Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ ।। ১৮ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১৯ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ ।। ১৮ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১৯ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    ইসলামি শিক্ষা ধ্বংসের পাঁয়তারা মোদির; উত্তরাখণ্ডে জোরপূর্বক বন্ধ করা হলো ৮৪ মাদরাসা


    ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির সদস্য ও উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নির্দেশে রাজ্যের ৮৪ টি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসাশনের এমন পদক্ষেপকে ইসলামি শিক্ষা ধ্বংসের পাঁয়তারা বলে অভিহিত করেছেন মুসলিম সম্প্রদায়।

    সিল করা মাদ্রাসাগুলি মূলত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় অবস্থিত, যার মধ্যে দেরাদুনে ৪৩টি, হরিদ্বার ও নৈনিতালে ৩১টি এবং উধম সিং নগরে ৯টি। উত্তরাখণ্ড সরকারের দাবি, এই মাদ্রাসাগুলো অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। তবে মাদ্রাসা পরিচালক ও মুসলিম নেতারা বলছেন, মুসলিমদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করা ও তাদের ধর্মীয় পরিচয় মুছে ফেলতে এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং।

    এদিকে, আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জনের জন্য মাদ্রাসার পরিচালকদের প্রতি বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়ার আহবান জানিয়েছে উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান শ্যামন কাশ্মীর।

    সে বলেছে, বৈধ কাগজপত্র থাকলে সেসব মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে না। একই সঙ্গে সিল করা মাদ্রাসাগুলোও খুলে দেওয়া হবে। তবে তার এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন মাদ্রাসা পরিচালকরা। তারা বলছেন, ইসলামী শিক্ষা বন্ধ করার জন্য এটি একটি আমলাতান্ত্রিক অজুহাত মাত্র।

    অন্যদিকে, আচমকা মাদ্রাসা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা। এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন মুসলিম অ্যাক্টিভিস্ট ও আলেমগণ। তারা বলছেন, এইভাবে মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া ভারতীয় সংবিধানের লঙ্ঘন।

    উল্লেখ্য, উত্তরাখণ্ড সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন মাদ্রাসা পরিচালকরা।

    তথ্যসূত্র:
    1. Uttarakhand govt seals 84 Madrasas, faces backlash over discrimination
    https://tinyurl.com/44u6wmtf
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতে ওয়াকফ বিলের বিরোধিতা করে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মুসলিমরা


    ভারতে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল, ২০২৪-এর বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায় ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা। তারা এই বিতর্কিত বিল অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

    গত ১৮ মার্চ এক প্রতিবেদনে দ্য অবজারভার পোস্ট জানিয়েছে, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি)-এর নেতৃত্বে দিল্লির জনতার মঞ্চে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মুসলিম নেতারা স্পষ্টভাবে জানান যে, সরকার সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র করছে।

    এআইএমপিএলবি নেতা মাওলানা ওবায়দুল্লাহ খান আজমি বলেন, ‘সমস্ত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের তাদের দানের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এই বিলের মাধ্যমে সরকার সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি ছিনিয়ে নিতে চাইছে, যা ভারতীয় সংবিধানের স্পষ্ট লঙ্ঘন।’

    জামায়াতে ইসলামি হিন্দের সভাপতি সৈয়দ সাদাতুল্লাহ হুসাইনি বলেন, ‘এই বিল শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকারের ওপর আঘাত নয়, এটি ভারতের সংবিধানের মৌলিক মূল্যবোধেরও পরিপন্থী।’

    বিক্ষোভে কংগ্রেস, সিপিআই(এম), এআইএমআইএম ও আপ-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই এই বিলের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধের ঘোষণা দেন।

    উল্লেখ্য যে, ওয়াকফ বিল সংশোধনী মূলত ওয়াকফকৃত সম্পত্তি ও বিতর্কিত মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ওপর ভারত সরকারের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার একটি ষড়যন্ত্র। এই বিলের মাধ্যমে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা খর্ব করে সরকার নিজেই মুসলিমদের ধর্মীয় সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ করতে চাইছে, যা ইসলামি প্রতিষ্ঠানগুলোর অস্তিত্ব হুমকির মুখে ফেলবে।

    হিন্দুত্ববাদী ভারত ইতোমধ্যেই মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংস ও দখলের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করে চলেছে। এখন যদি এই বিল কার্যকর হয়, তাহলে মুসলিমদের স্থাপনাগুলোর ওপর আরও হিন্দুত্ববাদী আক্রমণ আসবে এবং সরকার যেকোনো সময় ধর্মীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে।

    তথ্যসূত্র:
    1. AIMPLB Leads Massive Protest Against Waqf Bill 2024, Calls it Unconstitutional and Harmful to Muslims
    https://tinyurl.com/k6put5yn
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে ৪ মুসলিম নারীকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে হত্যা


      পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় পেটের তাগিদে বিভিন্ন সময়ে কলকাতার বাঙালি মুসলমান শ্রমিকরা বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের মতো রাজ্যে কাজ করতে যান। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে, বেঙ্গালুরুতে তারা হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশি তকমা দিয়ে এইসব ভারতীয় মুসলিমদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।

      গত ১৬ মার্চ অল ইন্ডিয়া সেন্টার অব শ্রমিক স্বরাজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেঙ্গালুরুতে ১৩ জন মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছে, যারা কলকাতা থেকে সেখানে কাজ করতে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪ জন মুসলিম নারী, যারা সবাই ১৮ বছরের নিচে। এছাড়াও আরও ৪ জন মুসলিমকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে।

      গত ১৭ ফেব্রুয়ারি, এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বেঙ্গালুরুরের একটি এনজিও।

      এ বিষয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপিকে দায়ী করেছেন এপিডিআর নামে ভারতের অন্যতম মানবাধিকার সংগঠনের সম্পাদক রঞ্জিত সুর। তিনি বলেছেন, বাংলার বহু শ্রমিক কাজের জন্য বাইরে যান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের ‘বাংলাদেশি’ বলে টার্গেট করা হচ্ছে। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে তারা বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গণতান্ত্রিক দেশে এমন অগণতান্ত্রিক আচরণ চলতে পারে না।

      তথ্যসূত্র:
      1. Bengali Migrants Labeled ‘Bangladeshis’ and Attacked in Bengaluru, 13 Killed, 4 Minors Raped, Says Report
      https://tinyurl.com/kbjvkvd8
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        গাজায় দখলদার ইসরায়েলের তাণ্ডবে নিহত ৪০০ ছাড়াল, আহত ৬ শতাধিক


        ১৭ মার্চ, সোমবার রাতে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চালানো হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৬৬০ জন। ১৮ মার্চ, মঙ্গলবার সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলের হামলায় ৪০৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

        এছাড়া হামলায় ধসে পড়া ভবনের নিচে আরও অনেক মানুষ আটকে আছেন। যাদের নাম আহত বা নিহতের তালিকায় যুক্ত করা হয়নি।

        সোমবার রাত ২টার দিকে আকস্মিকভাবে গাজায় বোমা হামলা চালানো শুরু করে দখলদার সন্ত্রাসীরা। কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী এ হামলায় মুহূর্তের মধ্যে ঝরে যায় শত শত মানুষের প্রাণ।

        আহতের সংখ্যা এতটাই বেশি যে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেখানকার সব হাসপাতালে সাধারণ মানুষকে রক্তদানের অনুরোধ জানিয়েছে। রক্তের স্বল্পতার পাশাপাশি পেইনকিলার ও ব্যান্ডেজের সংকটেও পড়েছেন চিকিৎসকরা।

        গত ১৭ দিন ধরে গাজায় সবধরনের ত্রাণ ও সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে রেখেছে ইসরায়েলি দখলদাররা। আর সেখানকার মানুষকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করে বর্বর ও কাপুরোষিত এ হামলা চালিয়েছে তারা।

        দখলদার ইসরায়েল বলেছে, হামাস তাদের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং তারা তাদের জিম্মিদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এ কারণে সোমবার রাতে হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু হামাস জানিয়েছে, পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী যদি ইসরায়েল গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করে তাহলে তারা সব জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিয়ে দেবে। কিন্তু দখলদার সন্ত্রাসীরা এতে সম্মত হয়নি।

        কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, গাজায় যে নতুন করে আবারও নির্বিচার হামলা চালানো হবে সেটি কয়েক সপ্তাহ আগেই ঠিক করা হয়। অর্থাৎ হামাস জিম্মিদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় হামলা চালানো হয়েছে— এটি সত্য নয়।

        তথ্যসূত্র:
        1. LIVE: Israel strikes Gaza, killing over 400 as ceasefire breaks
        https://tinyurl.com/2s49zyrf
        2.Israeli strikes across Gaza kill more than 400 Palestinians and shatter ceasefire with Hamas
        https://tinyurl.com/5ay73xpx
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          তুরষ্কে প্রশিক্ষণরত সোমালি সৈন্যদের ফুটবল ম্যাচে সংঘর্ষ: আহত ২৪ সৈন্য


          তুরষ্কের ইস্পার্টায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মোগাদিশু প্রশাসনের সামরিক বাহিনীর একদল সদস্য। সম্প্রতি প্রশিক্ষণরত এই দলটির ফুটবল ম্যাচে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৪ সৈন্য আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

          সূত্রমতে, সোমবার ১৭ মার্চ রাতে, তুরষ্কের ইস্পার্টা প্রদেশের জেনারেল ইহসান আলপার ব্যারাকে, একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে এখানে প্রশিক্ষণরত মোগাদিশু সৈন্যরা। আর এই ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে শেষদিকে প্রশিক্ষণরত মোগাদিশু সৈন্যদের মধ্যে তীব্র মারামারি হয়। এতে মোগাদিশু সরকারের ২৪ সৈন্য আহত হয়, পরে আহত সৈন্যদের অ্যাম্বুলেন্সে করে প্রদেশটির ডেমিরেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

          উল্লেখ্য যে, তুরস্কে প্রশিক্ষিত এসব সৈন্যরা দেশে ফিরে হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। অপরদিকে হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসন দেশের ৭০% এরও বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেখানে ইসলামি শরিয়াহ্ প্রতিষ্ঠা করছে। আর এই মুজাহিদদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মোগাদিশু সরকারের অন্যতম বড় সামরিক সমর্থক হল তুরস্ক।

          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/32ytmdc2
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X