Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৪ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৪ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    উত্তর প্রদেশে স্কুল শিক্ষক কর্তৃক ৮ম শ্রেণির দলিত ছাত্রকে ব্যাপক মারধর ও হত্যার হুমকি




    ভারতের উত্তর প্রদেশের মৈনপুরি জেলায় একটি স্কুলে ৮ম শ্রেণির এক দলিত শ্রেণিভুক্ত ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন করেছে শ্রেণি শিক্ষক ও স্কুল কমিটির এক মেম্বার। পানির পাইপ ভাঙ্গার অভিযোগ এনে ছেলেটিকে মারধর করেছে নিপীড়নকারীরা। ১৪ বছর বয়সী এই ছাত্রের পিঠে ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে আঘাতের দাগ সুস্পষ্ট। ব্যাপক মারধরের কারণে বর্তমানে সে ঠিকভাবে হাঁটতে পারছে না।

    ছেলেটিকে দলিত বা নিচুজাত অপবাদ দিয়ে গালিগালাজ করা হয়েছে, শারীরিকভাবে হেনস্থা করার পাশাপাশি হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তারা তাকে হুমকি দিয়েছে যে, “তুই যদি আবার স্কুলে পা রাখিস, তোকে আমরা হত্যা করব”।

    গত ৩০ জানুয়ারি কুরাওয়ালি এলাকায় একটি বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ১ ফেব্রুয়ারি উক্ত শ্রেণি শিক্ষক ও স্কুল কমিটি মেম্বারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর বড় ভাই।

    ভুক্তভোগী ছেলেটি জানায়, আমি তৃষ্ণার্ত ছিলাম, তাই পানি খেতে গিয়েছিলাম, দেখি পানির ট্যাংকের পাইপটি আগে থেকে ভেঙ্গে আছে। কিন্তু এটা ভাঙ্গার জন্য আমাকে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।

    আমি বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করা সত্ত্বেও কেউ আমার কথা শুনেনি। বরং নিম্নজাত অপবাদ দিয়ে তারা আমাকে বিদ্রূপ করেছে এবং হত্যার হুমকি দিয়েছে।

    ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, পাইপটি অন্য এক শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু তথাকথিত নিচুজাতের হওয়ার কারণে তাদের সন্তানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে দোষারোপ করা হয়েছিল।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/3e977enz
    2. https://tinyurl.com/5d98u6ak
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে দখলদার ভারতীয় বাহিনী কর্তৃক অদ্যাবধি ১০৫০ জন কাশ্মীরি মুসলিম শহীদ, দমন নিপীড়ন অব্যাহত




    ২০১৯ সালের আগস্টে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে দখলদার ভারতের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ ও নৃশংসতার মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ১ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের গবেষণা বিভাগ। উক্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালের আগস্ট মাস থেকে এখন পর্যন্ত ২২ জন নারী ও ৪৫ জন শিশুসহ ১০৫০ জন কাশ্মীরি মুসলিম দখলদার ভারতীয় বাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছেন।

    দখলদার ভারতীয় বাহিনীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ভারতের সেনাবাহিনী, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং অন্যান্য আধাসামরিক বাহিনী।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, উক্ত সময়ের মধ্যে দখলদার বাহিনীর কাস্টোডি ও ভুয়া এনকাউন্টারে শহীদ হয়েছেন ২৮৭ জন কাশ্মীরি। সৈয়দ আলী গিলানি, মুহাম্মদ আশরাফ সেহরাই, আলতাফ আহমেদ শাহ ও গোলাম মুহাম্মদসহ কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামী নেতৃবৃন্দের অনেকেই ভারতীয় বাহিনীর কাস্টোডিতে শহীদ হয়েছেন।

    আগস্ট, ২০১৯ এর পর থেকে দখলদারিত্ব বিরোধী বিভিন্ন বিক্ষোভে ভারতীয় বাহিনীর দমনপীড়নে ২৬৬০ জন কাশ্মীরি আহত হয়েছেন। এছাড়া কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হুরিয়তের নেতৃবৃন্দ, এক্টিভিস্ট, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, আলেম এবং মানবাধিকার কর্মীসহ আরও ৩৩,১৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার হওয়া অধিকাংশ যুবকদের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইন (পিএসএ) এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ) এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১৬৮টি আবাসিক বাড়িঘর এবং অন্যান্য অবকাঠামো ধ্বংস করেছে দখলদার ভারতীয় বাহিনী। এছাড়া ১৩৯ জন নারীর শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ সালের আগস্ট মাসের পর থেকে কাশ্মীরি নাগরিক হত্যার রেকর্ড পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে কাশ্মীরি মুসলমানদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

    কেবল গত জানুয়ারি মাসে ২ কাশ্মীরি শহীদ ও ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দখলদার ভারত। এছাড়া এক ডজনেরও অধিক কাশ্মীরি মুসলমানদের জমি, বাড়িঘরসহ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে দখলদার নয়াদিল্লি প্রশাসন। এছাড়া এই সময়ে কাশ্মীর বিরোধী নীতির অংশ হিসেবে ৬ কাশ্মীরি মুসলিম কর্মীকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নয়াদিল্লির নিযুক্ত লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে এই সকল কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে।

    হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকার কর্তৃক জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর থেকে উক্ত অঞ্চলে হত্যা, বিচারবহির্ভূত মৃত্যুদণ্ড, নির্বিচার গ্রেপ্তার, নির্যাতন, ধ্বংস ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করাসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/44a895s9
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      র‌্যাবের নাম পরিবর্তন করে ‘এসআইএফ’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার



      অন্তর্বর্তী সরকার র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

      দৈনিক আমার দেশ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র‍্যাবের নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ)। প্রধান উপদেষ্টা এ নাম অনুমোদন করেছে। আদেশ জারির পর নতুন নামে বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হবে। একই সঙ্গে র‍্যাবের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হবে।

      প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, র‍্যাব গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে এ বাহিনীর নাম ছিল র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম (র‍্যাট)। পরে ২০০৪ সালে তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকারের আমলে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়।

      উল্লেখ্য যে, বিভিন্ন সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন মহল। এ প্রেক্ষাপটেই র‍্যাবের নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

      তথ্যসূত্র:
      ১। র‌্যাবের নাম পরিবর্তন করে হচ্ছে ‘এসআইএফ’
      https://tinyurl.com/3vxcnc93
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ঢাকা-১৯ আসনে ধানের শীষের প্রচারে আ. লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী



        এবার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা নেমেছে ঢাকা-১৯ (সাভার- আশুলিয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায়।

        গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের মালিকানাধীন এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অভ্যন্তরে এ দৃশ্য দেখা যায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

        দৈনিক যুগান্তর এক প্রতিবেদনে জানায়, বিএনপি প্রার্থী ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর পক্ষে তার স্ত্রী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভোট প্রচারণায় অংশ নেয় ডা. এনামের বড় স্ত্রী রৌশন আরা লাভলী। এ সময় তার ভাই ও এনামের স্টাফদের হাতে প্রতীক ও হ্যান্ডবিল তুলে দিয়ে প্রচারণা চালানো হয়।

        এ বিষয়ে রৌশন আরা লাভলীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই ও ডা. এনামের শ্যালক সাইফুল ইসলাম মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানায়, বিএনপির পক্ষ থেকে এনাম মেডিকেলে প্রচারণার সময় সবাইকে একসঙ্গে থাকতে বলা হয়েছিল। সে কারণেই তারা প্রচারণায় অংশ নিয়েছে।

        এ ধরনের নির্বাচনি প্রচারণায় সাভারবাসী হতবাক বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। তাদের মতে, এটি এক ধরনের রাজনৈতিক কৌশল, যার মাধ্যমে বিএনপি আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক দখল করার চেষ্টা করছে।

        কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুইবারের সংসদ সদস্য ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ছিল ডা. এনামুর রহমান। জুলাই আন্দোলন ও ৫ আগস্টের পর থেকে সে পলাতক ছিল। তার বিরুদ্ধে সাতটি হত্যা মামলাসহ একাধিক দুর্নীতির মামলা চলমান রয়েছে। সে গত বছর রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। ধানের শীষের প্রচারে আ. লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী!
        https://tinyurl.com/3zdvr6wr
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X