Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১লা রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১লা রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারতের উত্তরপ্রদেশে পুলিশের উপস্থিতিতে এক বৃদ্ধ মুসলিম চা বিক্রেতাকে হিন্দুত্ববাদীদের হেনস্থা



    ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে এক বৃদ্ধ মুসলিম চা বিক্রেতাকে পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে আতঙ্কগ্রস্ত করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। এ উগ্র ব্যক্তিরা ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে জোরপূর্বক দোকানের ব্যানার সরিয়ে ফেলেছে।

    হাথরাস গেট থানা এলাকার রুহেরি বাইপাসের নিকটে এ হেনস্থার ঘটনা ঘটে। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি মুসলিম মিররের এক প্রতিবেদনে তথ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রবীণ বৃদ্ধ লোকটির নাম শমসের খান। তার দোকানের নাম ‘কুন্দন টি স্টল’। ‘কুন্দন’ একটি সাধারণ হিন্দি-উর্দু শব্দ যার অর্থ খাঁটি সোনা অর্থাৎ বিশুদ্ধতা অর্থ বোঝানো হয়েছে।

    কিন্তু হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, দোকানের নামে বৃদ্ধ লোকটি নিজের মুসলিম পরিচয় গোপন করতে হিন্দুয়ানী ‘কুন্দন’ শব্দ ব্যবহার করেছে। ভিডিও ফুটেজে দীপক শর্মা নামে এক উগ্রকে হিন্দুত্ববাদীকে বলতে শোনা যায়, “পিতা তোমার নাম রেখেছে শমসের, আর তুমি দোকানের নাম কুন্দন রাখবে কেন?”

    ভুক্তভোগী মুসলিম তার দোকানের এই নামের পক্ষে যুক্তি দিলেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করছিল। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলছিলেন, দোকানের এই নাম রেখে তিনি কোনও ভুল করেননি।

    তর্কবিতর্কে একপর্যায়ে এক উগ্রবাদী দোকানের ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মীরা বৃদ্ধের পক্ষে কোনও হস্তক্ষেপ করে নি। এর পরিবর্তে তাদেরকে হিন্দুত্ববাদী দলের লোকদের সাথে কথোপকথন করতে দেখা গেছে, এছাড়া এই ঘটনার ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বর্ণনা করেন, দীর্ঘদিন ধরে চা দোকানটির মাধ্যমে সামান্য কিছু জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এই বৃদ্ধ মুসলিম, কিন্তু অপ্রীতিকর ঘটনাটির কারণে তাকে আতঙ্কিত ও বিমর্ষ দেখা যাচ্ছিল।

    স্থানীয়রা জোর দিয়ে বলেন, ‘কুন্দন’ শব্দটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত একটি শব্দ, এটি নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের জন্য খাস নয়।

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, “কুন্দন” এর মতো নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মুসলিমদেরকে বাধা দেওয়ার কোনও আইনি ভিত্তি নেই।

    ঘটনাস্থলে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও ভিডিও রেকর্ড বন্ধ করার অপচেষ্টা সমালোচকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। প্রাক্তন এক কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ কর্মীদের উচিত ছিল শান্তি বজায় রাখা এবং ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত সম্পদ রক্ষা করা।

    ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, জীবিকার ছোটখাটো বিষয়াদিও এখন হেনস্থার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে উগ্রবাদীরা।

    এই ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে, নাম, পরিচয় কিংবা ব্যবসার ক্ষেত্রেও ক্ষুদ্র মুসলিম ব্যবসায়ীরা এক ধরনের মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/34rmn85x

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    বরিশালে আওয়ামী লীগের তিন নেতার জামিন



    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজকে জামিন দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে। জামিনপ্রাপ্ত আরেক জন হলেন, বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন।

    দৈনিক আমার দেশের বরাতে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়তুল্লাহ তাদের জামিন মঞ্জুর করে।

    একইভাবে সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা বলরাম পোদ্দার হাইকোর্ট থেকে সম্প্রতি জামিন পেয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) হুমায়ুন কবিরও সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

    ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ছয় মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ। এর আগে বেশ কয়েকবার একটি মামলায় জামিন হলে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

    তথ্যসূত্র:
    ১। বরিশালে সাবেক এমপিসহ ৩ আ.লীগ নেতার জামিন
    https://tinyurl.com/4ek8zxs8
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সুন্দরবনে দস্যুদের দৌরাত্ম্য: আতঙ্কে মাছ ধরা বন্ধ, তৎপরতা নেই প্রশাসনের



      বনদস্যু আতঙ্কে দুবলারচরের দশ সহস্রাধিক শুঁটকিকরণ জেলে মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যা থেকে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রেখে চরে অবস্থান নিয়েছেন। গত দুদিন আগে ২০ জেলে অপহৃত হয়েছিল, এখনো তাদের সন্ধান মেলেনি।

      দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আহমদ মোবাইল ফোনে জানায়, সুন্দরবন ও সাগরে নিরাপত্তা না থাকায় বনদস্যুদের হাতে অপহরণের আতঙ্কে দুবলার দশ সহস্রাধিক শুঁটকির জেলে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে সাগর ও সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছে। জেলেরা এখন চরে অলস সময় কাটাচ্ছেন এবং মৌসুমের শেষে এসে তারা কি নিয়ে বাড়ি যাবেন সে চিন্তায় জেলেরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

      সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর, সুমন, শরীফ ও করিম বাহিনী নামে বনদস্যুদের চারটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। দস্যুরা বেপরোয়া হয়ে সুন্দরবন ও সাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। জেলেদের ধরে নিয়ে আটকে মুক্তিপণ আদায় করে ছেড়ে দিচ্ছে। যারা টাকা দিতে পারছে না তাদের বেদম মারধর করছে দস্যুরা। গত সপ্তাহে দস্যুদের মারধরে গুরুতর আহত হয়ে চার জন জেলে রামপাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছে।

      সুন্দরবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তৎপরতা না থাকায় দস্যুরা বেপরোয়া হয়ে গেছে। ২০১৮ সালে তৎকালীন সরকার সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত ঘোষণা করেছিল। জেলেরা নিরাপদে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সুন্দরবনে দস্যুরা আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে বলে দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি জানিয়েছে।

      আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী জানায়, আগে প্রবাদ ছিল ‘জলে কুমির, ডাঙ্গায় বাঘ’ এখন এর সাথে যুক্ত হয়েছে সাগরে গেলে ডাকাত। দস্যুদের তাণ্ডবে মাছ ধরা বন্ধ করা হয়েছে। গত ১৫ দিনের মধ্যে অনেক জেলেকে দস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। দস্যুদের কবজায় এখন কমপক্ষে শতাধিক জেলে আটক রয়েছে। গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ২০ জেলেকে নিয়ে যাওয়ার সময় দস্যুরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর দিয়ে গেছে। গত দুদিনেও ঐ ২০ জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে
      মোতাসিম ফরাজী জানান।


      তথ্যসূত্র:
      ১। ডাকাত আতঙ্কে দুবলায় মাছ ধরা বন্ধ
      https://tinyurl.com/4fday7v6
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বরিশালে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত বিএনপি কর্মী



        ​বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে হত্যা করে ওই এলাকার একটি ডোবায় ফেলে রাখা হয় লাশ।

        খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

        দৈনিক আমার দেশের বরাতে জানা যায়, একটি বাইসাইকেল ও গলার মাফলার রাস্তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখে এলাকার বাসিন্দারা বাইসাইকেলের মালিককে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সাইকেল সংলগ্ন রাস্তার পাশে ডোবার পানিতে ভেসে থাকা একটি লাশ দেখে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।

        স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দেলোয়ার হোসেন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী ছিল। তার (দেলোয়ার) সঙ্গে একই এলাকার কতিপয় ব্যক্তির বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরে দেলোয়ার হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। বরিশালে দুর্বৃত্তের হামলায় বিএনপি কর্মী নিহত
        https://tinyurl.com/5a38chwt
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X