Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৬ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৬ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী

    পশ্চিমবঙ্গের ৩ জেলার হোটেলে বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধ



    পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ গতিতে বাড়ছে ‘বাংলাদেশ বিদ্বেষ’-এর ঝড়। বিশেষ করে সীমান্তে উত্তেজনার আবহে বিজেপি নেতারা যে ভাষা ব্যবহার করছে, তা দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বলে অভিযোগ উঠছে। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ বিদ্বেষ’-এর নতুন মাত্রা যোগ করছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের হোটেল মালিক সংগঠন। ‘বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধ’ এমন বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে- শিলিগুড়ি, মালদহ ও কোচবিহারের হোটেলে হোটেলে।

    তাদের দাবি, বাংলাদেশি অতিথিরা থাকতে পারবেন না পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলার হোটেলে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে নাকি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরবঙ্গের তিন জেলার হোটেল কর্তৃপক্ষ। এই পোস্টার লাগানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অনেকে বিষয়টি ‘ঠিক’ চোখে দেখেননি। তারা বলছেন, বাংলাদেশে যে হত্যার ঘটনা ঘটেছে নিন্দনীয়। অপরাধীদের কড়া সাজা হোক, কিন্তু তারপরও এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়, এর সঙ্গে ভারতের কোনও যোগসূত্র থাকতে পারে না। অথচ আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুদের মারধর এমনকি হত্যাও করা হচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন দাঙ্গায় এদেশের মুসলমানদের নির্বিচারে নিধন করা হয়েছে। সেসব ঘটনায় যদি হোটেল কর্তৃপক্ষগুলো সামান্যতম প্রতিবাদে শামিল হতো, তাও বিষয়টা মানানসই হতো।

    মালদহের হোটেলগুলোর দরজা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বন্ধ হতে চলেছে, এমন খবর বৃহস্পতিবার সামনে আসে। এতদিন মেডিক্যাল ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেসব বাংলাদেশি পশ্চিমবঙ্গে আসতেন, তাদের অনেকে মালদহের বিভিন্ন হোটেলে উঠতেন। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ‘মালদহ হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী জানায়, আপাতত জেলার কোনও হোটেলে বাংলাদেশি অতিথিদের থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না। তার বক্তব্য, যেহেতু বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট ও ভিসা প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে, তাই আমরাও হোটেলে ঘর দেওয়া বন্ধ করেছি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। তবে অনেকে এই যুক্তি মানতে নারাজ। একাংশের দাবি, চরম বাংলাদেশ বিদ্বেষ থেকে হোটেলে ঘর দেওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হোটেল মালিকরা।

    একই অবস্থান নিয়েছেন কোচবিহারের হোটেল মালিকরাও। ‘কোচবিহার হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ জানিয়েছে, ভারত সরকার বাংলাদেশিদের ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হোটেল পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি ভূষণ সিংহ বলেন, ‘বাংলাদেশে ভারত বিরোধী মন্তব্য ও হিন্দুদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংগঠনের সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ শিলিগুড়িতেও হোটেলগুলোর দেওয়ালে ‘বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধ’ নোটিশ সাঁটানো হচ্ছে।

    উল্লেখ, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসেই ‘শিলিগুড়ি হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তাদের আওতাধীন হোটেলগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জায়গা দেওয়া হবে না। যদিও চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কিছু ছাড় ছিল, কিন্তু বর্তমানে সেই ছাড়ও প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংগঠনের সহ-সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ জানান, শিলিগুড়িতে সংগঠনের আওতাধীন ১৮০টি হোটেলেই এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, এটি হোটেল মালিকদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

    তথ্যসূত্র:

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    আয়োজকদের অব্যবস্থাপনায় ফরিদপুরে জেমসের কনসার্ট বাতিল; হিন্দুত্ববাদী মিডিয়ায় তৌহীদি জনতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার



    ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী উৎসবের সমাপনী রাতে নগর বাউল’খ্যাত জেমসের গান গাওয়ার কথা থাকলেও, কনসার্ট চলাকালীন বহিরাগতদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে অনুষ্ঠানটি বাতিল হয়ে যায়। গতকাল ২৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জিলা স্কুল চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। খবর আমার দেশ এর।

    বিষয়টি নিয়ে গায়ক জেমস নিজেই সংবাদমাধ্যমে বলেছে, ‘এটা সম্পূর্ণ আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতা। নিরাপত্তা ও দর্শক ব্যবস্থাপনায় বড় ঘাটতি ছিল।’

    জানা যায়, পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি মূলত নিবন্ধিত প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। তবে জেমসের গান শোনার জন্য কয়েক হাজার অনিবন্ধিত মানুষ স্কুলের সামনে ভিড় করে। জায়গার সংকুলান না হওয়ায় তাদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে পরিস্থিতি সামলাতে বাইরে দুটি বড় প্রজেক্টর বসানো হলেও তাতে বহিরাগতরা সন্তুষ্ট হয়নি।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে উত্তেজিত জনতা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। বাধা পেয়ে তারা স্কুল প্রাঙ্গণ ও মঞ্চ লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ইট নিক্ষেপ শুরু করে।

    ইটপাটকেলের আঘাতে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শামীমসহ প্রায় ২৫-৩০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানায়, জেমস আসার খবরে ২০-২৫ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল, যা স্কুলের ধারণক্ষমতার বাইরে ছিল। বিশৃঙ্খলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত পুরো পরিবেশনা বাতিল করতে বাধ্য হয় আয়োজক কমিটি।

    প্রসঙ্গত, উক্ত কনসার্টে জেমসের গান সরাসরি শুনতে না পারায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ভাঙচুর চালায় জেমসেরই ভক্ত শ্রোতারা। অথচ, এঘটনাকে ‘গান শোনা হারাম- বলে কনসার্টে তৌহীদি জনতার হামলা’ বলে রাতভর অপপ্রচারমূলক পোস্টে সয়লাব হয়ে যায় সোশাল মিডিয়া এবং ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী মিডিয়াগুলো।

    তথ্যসূত্র
    https://tinyurl.com/2p9kr3fe
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      দিনাজপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে খামারে আগুন লেগে নিঃস্ব হলো একটি পরিবার



      দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে একটি পোল্ট্রি খামারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে খামারের প্রায় এক হাজার মুরগি পুড়ে মারা গেছে এবং ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

      শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরবেলা খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের সাবেক গুলিয়াড়া গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় গ্রামের বাসিন্দা মনজুরুল ইসলামের মালিকানাধীন মীম পোল্ট্রি খামারে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

      স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোররাতে হঠাৎ খামার থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান তারা। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন খামারের পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় খামারে দায়িত্বরত কর্মীদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা পানি ও বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে খামারের বড় একটি অংশ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

      খামার মালিক মনজুরুল ইসলাম জানান, ‘আগুনে খামারের ভেতরে থাকা প্রায় এক হাজার মুরগি পুড়ে মারা গেছে। এ ছাড়া টিনশেড অবকাঠামো, বৈদ্যুতিক সংযোগ, খাবারের মজুত, খাঁচা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পুড়ে গেছে। এতে আমার আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

      ঘটনাটি নিশ্চিত করে ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিন বলেন, ‘বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে পোল্ট্রি খামারে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে।’


      তথ্যসূত্রঃ

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভারতের বিহার রাজ্যে ঐতিহাসিক শমশের খান সমাধি ভাঙচুর, যত্ন ও নিরাপত্তার অভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত



        ভারতের বিহার রাজ্যের আওরঙ্গবাদ জেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক শমশের খান সমাধি ভাঙচুর করা হয়েছে, এটি বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে দুটি সমাধি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ (এএসআই) এর অধীনে একটি সুরক্ষিত স্মৃতিসৌধ হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও এটির যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় নি। এই ঘটনা স্থানীয় মুসলিম, ইতিহাসবিদ ও সোশ্যাল এক্টিভিস্টদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছে।

        গত ২৩ ডিসেম্বর এক রক্ষী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবগত করার পর ভাঙচুরের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। উক্ত সমাধির নির্মূল হওয়া মুসলিমদের ঐতিহাসিক স্থানসমূহের নিরাপত্তা সম্পর্কে আশঙ্কা আরও জোরদার করেছে। ভারতে মুসলিমদের ঐতিহ্য আজ অরক্ষিত, এগুলো হামলার শিকার হওয়া একটি সহজাত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

        স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যটন স্থান হওয়া সত্ত্বেও ঐতিহাসিক এই সমাধি কোন ধরনের যত্ন ও নিরাপত্তা ছাড়াই পড়েছিল। ওয়াসিম আওরঙ্গবাদী নামে একজন সুপরিচিত সোশ্যাল এক্টিভিস্ট বলেন, এই জায়গাটি রক্ষা করার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু সংশ্লিষ্টরা কর্ণপাত করে নি। ফলস্বরূপ পুরো কমপ্লেক্সটি ধীরে ধীরে অপরাধীদের আশ্রয় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বেদনাদায়ক এই ঘটনার জন্য সরকারি অবহেলাকে তিনি দায়ী করেছেন। এই ভাঙচুর কেবল কিছু পাথরের ক্ষতি নয়, বরং এটি ইতিহাসের উপর হামলা।

        বাসিন্দারা বলছেন, এক সময় এই সমাধি ‘মিনি তাজমহল’ নামে স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ছিল। কিন্তু যত্নের অভাবে ধীরে এই এলাকা মাদক সেবনকারীরা দখল করতে শুরু করে, ফলে সময়ের সাথে সাথে এটি দর্শনার্থীদের মনোযোগ হারায়। পর্যটন স্পটটি অনিরাপদ হয়ে পড়ায় লোকজন পরিবারসহ এখানে আর ঘুরতে আসে না।

        উল্লেখ্য যে, শমসের খান এর প্রকৃত নাম ছিল ইব্রাহিম খান কুরেশি। তিনি ফৌজদার হিসেবে উক্ত অঞ্চলে সেবা করেছিলেন এবং শান্তি বজায় রাখতে অবদান রেখেছেন। পরবর্তীকালে তিনি শমসের খান উপাধি লাভ করেন এবং মুঘল যুবরাজ আজিম-উল-শানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। ১৭০২ সালে তিনি বিহারের সুবেদার নিযুক্ত হন। মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত শমসের নগরে তাঁকে কবরস্থ করা হয়। পাটনা-আওরঙ্গবাদ প্রধান সড়কে এই সমাধি কমপ্লেক্স অবস্থিত। বিহার সরকার এটিকে একটি পর্যটন স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছিল।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/yumue7nz
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X