Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৬ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৬ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    মংডুতে রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীদের থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করে নিচ্ছে আরাকান আর্মি



    আরাকানের উত্তর মংডু টাউনশিপে রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক বাড়ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সশস্ত্র পক্ষগুলোর বারবার অর্থ দাবির কারণে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে চরম সংকটে পড়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে দৈনিক ‘রোহিঙ্গা খবর’ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত ২০ জানুয়ারি বৌদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) কর্তৃক উত্তর মংডুর একটি উদ্ধার শিবিরের কাছে বিভিন্ন গ্রামের ২৫ জন রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীকে একটি বৈঠকে ডাকা হয়। এসব গ্রামের মধ্যে ছিল শুয়ে জার, পাউং জার, হ্লা বাউ জার, পিন ফিউ, কিয়াউক হ্লা কার, হারবি ও থায়েত ওক। বৈঠকে গ্রামপ্রধান ও আরাকান আর্মির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিল।

    বৈঠকে আরাকান আর্মির প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীদের কাছে দাবি করে যে, বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ম্রাউক ইউ সরকারি হাসপাতাল পুনর্নির্মাণের জন্য অর্থ প্রয়োজন। সে জন্য প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ কিয়াত (মিয়ানমারের টাকা) পর্যন্ত দিতে বলা হয়। বৈঠক শেষে মোট ২ কোটি কিয়াতের বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

    একজন রোহিঙ্গা ব্যবসায়ী জানান, এই অর্থ প্রদান স্বেচ্ছাসেবী ছিল না। তিনি বলেন, ‘তারা বলেছে এটা হাসপাতালের জন্য, কিন্তু আমাদের কোনো উপায় ছিল না। টাকা না দিলে আমাদের জীবনের কী হতে পারে, সেই ভয়ে আমরা দিতে বাধ্য হয়েছি।’

    স্থানীয়রা জানান, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। ওই এলাকার আরাকান আর্মি কর্তৃক রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে বারবার অর্থ দিতে এবং বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সড়ক মেরামত, ঝোপঝাড় পরিষ্কার ও চিংড়ি ঘেরের কাজ। এমনকি এসব কাজের খরচও রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর কাছ থেকেই আদায় করা হয়।

    আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা বারবার টাকা দিচ্ছি। আয় না থাকলেও টাকা চাইছে। কোনো কোনো মাসে তিন-চারবার পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এভাবে মানুষ টিকে থাকতে পারে না।’

    বাসিন্দারা জানান, এসব দাবি অনানুষ্ঠানিক এবং কোনো লিখিত নথি ছাড়াই আদায় করা হয়, তবে বিষয়টি সবারই জানা। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে গবাদিপশু বিক্রি করছে, সঞ্চয় লুকিয়ে রাখছে কিংবা ঋণ করে এই অর্থ জোগাড় করছে।

    সম্প্রতি এই চাপ আরও বেড়ে যাওয়ায় কিছু রোহিঙ্গা ব্যবসায়ী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অনেক পরিবার দোকান, বাড়িঘর ও বছরের পর বছরের জীবিকা ফেলে বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছে। শুয়ে জার গ্রাম ও মংডু শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি পরিবার পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। কেউ পরিবারসহ সীমান্ত পার হয়েছে, আবার কেউ রাতের আঁধারে কেবল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে এলাকা ছাড়ে।

    একজন রোহিঙ্গা ব্যক্তি বলেন, ‘মানুষ ইচ্ছায় যাচ্ছে না। এখানে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলেই তারা চলে যাচ্ছে।’


    তথ্যসূত্র:

    ১। Rohingya Businesspeople Forced to Pay Large Sums in Maungdaw
    https://tinyurl.com/44hzd4yf
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    উত্তর প্রদেশে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে মারধরের শিকার মুসলিম তরুণ



    উত্তর প্রদেশের আগ্রায় তাজগঞ্জ এলাকায় ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে এক মুসলিম তরুণকে হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে। হেনস্থার এই দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে।

    ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণকে তার নাম ও ধর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এক পর্যায়ে একটি সরু গলিতে তাকে লাঞ্চিত করা হচ্ছিল। ভুক্তভোগী ছেলেটির নাম আনাস। সে কামালখান এলাকার বাসিন্দা। গত ২০ জানুয়ারি ছেলেটি তার নানীর বাড়ি যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে।

    এক ভিডিও বার্তায় আনাস জানায়, “আমি আমার নানীর বাড়ির কাছে মোমো খেতে তাজগঞ্জে গিয়েছিলাম। এক ব্যক্তি আমার নাম জিজ্ঞাসা করলো। মুসলিম নাম জানতে পেরে সে জিজ্ঞাসা করলো, তুমি কি মুসলিম? এরপরই সে আমাকে লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করল।”

    অভিযুক্ত উগ্র হিন্দুত্ববাদীর নাম সন্তোষ। ঘটনার সময় সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে জানা গেছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সন্তোষ বারবার আনাসকে আঘাত করছিল, আর গলির অন্য শিশুরা ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল।

    ভুক্তভোগী আনাস এই সহিংসতায় আহত হয়েছে। সে এখনও আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছে তার স্বজনেরা। আনাসের মামা ফারদিন অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাগ্নে কোনও ভুল করেনি। সে শুধুমাত্র গলি দিয়ে যাচ্ছিল। ধর্মের কারণেই তাকে এমন হেনস্থা করা হয়েছে। যা স্পষ্টত নিন্দনীয়।

    তিনি আরও জানান, আমি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছি। পরিস্থিতি প্রথমদিকে নিষ্পত্তি হয়েছিল, কিন্তু সন্তোষ ফিরে এসে আমাকেও আক্রমণ করে। সিসিটিভিতে এই দৃশ্যও উঠে এসেছে।

    অভিযুক্ত সন্তোষকে গ্রেপ্তার করেছে তাজগঞ্জ থানা পুলিশ। তবে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হেনস্থা করার বিষয়টি পুলিশ অস্বীকার করেছে। পুলিশের এই দাবির তীব্র বিরোধিতা করে ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, ভিডিওতে ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন স্পষ্টভাবে শোনা গেছে ও দেখা গেছে। এই ঘটনা স্পষ্টভাবে ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে হয়েছে।

    স্থানীয় এক এক্টিভিস্ট বলেন, যখন কোন শিশুকে তার ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার পর আক্রমণ করা হয়, তখন এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বার্তা বহন করে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পর সাথে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার প্রতি দাবি আরও জোরালো হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/5n93rtsn
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      দেশে এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে, কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি



      বাংলাদেশে তরুণ বয়সীদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে নতুন করে ১ হাজার ৮৯১ জন এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে মারা গেছে ২১৯ জন। নতুন শনাক্তদের বড় একটি অংশ অবিবাহিত তরুণ–তরুণী।

      গত ২৪ জানুয়ারি দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় এইডস ও এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে (২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) নতুন শনাক্ত এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে ৪২ শতাংশই অবিবাহিত তরুণ–তরুণী। আগের বছর এই হার ছিল ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

      বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ সমাজে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়া একটি বড় বাস্তবতার প্রতিফলন। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে অবিবাহিতদের মধ্যে এইচআইভি শনাক্তের হার আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

      রাজধানীর বাইরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। যশোরে ২০২৫ সালে ৫০ জনের বেশি মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছে। যশোরের সিভিল সার্জন মো. মাসুদ রানা জানায়, আক্রান্তদের মধ্যে স্কুল ও কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। তার ভাষায়, এই বয়সে সচেতনতা কম থাকলেও কৌতূহল বেশি থাকে, যা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের দিকে ঠেলে দেয়।

      জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরুণদের মধ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ একসঙ্গে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ইনজেক্টেবল ড্রাগ ব্যবহারের সময় একই সুচ ভাগাভাগি করা, অবৈধ যৌন সম্পর্ক, একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক এবং সঙ্গীর স্বাস্থ্য অবস্থা সম্পর্কে না জানা।


      তথ্যসূত্র:
      ১। অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে
      https://tinyurl.com/yrezvbye
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০



        ভোলার বোরহানউদ্দিনে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গত ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পক্ষিয়া ইউনিয়ন বোরহানগঞ্জ বাজারে এলাকা এ ঘটনা ঘটে।

        দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের পক্ষে এলডিপি মোকফার উদ্দিন চৌধুরীকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে, তিনি গত ২৫ জানুয়ারি দুপুরের পরে সংবাদ সম্মেলন করে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা তুলে নেয়।

        বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের পর স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাদের প্রচারের অংশ হিসেবে বোরহানগঞ্জ বাজারে একটি মিছিল বের করে। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা মিছিলে বাধা দিলে দু-দলের কর্মীরা বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে প্রায় ১০ জনের মতো আহত হয়।


        তথ্যসূত্র:
        ১। বোরহানউদ্দিনে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০
        https://tinyurl.com/bdcr66v3
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে আরও এক বেসামরিক মুসলিম শহীদ



          ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের সাম্বা জেলায় হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে আরও এক বেসামরিক ব্যক্তি শহীদ হয়েছেন।

          ২৬ জানুয়ারি কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের খবরে বলা হয়, জেলার রামগড় এলাকার মাজরা অঞ্চলে এক অভিযানের সময় ভারতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) ওই বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করে।

          ভারতীয় সরকারি সূত্রগুলো হত্যাকাণ্ডের পক্ষে মিথ্যা যুক্তি দেখিয়ে দাবি করে, নিহত ব্যক্তি একজন অনুপ্রবেশকারী ছিলেন। তবে স্থানীয়রা এই দাবি নাকচ করে জানান, নিহত যুবক একজন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক। ঘটনার পর ভারতীয় বাহিনী ওই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

          উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় ভারতীয় বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে, যার ফলে গত ২৩ জানুয়ারি কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় দখলদার ভারতীয় বাহিনীর অভিযানে আরও এক যুবক শহীদ হয়।

          তথ্যসূত্র:
          1. Indian forces martyr civilian in Samba district
          https://tinyurl.com/3dhf7cfb
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিম্নমানের উপকরণে রাস্তা সংস্কার, উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং



            চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিম্নমানের বিটুমিন ও পাথরে চলছে এলজিইডির রাস্তা সংস্কার কাজ। এতে সংস্কারের কাজ শেষ না হতেই রাস্তার কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

            ২৬ জানুয়ারি দোইনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এলাকাবাসী জানান, নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহারের কারণেই সড়কটির রাস্তার কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

            ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দয়া-ইসলামগঞ্জ সড়কে সম্প্রতি শুরু হওয়া সংস্কার কাজের এমন চিত্র দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

            স্থানীয়দের ভাষ্য, বছরের পর বছর সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে তারা চরম দুর্ভোগে ছিলেন। অবশেষে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা আশাবাদী হয়েছিল। কিন্তু কাজ শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সেই আশা এখন চরম হতাশায় রূপ নিয়েছে।

            স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৭০০ মিটার সড়ক সংস্কারের কাজ এটি। প্রকল্প অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বাস্তবে চলতি বছরে এসে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। দেরিতে কাজ শুরুর পরও মানসম্মত কাজ না হওয়ায় ক্ষোভ আরো বেড়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় মান বজায় রাখা হয়নি।

            তথ্যসূত্র:
            ১। চাঁদপুরে নিম্নমানের উপকরণে রাস্তা সংস্কার, উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং
            https://tinyurl.com/5x4x74cr
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X