Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৯ রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৯ রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারতের মহারাষ্ট্রে সরকারি অফিসে নামাজ আদায়ের ঘটনায় ৭ মুসলিমের বিরুদ্ধে মামলা




    ভারতে মহারাষ্ট্র রাজ্যের মালেগাঁও পৌর কর্পোরেশন বিদ্যুৎ বিভাগ অফিসে সম্প্রতি আসরের নামাজ আদায়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৫ ফেব্রুয়ারি ৭ মুসলিমের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পৌরসভার এক কর্মচারী। এই কর্মচারীর নাম মহেন্দ্র রঘুনাথ সাওয়ান্ত, সে পৌরসভার গোডাউন রক্ষক হিসেবে কর্মরত।

    এফআইআরে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মুসলিম বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ৪ থেকে ৫ জন সহযোগীসহ সেলিম ও লোকমান (মালেগাঁও লোক-সংঘর্ষ সমিতির সভাপতি) পৌরসভার বিদ্যুৎ অফিসে রাস্তার লাইট ও রেজিস্টারের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চায়। তারা গোডাউন রক্ষক রঘুনাথ সাওয়ান্তকে এই ব্যাপারে জোরাজুরি করেছে। একপর্যায়ে বিকাল ৫টার দিকে তারা অফিসে জোর করে নামাজ আদায় করে।

    তবে মূল সত্য ঘটনা হল, স্থানীয় একটি ওয়ার্ডের মুসলিম বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যা মোকাবেলা করছিল। তাই মালেগাঁও লোক-সংঘর্ষ সমিতির সভাপতি লোকমান কামালের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা পৌর কর্পোরেশন বিদ্যুৎ বিভাগে অভিযোগের উদ্দেশ্যে গমন করে।

    বাসিন্দারা জানায়, উক্ত দিন বিকাল ৩টায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে তাদের সাক্ষাতের একটি পূর্বনির্ধারিত সিডিউল ছিল। কিন্তু কর্মকর্তারা তাদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে বাধ্য করেছিল।

    এক সময় আসরের নামাজের সময় ঘনিয়ে আসলে বাসিন্দারা বিদ্যুৎ অফিসেই নামাজ আদায় করে নেয়। তাদের আশঙ্কা ছিল, মসজিদে নামাজের জন্য অফিস ত্যাগ করলে কর্মকর্তারাও আজকেও সাক্ষাত বাতিল করতে পারে। কেননা এর আগেও বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো বারবার উপেক্ষা করা হয়েছিল।

    এই প্রসঙ্গে মহারাষ্ট্র রাজ্যের এক হিন্দুত্ববাদী মন্ত্রী নীতেশ রানে সাংবাদিকদের বলেছে, ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র। এখানে সরকারি অফিসে এভাবে নামাজ পড়তে দেওয়া হয় না। প্রাক্তন হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সাংসদ কিরিট সোমাইয়া মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে এক বার্তায় জানায়, সরকারি অফিসে প্রকাশ্য নামাজ পড়া অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়। সে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীদের সাসপেন্ড ও সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার মত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিল।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/3p25a7pw
    2. https://tinyurl.com/mvtjwsbu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গাজায় জায়নবাদী দখলদার ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় শহীদ ৬



    দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর ড্রোন হামলায় মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণ খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় দুটি পুলিশ চেকপোস্ট লক্ষ্য করে চালানো হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, আল-মাওয়াসি এলাকার আল-মাসলাখ মোড়ে একটি পুলিশ চেকপোস্টে দুর্বৃত্ত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় চারজনের মৃতদেহ এবং বেশ কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। সূত্রটি জানায়, এই হামলা এমন একটি এলাকায় সংঘটিত হয়েছে যা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

    অন্যদিকে, মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের প্রবেশপথে অবস্থিত আরেকটি পুলিশ পোস্টে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি শহীদ এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছে।

    আল-জাজিরার সাংবাদিক তারেক আবু আজ্জোম গাজা সিটি থেকে জানান, “রাতটা ছিল রক্তাক্ত। ইসরায়েলি বাহিনী একের পর এক প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলো প্রাথমিকভাবে পুলিশ চেকপোস্টগুলোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। বিশেষ করে খান ইউনিস ও বুরেইজ শিবিরে এই হামলা চালানো হয়।”

    ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে জায়নবাদী ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় সামরিক আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৭২ হাজার ৮২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।


    তথ্যসূত্র:
    1. Israeli attacks on police sites kill six in southern, central Gaza
    https://tinyurl.com/3wc75smh
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ভারতের উত্তরাখন্ডে মুসলিম ট্রাকচালক হিন্দুত্ববাদীদের হাতে নির্মম নিপীড়নের শিকার, বাইরে চলাফেরায় আতঙ্কিত ভুক্তভোগী




      ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের হরিদ্বার জেলায় মোহাম্মদ ফিরোজ নামে একজন মুসলিম ট্রাকচালক উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতার দ্বারা নির্মম নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

      ২২ ফেব্রুয়ারি বিবিসি নিউজ হিন্দিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এক সময় তিনি রাজ্যের সীমান্তের বাইরেও নির্ভয়ে পণ্য পরিবহনের উদ্দেশ্যে যাতায়াত করতেন। কিন্তু এখন তিনি নিজ শহরেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

      সাক্ষাৎকারে তিনি হিন্দুত্ববাদীদের হামলার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। উক্ত দিন রাত ১১:৩০ এর দিকে তিনি গাড়ি পার্ক ও অফিস চেক করে চলে যাচ্ছিলেন। কাছাকাছি তিনি দু’জন লোক দেখতে পান। একটু পর এই লোকেরা তার সামনে আসে, তার কলার চেপে ধরে এবং নাম বলার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে।

      ভুক্তভোগীর মুসলিম পরিচয় প্রকাশ হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। তৎক্ষণাৎ সেখানে আরও ১০-১২ জন উগ্র হিন্দুত্ববাদী যোগ দেয়। তারা লাঠি, বেল্ট ও অন্যান্য জিনিস দিয়ে তাকে নির্মমভাবে মারধর করেছে।

      ভুক্তভোগী ফিরোজ বলেন, তারা আমাকে পশুর মতো মারধর করেছে। তিনি স্মরণ করে জানান, হামলাকারীদের অনেকেই একটি কালো স্কারপিও গাড়িতে করে এসেছিল। হামলাকারীরা উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদের বহিরাগত বলে জানা গেছে।

      তিনি আক্ষেপ করে জানান, পরিবারের ভরণপোষণের জন্য তিনি বছরে ২৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়ি চালাতেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি গাড়ি চালাতে অনেক বেশি আতঙ্কবোধ করছেন।

      তিনি বলেন, যেখানে নিজের এলাকায় এভাবে নিপীড়নের জন্য টার্গেট হতে হয়, সেখানে রাস্তায় কি হতে তা তো কল্পনার বাহিরে।

      এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। তারা জোর দিয়ে জানিয়েছে, ধর্মীয় কুসংস্কার থেকে এই হামলা ঘটানো হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে আরও গভীর করছে। একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজে এমন ঘটনা কখনও কাম্য ছিল না।

      একজন বাসিন্দা বলেন, এখন অনুভব হচ্ছে হিন্দুরা একপক্ষ আর মুসলমানরা তাদের প্রতিপক্ষ। অপরদিকে উক্ত ঘটনায় ধর্মীয় প্রতিহিংসার ইঙ্গিত প্রত্যাখ্যান করেছে হরিদ্বার পুলিশ।


      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/24tcxz9j
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মন্দিরের কাছে মঙ্গলবার মাংসের দোকান খোলা রাখলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেতার


        ভারতে উত্তরপ্রদেশের এক গ্রামে একটি খাসির মাংসের (রান্না মাংস) দোকানে মঙ্গলবার দিন ব্যবসা বন্ধ রাখতে মুসলিম মালিক ও কর্মচারীদের হুমকি দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর এক নেতা। উগ্র এই নেতার নাম সত্যম পণ্ডিত, সে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় হিন্দু বীর সেনাদলের অন্তর্ভুক্ত।

        ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাজ্যের গাজিয়াবাদের কৈলা ভাট্টা গ্রামে একটি মন্দিরের পাশে এই ঘটনা ঘটে। তার দাবি, মন্দিরের নিকটে মঙ্গলবার মাংস বিক্রি করা নিষিদ্ধ। ২৫ ফেব্রুয়ারি উগ্র নেতা সত্যম পণ্ডিতের শেয়ার করা এক ভিডিওতে সে ক্যাপশনে লিখেছে, আমরা মঙ্গলবার গাজিয়াবাদে কোনও মুসলিমকে মাংস বিক্রি করতে দেব না।

        ‘আজ (মঙ্গলবার), আমরা কৈলা ভাট্টা গ্রামে সমস্ত মাংসের দোকান বন্ধ করে দিয়েছি’, দোকানের সামনে উগ্রভাবে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছিল। সে আরও বলছিল, তোরা কি সামনে মন্দির দেখতে পাচ্ছিস না? মঙ্গলবার এই দোকান খুলতে হবে না। এই দিন মাংস বিক্রির কোনও অনুমতি নেই।

        সে বারবার হুমকি দিচ্ছিল, যদি মঙ্গলবার দোকানটি আর খোলা দেখতে পাই, তবে এক মিনিটের মধ্যে দোকানে আগুন ধরিয়ে দেব।

        ভয় ও চাপের মুখে দোকানের মালিক ও কর্মচারীগণ উগ্র এই নেতার অযৌক্তিক দাবি মেনে নেয়।

        সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ঘটনাটির বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত কোনও এফআইআর দায়ের বা অন্য কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করে নি পুলিশ।

        ভিডিওটি অনলাইনে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, সংখ্যালঘু মুসলিম ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অহেতুক চাপ সৃষ্টির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সচেতন এক্টিভিস্টরা।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/yrtdk2be
        2. https://tinyurl.com/3w7j5z2n
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় তরুণীকে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫



          নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যার ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ানসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে র‌্যাব, সিপিএসসি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

          র‌্যাব-১১ এর বরাতে দৈনিক আমার দেশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— কোতোয়ালীর চর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে মো. এবাদুল্লাহ (৪০), বিলপাড় এলাকার আজগর আলীর ছেলে মো. আইয়ুব (৩০), হোসেন বাজার এলাকার নাজিরের ছেলে ও সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহাম্মদ আলী মেম্বার ওরফে আহাম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), তার ছেলে মো. ইমরান দেওয়ান (৩২), অপর একজনের নাম জানা যায়নি।

          গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে নূরা কৌশলে তরুণীকে মাধবদী থানাধীন মহিষাশুড়া ইউনিয়নের কোতোয়ালিরচর এলাকায় চৈতি টেক্সটাইল মিলের পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, গাফফারসহ কয়েকজন মিলে তাকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা।

          পরদিন তরুণীর মা বিষয়টি পুলিশকে জানানোর উদ্যোগ নিলে বিএনপি নেতা আহাম্মদ আলী মেম্বার তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, ইছাহাক ওরফে ইছা গ্রাম সরকার আবু তাহের ও মো. আইয়ুবসহ পুলিশে অভিযোগ না করার জন্য চাপ দেয়।

          এ ঘটনায় আহাম্মদ আলী মেম্বার মূল আসামিদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিচার না করে বাদীর পরিবারকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

          বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাবা আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষে মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়ি যাওয়ার পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে আরো পাঁচজন মিলে তরুণীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ সরিষাক্ষেতে ফেলে রাখে।

          পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মহিষাশুড়া ইউনিয়নের কোতোয়ালিরচর দড়িকান্দি এলাকায় সরিষাক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল, ঠোঁট ও মুখ রক্তাক্ত। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। তরুণীকে নির্যাতনের পর হত্যা, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
          https://tinyurl.com/bdebczd9

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে বাবার কাছ থেকে তরুণীকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা




            নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা আক্তার (১৫) নামে এক তরুণীকে বাবার সামনে থেকে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালির চর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

            দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, নিহতের বাবা আশরাফ হোসেন বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সুবাধে স্ত্রী-কন্যাসহ মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদ নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি দল এলাকা থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও করা হয়।

            বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাবা আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষে মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে আরো ৫ জন মিলে তার বাবার কাছ থেকে আমেনাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

            পরে পরিবারের লোকজন বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে বাড়ি ফিরে যায়। সকালে একই এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

            এ বিষয়ে নিহত আমেনার বাবা আশরাফ হোসেন গণমাধ্যমে জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি আমেনার লাশ সরিষা ক্ষেতে পড়ে আছে।


            তথ্যসূত্র:
            ১। নরসিংদীতে বাবার সামনে থেকে তরুণীকে তুলে নিয়ে হত্যা
            https://tinyurl.com/4x8e2j9u
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ঝিনাইদহে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে থানায় ঢুকে আক্রমণ, পুলিশসহ আহত ১২




              ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে ডাকা সমন্বয় সভা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়।

              দৈনিক ইত্তেফাক জানায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খাঁনের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

              স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম এবং রামনগর কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএনপি নেতা মোকলেচুর রহমান (পিন্টু মিয়া) ও মতি মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মেটাতে সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। সভা চলাকালে বিবদমান পক্ষের নেতাকর্মীরা বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তা চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। উত্তেজিত কর্মীরা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

              সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক পক্ষের নেতাকর্মীরা প্রাণ বাঁচাতে থানা চত্বরে আশ্রয় নেয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে ঢুকে লাঠিসোঁটা দিয়ে তাদের মারধর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ইটপাটকেল ও ধস্তাধস্তিতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়।


              তথ্যসূত্র:
              ১। কালীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১২
              https://tinyurl.com/4pwxhkd9
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X