Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৬ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৬ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    টানা পাঁচ মাসের ধারাবাহিক পতনে স্থবির বাংলাদেশের রপ্তানি খাত; অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ



    দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক ছিল রপ্তানি প্রবৃদ্ধি। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসে টানা পাঁচ মাস কমল রপ্তানি আয়। অব্যাহত পতনে রপ্তানিতে স্থবিরতা কাটছেই না। নেতিবাচকে এই ধারা নতুন করে দেশের অর্থনীতিতে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

    ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পতন। এ মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৩৯৭ কোটি ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৬২ কোটি ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্টে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    ইপিবির তথ্য বলছে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি ছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলার, যা তার আগের অর্থবছরের তুলনায় সাড়ে ৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে পণ্য রপ্তানি নেমে এসেছে ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ২ হাজার ৪৫২ কোটি ডলার। অর্থাৎ রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। তবে বার্ষিক হিসাবে রপ্তানি কমলেও মাসিক হিসাবে কিছুটা বেড়েছে। ডিসেম্বরে রপ্তানি গত নভেম্বরের চেয়ে বেড়েছে ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে বেড়েছিল অক্টোবরের তুলনায় ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

    ইপিবির হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে রপ্তানি হয়েছিল ৪৭৭ কোটি ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। কিন্তু আগস্টে রপ্তানি তিন শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৩৯২ কোটি ডলারে, যেখানে আগের বছর একই মাসে রপ্তানি ছিল ৪০৩ কোটি ডলার। এরপর সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আরো কমে ৩৬৩ কোটি ডলারে নেমে আসে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ কম। অক্টোবরে ৩৮২ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই মাসে রপ্তানি কমে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। নভেম্বরে রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে টানা পাঁচ মাস কমল রপ্তানি আয়।

    রপ্তানিতে চলতি মাসেও তৈরি পোশাক খাত শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ফলে এই খাতের রপ্তানি কমলে সামগ্রিক রপ্তানি আয়েও প্রভাব পড়ে। চলতি বছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ মাস তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে, যা চলমান রপ্তানি সংকটকে আরো গভীর করেছে। এ সময় এই খাতে রপ্তানি হয়েছে ১৯ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দুই দশমিক ৬৩ শতাংশ কম। একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা ডিসেম্বর ২০২৪ সালের তুলনায় ১৪ দশমিক ২৩ শতাংশ কম। নভেম্বরে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমার হার ৫ শতাংশ। অক্টোবরে পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩০২ কোটি ডলার, আগের বছরের একই মাসে ছিল ৩৩০ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম। একই সময়ে রপ্তানি আদেশ কমেছে আগের মাসের চেয়ে ২০ শতাংশ। রপ্তানি আদেশ কম এসেছে ৪ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা। আগস্ট মাসে রপ্তানি কম হয় আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ১১ কোটি ডলার। রপ্তানির পরিমাণ নেমে আসে ৩৯২ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের আগস্টে ছিল ৪০৩ কোটি ডলারেরও বেশি। পোশাক রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ৩১৭ কোটি ডলারে, যা গত বছরের আগস্টে ছিল ৩৩৩ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে রপ্তানির পরিমাণ নেমে আসে ৩৬৩ কোটি ডলারে, যা গত সেপ্টেম্বরে ছিল ৩৮০ কোটি ডলারেরও বেশি। পোশাক রপ্তানি ১৭ কোটি ডলার কমে পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮৪ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের একই মাসে ছিল ৩০১ কোটি ডলার।

    পোশাক খাতের সামগ্রিক আয় কমার কারণ হিসেবে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আমার দেশকে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়ার প্রধান কারণ চীন ও ভারতের আগ্রাসী রপ্তানি। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অনেক বেশি শুল্কের কারণে তারা কম দামে ইইউতে রপ্তানি করছে। এ কারণে সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি কমছে।

    ইএবি সভাপতি জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ট্যারিফের বর্ধিত অংশ আমাদের ব্যবসায়ীদের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। এতে সম্মত হতে না পারায় বাল্ক অর্ডারগুলো আমেরিকার বাজার থেকে আসছে না। এর বাইরে অন্য বড় কারণের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাওয়া।

    তিনি বলেন, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এখনো স্থিতিশীলতা আসেনি। বাড়তি শুল্ক আদায়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের দর বেড়েছে। তাদের চাহিদা কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশের মতো। ব্যাংক লুটপাট, উচ্চ সুদহারসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে বাংলাদেশের শিল্প খাত বর্তমানে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। এর মধ্যে কিছু কাস্টমস কর্মকর্তা আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে রপ্তানিকারকদের ভোগান্তির চেষ্টা করেন।

    ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, খাতভিত্তিক নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ক্যাটাগরিতেই রপ্তানি কমেছে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগের তুলনায় ৩ দশমিক ২২ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার, কমেছে ১ দশমিক ৯১ শতাংশ।

    তথ্যসূত্র:

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে থানাপুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার


    রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মো. জহিরুল ইসলাম মুন্নার নেতৃত্বে উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের বাবুরবাজার এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী সুজন দাস (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

    এ সময় তল্লাশি করে মাদক ব্যবসায়ী সুজন দাসের কাছ থেকে ৫০ বোতল মদ (৫০ লিটার) উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য ২৫ হাজার টাকা।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, মাদকসহ আটক সুজন দাসকে (৫ জানুয়ারি) সোমবার শ্রীমঙ্গল থানায় মাদক আইনে একটি মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক



      পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি ভাড়া বাসা থেকে আরিফা আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী রিফাতকে (২১) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

      ৫ জানুয়ারি (সোমবার) রাত ৮টায় কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফা বরিশালের বায়োরগাতি এলাকার আব্দুল খালেক হাওলাদারের মেয়ে। তার স্বামী রিফাত একই এলাকার বাসিন্দা।

      স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রায় চার মাস আগে রিফাত-আরিফা দম্পতি কুয়াকাটায় এসে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। রিফাত স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন।

      প্রতিবেশীরা জানান, তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ দেখা যেত। ঘটনার রাতে হঠাৎ তাদের ঘর থেকে কান্নাকাটির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় আরিফার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

      স্থানীয় বাসিন্দা আক্কাস বলেন, ‘কান্নার শব্দ শুনে গিয়ে দেখি ঘরের ভেতরে মেয়েটির নিথর দেহ পড়ে আছে। অন্য এক বাসিন্দা শহিদ বলেন, ‘ঘুম থেকে উঠে এসে দেখি পুরো ঘর রক্তে ভেজা, আর রিফাত দরজার সামনে বসে আছেন।’

      পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর দেওয়া হলে মহিপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।

      মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’


      তথ্যসূত্র:

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        চট্টগ্রামে অস্ত্রের মুখে দিনদুপুরে প্রায় ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ ছিনতাই



        চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কারিগরদের কাছ থেকে ৩৫টি স্বর্ণের বার ছিনতাই করেছে একদল সশস্ত্র ছিনতাইকারী। এসব স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা।

        এই ঘটনায় পাঁচলাইশ থানা তদন্ত করছে। অভিযোগপত্রে, অস্ত্রের মুখে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের কথা বলা হলেও প্রাথমিক তদন্ত ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এমন কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, এই দুই কারিগর সিএনজি অটোরিকশাযোগে ঢাকায় যাওয়ার বিষয়টিও তদন্ত করছে।

        মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নির্দেশে তার দুই কারিগর গুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি স্বর্ণের বার নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হামজারবাগ এলাকায় পৌঁছালে সামনে থেকে দুটি মোটরসাইকেলে থাকা চারজন মুখোশধারী তাদের অটোরিকশা থামিয়ে দেয়। অটোরিকশা থামানোর পর ছিনতাইকারীরা প্রথমেই দুই কারিগরকে অস্ত্রঠেকিয়ে জিম্মি করে। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য তারা কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোড়ে। গুলির শব্দে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও সৌভাগ্যবশত কেউ হতাহত হয়নি।

        ছিনতাইকারীরা মুহূর্তের মধ্যেই কারিগরদের কাছে থাকা ৩৫টি স্বর্ণের বার ও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর দ্রুতগতিতে হিলভিউ আবাসিক এলাকার পাহাড়ি অংশের দিকে পালিয়ে যায় তারা। পুরো ঘটনাটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটে।

        এজাহারে ছিনতাইকারীদের মধ্যে একজনের নাম ‘সুমন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ধারণা করা হচ্ছে, এরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছিনতাই করতে আসে এবং কারিগরদের গতিবিধি আগে থেকেই অনুসরণ করছিল।ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, ছিনতাইয়ের সময় তাদের মারধর করা হয়। এ নিয়ে রাতেই পাঁচলাইশ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান চলছে।


        তথ্যসূত্র:

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          রাজস্থানে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগ এনে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে এক বৃদ্ধকে হিন্দুত্ববাদীদের নির্মম নির্যাতন


          ​ভারতের রাজস্থানে এক অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধকে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগ এনে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। এই সময় তাকে ‘রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ বলে তকমা দেয় হিন্দুত্ববাদীরা।

          বিজেপি শাসিত রাজস্থানের ঝালাওয়ার জেলার আকলেরা শহরে গত ২ জানুয়ারি বা তার আগে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

          ভাইরাল এক ভিডিওতে দেখা যায়, অসহায় বৃদ্ধ লোকটি মাটিতে পড়ে আছে, আর ৮ থেকে ১০ জন উগ্র হিন্দু তাকে ঘিরে রেখেছে, তার মাথা ও শরীরে বারবার লাথি মারা হচ্ছিল, তাকে চড় মারা হচ্ছিল, এছাড়া লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করা হচ্ছিল। ভিডিওতে অসহায় লোকটিকে লক্ষ্য করে হামলাকারীদেরকে গালিগালাজ করতে শোনা যায়।

          এছাড়া ভুক্তভোগী বৃদ্ধকে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত কাতরভাবে তাকে রক্ষা করার অনুরোধ করছিলেন।

          উল্লেখ্য যে, ভারতের বিজেপি শাসিত রাজ্যসমূহে এই ধরনের মবের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষত উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী কর্তৃক মব চালানা একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই ধরনের আইন বহির্ভূত মব রোধে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/2s4cu2fw
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            মহারাষ্ট্রে ৩ বাংলাভাষী শ্রমিককে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে নিপীড়ন, উগ্র গোষ্ঠীর কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না বাংলাভাষী সাধারণ হিন্দুরাও




            ভারতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের শাসনামলে উগ্র সন্ত্রাসীদের নিপীড়ন থেকে রেহাই পাচ্ছে না বাংলা ভাষাভাষী সাধারণ হিন্দুরাও। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে বাংলাভাষী ৩ পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শ্রমিকরা পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার স্থানীয় বাসিন্দা। এই তিন শ্রমিকের নাম দিলীপ বাগদি, সমীর বারুই এবং পাণ্ডবেশ্বর অঞ্চলের অপর এক সহকর্মী।

            গত ৫ জানুয়ারি দি অবজারভার পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়।

            ভুক্তভোগীরা জানায়, মহারাষ্ট্র থেকে সম্প্রতি তারা নিজ বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করছিল তখন এই ঘটনাটি ঘটে। তাদের অভিযোগ, ভ্রমণের টিকিট কেনার সময় তারা হিন্দিতে কথা বলেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে যানবাহনে নিজেদের মধ্যে বাংলা কথা বলতে শোনায় স্থানীয় কিছু উগ্র লোক তাদের সাথে ঝামেলা শুরু করে। তারা পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় নাগরিক বারবার দাবি করা সত্ত্বেও উগ্র স্থানীয়রা তাদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে। একসময় তাদেরকে যানবাহন থেকে জোর করে নামিয়ে অন্য এক স্থানে নিয়ে আনা হয়, সেখানে তাদের আধার কার্ড পরীক্ষা করা হয়।

            শ্রমিকদের অভিযোগ, আধার কার্ড দেখানোর পরেও তাদেরকে ভারতীয় বলে মেনে নিতে অস্বীকার করে উগ্র স্থানীয় লোকেরা। এই সময় তাদেরকে তীব্র সহিংসতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাদের মাথায় গরম চা ঢেলে দেওয়া হয়, পেটে ও মাথায় লাথি মারা হয়। নির্যাতন বন্ধ করা হবে এই আশায় এক ভুক্তভোগী অসুস্থ হওয়ার ভান করে। কিন্তু তারপরেও উগ্র জনতার নির্যাতন অব্যাহত রাখে।

            পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় রাজনীতিবিদরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমবর্ধমান ভারতীয় বাঙ্গালী নিপীড়নের জন্য তারা উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি প্রশাসনকে দায়ী করেছে।


            তথ্যসূত্র:
            1. https://tinyurl.com/5t2r6ukh
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে এক যুবককে নির্যাতন করে হত্যা করল বিএসএফ




              চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে রবিউল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে নির্যাতন করে হত্যার পর লাশ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ৫ জানুয়ারি (সোমবার) রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর থানাধীন জহুরপুরটেক বিওপি এলাকায় পতাকা বৈঠক শেষে লাশটি ফেরত দেওয়া হয়।

              বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান।

              নিহত রবিউল সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সাত রশিয়া গ্রামের এজাবুর রহমানের ছেলে।

              বিজিবি কর্মকর্তা কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাতে জহুরপুরটেক সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের পর রবিউল ইসলামের লাশ ফেরত দেওয়া হয়।

              তিনি বলেন, নিহত রবিউল জহুরপুরটেক সীমান্তে গেলে মুর্শিদাবাদ জেলার বিএসএফের পাতলা টোলা সাব-ক্যাম্পের সদস্যরা রবিউলকে আটক করে। এরপর হঠাৎ খিচুনির কারণে অসুস্থ হয়ে মারা যান বলে মিথ্যা দাবি করেছে বিএসএফ।

              গত রোববার ভোরে জহুরপুরটেক সীমান্তে গরু আনতে যান রবিউল ইসলামসহ তিন যুবক। এ সময় রবিউলের সঙ্গে থাকা মানারুল (৪০) ও রমজান আলী (৩৫) নামের দুজন পালিয়ে গেলেও তাকে আটক করে বি এসএফ। পরে তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।


              তথ্যসূত্র:

              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ গাজায় বর্বর ইসরায়েলি বিমান হামলা, শহীদ ২




                দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী আবারও যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে ২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির খবরে এ তথ্য জানানো হয়। এ হামলায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে।

                সংবাদে বলা হয়, ৫ জানুয়ারি, সোমবার সন্ধ্যায় পশ্চিম খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর আশ্রয় নেওয়া একটি তাঁবুকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। লক্ষ্যবস্তু এলাকাটি ছিল সেই সব অঞ্চলের একটি, যেখান থেকে গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি সেনারা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল।

                গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে বর্বর ইসরায়েলি বাহিনী শত শতবার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। চুক্তি লঙ্ঘনের এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,১৮৯ জন আহত হয়েছে।

                উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ইসরায়েলের দুই বছরব্যাপী গণহত্যা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়। এই আগ্রাসনে প্রায় ৭১ হাজার ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত হয় ১ লাখ ৭১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ, আর গাজা উপত্যকা পরিণত হয় এক বিশাল ধ্বংসস্তূপে।


                তথ্যসূত্র:
                1. Ukraine says 2 killed, 3 injured in overnight Russian airstrike on Kyiv
                https://tinyurl.com/44kyyppk
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment

                Working...
                X