Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৮ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৮ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী

    ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলসহ ৪ দাবি ইনকিলাব মঞ্চের



    বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলসহ চার দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। ২৮ ডিসেম্বর (রোববার) রাতে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

    ইনকিলাব মঞ্চের চারটি দাবি হলো—খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনি চক্রের আগামী ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে, বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে, ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে ও সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স এর মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

    এর আগে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে সর্বাত্মক রোববার বেলা দুইটার পর থেকে ঢাকার শাহবাগে অবরোধ শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চ। রাত ১০টা পর্যন্ত এ অবরোধ চালিয়ে যায় সংগঠনটি।

    তার আগে শনিবার রাতে দেশের সব বিভাগীয় শহরে এই সর্বাত্মক অবরোধের ডাক দেয় ইনকিলাব মঞ্চ।

    পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বেলা ২টা থেকে অবরোধ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা ১১টার মধ্যেই বিক্ষোভকারী ব্যক্তিরা শাহবাগ মোড়ে আসতে শুরু করেন। তারা মোড়ের পাশে সড়কে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন। বেলা দুইটার পর ইনকিলাব মঞ্চ শাহবাগ মোড় বন্ধ করে দেয়। এতে শাহবাগ দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    তথ্যসূত্র:

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মুজিবের ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিও বাদ গেল পাঠ্যবই থেকে, স্থান পেয়েছে জিয়া পরিবারের কথা




    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে বড় ধরনের পরিমার্জন করা হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষে বিতরণের জন্য প্রস্তুত পুস্তকগুলোতে শেখ মুজিবের উপাধি ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’সহ নানা বিতর্কিত বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে। পাঠ্যবইয়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছে জুলাই বিপ্লব, বহুল বিতর্কিত শাসক শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল থেকে শুরু করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পলায়নের কাহিনি। একই সঙ্গে জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু থেকে এরশাদের ৯ বছরের স্বৈরশাসন এবং পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়ার শাসনের কথাও বইয়ে স্থান পেয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রকাশিত ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পাঠ্যবই পর্যালোচনায় দেখা গেছে, শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগে বঙ্গবন্ধু শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের অষ্টম শ্রেণির জন্য ছাপানো ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ পাঠ্যবইয়ের ২১ পৃষ্ঠায় ৭ মার্চের ভাষণের বর্ণনায় ৫ জায়গায় শুধু লেখা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান। গত বছর ওই পাঁচটি জায়গায় শেখ মুজিবুর রহমানের আগে বঙ্গবন্ধু লেখা ছিল। তবে উক্ত পাঠ্যবইয়ের বিভিন্ন জায়গায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পাঠ্যবইয়ের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম শিরোনামে তৃতীয় অধ্যায়ের পাঠ-২-এ ৭ মার্চের ভাষণের বর্ণনায় শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগে ৭ জায়গার মধ্যে ৬ জায়গায় বঙ্গবন্ধু শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এ পাঠের শিক্ষার্থীদের কাজ-৩ অংশে বঙ্গবন্ধুর নাম এখনো রয়ে গেছে। এটি ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবে রয়েছে কিনা এটি নিশ্চিত করা যায়নি।

    তবে নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এনসিটিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, পাঠ্যবইয়ে উপাধি হিসেবে শেখ মুজিবের নামের আগে বঙ্গবন্ধু দেওয়া হলে সেটি সংশোধন করা হয়নি। তবে নামের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু সংশোধন করে শেখ মুজিবুর রহমান লেখা হয়েছে।

    এনসিটিবির ওই সূত্রটি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর পাঠ্যবইয়ে নানা পরিমার্জন-পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাধ্যমিকের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিবের আগে ব্যবহৃত ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি বাদ দিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে লিখিতভাবে চিঠি পেয়েছে সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপা ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি। এরপর এনসিটিবি এই সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।

    এনসিটিবির পাঠ্যবই সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত এক বিশেষজ্ঞ নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে আমার দেশকে বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসি) সিদ্ধান্তের আলোকে মাধ্যমিকের বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ের কনটেন্টে সংযোজন-বিয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং পৌরনীতি বইয়ে দেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজি পাঠ্যবইয়েও পরিমার্জন করা হয়েছে। এরই মধ্যে বইগুলো প্রকাশ হয়েছে, তবে তা এখনো অনলাইনে আপলোড হয়নি। রোববার নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সন ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সব স্তরের বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা বছর শুরুর আগেই বইগুলো পড়তে পারবে।

    ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিব আগরতলা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে মুক্তি লাভ করেন। পরের দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তার সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক জনসভার আয়োজন করে। সেখানে তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।

    গত দেড় যুগে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শেখ মুজিবের আগে জাতির পিতা এবং বঙ্গবন্ধু শব্দ দুটিই উল্লেখ করতেন তৎকালীন নীতিনির্ধারকরা। এরই ধারাবাহিকতায় পাঠ্যবইয়েও শেখ মুজিবের নামের আগে এই দুটি উপাধি লেখা হতো।

    তবে শেখ মুজিবের নামের আগে ব্যবহৃত ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি চুরি করা বলে প্রমাণ মিলেছে। ২০০১ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজের বিভাগের শিক্ষক ড. মুহাম্মদ ইয়াহিয়া রহমানের তত্ত্বাবধানে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের শিক্ষক ড. মো. জহুরুল ইসলাম তার পিএইচডি গবেষণায় উল্লেখ করেন, ৭৮ বছর আগেই মুন্সী মেহেরুল্লাহ প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু’উপাধিপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

    মুন্সী মেহেরুল্লাহই যে বাংলার প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু’এ কথা লিখেছেন মতিউর রহমান মল্লিকও। ঢাকাভিত্তিক ‘প্রেক্ষণ সাহিত্য সংগঠন’ ১৯৯৬ সালের নভেম্বরে ‘মুন্সী মেহেরুল্লাহ স্মরণ সংখ্যা’ প্রকাশ করে। সেখানে প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধু মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ’শীর্ষক নিবন্ধে তিনি মির্জা ইউসুফ আলী যে মুন্সী মেহেরুল্লাহকে প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু’উপাধি দেন, এ কথা জানিয়েছেন।

    মুন্সী মেহেরুল্লাহ ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক ও ধর্মপ্রচারক। ১৮৬১ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোর জেলার তৎকালীন কালীগঞ্জ থানার (বর্তমানে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা) ঘোপ গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং মাত্র ৪৬ বছর বয়সে ১৯০৭ সালের ৮ জুন ইন্তেকাল করেন তিনি।

    তথ্যসূত্রঃ

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সরকার আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের ভেতরে ঢুকে গেছে: মঞ্চ ২৪



      ​আগামী ২৫ দিনের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার চেয়েছে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘মঞ্চ-২৪’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম। একই সঙ্গে ৪ দফা দাবি জানিয়েছে এই প্ল্যাটফর্মটি। এদিকে, শহীদ হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ।
      ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

      সংবাদ সম্মেলনে মঞ্চ-২৪ এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের ভাই শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে যে ধরনের নমনীয় সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিচ্ছে, আমরা মনে করি— আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধের চেতনার বিপরীতে গিয়ে এই সরকার আধিপত্যবাদ এবং আগ্রাসনের ভেতরে ঢুকে গেছে। সেজন্য সরকারের এই অবস্থানকে আমরা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত মনে করি না।

      তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার এই মহাবিপ্লব সবচেয়ে বেশি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিকভাবে ধারণ করেছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। তাঁর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার থেকে শুরু করে আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াইয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম ছিল। এই কার্যক্রমটা যদি আরও দীর্ঘমেয়াদি করা যেত, আমরা মনে করি বাংলাদেশে আধিপত্যবাদের কোনো আস্তানা গেড়ে বসতে পারবে না। দিল্লির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি ছিল যে, শরিফ ওসমান হাদি বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতিকে ধারণ করে সত্য এবং ইনসাফের পক্ষে লড়াই করে গেছেন। তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচার ও খুনি ফয়সালকে যদি গ্রেপ্তার করা না হয়, তাহলে অপরাধী চক্র মনে করবে যে সব নেতাকে যদি হত্যাও করা হয়, তাতে এই সরকার তাদের বিপরীতে কোনো পদক্ষেপ নেবে না। সে জন্য প্রত্যেক জুলাইয়ের নেতৃবৃন্দ এখন হুমকির মুখে।

      সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকারের কাছে ফাহিম ফারুকী চারটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-

      ১. শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মূল খুনি ও সম্পূর্ণ সহযোগী চক্রকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে ২৫ দিনের মধ্যে বিচারকাজ সমাপ্ত করতে হবে।

      ২. নির্বাচনের আগে গোয়েন্দা সংস্থার কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে এবং সেখানে অবস্থানরত সব ভারতীয় গুপ্তচরকে চিহ্নিত করতে হবে।

      ৩. গণমাধ্যমে লুকিয়ে থাকা দেশবিরোধী ও বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

      ৪. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয় নাগরিকের ওয়ার্ক পারমিট পুনর্মূল্যায়ন করে বাতিল করতে হবে। ভারত যদি তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে।


      তথ্যসূত্রঃ


      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভারতে বিনা নোটিশে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ৪০০ মুসলিম পরিবারের ঘর



        ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে বিনা নোটিশে প্রায় ২০০টি ঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। এর ফলে অন্তত ৪০০ মুসলিম পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

        ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ ডিসেম্বর, সোমবার ভোর ৪টার সময় বেঙ্গালুরুর কোগিলু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চালায় বেঙ্গালুরু সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ৪টি জেসিবি (এক্সকাভেটর) এবং ১৫০ জনের বেশি পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে এই উচ্ছেদ চালানো হয়।

        বেঙ্গালুরুতে যখন বছরের সবচেয়ে বেশি শীত বিরাজ করছে, ঠিক তখনই এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা জানায়, কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই পুলিশ তাদের জোরপূর্বক বের করে দিয়েছে। অনেক পরিবার তাদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং আসবাব সরিয়ে নেওয়ারও সময় পায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তারা প্রায় ২৫ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছে। তাদের প্রত্যেকের কাছে বৈধ আধার কার্ড এবং ভোটার আইডি রয়েছে।

        উচ্ছেদ হওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই শ্রমজীবী ও অভিবাসী। বর্তমানে কয়েক শ মানুষ তীব্র শীতের মধ্যে রাস্তার ওপর অস্থায়ী তাঁবু বা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে।

        ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে দেশটির বাংলাভাষী মুসলমানদের ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে মারা হচ্ছে। এ ছাড়া খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিনকে ঘিরেও দেশটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো।

        তথ্যসূত্র:
        1. Bulldozer raj: Karnataka govt under fire as demolitions leave 400 Muslims homeless
        https://tinyurl.com/5apt2nu6

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          জম্মু-কাশ্মীরের ইসলামাবাদ শহরে ভারতীয় জালিম বাহিনীর ব্যাপক ঘেরাও ও তল্লাশি



          জম্মু-কাশ্মীরের ইসলামাবাদ শহরে ব্যাপক ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় জালিম বাহিনী।

          গত ২৬ ডিসেম্বর কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের নিউজে বলা হয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর কুইক রিঅ্যাকশন টিম, সেন্টার রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা একযোগে উক্ত শহরের ডেঞ্জারপোরা ও কাজিবাগ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।

          জালিম ভারতীয় সেনারা নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, উক্ত এলাকায় ভারত বিরোধী সন্দেহজনক গতিবিধির খবর পাওয়ার পরে এই অভিযান শুরু করেছে সেনারা।

          উল্লেখ্য যে, জম্মু-কাশ্মীরে ভারতীয় অবৈধ আগ্রাসনের ফলে উক্ত অঞ্চলজুড়ে ভারত বিরোধী তৎপরতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/4cdpydta
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            নতুন বছরের প্রাক্কালে জম্মু অঞ্চলে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে ভারতীয় জালিম বাহিনী



            ​নতুন বছরের প্রাক্কালে জম্মু অঞ্চলে নিরাপত্তা রক্ষার অজুহাতে সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ উভয় অঞ্চলে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে ভারতীয় জালিম বাহিনী।

            গত ২৮ ডিসেম্বর কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের নিউজে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জম্মু অঞ্চলের উধমপুর, কাঠুয়া, ডোডা, কিস্তোয়ার, রিয়াসি, রাজৌরি ও পুঞ্চসহ ১০ জেলায় তথাকথিত আধিপত্য বিস্তার অভিযান জোরদার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী।

            জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ তুলে তারা অতিরিক্ত চেকপোস্ট, টহল ও অভিযানের মাধ্যমে এলাকাগুলো কঠোর নজরদারিতে রেখেছে।

            রাজৌরি ও পুঞ্চের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এবং জম্মু, কাঠুয়া ও সাম্বা জেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবস্থায় সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। সাম্বা জেলার রেঙ্গুর ও মাল্লুচাকসহ বিভিন্ন গ্রামে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ।


            তথ্যসূত্র:
            1. https://tinyurl.com/4m3u96hx

            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X