Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৯ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৯ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    শপথের পরই তারেক রহমানকে মোদির চিঠি, একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ



    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শপথের পর পরই বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছে এবং চিঠিতে সে তারেক রহমানের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন চিঠিটি প্রকাশ করেছে। এতে মোদি লিখেছে, ‘বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

    চিঠিতে মোদি জানায়, আমি আপনার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমাদের বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশা করছি।

    নির্বাচনে তারেক রহমানের বিজয় প্রসঙ্গে মোদি জানায়, এ বিজয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রমাণ এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাদের ম্যান্ডেট।

    মোদি চিঠিতে আরও লিখে, ‘আমি এই সুযোগে আপনাকে, ডা: জুবাইদা রহমান এবং আপনার কন্যা জাইমাকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতে আপনাদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।’

    এদিকে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা আজ শপথ গ্রহণের পরপরই তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।

    শিবলী বলেন, তারেক রহমান ও বিড়লা প্রায় ১৫-২০ মিনিট আলাপ করেছে। এ সময় ভারতীয় স্পিকার আশা প্রকাশ করে যে, নতুন সরকারের অধীনে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।

    তথ্যসূত্র:
    ১। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছা, একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
    https://tinyurl.com/365mvptd
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    বেরোবিতে নিজে বাঁচতে রেজিস্ট্রারকে অব্যাহতি দিলো উপাচার্য



    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার ড. হারুন অর রশিদের নিয়োগ বাতিল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী নিজেকে বাঁচাতে রেজিস্ট্রার হারুনকে কোনো কারণ ছাড়াই অব্যাহতি দিয়েছে।

    দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ছুটির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরদিনই জামায়াতপন্থি আখ্যা দিয়ে রেজিস্ট্রার হারুনের নিয়োগ বাতিল করা হয়। গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দৈনিক আমার দেশকে জানায়, উপাচার্য শওকত আলী নিজেকে বাঁচাতে রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদকে কোনো কারণ ছাড়াই অব্যাহতি দিয়েছে।

    সম্প্রতি বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সঙ্গে আঁতাত করে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা ভিসি এবং রেজিস্ট্রারকে জামাতপন্থি আখ্যা দিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে লেখালেখি শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের মতো ভিসিকে জামায়াত ট্যাগ দিয়ে সামাজিকমাধ্যমে লেখালেখি শুরু করে। এতে ভিসি ভয় পেয়ে নিজের পদ বাঁচাতে রেজিস্ট্রার হারুনকে কোনো কারণ ছাড়াই অব্যাহতি দেয়।

    তারা জানান, রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদ নামাজি-পরহেজগার এবং সৎভাবে জীবনযাপন করা মানুষ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের পর একাধিক ভুয়া নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেন। অনিয়ম এবং জাল সনদে চাকরি নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণ হওয়ায় ইতোমধ্যে কয়েকজনের চাকরি যায়। আরো বেশ কয়েকজন চাকরি যাওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে কেউ মামলা করার সাহস পাননি। তখন রেজিস্ট্রার হারুন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আবু সাঈদের হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে মামলা করেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মচারী এবং পুলিশ কর্মকর্তাসহ অনেককে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি চলমান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা জানায়, ‘ভুয়া কাগজপত্রে নিয়োগ পাওয়া কতিপয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং মামলার আসামিরা একত্রিত হয়ে অনেক আগে থেকেই রেজিস্ট্রারের পেছনে লেগেছিলেন। ভিসি চাইলে রেজিস্ট্রারকে রাখতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটা না করে নিজেকে বাঁচিয়েছেন। রেজিস্ট্রার চলে যাওয়ায় জাল সনদধারী ও মামলার আসামিরা এখন হাততালি দিয়ে হাসছেন।’

    এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদ জানায়, বেরোবিতে রেজিস্ট্রার হিসেবে ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর আমার নিয়োগ হয়। আমি নিয়োগ পেয়ে ফাইলপত্র হাতে নিয়ে দেখি ২৫-২৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষক ভুয়া কাগজপত্রে যোগদান করে দিব্যি চাকরি করছে। ২০১২ সালে অনেকে যোগ্যতা ছাড়াই সপ্তম গ্রেডে সরাসরি যোগদান করে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। বিষয়গুলোরে বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করি। কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। কয়েকজনের চাকরিও চলে গেছে। ভুয়া নিয়োগ এবং জাল সার্টিফিকেট যাচাইয়ের জন্য তদন্ত কমিটি করা হয়, যেখানে আমিও আছি। এতে যাচাইকালে গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষকসহ কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষকের সার্টিফিকেটে ঘষামাজা পাওয়া যায়। তারাও আমার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করায় তখন থেকে আমাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়া হয়। কিন্তু আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সততায় আস্থা রেখে কাজ চালিয়ে যেতে থাকি।

    হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ প্রকাশ্যে পুলিশের গুলিতে নিহত যাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে একটি মামলা করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কেউ বাদী হওয়ার সাহস পাচ্ছিলেন না। আমি বাদী হয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নাম উল্লেখ করে মামলা করি। মামলার পর তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি ক্ষতি করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে।

    বিষয়গুলো তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনকে জানান উল্লেখ করে হারুন অর রশিদ আরও বলেন, মামলার আসামি ও আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকরা বিএনপিপন্থি শিক্ষক এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমাকে সরানোর জোর তৎপরতা চালান। তারা ভিসি এবং আমাকে জামায়াতপন্থি ট্যাগ দিয়ে পদত্যাগ দাবি করেন। এতে ভিসি ভয় পেয়ে বিএনপির হাইকমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছে।

    তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমি যেভাবে জাল সনদধারী ও অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছিলাম, এতে আমার শত্রু বাড়া শুরু করেছিল। বিষয়গুলো ভিসি জানত। ভিসি ইচ্ছা করলে আমাকে অব্যাহতি না দিলেও পারত। কিন্তু তিনি নিজে বাঁচার জন্য ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে মারাত্মক ভুল করেছে। তিনি নিজেই জানেন এখানে অনেকে জাল সনদে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছে। ভুয়া নিয়োগ এবং অর্থ তছরুপ করার কারণে সাবেক ভিসি আব্দুল জলিল জেল খাটার পাশাপাশি মামলায় ঝুলছে।


    তথ্যসূত্র:
    ১। নিজে বাঁচতে রেজিস্ট্রারকে অব্যাহতির অভিযোগ উপাচার্যের বিরুদ্ধে
    https://tinyurl.com/jabh9jfh
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment

    Working...
    X