Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি|| ২২শে মার্চ, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি|| ২২শে মার্চ, ২০২৬ ঈসায়ী

    ‎ভারতের পাঞ্জাবে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক এক দলিত নারীকে চুল টেনে ধরে অপমান ও মারধর



    ভারতের পাঞ্জাবে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক এক দলিত নারীকে অপমান ও মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী নারীকে মারধর করে তার বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তায় বের করে এনেছিল পুলিশ।

    ‎ঘটনাটি ২১ মার্চ সকাল ৭ টার দিকে পাঞ্জাবের জালান্ধোরে ভার্গো পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন ভার্গো ক্যাম্প এলাকায় ঘটে।

    ‎সিসিটিভি ফুটেজে ধারণ হওয়া এই সংক্রান্ত একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সূত্রমতে, পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে ছেলেকে আটক করতে এসেছিল পুলিশ কর্মীরা, এমন সময় ভুক্তভোগী মা মমতা ভগত তাতে হস্তক্ষেপ করতে চেষ্টা করলে পুলিশ বিধবা এই নারীর চুল ধরে রাস্তায় টেনে নিয়ে যায় এবং তাকে মারধর করে।

    ‎এই ঘটনায় পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সমালোচকগণ। নির্মম ও অসদাচরণের অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী নারী মমতা ভগত।

    ‎তার দাবি, সে কেবল নিজের ছেলেদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল। পারিবারিক কলহ সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে সে পুলিশকে জানায়, কিন্তু পুলিশ কোনও কিছুর তোয়াক্কা ছাড়াই বলপ্রয়োগের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সেসময় পুলিশ অফিসার তার ওপর হিংস্র হয়ে ওঠে।

    ‎সে জানায়, পুলিশ এএসআই সকল সীমা অতিক্রম করেছে। সেখানে কোনও মহিলা পুলিশ কর্মী উপস্থিত ছিল না। সে উপস্থিত পুরুষ পুলিশ কর্মীদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পুলিশ অফিসার তার চুল টেনে ধরে হেনস্থা করেছে।

    ‎এই ঘটনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং জাত-পাতভিত্তিক অবিচারের উদাহরণ বলে অভিহিত করেছে সমালোচকগণ। তারা নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।



    তথ্যসূত্র:
    ‎1. https://tinyurl.com/ywepvmyk
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতীয় দখলদারিত্বের অধীনে সত্যিকারের ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত কাশ্মীরের মুসলমান জনগণ



    দখলদার ভারতীয় বাহিনীর অস্ত্র ও বেয়নেটের ছায়ায় আরও একটি ঈদ পালন করছে অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিম জনগণ। অব্যাহত সামরিক নিপীড়ন ও বিধিনিষেধের মধ্যে কাশ্মীরি মুসলমানরা সত্যিকারের ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত। নির্বিচারে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান, সামরিক রেইড ও হয়রানি উক্ত অঞ্চলের মুসলমানদের জীবন দুর্বিসহ করে তুলেছে।

    ‎২০১৯ সালের আগস্ট মাসে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহার করেছিল দখলদার ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি ধর্মীয় স্বাধীনতা থেকেও বঞ্চিত কাশ্মীরের মুসলমানগণ।

    ‎কাশ্মীরের শ্রীনগরে অবস্থিত ঐতিহাসিক জামিয়া মসজিদ সিলগালা করে রেখেছে দখলদার ভারতীয় প্রশাসন। এই মসজিদে মুসল্লিদের জুমা’র নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে, একই সাথে এবারের ঈদেও টানা ৮ বছরের মতো এই গ্র্যান্ড মসজিদে তালা লাগানো রয়েছে।

    ‎নিজেদের একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দাবি করে থাকে ভারত, তা সত্ত্বেও কাশ্মীরিদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করার মাধ্যমে নিজস্ব গণতান্ত্রিক নীতিকেও মেনে চলছে না দখলদার সরকার।

    ‎তারা পরিকল্পিতভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিম পরিচয়কে টার্গেট করছে। এছাড়া তারা মুসলমানদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে ফেলতে এবং হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে পদ্ধতিগতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    ‎সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের নামে হিন্দু রীতিনীতি ও আচার-অনুষ্ঠান প্রচার করছে দখলদার বিজেপি সরকার। তারা কাশ্মীর অঞ্চলের মুসলিম পরিচয়কে বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে ঈদগাহ, মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলো নিজেদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আনতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    ‎কাশ্মীরি মুসলিম ছাত্রদের হিন্দু ভজন গান এবং হিন্দু আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এই সকল পদক্ষেপ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলটির জনসংখ্যাতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক দৃশ্যপটকে নতুন রূপ দেওয়ার একটি সংগঠিত প্রয়াস।

    ‎তবে নিজেদের মুসলিম পরিচয়, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কাশ্মীরের মুসলমান জনগণ। স্বাধীনতা অর্জন ও সত্যিকার অর্থে ঈদ উদযাপনের জন্য তাদের সংকল্প অটুট রয়েছে।

    ‎কষ্ট ও দুর্ভোগের মধ্যেও ভারতীয় দখলদারিত্ব থেকে মুক্তি অর্জনের প্রত্যাশায় তারা সাহস ও দৃঢ়তার সাথে তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।



    তথ্যসূত্র:
    ‎1. https://tinyurl.com/mvhxd9vt
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সিরাজগঞ্জে ঈদের দিন যুবককে গলা কেটে হত্যা



      ঈদের দিন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। দৈনিক ইত্তেফাক জানায়, শনিবার (২১ মার্চ) সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

      নিহত সোহেল (২৩) উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চিনাধুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আজাদের ছেলে।

      স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে দুর্বৃত্তরা সোহেলকে গলা কেটে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। পরে এলাকাবাসী লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

      প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। পবিত্র ঈদের দিনে এ হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। ঈদের দিনে যুবককে গলা কেটে হত্যা
      https://tinyurl.com/54tpnvf6
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ফেনী ও ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত



        ফেনীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজনের নিহত হয়েছে। দৈনিক আমার দেশ জানায়, রোববার (২২ মার্চ) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার রামপুর লাতুমিয়া সড়কের থামায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

        জানা যায়, রাস্তায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্সচালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পেছন দিক থেকে আসা মোটরসাইকেল ও আরও কিছু বাসের জট লেগে যায়। তার কিছুক্ষণ পর বেপরোয়া গতিতে আসা দোয়েল পরিবহনের একটি বাস এসে জটলার মধ্যে ধাক্কা দিলে বাস-অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়।

        এতে মোটরসাইকেলের একজন আরোহী, বাসের একজন সুপারভাইজার, ও একজন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত হয় আরও অনেকেই। নিহতদের লাশ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে। এখন পর্যন্ত কারো নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

        গুরুতর আহতদের মধ্যে দু-তিনজনকে চট্রগ্রামে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

        এদিকে, ঝিনাইদহের দুই উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলছাত্রসহ দুজন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে তিনজন। গত শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে ঝিনাইদহ নগরবাথান বাজার ও মহেশপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বাগআঁচড়া গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে আব্দুল গফুর ও মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে রনি হোসেন।

        ‎পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে ঈদের নামাজ পড়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হয় স্কুলছাত্র আব্দুল গফুর। দুপুরের দিকে নসিমন গাড়িতে করে সাউন্ডবস্ক্র বাজিয়ে নাচতে নাচতে ঝিনাইদহের জোহান পার্কে যাচ্ছিল। পথে নগরবাথান বাজারে পৌঁছালে নসিমন গাড়ি থেকে আব্দুল গফুর ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

        অপরদিকে, মহেশপুরে বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় রনি। পথে কেশবপুর গ্রামে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রনিকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আরাপপুর হাইওয়ে থানার ওসি মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস।


        তথ্যসূত্র:
        ১। ফেনী ও ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬
        https://tinyurl.com/45t38w6a
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কুমিল্লায় বাস-ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ১২



          ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

          দৈনিক আমার দেশ জানায়, গত শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানায় তিনি।

          কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত ডাঃ অমিত ভৌমিকও ১২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

          ট্রেনে থাকা কয়েকজন যাত্রী জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় রেলগেট পার হওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। এসময় রেলগেট নামানো ছিল না বলে জানায় তারা।

          স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার সময় বাসটি ট্রেনের মুখে পড়ে। সংঘর্ষের পর ট্রেনটি বাসটিকে টেনে জাঙ্গালিয়া স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে যায়।

          কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, এই ঘটনায় ১২ জন (৬ পুরুষ, ৩জন নারী, ৩ জন মেয়ে শিশু) নিহত হয়েছে। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে ৫জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে এবং ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একজন আইসিওত আছেন।

          তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায কবলিত বাসটি বর্তমানে দৈয়ারা নামক এলাকায় রেলের সামনের ইঞ্জিনের সাথে আটকানো অবস্থায় আছে। ঘটনা স্থলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার, রেলওয়ে কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উদ্ধার কাজ পরিদর্শন করেছেন।

          ঢাকা মেইল ট্রেনের যাত্রী মোস্তাকিম আহমেদ দৈনিক আমার দেশ কে বলেন, আমি রেলের দ্বিতীয় বগিতে ছিলাম। তিনটার দিকে হঠাৎ করে বিকট শব্দ শুনতে পাই। চালনা দিয়ে তাকিয়ে দেখি সামনের দিকে আগুন জ্বলছে। বাহিরে তাকিয়ে দেখি বাস সামনে আটকে আছে এবং কিছু লোক ছিটকে পড়ে আছে।

          ঘটনাস্থল দৈয়ারা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি আসার পর দেখি ১০ থেকে ১২ টি লাশ বাসের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। পুলিশ এসে লাশগুলো বাসের ভেতর থেকে বের করছেন। এসময় কিছু দুর্বৃত্ত আহত যাত্রীদের থেকে লুটপাট করে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১২
          https://tinyurl.com/3y2etws5
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X