Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৩ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৩রা জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৩ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৩রা জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    বিহারে এক মুসলিম শ্রমিককে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে মারধর, দেবতার নামে বলি দেবে বলে হত্যার হুমকি


    ভারতের বিহার রাজ্যের মধুবনী জেলায় এক মুসলিম শ্রমিককে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে মারধর করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। এই সময় তারা তাকে হেনস্থা করে দীর্ঘ পথে জোরপূর্বক হাঁটতে বাধ্য করেছে, এছাড়া দেবতার নামে বলি দেবে বলে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।

    গত ২ জানুয়ারি দি অবজারভার পোস্ট নিউজে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

    ভুক্তভোগী এই শ্রমিকের নাম খুরশিদ আলম। তার উপর সংঘটিতে মবের ঘটনা বর্ণনা করে তিনি বলেন, আমি কাজ করছিলাম এবং অল্প সময়ের জন্য নিকটবর্তী একটি দোকানে গিয়েছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে ‘জয় শ্রীরাম, জয় সীতা রাম ও ভারত মাতা কি জয়’ এই স্লোগানগুলো দিতে বাধ্য করতে লাগল।

    কিন্তু আমি ধর্মীয় স্লোগানগুলো দিতে অস্বীকার করি, এর পরিবর্তে কেবল ‘ভারত কি জয়’ এই দেশাত্মবোধক শ্লোগান দিতে রাজি হই।

    ঐ ব্যক্তি আমার এই কথাগুলোর ভিডিও রেকর্ড ভাইরাল করে এবং চলে যায়।

    ভুক্তভোগী এই শ্রমিক আরও বর্ণনা করেন, প্রায় এক ঘণ্টা পর সে আবার ফিরে আসে এবং আমাকে হুমকি দিতে থাকে। সে হুমকি দিয়ে জানায়, যদি আমি হিন্দুত্ববাদী স্লোগান না দেই তবে সে আমাকে ধরে নিয়ে যাবে।

    তখন সেখানে আরও কিছু উগ্র হিন্দু উপস্থিত হয়ে আমাকে বাংলাদেশি বলে অভিহিত করে মারধর শুরু করে।

    এক পর্যায়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা আমাকে গ্রামের দিকে হেঁটে যেতে বাধ্য করে, প্রায় দুই থেকে তিন কিলোমিটার ধরে তারা আমাকে হেনস্থা ও মারধর করতে থাকে। তারা হুমকি দেয়, পথে একটি কালি মন্দির রয়েছে। সেখানে তারা আমাকে বলি দেবে।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রায় ৫০ জন হিন্দুত্ববাদী তার উপর নৃশংসভাবে হামলা চালায়। এই সময় তারা প্রকাশ্যে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/2yj5jtfu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    দেশের বাজারে তীব্র এলপিজি সংকট, দ্বিগুণ দামেও পাওয়া যাচ্ছে না সিলিন্ডার



    দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান এ সংকটের কারণে বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দিয়ে। আবার কোথাও কোথাও অতিরিক্ত দাম দিয়েও মিলছে না রান্না করার এ গ্যাস।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম বণিক বার্তা’য় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলপিজি অপারেটরদের একটি অংশের দাবি, এ অঞ্চলে এলপি গ্যাস সরবরাহকারী কয়েকটি বিদেশী ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর সাম্প্রতিক সময়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এলপিজিবাহী জাহাজের সংকট তৈরি হয়েছে। এতদিন যেসব প্রতিষ্ঠান ও জাহাজ দক্ষিণ এশিয়াসহ বাংলাদেশে বড় পরিসরে এলপিজি সরবরাহ করত, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সেগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

    তবে এলপিজি ব্যবসায়ীদের আরেকটি অংশ ভিন্নমত দিচ্ছেন। তারা বলছেন, কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করে এলপিজি আমদানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। সে কারণেই সরকার নির্ধারিত দামের দ্বিগুণ মূল্য দিয়েও গ্রাহকরা এলপিজি পাচ্ছেন না। আবার অন্য একটি অংশ বলছে, এলপিজি আমদানি বাড়াতে সরকারের কাছে আবেদন করেও অনুমতি পাওয়া যায়নি।

    এলপিজি খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি বিক্রি হয়ে থাকে। কিন্তু গত ডিসেম্বরে তা নেমে আসে প্রায় ৮৫ হাজার টনে। চাহিদা কমে যাওয়ায় নয়, বরং সরবরাহ ঘাটতির কারণেই অন্তত ৩০ হাজার টনের বেশি এলপিজির সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা।

    অপারেটরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বরে এলপিজি পরিবহনকারী জাহাজ, এ খাতের কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র বড় পরিসরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর পর থেকেই এসব প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ এশিয়ায় এলপিজি সরবরাহ করতে পারছে না। ডিসেম্বর থেকে আমদানিতে সংকট শুরু হলেও চলতি মাসে এর সরাসরি প্রভাব বাজারে দেখা যাচ্ছে।

    এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) শীর্ষ নেতারা অবশ্য জানান, শীত মৌসুমে এলপিজির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেশি থাকে। তার ওপর কয়েকটি কোম্পানির আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংকট আরো তীব্র হয়েছে। দ্রুত আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

    এলপিজির বিদেশী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে কিনা—এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় লোয়াবের সভাপতি ও ডেল্টা এলপি গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হকের কাছে। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশে এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে, বিষয়টি ঠিক নয়। এখন শীত মৌসুম, এ সময় এলপিজির একটু ঘাটতি থাকেই। তবে ঘাটতির আরো কারণ হলো দেশে বেক্সিমকো, বসুন্ধরাসহ বড় পাঁচটি কোম্পানি এখন এলপিজি আমদানি করছে না। তাদের অবর্তমানে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করতে হলে অন্য কোম্পানিগুলোকে আমদানি করতে হবে। কিন্তু সেটি তো হচ্ছে না। এ সংকট কাটাতে আমরাসহ (ডেল্টা এলপি গ্যাস) পাঁচটি কোম্পানি এলপিজি আমদানি বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলাম, কিন্তু কাউকে অনুমতি দেয়া হয়নি।’

    যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ গত ২০ নভেম্বর ৪৮ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জ্বালানি পরিবহনকারী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে তালিকায় রয়েছে সিঙ্গাপুর, ইরান ও ভারতের ১৪ ব্যবসায়ী, ২৪টি প্রতিষ্ঠান এবং ১০টি এলপিজি ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বহনকারী জাহাজ।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বড় অংশই ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এবং তারা দক্ষিণ এশিয়ায় এলপিজি ও জ্বালানি তেল সরবরাহের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশসহ আমদানিনির্ভর দেশগুলোর বাজারে।

    এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরাসরি ইরান থেকে এলপিজি আমদানি না করলেও দেশটির উৎপাদিত গ্যাস বিভিন্ন বিদেশী ট্রেডারের মাধ্যমে, নথিপত্র ও রুট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আসত। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ঝুঁকি ও আর্থিক ক্ষতির শঙ্কায় এখন অপারেটররা সে উৎস এড়িয়ে চলছেন। ফলে দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ চ্যানেল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

    নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দেশের বাজারে সরবরাহকৃত এলপিজির প্রায় ৫০ হাজার টন আমদানি হয় ভারতের ওড়িশার ধামরা বন্দর দিয়ে। আরো প্রায় ২০ হাজার টন আসে যৌথ বিনিয়োগে বাংলাদেশে পরিচালিত একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। বাকি প্রায় ৫০ হাজার টন বিভিন্ন মধ্যবর্তী উৎস হয়ে ইরানসহ অন্যান্য দেশ থেকে আসত। নিষেধাজ্ঞার কারণে বড় এ অংশের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

    এলপিজি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরান থেকে এলপিজির বৈশ্বিক সরবরাহকারীরা এখন মারাত্মক সংকটে পড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে ওই বাজার থেকে নিজেদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে। ফলে বিকল্প উৎস না পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

    ফ্রেশ এলপি গ্যাসের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) আবু সাঈদ রাজা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এলপি গ্যাসের আকস্মিক সংকটের প্রধান কারণ মূলত পণ্যটি পরিবহনে এ খাতের বিদেশী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। এছাড়া বেশকিছু জাহাজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে তিন মাস আগে থেকে যারা এলপিজি আমদানির ক্রয়াদেশ দিয়েছে, তারাও পণ্য আমদানিতে অসুবিধায় পড়েছে। বাজারে ফ্রেশ এলপিজির যে পরিমাণ সেলস ভলিউম, তার চেয়ে ৩০ শতাংশ কম আমদানি করতে পারছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ দেয়া না গেলে এ সংকট তৈরি হবেই। আর এলপিজির আমদানি কমে গেলে এক ধরনের সংকট দেখিয়ে খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি হবে—এটাই তো স্বাভাবিক।’

    এলপিজি মূলত বিউটেন ও প্রোপেনের মিশ্রণ। বিশ্ববাজারে দুটি পণ্যের দাম গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত নিম্নমুখী ছিল। তবে গত নভেম্বর থেকে দাম বাড়তে শুরু করে। নভেম্বরে টনপ্রতি বিউটেন বিক্রি হয় ৪৬০ ডলারে, আর প্রোপেন ৪৭৫ ডলারে। তার আগের মাস অর্থাৎ অক্টোবরে তা ছিল যথাক্রমে ৪৯০ ও ৫২০ ডলার। চলতি জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে টনপ্রতি বিউটেনের দাম ৫২০ ও প্রোপেন ৫২৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলপিজি আমদানি করা হয় বলে সৌদি আরামকো সিজি প্রাইজকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশের বাজারে এলপিজির দাম নির্ধারণ হয়। আগামীকাল দেশের বাজারে এলপি গ্যাসের দাম ঘোষণার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এবার পণ্যটির দাম বাড়ানো হবে বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে। ডিসেম্বরের জন্য সংস্থাটি প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল।

    বাজার থেকে হঠাৎ করেই এলপিজি সংকট তীব্র হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বাড়তি টাকা। গৃহস্থালিতে রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। গ্যাসের সংকট তীব্র হওয়ায় ১ হাজার ২০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার টাকা দিয়েও মিলছে না। ভোগান্তিতে পড়া গ্রাহকদের অভিযোগ, গত সপ্তাহ ধরেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে গ্যাসের দাম। কিন্তু সরকারিভাবে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। ফলে বাড়তি চাহিদাকে কেন্দ্র করে অতি মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরা।

    ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, শীতকালে স্বাভাবিকভাবে এলপিজির চাহিদা বাড়ে। কিন্তু সে তুলনায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। চাহিদা ও জোগানের এ অসামঞ্জস্যের সুযোগ নিয়ে খুচরা পর্যায়ে দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা বাজারে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাসের সিলিন্ডার পাচ্ছেন না বিক্রেতারাও। তাই আবাসিক থেকে চায়ের দোকান—কোথাও প্রয়োজনীয় সরবরাহ দিতে পারছেন না বলে জানান।

    কারওয়ান বাজারের আল্লাহর দান হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্টোরের মালিক জাকির হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমার দোকানে গত পাঁচদিন ধরে সিলিন্ডার নেই। ডিলারের কাছে গেলে বলে গ্যাস নেই। আবার ভেতরে গিয়ে দেখা যায় সিলিন্ডারের স্তূপ। আমি মূলত পেট্রোম্যাক্স, আইগ্যাস ও বসুন্ধরার সিলিন্ডার বিক্রি করি। এক সপ্তাহ আগে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ২৫০ টাকা ছিল, গত তিনদিন ধরে সেটা ২ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। আমাদেরই কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৬৫০ টাকায়। পুরো কারওয়ান বাজারে গ্যাস নেই। এখানে সিন্ডিকেট করে সংকটটা দেখানো হচ্ছে।’

    দেশের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ পূরণ করে থাকে বেসরকারি কোম্পানিগুলো। এলপিজি আমদানি ও বিপণনের জন্য বর্তমানে ৫৮টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স থাকলেও বাজারে আছে ২৮টির মতো কোম্পানি। দেশের বাজারে এলপিজির বড় সরবরাহকারী এখন ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। তবে তাদের কোনো সরবরাহ সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘শুনছি বাজারে এলপিজির সংকট তৈরি হয়েছে। তবে ওমেরা-প্রিমিয়ার এলপিজির কোনো সরবরাহ সংকট নেই। হয়তো অন্য কোম্পানিগুলো সরবরাহ সংকটে পড়েছে। কী কারণে এ সংকট তৈরি হলো তা খোঁজ নেয়া জরুরি। তাহলেই সঠিক কারণটা জানা যাবে।’

    তথ্যসূত্র
    https://tinyurl.com/yj9z8ys6
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে ১০ বছরে ৩৬ বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বিএসএফ



      বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মহেশপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ অংশে ৩৬ বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গত ১০ বছরে গুলিবর্ষণে এবং অপহরণের পর নির্যাতনের ঘটনায় নিহত হয়েছেন এসব নিরীহ নাগরিক। একই সময়ে বিএসএফের হাতে মারধরে আহত হয়েছেন সীমান্ত এলাকা মহেশপুরে বসবাসকারী আরো শতাধিক মানুষ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দৈনিক আমার দেশে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

      বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম সীমান্ত। এর মধ্যে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায় রয়েছে ৭২ কিলোমিটার সীমান্ত। কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে এখানকার প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকায়। এছাড়া উন্মুক্ত সীমান্ত রয়েছে প্রায় ১২ কিলোমিটার। বাংলাদেশ অংশের মহেশপুর উপজেলায় রয়েছে যাদবপুর, মান্দারবাড়ীয়া, শ্যামকুঁড়, নেপা, কাজীরবেড় ও স্বরূপপুর ইউনিয়ন। ভারতীয় অংশে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হাসখালী ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা।

      অভিযোগ রয়েছে- মহেশপুরের বাঘাডাঙ্গা সীমান্তের ওপারে ভারতের বরণবাড়ীয়া, শীলবাড়ীয়া, গৌড়া, কাজীরবেড়ের বিপরীতে হাবাসপুর-সুন্দরপুর, মাইলবাড়ীয়া সীমান্তের ওপাশে পাখিউড়া, স্বরূপপুরের বিপরীতে নোনাগঞ্জ ও বেণীপুর, খোসালপুরের ওপারে রামনগর-কুমারী এবং শ্যামকুঁড় সীমান্তের বিপরীতে ভারতের ছুটিপুর, ফতেপুর ও ভজনঘাট বিএসএফ ক্যাম্পের সীমান্তরক্ষীদের নির্বিচার গুলিতে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

      গত ১০ বছরে এসব এলাকায় বিএসএফ প্রায় ৩৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে ও পিটিয়ে হত্যা করে। মূলত ভারতীয় এ বাহিনীর কারণে ঝিনাইদহের মহেশপুরের পুরো সীমান্ত এলাকাটি এখন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে।

      অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, সর্বশেষ গত ৩ নভেম্বর ভোরে উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তে গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন বাউলি গ্রামের কাসেম আলীর ছেলে আবদুর রহিম। ভারতের নদীয়া জেলার ধানতলী থানার হাবাসপুর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে রহিম নিহত হন।

      এ ছাড়া সীমান্তে গত কয়েক বছরে নিহতদের মধ্যে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে আলম মিয়া, রমজান আলীর ছেলে ওয়াসিম আলী, পাঞ্জাব আলীর ছেলে আবদুল মান্নান, করিম মিস্ত্রির ছেলে আত্তাব আলী, নয়ন মণ্ডলের তিন ছেলে ফজলুর রহমান, আবু সালেহ ও লিপু হোসেন, সলেমানপুর গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন, নবীছদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান, খোসালপুর গ্রামের শহিদুল হোসেনের দুই ছেলে সোহেল ও রাশিদুল, মাটিলা গ্রামের মনোয়ার মাস্টারের ছেলে আশা মিয়া, মাটিলা গ্রামের হামেদ আলীর ছেলে হারুন মিয়া, আশাদুলের ছেলে জসিম, লেবুতলা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে লান্টু মিয়া, মিয়ারাজ হোসেনের ছেলে আমিরুল ইসলাম, মনির উদ্দিনের ছেলে আন্টু মিয়া, জলুলী গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে খয়জেল হোসেন, গোপালপুর গ্রামের হানেফ আলীর ছেলে ওবাইদুর রহমান, যাদবপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে জাহিদুল ইসলাম, বাঁকোশপোতা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে হাসান আলী, বাঘাডাঙ্গা জিনজিরাপাড়ার আবদুল আলীর ছেলে খালেক মিয়া, কাজীরবেড় গ্রামের আকবর আলীর ছেলে আশাদুল ইসলাম এবং মাইলবাড়িয়া গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে শফিউদ্দিন উল্লেখযোগ্য।

      নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভারত অংশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশিদের সঙ্গে শত্রু মনোভাবাপন্ন আচরণ করে। কারণে-অকারণে দেখামাত্র গুলি করে। যে কারণে বাংলাদেশিরা সীমান্ত লাগোয়া নিজেদের জমি ঠিকমতো চাষ করতে এবং গরু-ছাগল চরাতে যেতে পারছেন না।

      বিশেষ করে চব্বিশের আন্দোলনের পরে বিএসএফ এখন সীমান্তে মারমুখী আচরণ করছে। ভারতীয় এ বাহিনী ঠান্ডা মাথায় অব্যাহতভাবে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের পাখির মতো হত্যা করছে। বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের এসব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও ভারত তা বন্ধ করছে না।


      তথ্যসূত্র
      https://tinyurl.com/3sedhchw
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        আগামীর বাংলাদেশ হবে রেইনবো নেশন: আমীর খসরু



        বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছে, আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি রেইনবো নেশন, যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

        ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর প্যারেড মাঠে অনুষ্ঠিত জাতীয় অনিত্য সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে সে এসব কথা বলে। বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথেরের প্রয়ানোত্তর পুণ্যস্মৃতি স্মরণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

        অনুষ্ঠানে আমীর খসরু বলে, একটি রংধনু যেমন অনেক রঙের সমন্বয়ে সুন্দর হয়ে ওঠে, তেমনি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের নিজস্ব ধর্ম, ভাষা ও ইতিহাস থাকবে; কিন্তু দেশ হবে সবার।

        বর্তমান রাজনীতি শান্তির পথ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে মন্তব্য করে সে বলে, বিএনপি বর্তমানে দেশে সেই স্থিতিশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি এমন এক লিবারেল ডেমোক্রেসিতে বিশ্বাস করে যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের পরিচয় হবে শুধু বাংলাদেশি।

        বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলে, আগামীর বাংলাদেশে উন্নয়নের সুফল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান যাতে প্রতিটি সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছায় এবং জাতীয় জীবনের সব স্তরে যেন সাম্য বজায় থাকে—তা নিশ্চিত করতে হবে।

        বিশেষ গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা বা একচেটিয়া সুযোগ-সুবিধার দিন শেষ হয়ে গেছে উল্লেখ করে আমীর খসরু বলে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগের ক্ষেত্র তৈরি করা হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য বরদাস্ত করা হবে না হুঁশিয়ারি দেয় সে।


        তথ্যসূত্র:

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা



          লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলসুতী সীমান্ত এলাকায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে ভারতীয় বিএসএফ ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা করে। এতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি বাধা দিলে পিছু হটে বিএসএফ সদস্যরা।

          শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের সময় সুযোগ নিয়ে শূন্যরেখার ৮২৮/২ এস এর নিকট মেইন সীমান্ত পিলার এলাকায় শতাধিক বিএসএফ সদস্যরা এই নির্মাণকাজ শুরু করে।

          বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দ্রুত তিস্তা ব্যাটলিয়ন ৬১ বিজিবি অধীন ধবলসুতী বিওপিকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে ধবলসুতী ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজে বাধা দেন।

          পরবর্তীতে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষ থেকে কাজ বন্ধ রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় বিএসএফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিজিবি।

          এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ মুসাহিদ মাসুম বলেন, সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে বিজিবি সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


          তথ্যসূত্র:

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলা



            ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলার সামরিক ঘাঁটিসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে কারাকাস।

            ০৩ জানুয়ারি (শনিবার) ভোরে কারাকাসে দফায় দফায় বিস্ফোরণ ঘটে। এক বিবৃতিতে বিভিন্ন স্থানে বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর অভিযোগ করেছে কারাকাস। সেই সঙ্গে বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়।

            ভেনেজুয়েলার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি তাদের হাতে এসেছে। এতে বলা হয়, ‘ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে প্রত্যাখ্যান এবং নিন্দা জানাচ্ছে কারাকাস।’

            তবে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, বিস্ফোরণের খবর সম্পর্কে তারা অবগত রয়েছে। তবে এ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ট্রাম্প প্রশাসন।

            প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে দাবি করেছেন, ‘কারাকাসে বোমা হামলা হচ্ছে।’

            তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্বকে সতর্ক করা হচ্ছে, তারা ভেনেজুয়েলায় ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বোমা হামলা চালিয়েছে।’ তবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি তিনি। এ বিষয়ে জাতিসংঘকে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

            ক্যারিবিয়ান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে হাজার হাজার মার্কিন বাহিনী এবং বেশ কয়েকটি নৌযান মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাম্প সম্ভাব্য সামরিক অভিযানেরও ইঙ্গিত দিয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভেনেজুয়েলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।


            তথ্যসূত্র:

            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X