Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​

    প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক কোটি টাকা মূল্যের ‘বিউটি কমপ্লেক্স’ দখলে রেখেছে হাসিনার বেয়াই




    বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যবাহী ‘বিউটি কমপ্লেক্স’ দখলের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মফিজুল ইসলাম কামালের বিরুদ্ধে। প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের এই কমপ্লেক্সটি ৭ বছরের বেশি সময় সে দখল করে রেখেছে। স্থানীয়ভাবে কাজী কামাল নামে পরিচিত এই ব্যক্তি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই। শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শ্যালক সে। জুলাই বিপ্লবে জনতার বিজয় লাভের মাত্র ৩ দিন আগে ভারতে পালিয়ে যায় সাবেক মন্ত্রী হাসানাত আব্দুল্লাহ।

    এদিকে ক্ষমতাধর ভগ্নীপতির প্রভাবে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদ বাগিয়ে নেয় এই কামাল। এছাড়া শুধু বিউটি কমপ্লেক্স দখল নয়, এর বর্তমান মালিক আশিক চৌধুরী ও তার স্ত্রী আমেনা বেগম সুমীকে হেনস্তা করতে বিভিন্ন লোক দিয়ে ৩৩টি মিথ্যা মামলা করানোর অভিযোগও উঠেছে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতার বিরুদ্ধে। এসব মামলার মধ্যে ১১টিতে খালাস পেয়েছে আশিক-সুমী দম্পতি। এখনো বাকি ২২ মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে এই দম্পতিকে।

    গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, বরিশাল শহরের একসময়কার ঐতিহ্যবাহী বিউটি সিনেমাসহ বেশকিছু স্থাপনা নিয়ে গড়ে ওঠা বিউটি কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ১৫ শতাংশে কমপ্লেক্সের মালিক জুলফিকার উদ্দিন চৌধুরী ওরফে জুলু চৌধুরীর বসতবাড়ি। বাকি প্রায় ৩৯ শতাংশ দখলের অভিযোগ উঠেছে কাজী কামাল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। নগরীর প্রাণকেন্দ্রে থাকা এই সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা।

    জুলু চৌধুরীর ছেলে আশিক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় ২০১৮ সালে বাবাকে ভুল বুঝিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অপ্রত্যাহারযোগ্য একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করে নেন কাজী কামাল। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অনুযায়ী ওই ৩৯ শতাংশ জমিতে ৫তলা মার্কেট কমপ্লেক্স করার কথা। কমপ্লেক্সের নিচতলার ৫০ ভাগের মালিকানা থাকবে আমাদের। বাকি অংশের মালিকানা কাজী কামালসহ তার অনুগত ৩-৪ জনের। এছাড়া মৌখিক আলোচনা অনুযায়ী ভবনের অর্ধেক মালিকানাও আমাদের থাকবে বলে বলা হয়। কিন্তু দলিল করার সময় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কেবল নিচতলার ৫০ ভাগের মালিকানা আমাদের নামে দেওয়া হয়। এর বাইরে এই পাওয়ার দলিলে ভবনের বাকি সমুদয় অংশ কাজী কামাল নিজের নামে লিখে নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে বাবা প্রতিবাদ করলেও প্রভাবশালী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শ্যালক এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় হওয়ায় হুমকির মুখে বাধ্য হয়ে একপর্যায়ে তিনি থেমে যান।

    পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পন্ন হওয়ার পর নিজের নামে নগর ভবন থেকে প্ল্যান পাশ করায় কাজী কামাল। এরপর কাজ শুরু করে ৩টি ছাদ দেয়। পাশ হওয়া প্ল্যানে জনসাধারণের চলাচলের জন্য বহু পুরনো একটি রাস্তার উল্লেখ থাকলেও নির্মাণকালে তা দখল করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ২০২০ সালে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় সিটি কর্পোরেশন। পরে অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া হয়। বন্ধ হয়ে যায় নির্মাণকাজ। সে গণমাধ্যমকে জানায়, পুরো বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়লে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিলে কাজী কামালকে পরপর ৩টি উকিল নোটিশ দেন বাবা। উত্তর না দেওয়ায় ২০২১ সালে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিলের মামলা করা হয় আদালতে। এর ফলে মূল্যবান সম্পত্তির ভবিষ্যৎ এভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ২০২২ সালের ১৫ মার্চ বাবা পুরো জমি আমার নামে দলিল করে দেয়। দলিল অনুযায়ী আমার নামে রেকর্ড ও নামজারি সম্পন্ন এবং খাজনাও পরিশোধ করি। বৈধভাবে জমির মালিক হওয়ার পর সম্পত্তি বুঝে নিতে গেলে শুরু হয় আমার পরিবারের ওপর নানামুখী অত্যাচার-নির্যাতন। যার নেতৃত্ব দেয় কাজী কামাল।’

    প্রায় ৭ বছর চলা নানা নির্যাতন-দুর্ভোগের বর্ণনা দিয়ে আশিক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার নামে জমির মালিকানা আসার পর ২০২২ সালে প্রথমে বরিশালের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মালিকানা দলিল বাতিলের একটি মামলা করে কাজী কামাল। আদালত স্থিতাবস্থার নির্দেশ দিলে জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ আদালতে আপিল করি। আদালত আমার পক্ষে রায় দিয়ে স্থিতাবস্থা উঠিয়ে দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করে সে। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ জুলাই রুল জারির পাশাপাশি ৩ মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন উচ্চ আদালত। উচ্চ আদালত স্থিতাবস্থা জারি করলেও ২৩ আগস্ট দুপুরে কাজী কামালের লোকজন জোর করে কমপ্লেক্সে এসে দখলের চেষ্টা চালায়। স্ত্রী সুমী বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

    তিনি জানান, যতবার বৈধ মালিকানা বুঝে নিতে গেছি, ততবার স্ত্রী ও আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, এখন পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা দিয়েছে। রড-সিমেন্ট চুরি থেকে শুরু করে মারধরসহ এমন কোনো হাস্যকর অভিযোগ নেই যা নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি। এই ৩৩ মামলার মধ্যে ১১টিতে বেকসুর খালাস পেয়েছি। বাকি ২১টি মামলায় আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে।’


    তথ্যসূত্র:
    ১. হাসিনার বেয়াইয়ের দখলে বরিশালের বিউটি কমপ্লেক্স
    https://tinyurl.com/2s9tyd26
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ, আ.লীগ ও ছাত্রলীগের গুলিতে ১১ জনের দুচোখ চিরতরে অন্ধ ও ৪৯৩ জন এক চোখ হারান



    জুলাই আন্দোলনে আহত রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ১১ জন দুই চোখের দৃষ্টি চিরতরে হারিয়েছেন। আর ৪৯৩ জনের এক চোখের আলো চিরদিনের জন্য নিভে গেছে। ২৮ জন দুই চোখে এবং ৪৭ জন এক চোখে দৃষ্টিস্বল্পতায় ভুগছেন।

    সোমবার (২৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দেওয়া জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন ইনস্টিটিউটের রেটিনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা নীলা। জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে সারা দেশে চালানো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

    ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে ডা. নীলা বলেন, ‘৪, ৫ ও ৬ আগস্ট আমরা অসংখ্য আহত রোগী গ্রহণ করি, যাদের চোখে অপারেশন করতে হয় ।’ তিনি বলেন, গত বছর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৭ জুলাই থেকে আমাদের হাসপাতালে রোগী আসা শুরু হয়। ওইদিন আমরা বুলেটবিদ্ধ পাঁচজন রোগী পেয়েছিলাম। ১৮ জুলাই ছিল একটি রক্তস্নাত দিন। ওইদিন দুপুরের দিকে আমার কাছে খবর আসে হাসপাতালে অনেক আহত রোগী এসেছে। ওইদিন প্রায় ১০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর বাইরে আনুমানিক আরো ১০০ রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আমি জরুরি বিভাগে এসে একটি ভয়াবহ চিত্র দেখতে পাই।

    ডা. জাকিয়া সুলতানা নীলা বলেন, যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিল, তাদের বয়স ১৪ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তাদের কেউ কেউ এক হাত দিয়ে এক চোখ, দুই হাত দিয়ে দুই চোখ ধরে ছিল। ওইদিন রাত ৯টায় আমরা ১০টা টেবিলে অপারেশন করতে থাকি। ১৯ জুলাই প্রায় একই চিত্র দেখতে পাই। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত ১০টা টেবিলে অস্ত্রোপচার চলতে থাকে। আমাদের হাসপাতালে যারা চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন, তাদের অধিকাংশ বুলেট দ্বারা আহত হন। অধিকাংশ রোগীর কর্ণিয়া ছিদ্র হয়ে গেছে, তাদের চোখের ভেতরের সাদা অংশ ছিদ্র হয়ে যায়, অনেকের চোখ ফেটে গিয়েছিল। চোখের রেটিনায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।


    তথ্যসূত্র:
    ১. গুলিতে ৪৯৩ জনের এক চোখ ও ১১ জনের দুচোখ চিরতরে অন্ধ
    https://tinyurl.com/25vukca5
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      চলতি বছরে গেল সাত মাসেই সীমান্তে ২২ বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বিএসএফ



      ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ চলতি বছরের প্রথম সাত মাসেই গুলি করে হত্যা করেছে ২২ জন বাংলাদেশিকে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩২ জন। প্রতিবারই ভারতের পক্ষ থেকে ‘ভুলবশত’ বা ‘জরুরি পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য’ গুলি ছোড়ার ব্যাখ্যা এলেও এই হত্যা থেমে নেই।

      আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিএসএফের গুলিতে মোট ৬০৭ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস এলেও, বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।

      ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে হত্যার শিকার হয় ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন। তার মরদেহ ঝুলে ছিল কাঁটাতারে। সেই ছবি সারা বিশ্বের বিবেক নাড়িয়ে দিলেও, ভারতের মনোভাব পাল্টায়নি।

      বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তে গুলি করে হত্যা করলেও ভারত কোনোবারই দৃশ্যমানভাবে দায় স্বীকার করেনি। ২০২৩ সালেও বিজিবির সদস্য রইসউদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করেছিল বিএসএফ, যার ব্যাখ্যা ছিল ‘ভুলবশত’।

      ভারতের সঙ্গে চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তানসহ আরও পাঁচটি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গেই শুধুমাত্র নিয়মিত প্রাণঘাতী ঘটনার নজির দেখা যায়। চীনের সঙ্গে নিরস্ত্র সীমান্ত পাহারার চুক্তি থাকলেও, বাংলাদেশ যখন এমন প্রস্তাব দেয়—তখন তা নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

      এই হত্যাকাণ্ডগুলো সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের আওতায় পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিচার হয়নি।


      তথ্যসূত্র:
      ১. থামছে না সীমান্ত হত্যা, সাত মাসে ২২ বাংলাদেশিকে মারল বিএসএফ
      https://tinyurl.com/mryeetb9
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দিতে কন্টেন্ট বানাতো তৌহিদ আফ্রিদি, চাপ প্রয়োগ করতো অন্যদের



        জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকায় ছিল ইউটিউবার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে ফ্যাসিস্ট হাসিনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডাররা। আর সেই উত্তাল সময়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক কন্টেন্ট ক্রিয়েট করে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও ব্লগে প্রচার করেছে তৌহিদ আফ্রিদি। এসবের মূল লক্ষ্য ছিল হাসিনার হত্যাকাণ্ডের বৈধ্যতা দেওয়া।

        আফ্রিদি শুধু নিজে নয়, অন্য অনেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে হাসিনার পক্ষে কাজ করতে চাপও দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আফ্রিদির কথায় ভিডিও বানাতে রাজি না হয়ে অনেকে নির্যাতনেরও শিকার হয়েছে।

        শুধু জুলাই আন্দোলনই নয়, অতীতেও বিভিন্ন সময় ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমর্থন জুগিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েট করেছে তৌহিদ আফ্রিদি। অভিযোগ রয়েছে, সমালোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিবির সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে কামিয়েছেন বিপুল অঙ্কের টাকা। এর বেশির ভাগই বিদেশে পাচার করেছে। এছাড়া আফ্রিদির সঙ্গে যাদের বিরোধ ছিল তাদের ডিবি কার্যালয়ে ডেকে এনে নির্যাতন করাতো।

        জুলাই আন্দোলনে গত বছরের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতন হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অভিযোগও উঠেছে। অনেকেই তৌহিদ আফ্রিদির নির্যাতনের বর্ণনাও দিয়েছে।

        অবশেষে রোববার (২৪ আগস্ট) রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি দল বরিশাল থেকে গ্রেফতার করে তৌহিদ আফ্রিদিকে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় গ্রেফতার তৌহিদ আফ্রিদিকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ১৭ আগস্ট একই মামলায় রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেফতার হয় আফ্রিদির বাবা বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথী।


        তথ্যসূত্র:
        ১. হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দিতে কনটেন্ট বানাতেন তৌহিদ আফ্রিদি
        -https://tinyurl.com/2yydjeyw
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          বর্বর ইসরায়েলি হামলায় ছয় সাংবাদিকসহ ৮৯ ফিলিস্তিনি শহীদ



          ২৫ আগস্ট, সোমবার ফিলিস্তিনের গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে ৮৯ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। শহীদদের মধ্যে রয়েছেন ছয়জন সাংবাদিকও। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

          গাজার খান ইউনিসে নাসের হাসপাতালে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় অন্তত ২০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শহীদদের মধ্যে পাঁচজন সাংবাদিক ছিলেন। এছাড়া খান ইউনুসে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক হাসান দুওহানকে। এতে একদিনেই শহীদ সাংবাদিকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ জনে।

          অন্যদিকে, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত দখলদার ইসরায়েলি সেনারা দখলকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ, বেথলেহেম ও জেরুজালেমের আশপাশে অভিযান চালায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, এসব আগ্রাসনে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি তরুণকে আটক করা হয়েছে।

          এদিকে দখলদার ইসরায়েলি বিমানবাহিনী গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলা তীব্র করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, উত্তর গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবির, মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত এলাকা এবং দক্ষিণের খান ইউনিসে বসতবাড়ি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

          আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম পর্যবেক্ষক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গাজা আগ্রাসনে দুই বছরে এ উপত্যকায় প্রায় ২০০ সাংবাদিক শহীদ হয়েছেন।


          তথ্যসূত্র:
          1. Israel’s killing of six Gaza journalists draws global condemnation
          https://tinyurl.com/mrjp7fy2
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            যুক্তরাজ্যে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩


            যুক্তরাজ্যের আইল অব ওয়াইটের মাঠে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন নিহত হয়েছে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছে আরও একজন। ২৫ আগস্ট, সোমবার স্থানীয় সময় সকালের দিকে শ্যাঙ্কলিন শহরের কাছে একটি খোলা মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হেলিকপ্টারটিতে চারজন আরোহী ছিল।

            বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নর্থাম্ব্রিয়া হেলিকপ্টারস নামক সংস্থার মালিকানাধীন ‘জি-ওসিএলভি’ মডেলের হেলিকপ্টার প্রশিক্ষণ চলাকালে বিধ্বস্ত হয়। হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্তের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আহত একজনকে হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

            নর্থাম্ব্রিয়া হেলিকপ্টারস জানিয়েছে, হেলিকপ্টরটি শ্যানডন বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় ২০ মিনিটের মাথায় নিচে নেমে গিয়ে শহরের উপকণ্ঠে বিধ্বস্ত হয়।


            তথ্যসূত্র:
            1. Three killed in helicopter crash during flying lesson on UK’s Isle of Wight
            https://tinyurl.com/35cvnsph
            2. Three people killed and one critically injured in Isle of Wight helicopter crash
            https://tinyurl.com/2vau4enm
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X