Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১০ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১০ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    বিহারে ছোটখাটো বাইক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদিবাসী মুসলিম তরুণকে পিটিয়ে হত্যা করল একদল উগ্র হিন্দু



    ভারতে বিহার রাজ্যের কাটিহার জেলার হাপলা এলাকায় ১৫ বছর বয়সী এক আদিবাসী মুসলিম তরুণকে পিটিয়ে হত্যা করেছে একদল উগ্র হিন্দু। ভুক্তভোগী তরুণ ছেলেটির নাম মোহাম্মদ মানজার। একটি বাইক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ছোটখাটো তর্ক-বিতর্ক থেকে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

    গত ২৬ জানুয়ারি সংঘটিত এই লোমহর্ষক ঘটনায় হাপলা এলাকায় শোক ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

    সূত্রমতে, ছোটখাটো একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলে বিবাদ শুরু হয়। তর্ক চলাকালীন একদল উগ্র হিন্দু যুবক মুসলিম ছেলেটিকে লাঞ্ছিত ও মারধর করে, এর ফলে ছেলেটি গুরুতরভাবে আহত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

    সংশ্লিষ্ট থানার এসআই পুলিশ তাবরেজ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছে, এই ঘটনায় চিতাবাড়ী থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    উক্ত মামলায় নীতিশ কুমার, পাতিল কুমার যাদব, সুজিত কুমার যাদব, ভিকি কুমার যাদব, মুন্না কুমার যাদব ও রাজু কুমার যাদবসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    এখন পর্যন্ত দু’জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    উল্লেখ্য যে, ভারতে বিচার বহির্ভূত এরূপ মবের ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পেছনে হিদুত্ববাদী প্রশাসনের মদদ এবং সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়ার অভাবকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকগণ।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/mwxcew9m
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভোলায় দলীয় কর্মীকে হামলার ঘটনায় জামায়াত–চরমোনাইয়ের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন



    ভোলা-৪ আসনের চরফ্যাশন পৌরসভায় নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী হেনস্থার অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী চরফ্যাশন উপজেলা শাখা।

    দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন।

    তিনি জানান, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মী মারিয়া কামাল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মী তাদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা দিয়ে তাকে হেনস্থা করেছে। বিষয়টি যাচাই করে জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন তথ্য পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এ এম এম কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল, তার ছেলে তাহযিব এবং যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি ফয়সাল হাত পাখা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ চালাচ্ছিল।

    এ সময় তারা ওই এলাকার সোহেল নামের এক ব্যক্তি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বশির উল্লাহকে লিফলেট দেয়। লিফলেট নেওয়ার সময় নির্বাচনি জোট ও পীর সাহেবকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

    তিনি অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে যুব আন্দোলনের নেতা ফয়সাল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বশির উল্লাহর গায়ে হাত তোলে। একই সময় পাশ দিয়ে যাওয়া স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ আলাউদ্দিন ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ফয়সাল তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলে। পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হলে ফয়সাল হাফেজ আলাউদ্দিনকে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেয়। ঘটনার ভাইরাল ভিডিওতে এসব দৃশ্য স্পষ্ট দেখা যায় বলেও তিনি দাবি করেন। পরে আহত হাফেজ আলাউদ্দিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

    এদিকে এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে একই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী এ এম এম কামাল উদ্দিন নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তার দলের নারী কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ তুলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।


    তথ্যসূত্র:
    ১। দলীয় কর্মীকে হামলার ঘটনায় জামায়াত–চরমোনাইয়ের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন
    https://tinyurl.com/ycxkr7uy
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবরে প্রার্থনা করল গোবিন্দ প্রামানিক



      গোপালগঞ্জ-০৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক নেতাকর্মী নিয়ে শেখ মুজিবের কবরে প্রার্থনা করেছে।

      এ সময় সে সাংবাদিকদের জানিয়েছে, ‘দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন ছিল এখানে আসার, কিন্তু কাজের জন্য আমি আসতে পারিনি। কারণ এই জায়গায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ঘুমিয়ে আছেন। তার সমাধিস্থান সমগ্র বাঙালির পীঠস্থান। এটা দর্শন করার ইচ্ছা প্রত্যেক বাঙালিরই আছে। উনি না থাকলে আজকে বাংলাদেশ হতো না। তার সমাধি দর্শন করা প্রত্যেক মানুষের জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

      গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবরের ৩ নং গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রার্থনা করে এসব কথা জানায় সে।

      কবরে প্রার্থনা শেষে টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তার নির্বাচনি প্রচারের লিফলেট বিতরণ করে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।


      তথ্যসূত্র:
      ১। এবার টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুরের কবরে গোবিন্দ প্রামানিক
      https://tinyurl.com/ycxhvdvd
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সাতক্ষীরায় হেলমেট না থাকায় টহলরত সেনাবাহিনীর মারধরে যুবকের মৃত্যু!



        সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাশিয়া এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল দলের সদস্যদের মারধরে ইসমাইল হোসেন (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ইসমাইল হোসেন আনুলিয়া ইউনিয়নের চেউটিয়া কাকবাশিয়া জেলেখালি এলাকার বাসিন্দা এবং মহিরউদ্দীন সানার ছেলে।

        দৈনিক যুগান্তর এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কাকবাশিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

        প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসমাইল হোসেন তার দুই বন্ধুসহ একটি মোটরসাইকেলে করে কাকবাশিয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা হেলমেটবিহীন অবস্থায় বাজারসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের মুখোমুখি হয়। এ সময় সেনাসদস্যরা মোটরসাইকেলটির গতিরোধ করে ইসমাইল হোসেনকে মারধর করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পরই সেনাবাহিনীর টহল দলটি এলাকা ত্যাগ করে।

        এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনাস্থলে একজন যুবকের লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

        ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


        তথ্যসূত্র:
        ১। হেলমেট না থাকায় ‘সেনাসদস্যের মারধরে’ যুবকের মৃত্যু!
        https://tinyurl.com/8zzubmhd
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ২৬ বছর আগে ঘটা হত্যাকাণ্ডের মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল




          চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক হত্যাকাণ্ডের মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

          বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এ রায় ঘোষণা করে।

          মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মনিরুল হক মনু এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হল ছাইফুল হক, বদরুল হক, আজিজুল হক, আবদুল রাজ্জাক, মো. রফিক, ছৈয়দুল হক, বাবুল হক ও মো. হাছান। রায়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

          পাবলিক প্রসিকিউটর এম ইউ এম নুরুল ইসলাম জানায়, ২০০০ সালের ৭ জুলাই আনোয়ারায় ঘাস পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে নুরুল আবছার ও নুর আহম্মদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে গুরুতর আহত নুর আহম্মদ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।

          মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় এবং ২০০৪ সালের ২২ মার্চ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এই রায় দেয়। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়, আর পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।


          তথ্যসূত্র

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ফেরি চালুর কৃতিত্ব দাবি করে স্লোগান দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি–এনসিপি সংঘর্ষে আহত ১০



            নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ফেরি সার্ভিস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় অনুষ্ঠানে আসা হাজারো মানুষ আতঙ্কে দিকবিদিক ছুটতে থাকেন।

            শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে নলচিরা–চেয়ারম্যান ঘাট নৌপথে ফেরি ‘মহানন্দা’ সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী ফেরি সার্ভিসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে।

            উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ফেরি চালুর কৃতিত্ব দাবি করে পৃথকভাবে স্লোগান দিতে থাকে বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে স্লোগানকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

            সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. ইউছুপ (৩০), ফারুক (৩৫), মো. রায়হান (৩০) এবং কোস্ট গার্ডের ড্রাইভার মহসিনসহ অন্তত ১০ জন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

            ঘটনার পর নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

            তথ্যসূত্র
            https://tinyurl.com/3xw5nrzt
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক


              গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের বালাসীঘাট এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিএনপি নেতা মিলন মিয়াকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।

              শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ভোর রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী শুক্রবার ভোররাতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তার বাড়ি থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে।

              ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং শুক্রবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

              তথ্যসূত্র
              https://tinyurl.com/yz9csdtd
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা কর্তৃক ৩ মুসলিম মাংস বিক্রেতা নির্মম মারধরের শিকার



                ভারতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ৩ মুসলিম মাংস ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে মারধর করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা। ২৬ জানুয়ারি রিপাবলিক দিবসের প্রাক্কালে বিষ্ণুপুর থানার জুলপিয়া এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের নাম ফরাজ আলী পিয়াদা (৩৫), আক্কাস আলী পিয়াদা (৩৭) এবং আনসার আলী পিয়াদা (২৯)।

                তারা বারুইপুরের খোদার বাজার মধ্যপাড়ার বাসিন্দা, বেশ কয়েক বছর ধরে তারা স্থানীয় কাচারী বাজারে খাসির মাংসের ব্যবসা করে আসছেন।

                ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, কেনাবেচা সংক্রান্ত মতবিরোধ থেকে উক্ত মবের ঘটনার সূত্রপাত হয়। একদল হিন্দুত্ববাদী ক্রেতা তাদের ক্রয়কৃত মাংসের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট ও অভিযোগ করেছিল। তাদেরকে সন্তুষ্ট করতে অতিরিক্ত আরও ৩টি ছাগল জবাই করেছিল মুসলিম দোকানিরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও মাংস ক্রয়ে তারা অস্বীকৃতি জানায় এবং তাদের অর্থ ফেরত চায়। বিবাদ এড়াতে তখনই অর্থ ফেরত দেন মুসলিম দোকানিরা।

                কিন্তু ঘটনাটি এখানেই সমাপ্ত হয়নি। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে একটি স্থানে ভুক্তভোগী ফরাজ আলী’র পথ আটকায় ৪ জন উগ্রবাদী হিন্দু। তাকে টেনে হেঁচড়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জন উগ্রবাদী হিন্দু তার উপর হামলা চালায়। ফরাজ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার আগেই তীব্র মারধরে তার অবস্থা যেন অর্ধমৃত হয়ে পড়েছিল। তারা ধর্মীয় ও বাংলাদেশি পরিচয় তুলে বারবার অপমান করছিল, “তোরা মুসলিম, তোরা বাংলাদেশি, তোরা আমাদের খাবার, জমি অবৈধ ভোগ করিস”।

                ফোনে খবর পেয়ে আক্কাস আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তখন হিন্দুত্ববাদীদের নৃশংসতা আরও বেড়ে যায়। তিনি অভিযোগ করেন, উগ্র হিন্দুরা তাকে ঘিরে ফেলেছিল, ধর্ম ও বাংলাদেশি পরিচয় উল্লেখ করে গালিগালাজ করছিল। তারা তাকে আধার কার্ড দেখাতে বাধ্য করছিল। কিন্তু তাৎক্ষণিক আধার কার্ড দেখাতে তিনি সক্ষম হননি। তখন নিজ পিতামাতা সম্পর্কে অপমানজনক ও অশ্লীল বাক্য উচ্চারণে তারা তাকে বাধ্য করেছিল।

                সবচেয়ে নির্দয় পরিস্থিতি বর্ণনা করেছেন আক্কাস আলীর স্ত্রীর সুজাতা বিবি। তিনি স্বামীকে ঘরে ফিরতে না দেখে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান। তিনি বর্ণনা করেন, উগ্র হিন্দুরা সশস্ত্র ছিল। তাদেরকে বাধা দিতে গেলে তারা আমার শ্লীলতাহানি করে, আমার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলে, বুকে লাথি মারে।

                তিনি আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ধর্মীয় পরিচয় জানতে চাওয়ার অজুহাতে আমাদের পুরুষদের বিবস্ত্র করেছে। এমনকি তাদেরকে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছিল।

                অপর এক ভুক্তভোগী আনসার আলী তার ভাইদের উদ্ধারের চেষ্টা করলে তিনিও মারধরের শিকার হন। সেসময় উগ্র হিন্দুরা তাদের চেইন, মানিব্যাগ ও নগদ অর্থ লুটপাট করে নেয়।

                আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৩ ভুক্তভোগীকে প্রাথমিকভাবে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে বর্তমানে তারা নিজ বাড়িতে বিশ্রামরত অবস্থায় আছেন, প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক দুর্দশার মধ্যে তারা দিনপার করছেন।

                এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

                তবে পুলিশের গ্রেপ্তারের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। কেননা চন্দন মণ্ডল, কার্তিক নাস্কর, ইন্দ্র ঘোষ এবং আকাশ সহ বেশ কয়েকজন প্রধান আসামী এখনও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সুষ্ঠু ন্যায়বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীসহ মানবাধিকার কর্মীগণ।


                তথ্যসূত্র:
                1. https://tinyurl.com/5n8z6d5u
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  হে আল্লাহ! উগ্র হিন্দুত্ববাদী​ সন্ত্রাসীদের থেকে ভারতীয় মুসলিমদেরকে নিরাপদে রাখুন। আমীন
                  ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

                  Comment

                  Working...
                  X