Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২রা রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২রা রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    মিথ্যা ন্যারেটিভ প্রচারে হলুদ সাংবাদিকতার বহিঃপ্রকাশ: ইসলামবিদ্বেষী Dhaka Post-এর বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন



    সম্প্রতি আফগানিস্তানের নতুন আইনকে কেন্দ্র করে “হাড় না ভাঙা পর্যন্ত স্ত্রীকে মারধর বৈধ” — এমন শিরোনামে একটি বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে অনলাইন গণমাধ্যম Dhaka Post, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে সংশ্লিষ্ট আইনের মূল দলিল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, উক্ত শিরোনাম বাস্তব আইনের ভাষা বা বিধানের সঙ্গে মোটেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; বরং এটি একটি অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন, যা ইমারাতে ইসলামিয়ার নতুন আইনের সুস্পষ্ট অপব্যাখ্যা এবং ইসলামবিদ্বেষী এজেন্ডার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছুই নয়।

    ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রশাসন আদালতের বিচারব্যবস্থা পরিচালনার জন্য Criminal Procedure Regulation for Courts নামে একটি ফৌজদারি কার্যবিধি জারি করে। আইনটি বিচারপ্রক্রিয়া, সাক্ষ্য গ্রহণ, আদালতের এখতিয়ার এবং শাস্তি নির্ধারণের নীতিমালা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়।

    নারীদেরকে শাস্তি দেয়া নয়, বরং ইমারাতে ইসলামিয়ার নতুন জারিকৃত আইনের উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্যাতিত নারীর অভিভাবক পুরুষদের জবাবদিহি ও শাস্তির আওতায় এনে আফগান সমাজে লাগামহীন নারী নির্যাতনের মুখে বাঁধ দেয়া। অথচ,ইসলামবিদ্বেষী পত্রিকা Dhakapost.com এই নিউজকে অপব্যাখ্যা করে সুস্পষ্টভাবে ইসলাম ও ইসলামী শরিয়াহ’র বিরোধিতাতে লিপ্ত হয়েছে।

    মূল জারিকৃত আইনের কোথাও “স্ত্রীকে মারধর বৈধ” কিংবা “হাড় না ভাঙা পর্যন্ত সহিংসতা অনুমোদিত”—এমন কোনো বাক্য, ধারা বা নির্দেশনা পাওয়া যায় না। বরং আইনটিতে শরিয়াহভিত্তিক বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাজির বা সংশোধনমূলক শাস্তির ধারণা উল্লেখ রয়েছে, যা আদালতের বিবেচনাধীন শাস্তি ব্যবস্থার একটি ঐতিহ্যগত আইনি পরিভাষা।

    কিছু আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে গুরুতর শারীরিক আঘাত প্রমাণের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কয়েকটি গণমাধ্যম সেই বিশ্লেষণকে সরলীকৃত ও চটকদার শিরোনামে রূপ দেয়। Dhaka Post সেই ব্যাখ্যাকে যাচাই ছাড়া সরাসরি সত্য হিসেবে উপস্থাপন করে, ফলে পাঠকদের সামনে একটি বিকৃত ধারণা তৈরি হয়।

    গণমাধ্যম নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো দেশের আইন সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল আইনি দলিল, সরকারি বক্তব্য এবং স্বতন্ত্র বিশ্লেষণ—সবকিছু যাচাই করা আবশ্যক। কিন্তু আলোচিত প্রতিবেদনে আইনের প্রকৃত কাঠামো বা উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা না করে একটি বিতর্কিত অপব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।

    দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি হলো তথ্য যাচাই, প্রেক্ষাপট উপস্থাপন এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। যাচাইবিহীন বা অতিরঞ্জিত শিরোনাম শুধু পাঠককে বিভ্রান্তই করে না, বরং সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

    তথ্যসূত্র:
    1.اصول نامه جزایی محاکم طالبان
    https://tinyurl.com/er3j75ju
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    কুমিল্লায় টিসিবির পণ্যে কেজিতে ১০০ গ্রাম কম, প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার কারচুপি



    রমজান উপলক্ষে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে স্বল্পমূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে টিসিবির পণ্য। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে এসব মালামাল নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে ক্রেতাদের পণ্য কম দেওয়া হচ্ছে। প্রতি কেজিতে ১০০ গ্রাম, ২ কেজিতে ২০০ গ্রাম ও আধা কেজিতে প্রায় ৫০ গ্রাম কম দেওয়া হচ্ছে।

    দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ফারুক স্টোরের স্বত্বাধিকারী পারভিন আক্তারের অধীন টিসিবি পণ্য বিতরণের ট্রাকে এমন চিত্র দেখা যায়। সেখানে ডিজিটাল স্কেলের সাহায্যে ওজন মাপা হলেও প্রতিটি পণ্য দেওয়া হয়েছে কম।

    রমজান উপলক্ষে টিসিবি মোট পাঁচ ধরনের পণ্য দিয়ে আসছে, যার মধ্যে আছে চিনি ১ কেজি, মশুর ডাল ২ কেজি, বুট ১ কেজি, তেল ২ কেজি ও খেজুর ৫০০ গ্রাম।

    পণ্যের ওজন কম দেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর কয়েকজন ক্রেতার পণ্য পরিমাপ করে দেখা হয়। তখন দেখা যায়, তাদের সবাইকেই পণ্য কম দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে টিসিবির ডিলার পারভিন আক্তার জানায়, ‘আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে পণ্য কমিয়ে দিইনি। মাপের সময় হয়তো ভুলে কম হয়ে গেছে। আমি এ কাজে নিয়োজিত সবাইকে বলে দিয়েছি আর কোনো মাপে যেন ভুল না হয়।’

    কুমিল্লায় প্রতিদিন পাঁচটি ট্রাকে করে টিসিবির এই পণ্য বিক্রি হয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জনের জন্য পণ্য বরাদ্দ থাকে। ফলে পাঁচ ট্রাক থেকে মোট ২ হাজার পরিবার পণ্য পায়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিনই দেওয়া হয় এসব পণ্য।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিজনকে দেওয়া হচ্ছে ছয় কেজির বেশি পণ্য। ১০০ গ্রাম করে প্রতি কেজিতে কম দেওয়ার ফলে প্রতিজনের কাছ থেকে প্রায় ৬০০ গ্রাম করে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, এর মাধ্যমে প্রতি গাড়িতেই প্রায় ২৪ হাজার টাকা সমমূল্যের পণ্য কম দেওয়া হচ্ছে। এভাবে কুমিল্লায় পাঁচটি ট্রাক থেকে লক্ষাধিক টাকার পণ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    টিসিবির পণ্য নিতে আসা এক নারী জানায়, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পণ্য নেই। কারণ এখানে একটু সস্তায় পাওয়া যায় কিছু জিনিস। অথচ তারা এখানে আমাদের পণ্যে ওজনে কম দেয়। পরিচিত মানুষকে আগে দিয়ে দেয়। অন্য আরেক নারী আমার দেশকে জানায়, তারা চেহারা দেখে দেখে মালামাল দেয়।


    তথ্যসূত্র:
    ১। কুমিল্লায় টিসিবির পণ্যে কেজিতে দেওয়া হচ্ছে ১০০ গ্রাম কম
    https://tinyurl.com/4epdkj5x
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      হাতিয়ায় শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ায় নারী গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচদিন পর মামলা



      নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ দিন পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে নোয়াখালী জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেছেন।

      দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দায়ের হওয়া মামলাটি গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আইনগত ব্যবস্থা নিতে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছে।

      মামলায় আসামিরা হল— চানন্দী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আবদুর রহমান (৩২), আবদুল গফুরের ছেলে মো. মতিন (৩৫), হালিম ডুবাইর ছেলে হেলাল উদ্দিন কেরানী (৪০), আবুল কাশেমের ছেলে মো. রুবেল (৩০), ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা সর্দারের ছেলে এমরান হোসেন ওরফে কালা এমরান (৩৫) এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আজিমপুর গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে বেলাল মাঝি (৪৮)।

      মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আসামিরা অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে চানন্দী ইউনিয়নের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় হামলা চালায়।

      এ সময় তারা বাদীর বসতঘরে ঢুকে বাদী ও তার স্বামীকে মারধর করে। পরে স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে গোসলখানায় নিয়ে ১ নম্বর আসামি আবদুর রহমান তাকে ধর্ষণ করে।

      এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে হামলাকারীরা চলে যায়। তবে পরদিন ভোরে একই ব্যক্তিরা আবারও হামলা চালিয়ে দম্পতিকে মারধর করে এবং বাদীকে ফের শ্লীলতাহানি করে। এ সময় ‘শাপলা কলি’র আরেক নারী কর্মীর ঘর দেখিয়ে দিতে চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং ওই ঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়।

      ঘটনার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ভুক্তভোগী নারীকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

      বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নোমান সিদ্দিক জানান, অভিযোগ গ্রহণের পর আদালত হাতিয়া থানাকে মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

      হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী জানায়, ভুক্তভোগীর চিকিৎসায় তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পুলিশের চাহিদাপত্র অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। হাতিয়ায় আলোচিত ‘ধর্ষণ অভিযোগ’ ঘটনায় ৫ দিন পর মামলা
      https://tinyurl.com/4n3askz3
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ শিক্ষিত যুবক বর্তমানে বেকার, ক্রমেই বাড়ছে বেকারত্ব



        ​ভারতের অবৈধভাবে অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে সরকারি বিভাগ ও রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন সংস্থায় হাজার হাজার শূন্যপদে নিয়োগ না থাকায় খালি পড়ে আছে। অপরদিকে উক্ত অঞ্চলের ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার শিক্ষিত যুবক বর্তমানে বেকার।

        ১৯ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকারী তথ্যমতে সরাসরি নিয়োগ কোটার অধীনে ৩,৮০৮টি গেজেটেড পদ, ২২,৫০১টি নন-গেজেটেড পদ এবং ১২,৭৫১টি মাল্টি-টাস্কিং স্টাফ (এমটিএস) পদ শূন্য রয়েছে।

        এছাড়া, পদোন্নতি কোটার অধীনে ৬,৪০৯টি গেজেটেড পদ, ২৪,৪৫১টি নন-গেজেটেড পদ এবং ৫,৪৭৩টি এমটিএস পদ শূন্য রয়েছে। পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংস(পিএসইউ) এর অধীন ৮৯টি গেজেটেড, ৭০১০টি নন-গেজেটেড এবং ৭০৯টি এমটিএস পদ শূন্য রয়েছে।

        অধিকৃত কাশ্মীর অঞ্চলে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলের অর্থনীতি দখলদার ভারতের সরকারি খাতের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল করে রাখা হয়েছে, পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সুযোগও সীমিত করে রাখা হয়েছে।

        সমালোচকদের দাবি, জম্মু-কাশ্মীরে বেকারত্ব দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনও উদ্যোগ নেই দখলদার কর্তৃপক্ষের। এর পরিবর্তে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযানের দিকে অধিক মনোনিবেশ করে যাচ্ছে দখলদার ভারত।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/2df8d2dr
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          পঞ্চগড়ে রমজান উপলক্ষে আনা টিসিবির তেলের কার্টনে মিলল পানিভর্তি বোতল



          পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় রমজান উপলক্ষে সরবরাহ করা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)–এর ভোজ্যতেলের চালানে পানিভর্তি বোতল পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বোদা উপজেলা খাদ্যগুদাম চত্বরে পণ্য খালাসের সময় বিষয়টি ধরা পড়ে।

          দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, দিনাজপুরের কাহারোল টিসিবি ডিপো থেকে আসা একটি ট্রাকে রমজানের জন্য ডাল, চিনি, ছোলা ও ভোজ্যতেল আনা হয়। চালানে ৪৪৫টি কার্টনে প্রতিটিতে ২ লিটারের ৯টি করে তেলের বোতল থাকার কথা ছিল। তবে একটি কার্টনের ওজন অস্বাভাবিক মনে হলে শ্রমিকদের সন্দেহ হয়। পরে কার্টন খুলে দেখা যায়, তেলের পরিবর্তে সেখানে পুরোনো বোতলে পানি ভরা।


          তথ্যসূত্র:
          ১। টিসিবির তেলের কার্টনে মিললো পানির বোতল
          https://tinyurl.com/3fkskb26

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            গাজায় নিজেদের ছোঁড়া গুলিতে আরও এক জায়োনিস্ট ইসরায়েলি সৈন্য নিহত



            দখলদার বাহিনী জানিয়েছে যে, ইসরায়েল অধিকৃত গাজায় তাদের এক সৈন্য নিহত হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ গাজায় নিজেদের গুলিতে ওই দখলদার সৈন্য নিহত হয়েছে। ২১ বছর বয়সী ওই সৈন্য জায়োনিস্ট বাহিনীর প্যারাসুট ব্রিগেডের রিকনাইস্যান্স ইউনিটে কর্মরত ছিল।

            দখলদার বাহিনীর রেডিও অনুসারে, জায়োনিস্ট বাহিনীর দুটি প্যারাসুট ব্রিগেড মাঠে অভিযান চালানো এবং ভবন ভাঙার জন্য যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে। গাজার হলুদ লাইন এলাকায়, একটি ইউনিট ভুল করে অন্য ইউনিটকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা ভেবে গুলি চালায়। সংঘর্ষে এক সৈন্য গুরুতর আহত হয়। পরে ঘটনাস্থলে একটি মেডিকেল ইভাকুয়েশন টিমকে ডাকা হয়, কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই গুলিবিদ্ধ সৈন্য মারা যায়।


            তথ্যসূত্র:
            https://tinyurl.com/ysz2ncxz
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X