Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৯ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৯ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    ঊর্ধ্বতন আদেশে ইলিয়াস আলী গুম তদন্ত বোর্ডের রহস্যজনক বিলুপ্তি



    ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে সেনাবাহিনী যখন ব্রিগেডিয়ার আজমির অপহরণ পরীক্ষার জন্য একটি কোর্ট অব ইনকোয়ারি গঠন করে, ঠিক সে সময়ই র‌্যাবের বিরুদ্ধে ওঠা বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগটি তদন্ত করতেও সেনাবাহিনীর একটি অভ্যন্তরীণ বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই বোর্ড কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছেই পরবর্তী সময়ে রহস্যজনকভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

    ০৯ জানুয়ারি দৈনিক আমার দেশের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৪ জানুয়ারি ‘জোরপূর্বক গুম সম্পর্কিত তদন্ত কমিশন’ প্রধান উপদেষ্টার কাছে যে প্রতিবেদন জমা দেয়, তাতেই এ চিত্র উঠে আসে।

    গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের নেতৃত্বাধীন বোর্ডে সদস্য ছিলেন মেজর জেনারেল ইফতেখার আনিস, মেজর জেনারেল নাহিদ আসগর, ব্রিগেডিয়ার মনওয়ার হোসেন খান, ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহমান ও ব্রিগেডিয়ার আসিফ ইকবাল। একই সময় দুর্নীতি তদন্তের জন্য তৃতীয় একটি অভ্যন্তরীণ বোর্ডও গঠন করা হয়। ওই বোর্ডের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম কমিশনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র‌্যাব-সংক্রান্ত বোর্ডটি প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কাজ করে। এ সময় তারা প্রায় ৬০ কর্মকর্তা ও সৈনিকের সাক্ষাৎকার নেয়। একাধিক সাক্ষী পরে গুম-সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত কমিশনকে জানান, বোর্ডে তাদের জবানবন্দি আনুষ্ঠানিকভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। কেউ অডিও রেকর্ডার, কেউ ভিডিও ক্যামেরা, আবার কেউ লিখিত বিবৃতিতে স্বাক্ষরের কথা বলেছে, যা ওই তদন্ত চলার প্রমাণ।

    গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার সময় (২০০৯-১৩) র‌্যাব-১-এর অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা ব্রিগেডিয়ার রশিদুল আলম গুম কমিশনকে বলেন, ‘আমাকে ফোন করে ডাকা হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল এটি অফিসারদের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং বোর্ড। তারা আমাকে শুধু লে. জেনারেল মুজিব সম্পর্কে আমি কী জানি এবং ইলিয়াস আলী মামলায় তার সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন করেছিল। এখানেও আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি মেজর জেনারেল জিয়ার (বর্তমানে গুমের অভিযোগে কারাগারে বন্দি) ইলিয়াস আলী মামলায় সম্পৃক্ততার সম্পূর্ণ বিবরণ তাদের দিতে। আমি একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছিলাম এবং বোর্ড সম্ভবত সেটি রেকর্ডও করেছিল।

    তবে গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন জানায়, সেনাবাহিনীর ওই কমিশন বোর্ডের তৈরি কোনো রিপোর্টের সন্ধান পায়নি। যোগাযোগ করা হলে বোর্ডের চেয়ারম্যান কমিশনকে জানায়, কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছেই বোর্ডটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। কমিশন তদন্ত চলাকালীন সংগৃহীত বিভিন্ন প্রমাণ দেখতে চাইলে জানানো হয়, সেগুলো আর পাওয়া যাচ্ছে না। এ বর্ণনার সত্যতা নিশ্চিত করে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল শাখার অধীন পার্সোনাল সার্ভিসেস ডাইরেক্টরেটের পরিচালক, যিনি কমিশনের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিল।

    গুম-সংক্রান্ত কমিশন জানতে চেয়েছিল, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত একটি তদন্ত বোর্ড সিদ্ধান্ত প্রকাশ না করেই বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং সংগৃহীত সব প্রমাণ পরবর্তীতে যা পাওয়া যায়নি। কমিশনকে জানানো হয়, এটিই একমাত্র এমন ঘটনা। বোর্ডটি কেন তার ম্যান্ডেট পূর্ণ করেনি—এ প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়, এটি ‘ঊর্ধ্বতনের আদেশে’ থেমে গিয়েছিল।

    গুম-সংক্রান্ত চূড়ান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কমিশন লক্ষ করে একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড বন্ধের নির্দেশ যেকোনো আদেশই অবশ্যই আরো উচ্চতর কর্তৃপক্ষ থেকে আসতে হয়েছে। বর্ণিত পরিস্থিতিতে এমন ক্ষমতা একমাত্র সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানেরই থাকতে পারে।’

    কোন নিয়মের আওতায় নথিপত্র পরে আর হাতের নাগালে পাওয়া যায়নি—তা ব্যাখ্যা করার মতো কোনো নথিভুক্ত রেকর্ড আছে কি না জানতে চাইলে কমিশন কোনো ব্যাখ্যা পায়নি।

    কমিশন বলছে, ‘যেসব সাক্ষী পরে কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছে এবং এর আগে বোর্ডের সামনেও হাজির হয়েছিল, তারা জানিয়েছে তারা নিজের চোখে দেখা জোরপূর্বক গুম ও নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছিল। তাদের মধ্যে অন্তত একজন সৈনিক ছিল, যিনি বলেছে সে সেই অভিযানে অংশ নিয়েছিল, যে অভিযানের সময় বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী অপহৃত হন। কমিশন এই প্রমাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের বলে মনে করে।’

    এসব বিবেচনায় কমিশন সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে তদন্তের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছিল, প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছিল, এরপর কোনো ব্যাখ্যা বা ফলাফল ছাড়াই পুরো প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সংগৃহীত উপাদান পরবর্তীতে হারিয়ে যায় বা অনুপলব্ধ করা হয়। এমন আচরণ ‘অভ্যন্তরীণ তদন্ত স্বাধীনভাবে বা সদিচ্ছার সঙ্গে পরিচালিত হবে’—এই আস্থাকে গুরুতরভাবে দুর্বল করে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে শুধু অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করা যায় না—এই উপসংহারকে আরো জোরালো করে।

    গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অভিযুক্ত অপরাধগুলো সেনা আইনের আওতায় পড়ে না এবং সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো বারবার সন্দেহভাজনদের আটক করতে, প্রমাণ সংরক্ষণ করতে কিংবা সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জবাবদিহি শুধু সামরিক আইন বা অভ্যন্তরীণ সামরিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত—এমন দাবির কোনো ভিত্তি নেই। এই বাস্তবতায় কোনো নিরাপত্তা বাহিনীর নিজস্ব প্রক্রিয়ার ওপর জবাবদিহি ছেড়ে দিলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।’

    তথ্যসূত্র:
    ১। ইলিয়াস আলী গুম তদন্ত বোর্ডের ‘রহস্যজনক’ বিলুপ্তি
    https://tinyurl.com/4wh4657m
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের অবৈধ সড়ক নির্মাণ ঠেকাতে লাঠি হাতে গ্রামবাসীর প্রতিরোধ



    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খলিশাকোঠাল সীমান্তঘেঁষা এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর সড়ক নির্মাণের চেষ্টা ঘিরে দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম দফায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধায় কাজ বন্ধ করলেও দ্বিতীয় দফায় আবারও সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করে বিএসএফ। ঘটনা জানাজানি হতেই সীমান্ত এলাকায় ছুটে আসেন স্থানীয়রা। এসময় অনেকেই লাঠিসোঁটা হাতে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন।

    দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতীয় মেঘ নারায়ণের কুঠি বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার করলা এলাকায় কুর্শাহাট-টু-দিনহাটা পাকা রাস্তার কাজ শুরু করলে দ্বিতীয় দফায় বাধা দেন বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

    পাশাপাশি খবর পেয়ে সীমান্ত এলাকায় ছুটে আসেন স্থানীয়রা। এসময় ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীর অনেকেই লাঠিসোঁটা হাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষে সড়ক নির্মাণের চেষ্টা ঘিরে এর আগে বিকেল ৩টার দিকে প্রথম দফায় বাধা দেয় বিজিবি। এ নিয়ে পতাকা বৈঠকের পর কাজ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেয় বিএসএফ। কিন্তু বিজিবির টহলদল সীমান্ত থেকে চলে গেলে বিকেল ৪টার দিকে আবারও নির্মাণ কাজ শুরু বিএসএফ। পরে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধের মুখে ঘটনাস্থলে দ্বিতীয় দফায় পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানায় বিএসএফ।

    এসময় সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৪ এর সাব পিলারের ১ এসের পাশে ভারতীয় নোম্যান্সল্যান্ডে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার আবু তাহের। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেয় কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার মেঘ নারায়ণের কুঠি ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর দীপক কুমার। স্বল্প সময়ের বৈঠকে আগামী ১৩ জানুয়ারি অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে একমত হয়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ সাময়িক বন্ধ রাখে বিএসএফ।

    স্থানীয়রা জানান, গত ৩/৪ দিন থেকে সীমান্তঘেঁষা এক কিলোমিটার পুরাতন সড়কটির পাশে পূর্ব দিকে নতুন করে পাকা সড়ক নির্মাণ করে আসছে ভারতীয় বিএসএফ। তারা রাতের-আঁধারে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা বাধা দিলেও ভারতীয় বিএসএফ সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ করেনি। আজ (বৃহস্পতিবার) আমরা এলাকাবাসী বিজিবিকে সহযোগিতা করে রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এ ঘটনায় দুইবার পতাকা বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখলেও রাতের আঁধারে কাজের আশঙ্কা রয়েছে।

    লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবু তাহের জানান, বৈঠকে চলাকালীন উভয় দেশের অধিনায়ক পর্যায়ে ফোনালাপ হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি আগে বিএসএফ আর কাজ করবে না বলে সম্মত হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তথ্যসূত্র:
    ১। কুড়িগ্রাম সীমান্তে দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা, সড়ক নির্মাণ ঠেকাতে লাঠি হাতে গ্রামবাসীর প্রতিরোধ
    https://tinyurl.com/5dj3ycvp
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্নপত্র ফাঁস: বিএনপি নেতাসহ ১১ জন আটক



      আজ (৯ জানুয়ারি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক সেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ’ সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।

      ৯ জানুয়ারি দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ দুপুরে পৃথক দুটি অভিযানে উপজেলা শহরের কাজি মার্কেটের পিছনের একটি বাসা এবং থানা এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া প্রশ্নপত্রের ফটোকপির সাথে পরীক্ষায় ব্যবহৃত প্রশ্নপত্রের মিল রয়েছে কি না তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

      আটক সেচ্ছাসেবক দল নেতার নাম মিনারুল ইসলাম। সে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। বাকিদের পরিচয় শুক্রবার বিকাল পৌনে চারটা পর্যন্ত নিশ্চিত করেনি পুলিশ। এদের মধ্যে প্রকৃত এবং ভুয়া পরীক্ষার্থী (প্রক্সি) রয়েছে।

      পুলিশ জানায়, পরীক্ষা শুরুর আগে দুপুরে উপজেলার শহরের কাজি মার্কেটের পিছনের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে সেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামসহ ৬ জনকে আটক করা হয়। তারা প্রশ্নপত্রের ফটোকপি নিয়ে উত্তরপত্র প্রস্তুত করছিল। এদের মধ্যে মিনারুলসহ চারজন চক্রের সদস্য বলে ধারণা করছে পুলিশ।

      এছাড়াও পৃথক অভিযানে থানার সামনে একটি গাড়ির গতিরোধ করে চালকসহ আরও ৫ জনকে আটক করা হয়। তারা প্রশ্নপত্রের ফটোকপি ও ডিভাইসসহ সটকে পড়ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে প্রকৃত ও ভুয়া পরীক্ষার্থী রয়েছে।

      তথ্যসূত্র:
      ১। প্রশ্নপত্র ফাঁস: বিএনপি নেতাসহ ১১ জন আটক
      https://tinyurl.com/4pja63ye
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় দখলদার ভারতীয় বাহিনীর তল্লাশি অভিযান অব্যাহত, ২২ নিরীহ যুবক আটক



        জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে দখলদার ভারতের হিন্দুত্ববাদী বাহিনী।

        কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের সংবাদে বলা হয়েছে, ৭ জানুয়ারি কাঠুয়া জেলার কাহোগ ও ধানু প্যারোল-কামাধ এলাকায় অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স ও স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। এই অভিযান ৮ জানুয়ারিও অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে।

        এই সময় সহিংস কর্মকাণ্ডে উগ্র ভারতীয় সেনার গুলিতে এক যুবক শহীদ হয়েছেন, এছাড়া এক দখলদার ভারতীয় সেনা আহত হয়েছে।

        অপরদিকে নিরীহ নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে অবৈধ ভারত সরকারের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এই সময় ২২ জন নিরাপরাধ যুবককে তারা গ্রেপ্তার করেছে এবং আরও বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

        অপরদিকে সাম্বা, রাজৌরি, পুঞ্চ ও কাঠুয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় ক্রমাগত তল্লাশি ও টহল জোরদার করেছে অবৈধ দখলদার ভারত সরকারের সম্মিলিত বাহিনী।


        তথ্যসূত্র:
        1. Indian forces step up CASOs in Kathua, 22 youth detained during house raids
        https://tinyurl.com/2mckjvrt
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X