Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ৭ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি|| ২৭ মার্চ, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ৭ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি|| ২৭ মার্চ, ২০২৬ ঈসায়ী

    সেনা তহবিল লুট করে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলে সাবেক ডিজিএফআই প্রধান



    বিতর্কিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের অন্যতম কুশীলব প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ গ্রেপ্তার হয়েছে। গনমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে জুলাই হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

    সেনা কর্মকর্তাদের আমানত লুট ও জলসিঁড়ি কেলেঙ্কারি

    জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়ার পর সে দুর্নীতির বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। অভিযোগ রয়েছে, ‘আশিয়ান সিটি’র মাধ্যমে ওই প্রজেক্টের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নজরুল ইসলামের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। মামুন খালেদ সর্বমোট তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করে আশিয়ান সিটির সঙ্গে। তার মধ্যে দুটি চুক্তি হয় ২০১১ সালের ২০ মার্চ। অন্যটি একই বছরের ২৫ মে। এসব চুক্তিতে তার সহযোগিতায় ছিল সাবেক কয়েকজন জুনিয়র অফিসার।

    মামুন খালেদ প্রথম চুক্তিতে অফিসারদের জন্য তিন হাজার বিঘা জমি কেনার চুক্তি করলেও ওই দিনই তা পরিবর্তন করে ২ হাজার ২০০ বিঘার চুক্তি করে। বাকি ৮০০ বিঘা জমি নজরুল ইসলাম এবং মামুন খালেদ ভাগাভাগি করে নিতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আবার তৃতীয় চুক্তি করে, যেখানে শুধু ২ হাজার ২০০টি প্লটের কথা উল্লেখ আছে এবং অফিসারদের প্রত্যেককে পাঁচ কাঠা করে জমি দেওয়ার কথা আগে থাকলেও সে তাদের চার কাঠা করে দেওয়ার জন্য নতুন চুক্তি করে। লাখ লাখ টাকা জমা দিলেও (নৌ ও বিমান বাহিনীর ৫ হাজার ১০৩ জন চাকরিরত, ৮৮৫ জন অবসরপ্রাপ্ত) হাজার হাজার সেনা কর্মকর্তার কয়েকশ কোটি টাকা লোকসান হয়। অফিসারদের জমা দেওয়া ১ হাজার ১ কোটি টাকারও বেশি দিয়ে তিনি নিজের শ্বশুর ও শ্যালকের নামে একাধিক কোম্পানি গড়ে তোলে।

    জানা গেছে, সে ‘সাবলাইম’ গ্রুপের অধীন সাবলাইম নেটওয়ার্ক, সাবলাইম আইটি, সাবলাইম বাংলাদেশসহ অন্তত সাতটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে লুটপাটের অর্থ দিয়ে। এছাড়া ‘গ্রিন রেড লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে সরকারি বাসভবনকে ব্যবসার ঠিকানা বানিয়ে ২০০ কোটি টাকার ফ্লাইওভারের কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

    এর মধ্যে সাবলাইম নেটওয়ার্ক (রেজি. ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২), সাবলাইম আইটি (রেজি. ২৭ মার্চ ২০১২), সাবলাইম বাংলাদেশ (রেজি. ২৮ মার্চ ২০১৩), সাবলাইম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (রেজি. ১৯ ডিসেম্বর ২০১২), সাবলাইম বিজনেস (রেজি. ৮ ডিসেম্বর ২০১০), সাবলাইম রিসোর্স (রেজি. ৮ ডিসেম্বর ২০১০), সাবলাইম প্রোপার্টিজ (রেজি. ২৮ মার্চ ২০১১) উল্লেখযোগ্য। অর্থাৎ, সবগুলো কোম্পানি সে ডিজিএফআইয়ে থাকাকালীন প্রতিষ্ঠা করে।

    জানা গেছে, মামুন খালেদ জলসিঁড়ি প্রজেক্টের একটি খরচের তালিকায় বায়বীয় কিছু খরচের কথা উল্লেখ করে। এতে দেখা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালীদের অর্থ দেওয়া বাবদ খরচ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ফসলের ক্ষতি বাবদ ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা বাবদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা, অন্যান্য সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, পরিকাঠামো খরচ ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা, স্থানীয় কর্মীদের বেতন ৪৮ লাখ টাকা, শান্তকরণের জন্য অর্থ পরিশোধ ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা—সব মিলিয়ে ৫২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা খরচ দেখায়।

    অভিযোগ রয়েছে, মামুন খালেদ ডিজিএফআইয়ের পরিচালক থাকাকালীন জলসিঁড়ি প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন কিউএমজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে (সাবেক সেনাপ্রধান) নাজেহাল করার লক্ষ্যে রূপগঞ্জে স্থানীয় লোকদের দিয়ে ২০১০ সালের ২৩ অক্টোবর একটি নাটক মঞ্চস্থ করে, যার মাধ্যমে কিছু সেনাসদস্য স্থানীয়দের হাতে মার খায় এবং স্থানীয় কিছু লোক নিহত হন। এর ফলে ওই প্রকল্প তখন কিছুটা স্থবির হয় এবং এ ব্যাপারে মামুন খালেদের চক্রান্তে সব দোষ তৎকালীন কিউএমজির ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয়। ওই সুযোগকে ব্যবহার করে তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কিছু সেনা কর্মকর্তার যোগসাজশে ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে চাকরিচ্যুত করার পরিকল্পনা করে মামুন খালেদ। মামুন খালেদের চক্রান্ত তখন সফল হয়নি। তবে কিউএমজি ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে তখন দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ সরকার।

    এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার আসামি খালেদ মামুনকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি শেখ মামুন খালেদের নির্দেশে অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও নিপীড়নের জন্য দেশি অস্ত্রসহ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন এবং পরে মারা যান।


    তথ্যসূত্র:
    ১। সেনা তহবিল লুট করে সাবেক ডিজিএফআই প্রধানের ‘সাবলাইম’ সাম্রাজ্য
    https://tinyurl.com/yc3zdd3u
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মুন্নী সাহার অ্যাকাউন্টে ১২০ কোটি টাকা উত্তোলন, দুদকের তদন্তে অস্বচ্ছ লেনদেন



    কথিত সাংবাদিক মুন্নী সাহার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের এফডিআরে বা স্থায়ী আমানতের হিসাবে গরমিল পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল সম্পদের তথ্য থাকায় দুদকের পক্ষ থেকে তাকে তলব করা হয়। ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই দুদক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুদকের পক্ষ থেকে তার সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, আয়কর রিটার্ন, আয়ের উৎস, মোট সম্পদসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট চাওয়া হয়। তার এফডিআরের প্রায় ১২ কোটি টাকার হিসাব মিলাতে পারেননি দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

    এ বিষয়ে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সাবেকুল নাহার পারুল গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আমার দেশকে জানায়, মুন্নী সাহার সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান। আশা করি, শিগগিরই শেষ হবে।

    দুদক জানায়, ২০২৫ কর বর্ষ পর্যন্ত মুন্নী সাহার নামে এক কোটি ৮৫ লাখ ৩২ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ ও ১১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওই সময় পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্য আয় ছিল তিন কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা।

    অন্যদিকে তার স্বামী কবীর হোসেনের নামে দুই কোটি ১২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। মোট সম্পদ ১৬ কোটি ৬৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। তার গ্রহণযোগ্য আয় ছিল আট কোটি ১৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা।

    এছাড়াও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর মুন্নী সাহার একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ১২০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়। ওই অ্যাকাউন্টে এখন স্থিতি আছে ১৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১২ কোটি টাকার বৈধ উৎস দেখাতে পারেনি সে। মোট ১২০ কোটি টাকা ১৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। গুলশান ও কাওরান বাজারের ওয়ান ব্যাংকের শাখা থেকে এই মোটা অংকের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

    বিধিবহির্ভূত লেনদেনের অভিযোগে মুন্নী সাহার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইতোমধ্যে জব্দ করেছে বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ)। কাওরান বাজার ওয়ান ব্যাংকের শাখায় মুন্নী সাহার স্বামী কবির হোসেনের মালিকানাধীন এমএস প্রমোশনের নামে ২০১৭ সালের ২ মে একটি হিসাব খোলা হয়। যেখানে নমিনি হিসেবে নাম রয়েছে মুন্নী সাহার।

    অন্যদিকে, ব্যাংকটির চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখায় মাহফুজুল হকের মালিকানায় প্রাইম ট্রেডার্সের নামে ২০০৪ সালের ২১ জুলাই একটি হিসাব খোলা হয়। এই হিসাবে ১৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা স্থিতি রয়েছে।

    দুদকের উপ-পরিচালক ইয়াছির আরাফাত আদালতে মুন্নী সাহা ও তার স্বামীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, মুন্নী সাহা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন এবং জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করেছে। যেটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ১০ ও ১৪ ধারায় সে অপরাধ করেছে। এছাড়াও মুন্নী সাহার ডুপ্লেক্স বাড়ি ক্রয়ের আয়ের উৎস জানতে চেয়েছে কমিশন।

    সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই মুন্নী সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদে সে কোনো সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। অসংলগ্ন তথ্য দিয়েছে। তার আয়ের সঙ্গে টাকার পরিমাণ কীভাবে বেশি হলো এবং এফডিআরে ১২ কোটি টাকা কীভাবে বেশি হলো তার সঠিক উত্তর সে দিতে পারেনি। সে সময় চেয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন কমিশনার জানায়, দুদক আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবে। অনুসন্ধানের অগ্রগতি হয়েছে। মুন্নী সাহার কাছে তার আয়-ব্যয়ের ডকুমেন্ট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সূত্র জানায়, দুদকের অনুসন্ধান ঠেকাতে নানা মাধ্যমে তদবির শুরু করেছে মুন্নী সাহা। নতুন সরকার আসার পর এই তদবিরের গতি আরো বেড়েছে। নানা মাধ্যমে চাপ দেওয়া হচ্ছে কমিশনে। কিন্তু দুদক তার অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে মুন্নী সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

    উল্লেখ্য, মুন্নী সাহাকে এটিএন নিউজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে শিক্ষার্থী নাঈম হাওলাদার নিহত হওয়ার ঘটনায় একটি মামলার আসামি সে। কয়েক মাস আগে কারওয়ান বাজারে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন করলে ডিবি পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছিল। পরে মুচলেকায় ছাড়া পায়।

    তথ্যসূত্র:
    ১। মুন্নী সাহার অ্যাকাউন্ট থেকে ১২০ কোটি টাকা উত্তোলন
    https://tinyurl.com/bdcp8hm3
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      চুরির আগে পুলিশের সঙ্গে গরুচোরের আঁতাত, চোরের ফোনে মিলল প্রমাণ, এএসআই বরখাস্ত


      ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে এক গরুচোরের মোবাইল ফোনে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার আলাপের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

      জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, অভিযুক্ত এএসআই মোহাম্মদ মাসুদকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

      গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়নের দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন আলাল মিয়ার বাড়ি থেকে গরুটি উদ্ধার করা হয়। এবং গরু উদ্ধারের সময় স্থানীয়রা আলালের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এতে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এএসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। ইমোতে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট ও কলের আলামত থাকার কথাও জানান স্থানীয়রা।

      স্থানীয়রা জানান, আলাল মিয়া অতীতে মাদক চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিল এবং সেই সূত্রেই এএসআই মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয়। সর্বশেষ গরু চুরির সময়ও সে ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।

      ভয়েস রেকর্ড থেকে জানা যায়, গরু চুরির আগে এএসআই মাসুদকে কল দিয়ে আলাল বলে, ‘চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন।’

      পুলিশ সুপার আবদুর রউফ জানায়, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট এএসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন: এএসআইকে চোর
      https://tinyurl.com/8wy4tn29
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        এশিয়ায় ১৩ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস করেছে ইরান


        ইরানের হামলায় এশিয়ায় আমেরিকার ১৩টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে। ঘাঁটি ছেড়ে মার্কিন সেনারা এখন অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছে। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

        নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে ১৩টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংসের কথা বলা হচ্ছে, তার মধ্যে কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

        প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বুয়েরিং সামরিক ঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

        ইরানের ঐ অঞ্চলে বহু মার্কিন সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরবে মার্কিন সেনা এবং বিমান ঘাঁটিতেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। যদিও মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

        প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে থাকা আমেরিকার শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ইরান। এই ঘাঁটিটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আঞ্চলিক সদর দপ্তর। এছাড়া বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর ৫ম নৌ সদর দপ্তরেও হামলা করেছে ইরান। অন্য দিকে, সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়।

        উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলিকে ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তারা যদি আমেরিকা এবং ইসরায়েলকে সহযোগিতা করে, তা হলে তাদেরও রেহাই করা হবে না।

        নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরাক এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধের সময় উপসাগরীয় অঞ্চলে এই সেনাঘাঁটিগুলো তৈরি করেছিল আমেরিকা। কিন্তু এই হামলা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইরানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা আটকানোর মতো পরিকাঠামো ছিল না ওই সেনাঘাঁটিগুলোতে।


        তথ্যসূত্র
        1.Iran’s Attacks Force U.S. Troops to Work Remotely
        https://tinyurl.com/y45br56h
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ভারতে দেওবন্দ মাদ্রাসায় যাত্রাকালে একদল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে উগ্র হিন্দুত্ববাদীর উস্কানিমূলক হত্যার হুমকি



          ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার দারুল উলুম দেওবন্দে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে হায়দ্রাবাদ থেকে উত্তরপ্রদেশে ভ্রমণ করছিল একদল মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। যাত্রাকালে দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে উস্কানিমূলকভাবে শিক্ষার্থীদের হত্যার হুমকি দেয় গেরুয়া পোশাক পরিহিত এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী।

          ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দাড়ি, টুপি ও জুব্বা পরিহিত অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা স্টেশন প্লাটফর্মে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে ছিল, এমন সময় এক গেরুয়া পোশাক পরিহিত হিন্দু আক্রমণাত্মকভাবে তাদের কাছে আসে। এই উগ্রলোক হিন্দি ভাষায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সরাসরি হুমকি দিচ্ছিল। সে বলছিল, “গরু হত্যা করবি না, গোহত্যা করবি না, যদি করিস তবে তোদেরকে হত্যা করব”।

          এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তৎক্ষণাৎ দৃশ্যটি ধারণ করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। এটিকে তিনি মুসলিম পরিচয়ের সাথে সুস্পষ্ট উস্কানিমূলক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কেবল ট্রেনের জন্য স্টেশনে অপেক্ষা করছিল, তারা কারও জন্য হুমকির কারণ ছিল না। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই জাতীয় ঘটনা যেকোনও সময় মুসলিমদের প্রতি মিথ্যা ধারণা ও আইনি সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

          ভিডিওতে তিনি বিভিন্ন রাজ্য থেকে পরীক্ষার উদ্দেশ্যে আসা শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তারা চায় আপনি রাগান্বিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখান ও ঝগড়াঝাঁটিতে জড়ান। তিনি শিক্ষার্থীদের কোনও দুর্বৃত্তের সাথে তর্কে জড়িত না হয়ে শান্ত থাকার প্রতি আহ্বান জানান।

          উক্ত ঘটনা ধর্মীয় উত্তেজনা লাঘব ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

          উল্লেখ্য যে, উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে অবস্থিত দারুল উলুম দেলবন্দ ভারতের প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এখানে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/yc3m8ax6
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            গো-হত্যার অভিযোগে আসামের এক গ্রামে উগ্র হিন্দুত্ববাদী কর্তৃক মুসলিমদের বাড়িঘর ভাঙচুর



            ২৫ মার্চ বুধবার ভারতে আসামের কোকরাঝাড় জেলার নায়াসারা গ্রামে এক বাসিন্দার বাড়ির আঙিনায় গরুর মাংস ও দেহাবশেষ পাওয়ার অভিযোগে এলাকাজুড়ে গণসহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে মুসলিম পরিবারগুলো উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলার টার্গেটে পরিণত হয়। পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও মুসলিমদের ঘরবাড়ির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি সাধিত হয়।

            উক্ত মুসলিম বাড়িতে গরুর মাংস ও দেহাবশেষ পাওয়ার পেছেনে সুস্পষ্ট কারণ এখনও জানা যায় নি। কিছু গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা উস্কে দেওয়ার জন্য কেউ সেখানে এই মাংস ফেলে গেছে। আবার কেউ কেউ মতামত জানান, পার্শ্ববর্তী কোনও বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে কুকুরের মত প্রাণী দ্বারা তা বাড়ির আঙিনায় আনা হয়ে থাকতে পারে।

            তবে উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতার নিপীড়ন থেকে রেহাই পায় নি মুসলিমরা। উগ্র জনতা বেশ কয়েকটি মুসলিম বাড়ি ভাঙচুর করেছে, ঘরের জিনিসপত্র বাহিরে ছুঁড়ে ফেলেছে ও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে।

            উত্তেজনা রোধ করতে উক্ত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ভাঙচুরের ঘটনায় ৩ নারীসহ ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। সহিংসতা উস্কে পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।


            তথ্যসূত্র:
            1. https://tinyurl.com/3s2kb569
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X