Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৪ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৪ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    জম্মু-কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলায় ৫০০ এরও অধিক সামরিক বাঙ্কার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে দখলদার ভারত



    অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায় ৫০০ এরও অধিক সামরিক বাঙ্কার নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে দখলদার ভারত সরকার, যা উক্ত অঞ্চলে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি করেছে। এই পদক্ষেপ সামরিক ক্ষেত্রে দখলদার ভারত সরকারের আগ্রাসী অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বারামুল্লার উরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকায় বাঙ্কারগুলো নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে দখলদার ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    বারামুল্লার ডেপুটি কমিশনার বলেছে, প্রথম পর্যায়ে ৫০০ এরও বেশি বাঙ্কার স্থাপন করা হবে, পরবর্তী পর্যায়ে এই সংখ্যা ক্রমান্বয়ে আরও বৃদ্ধি করা হবে।

    সম্প্রতি বারামুল্লা, কুপওয়ারা, পুঞ্চ, রাজৌরি, ডোডা, কিস্তোয়া, কাঠুয়া জেলায় ঘেরাও, রেইড ও তল্লাশি অভিযান তীব্র করেছে দখলদার ভারতীয় বাহিনী। সেই ধারাবাহিকতায় এই বাঙ্কারগুলো নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে, এছাড়া নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ব্যাপকভাবে দখলদার ভারতীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    অপরদিকে তথাকথিত নিরাপত্তা সম্প্রসারণ প্রকল্পের নামে উন্নত অস্ত্রশস্ত্র ক্রয় ও নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করেছে নয়াদিল্লী প্রশাসন।

    পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছে, বেসামরিক অঞ্চলগুলো দ্রুত সামরিকীকরণ, নজরদারি, রেইড, তল্লাশি অভিযান – সবকিছু মিলে জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা অঞ্চলে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এক প্রকার অনিশ্চয়তা ও সংঘাতের মধ্যে স্থানীয় মুসলমানগণ সেখানে দিনযাপন করছেন।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/2zrwzh4k
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    নরসিংদীর শিবপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৭



    নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার কারারচর ও জাঙ্গাইলা এলাকায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণের অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার এবং ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

    আটকৃতদের ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসমূহ শিবপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) ভোর ৩ টার দিকে লেঃ কর্ণেল শামীম রহমান, পিএসসি সিগস্ (৯ সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন) এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    আটককৃতরা হলো, শিবপুর উপজেলার কারারচর এলাকার মো. মিজান মিয়ার ছেলে গডফাদার জামাল উদ্দিন খোকা (৭০), জামাল উদ্দিন খোকার স্ত্রী সেলিনা বেগম (৫০), শাহাপুর গ্রামের শাহাজালাল আহমেদ সানির স্ত্রী সম্পা (২৪), জাঙ্গাইলা এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে আলমগীর (৩৭), আওয়ালের স্ত্রী শামসু নাহার (৫০), মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে আজিজুল মিয়া (৩২), ফরিদ মিয়ার ছেলে ফয়সাল মিয়া (২০)।

    উদ্ধারকৃত মালামাল – ১ টি আগ্নেয়াস্ত্র (সাথে ২টি কার্তুজ), ৩টি পিস্তল ম্যাগাজিন, ১৬শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ১৫,৪০,১০০ টাকা, মোবাইল ১৭ টি (১৩টি স্মার্টফোন, ৪টি বাটন), ২টি সামুরাই, ৬টি ফেন্সিডিল, ৯টি বিদেশি মদের বোতল, ২টি নকল পিস্তল, ২টি রাম দা ও ১টি ল্যাপটপ। শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    তথ্যসূত্র:

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ২০২৫ সালে ভারতজুড়ে সংখ্যালঘু বিশেষত মুসলমানদের বিরুদ্ধে ১৩১৮টি ঘৃণামূলক বক্তব্যের ঘটনা রেকর্ড: ইন্ডিয়া হেট ল্যাব



      ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ইন্ডিয়া হেট ল্যাব এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৫ সালে ভারতজুড়ে ১৩১৮টি ঘৃণামূলক বক্তব্যের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি এবং ২০২৩ সালের তুলনায় উদ্বেগজনকভাবে ৯৭ শতাংশ অধিক। এই পরিসংখ্যান সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বিপজ্জনক নরমালাইজেশনের বার্তা বহন করছে।

      প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে মুসলমান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা ছড়ানো হয়েছে। এছাড়া এই সকল বক্তব্যে খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধেও বিদ্বেষ উস্কে দেওয়া হয়েছে।

      সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও দিল্লিতে। এই সকল ঘৃণামূলক বক্তব্যের প্রায় ৮৮ শতাংশ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে সংঘটিত হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে সরকারের নেতৃত্বস্থানীয়রাও সরাসরি এতে জড়িত রয়েছে।

      প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালে এসে ঘৃণামূলক বক্তব্য আর মাঝে মাঝে বা সাধারণ প্রচারণার অংশ ছিল না, বরং তা রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছিল। উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রান্তিক অবস্থা থেকে বক্তৃতার মূল বিষয়বস্তুতে চলে এসেছে।

      ২০২৫ সালে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘৃণা ছড়ানো এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মনে হয়েছে যেন এই ধরনের বক্তব্য রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত। ২১টি রাজ্য, একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও রাজধানী দিল্লি জুড়ে রাজনৈতিক সমাবেশ, ধর্মীয় মিছিল, প্রতিবাদী মিছিল এবং জাতীয়তাবাদী সমাবেশে ঘৃণামূলক বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। দৈনিক গড়ে ৪টি এমন ঘটনা ঘটেছে।

      ঘৃণামূলক বক্তব্যের ধারাবাহিক বৃদ্ধি পাওয়া বিজেপি সরকার ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃত্বাধীন উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত। দেখা গেছে যে, নেতৃত্বস্থানীয়দের প্রচারিত ন্যারেটিভ তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা আরও জোরালোভাবে প্রচার-প্রসারে অংশগ্রহণ করেছে।

      ঘৃণামূলক বক্তব্যে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বারবার বহিরাগত, দেশবিরোধী বা জনসংখ্যাগত হুমকি হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। লাভ জিহাদ, পপুলেশন জিহাদ, হালাল জিহাদ ও স্পিট জিহাদের মতো শব্দগুলো প্রায়শই ভয় ও সন্দেহ উস্কে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ২০২৫ সালে রেকর্ডকৃত বক্তব্যগুলোর প্রায় অর্ধেকই এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে।

      প্রায় এক চতুর্থাংশ বক্তৃতায় সহিংসতা ঘটানোর জন্য সরাসরি আহ্বান জানানো হয়েছিল। আবার অনেকে বক্তৃতায় মুসলমানদেরকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বয়কট বা মসজিদ ধ্বংস করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। মসজিদ ও গির্জাগুলোকে বারবার টার্গেট বানানো হয়েছে। বিশেষত জ্ঞানবাপী মসজিদ ও শাহী ঈদগাহ মসজিদের বিরুদ্ধে বারবার ইন্ধন উস্কে দেওয়া হয়েছে।

      এই সকল ঘৃণ্য বক্তব্য ছড়াতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের মতো হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন গোষ্ঠীর তৎপরতা সবচেয়ে বেশি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুরোহিতসহ অন্যান্য হিন্দু ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা সংখ্যালঘু বিরোধী ন্যারেটিভের প্রতি সমর্থন যুগিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এই সকল ঘৃণা ছড়াতে ভূমিকা রেখেছে। ১৩১৮টি ঘটনার মধ্যে ১২৭৮টির ভিডিও অনলাইন প্লাটফর্মে ভাইরাল করা হয়েছে। ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো (ফেইসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এক্স) তাদের নিজস্ব নীতির প্রয়োগ না করেই এগুলো প্রচার-প্রসারে সহায়তা করেছে।

      এই সকল ন্যারেটিভ একদিকে সমাজে মেরুকরণ তৈরি করছে, এছাড়া হিন্দুত্ববাদীদের সমর্থন এবং সংখ্যালঘুদের বহিষ্কার ও নির্বিচার হত্যা-নিপীড়নের বৈধতা প্রদানে ব্যবহার করা হচ্ছে।

      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/59ccfarx
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        নেত্রকোনায় বিএনপির ৫ নেতার ‘সুপার ফাইভ বাহিনী’ কর্তৃক কোটি টাকা চাঁদাবাজি



        ​নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুর রউফ স্বাধীনসহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে লেপসিয়া বাজার থেকে কোটি টাকা চাঁদাবাজি ও জলমহাল দখল করে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

        ১৩ জানুয়ারি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয়ভাবে ওই পাঁচ নেতার গ্রুপ ‘সুপার ফাইভ বাহিনী’ নামে পরিচিত বলে জানা গেছে।

        লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জেলার খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুর রউফ স্বাধীন, সহ-সভাপতি ইদ্রিছ আলী মোল্লা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তরিকুজ্জামান তরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা জিয়া উদ্দিন ও চাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলকাছ মিয়া ফাইভ স্টার গ্রুপ পরিচালনা করছে। স্থানীয়ভাবে ‘সুপার ফাইভ বাহিনী’ নামে গ্রুপটি পরিচিত।

        অভিযোগ অনুযায়ী, এই গ্রুপটি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জলমহাল, ফিসারী, বাজার ইজারা, টেন্ডার (পিআইসি), এমনকি প্রশাসনিক দপ্তরকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডে চাঁদাবাজি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে চলছে। উপজেলার লেপসিয়া বাজার ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে প্রায় এক কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে। এছাড়া খালিয়াজুরী উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ঘিরেও চাঁদাবাজি করছে গ্রুপটি।

        ভুক্তভোগীরা অভিযোগে জানায়, উপজেলার রানীচাপুর গ্রুপ ফিসারী, মরানদী (মরাগাঙ), চুনাই গ্রুপ ফিসারী, ধনুনদী (গাগলাজুর থেকে ধনপুর অংশ), রৌয়াদিঘা ফিসারী, নাজিরপুর-মুরাদপুর গ্রুপ ফিসারিসহ একাধিক জলমহাল বর্তমানে ওই গ্রুপটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

        ভুক্তভোগী আক্তারুজ্জামান ও জাহাঙ্গীর খান জাগো নিউজকে বলেন, রানীচাপুর গ্রুপ ফিসারীটিতে বাঁশ-কাঠ দিয়ে দিয়ে মাছের আশ্রয়স্থল তৈরি, নৌকা কেনা, পাহারদার খরচসহ ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছি। কিছুদিন পর মাছ ধরা শুরু হবে। কিন্তু সম্প্রতি ওই গ্রুপের লোকজন হামলা চালিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের ফিশারি থেকে উচ্ছেদ করেছে। প্রশাসনসহ সব জায়গায় জানিয়েছি, কোথাও প্রতিকার পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে দলের চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হয়েছি। আশা করছি তিনি এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

        অপর ভুক্তভোগী সৈয়দ মিনহাজ উদ্দিন হুসাইন জাগো নিউজকে বলেন, উপজেলার মরানদী নামে জলমহালটির ৫০ ভাগ শেয়ার আমার নামে। এতে সব মিলিয়ে ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছি। এখন ফিসিংয়ের সময় ওই ফাইভস্টার গ্রুপের ঘনিষ্ঠ খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মিয়া জলমহালটি দখলে নিয়েছে। জলমহালে না যাওয়ার জন্য আমাকে হুমকি দিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। পুলিশ ও প্রশাসনকে জানিয়েছি, কোনো সুরাহা পাচ্ছি না। ওই গ্রুপটা উপজেলার সকল জলমহাল-ফিশারি জোর করে দখল করেছে।

        তথ্যসূত্র:
        ১। বিএনপির ৫ নেতার ‘সুপার ফাইভ বাহিনীর’ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ
        https://tinyurl.com/4kvfm5mr
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র



          মুসলিম ব্রাদারহুডের লেবানিজ, মিশরীয় ও জর্ডানীয় শাখাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

          ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিম ব্রাদারহুডের এসব শাখা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের গণতান্ত্রিক ও বৈধ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে তারা হামাসসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন করে আসছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের স্বার্থবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগকে এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে ওয়াশিংটন।

          যুক্তরাষ্ট্রের মতে, মুসলিম ব্রাদারহুডের কার্যক্রম কেবল মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাই নষ্ট করছে না, বরং তা সরাসরি মার্কিন নাগরিক ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে।

          এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, ‘আজ আমরা মুসলিম ব্রাদারহুডের লেবানিজ, মিশরীয় এবং জর্ডানীয় শাখাগুলিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব গোষ্ঠীর সক্ষমতা ও কার্যক্রম নির্মূল করবে, যা মার্কিন নাগরিক এবং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।’

          উল্লেখ্য যে, ১৯২৮ সালে মিশরে শহীদ ইমাম হাসান আল-বান্না (হাফিযাহুল্লাহ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে বিভিন্ন শাখা এবং শাখা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠন।

          মিশরীয় মুসলিম ব্রাদারহুড ২০১২ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো গণতান্ত্রিকভাবে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে। কিন্তু এক বছর পর সামরিক অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি মুহাম্মদ মুরসিকে উৎখাত করা হয় এবং ২০১৯ সালে তিনি কারাগারে শহীদ হন।

          জর্ডানে মুসলিম ব্রাদারহুড শাখার নাম ‘ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্ট’। জর্ডানে এই দলটি ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৩১টি আসন বিজয় অর্জন করে। এছাড়া লেবাননের মুসলিম ব্রাদারহুড শাখার নাম ‘আল-জামাআল-ইসলামিয়া, লেবাননের সংসদে এ দলের প্রতিনিধি রয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। Today, we are designating the Lebanese, Egyptian, and Jordanian chapters of the Muslim Brotherhood as terrorist groups
          https://tinyurl.com/369vb4ht
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X