Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৭ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ২২ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৭ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ২২ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​

    গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় শহীদ আরও ৫০ ফিলিস্তিনি


    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখন্ডে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রতিদিন নতুন করে ভয়াবহতা তৈরি করছে। ড্রোন হামলা, বিমান হামলা ও স্থল থেকে গোলাবর্ষণে সাধারণ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দখলদার বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলায় খাদ্যসাহায্যের জন্য লাইনে দাঁড়ানো মানুষসহ আরও অন্তত ৫০ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এর পাশাপাশি অনাহার ও পুষ্টিহীনতায় মৃত্যুর ঘটনাও ক্রমেই বাড়ছে। ২২ আগস্ট, শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

    ২১ আগস্ট, বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে বিভিন্ন স্থানে একাধিক বর্বর ইসরায়েলি হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা আনাদোলু ও স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল সাধারণ মানুষ, যারা অনেক ক্ষেত্রে সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষে বিপর্যস্ত এই অঞ্চলে সাহায্যপ্রার্থীদের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক মহলে আরও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    গাজার চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ড্রোন হামলায় একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হন। মধ্য গাজার সালাহউদ্দিন সড়কে খাদ্যসাহায্য বিতরণকেন্দ্রের কাছে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষের ওপর গোলাবর্ষণে অন্তত পাঁচজন প্রাণ হারান। নেটজারিম করিডোরে সাহায্যের জন্য অপেক্ষমাণ একজন নিহত হন।

    গাজার আল-তুফাহ এলাকার আল-জারকা অঞ্চলে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত ও অনেকে আহত হন। একই দিনে সাবরা এলাকায় ড্রোন হামলায় চারজন এবং আরেকটি বাড়িতে শিশুসহ আটজন নিহত হন। শহরের উত্তর-পশ্চিমের আল-শাতি এলাকায় এক পরিবারের বাড়িতে হামলায় আরও চারজন প্রাণ হারান।

    দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে খাদ্যসাহায্যের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর বোমা বর্ষণ করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এতে আরও তিনজন শহীদ ও অনেকে আহত হন বলে নাসের হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। মধ্য গাজার ওয়াদি গাজা এলাকায় সাহায্যের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর হামলায় সাতজন শহীদ ও অন্তত ১৮ জন আহত হন। এদিকে সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা সাবরা ও জাইতুন এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার অনাহার ও পুষ্টিহীনতায় আরও দুইজন মারা গেছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭১ জনে, যার মধ্যে ১১২ জন শিশু। সামগ্রিকভাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত বর্বর ইসরায়েলি হামলায় শহীদ হয়েছেন কমপক্ষে ৬২ হাজার ১০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি।


    তথ্যসূত্র:
    1. Israeli strikes kill 50 Gazans, including aid seekers
    https://tinyurl.com/5n7nb95h
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভিডিও || আসামে মসজিদে বুলডোজার চালালো হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় প্রশাসন





    আসামের বিশ্বনাথ জেলার জাপোরিগুরি এলাকায় মুসলিম-অধ্যুষিত একটি গ্রামে গত দুই দিন ধরে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় প্রশাসন। অভিযানে একটি মসজিদ ও এলাকাটির বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

    ভারতে হিন্দুত্ববাদ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘হিন্দুত্ব ওয়াচ’ ২০ আগস্ট জানায়, গত ১৮ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এক অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন একদল এলাকাবাসীকে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে তাদের বসতবাড়ি ও একটি মসজিদ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৩০৯টি পরিবারের ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। যদিও ওই গ্রামে আগে থেকেই রাস্তা, বসতবাড়ি এবং পঞ্চায়েতের কার্যক্রম চালু ছিল, তবুও প্রশাসন অঞ্চলটিকে হঠাৎ করেই অবৈধ বসতি ঘোষণা করে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শত শত পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে মসজিদ এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    ভিডিওটি আর্কাইভ থেকে দেখুন:


    https://archive.org/details/bulldoze...osque-in-assam
    https://archive.org/details/bulldozer-in-assam


    তথ্যসূত্র:
    1. administration demolished a mosque
    https://tinyurl.com/23zudksu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ভারতে‌র আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনপন্থী স্লোগান দেওয়ায় মুসলিম ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা


      আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) প্রাক্তন ছাত্র এবং ছাত্রনেতা তালহা মান্নানসহ ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামা ছাত্রের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনপন্থী স্লোগান দেওয়ায় মামলা নিয়েছে পুলিশ। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন এবং স্লোগান দেওয়াকে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো “উস্কানিমূলক” বলে দাবি করেছে। এই ঘটনাটি শুধু শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলন দমন নয়, বরং ভারতের ইসলাম বিদ্বেষী রাষ্ট্রচরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।

      ৪ আগস্ট থেকে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফি বৃদ্ধি এবং ছাত্র সংসদ পুনরায় চালুর দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন করে আসছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমানে ছাত্র ইসলামী সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক তালহা মান্নান ১২ আগস্ট আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি কেফিয়াহ স্কার্ফ পরে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন ও দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

      এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০ আগস্ট, বুধবার হিন্দু রক্ষা দল নামের একটি উগ্রবাদী সংগঠনের নেতা সঞ্জয় আর্য অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের এই স্লোগান ও পতাকা প্রদর্শন নাকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে এবং শান্তি বিঘ্নিত করেছে। এর ভিত্তিতে পুলিশ তালহা মান্নানসহ ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

      তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির আওতায় সরকারি নির্দেশ অমান্য ও জনমনে অস্থিরতা ছড়ানোর ধারা ব্যবহার করা হয়েছে। বাস্তবে এসব ধারা শুধু মুসলিম শিক্ষার্থীদের ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়ার অস্ত্র হিসেবেই ব্যবহার করা হচ্ছে।

      এই সমগ্র প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসকগোষ্ঠী মুসলমানদের শিক্ষাজীবন থেকে রাজনৈতিক অধিকার পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই দমননীতি চালিয়ে যাচ্ছে। আর ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশকে তারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে তুলে ধরছে। এর মাধ্যমে তারা পাশ্চাত্যের ইসলামবিদ্বেষী ধারা অনুসরণ করছে, যেখানে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অপরাধ চাপা দেওয়া হয় আর মুসলিম প্রতিবাদীদের অপরাধী বানানো হয়।

      অথচ ভারতের ঐতিহাসিক সরকারি আনুষ্ঠানিক অবস্থান অনুযায়ী তারা ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে। কিন্তু হিন্দুত্ববাদী সরকার বাস্তবক্ষেত্রে এর প্রয়োগ একপাক্ষিকভাবে করে আসছে।

      তালহা মান্নানের বিরুদ্ধে মামলা শুধু একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ঘটনা নয়; এটি সমগ্র মুসলিম সমাজের উপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় ও বৈষম্যের প্রতিচ্ছবি। শিক্ষার্থীরা যখন ন্যায্য অধিকারের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছেন, তখন হিন্দুত্ববাদী শক্তি তাদের কণ্ঠ রোধে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করছে। ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ানো মানে হচ্ছে অবৈধ দখলদারিত্ব ও জুলুমের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের পাশে দাঁড়ানো।

      তথ্যসূত্র:
      1. Hyderabad PhD scholar booked for pro-Palestine slogans during AMU fee hike protest
      https://tinyurl.com/52srafx6
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বিএনপি নেতার বাসা থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার



        গোপালগঞ্জে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কে এম বাবরের ভাড়া বাসায় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে দেশি একটি পাইপগান ও একটি গুলি উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাতে গোপালগঞ্জ পৌরসভার থানাপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
        তবে এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে যৌথ বাহিনীর একটি দল থানাপাড়া এলাকার কে এম বাবরের ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়।

        এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা বাসার একটি বাথরুমের ফ্লাশারের ভেতর থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে। পরে এগুলো গোপালগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

        তথ্যসূত্র:
        ১.গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতার বাসায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে পাইপগান ও গুলি উদ্ধার
        -https://tinyurl.com/y9xymdxk
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X