা যায়, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের তুলনামূলক ভালো ওয়ার্ড-সূর্যমুখী, বনফুল, শাপলায় ‘জামাই আদরে’ রাখা হয়েছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় আসামিদের টাকাপয়সা জমা রাখা হয় পার্সেস কার্ডের (সিপি) মাধ্যমে। কিন্তু জামিন হওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রেই ওই টাকা ফেরত দেওয়া হয় না। এক্ষেত্রেও মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করা হয়। কারাবিধি অনুযায়ী, মোবাইল ফোনে বন্দিরা সপ্তাহে একবার সর্বোচ্চ ১০ মিনিট কথা বলতে পারেন স্বজনদের সঙ্গে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এ নিয়ম মানা হচ্ছে না। অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে বন্দিরা কথা বলছেন যখন-তখন। এ কক্ষে প্রতি মিনিট ১০০-২০০ টাকাও নেওয়া হচ্ছে বলে কারা অভ্যন্তরের সূত্র জানিয়েছে।

                সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নানা কাজে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতাদের টাকা তুলতে হয় ব্যাংক থেকে। এক্ষেত্রে বাইরে থেকে লোক মারফত চেক সই করিয়ে নেওয়ার বিনিময়ে চলছে রীতিমতো বাণিজ্য। কেবল তাই নয়, এইচটি ইমামের ছেলে তানভির ইমাম, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, নাসা গ্রুপ ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে ৪৪ দিন।


                তথ্যসূত্র:
                ১. কারাগারে ‘জামাই আদরে’ থাকছেন সালমান আনিসুল শাহজাহান
                https://tinyurl.com/ypff5wxe
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment

                Working...
                X